মাসুদ চয়নের কবিতা
শালিকের শিল্পবোধ
ফাইল ছবি
১.
জন্মে বেদনা তীব্র হলে বেশ লাগে—
অবশ্য শকুনেরা মজা পায়, হাসে।
শৈত্যের একঝলক ওমের মতো আয়েশ পেলে শালিক শিল্পে সহজ হয়ে ওঠে—
সহজ স্নিগ্ধ ওম—
শকুনেরা গভীর অনুসন্ধানী—ইন্ধনে-অন্ধত্বে,
গভীর কষ্টে ডুবালে ভুলে যেতে চায়।
আমার ভুলে যাওয়া স্বভাবটা চিরকালের জন্য শালিক হয়ে গেছে।—
তাই মনে হয় এই কষ্টাশ্রয়ী মেঘ উপকৃতই।
কী গভীর ঋণ!
২.
প্রতিবার নীরব হতে গিয়ে থমকে যাই,
শালিক জন্ম আবারও—
ধূর্ত শকুনের রুখে দেওয়া দেখে দেখে
পথ বেঁকে ঢুকে পড়ে
শূন্য ও আকাশের সীমানায়।
দ্রুতিময় মহৎ আত্মসংযম,
রেজিমেন্ট কেঁপে ওঠে অনুধাবনে কৃপায়—
শালিকের নীরবতা দেখে তারা রুখে দিতে আসে—
শালিক প্রত্যাশাহীন
প্রতিরোধে নীরব অথৈ, ভয় পায়—
৩.
নীরবতা একা—
রুখে দেওয়া যায় সহজে—
দুর্বিপাকের ভয় রুখে দিতে চায়,
স্বপ্নের ইতিবৃত্তের—
ইতিহাস লেখে নর্দমা—
নীরব আত্মসংযম
দাঁড়িয়ে দেখে।
মেহগনি বাসকের অভয়ারণ্য ছুটে আসে,
নির্ঝরের স্বপ্নভঙ্গ, প্রভাতসংগীত,
রেজিমেন্ট রুলস কেঁপে ওঠে—
হারিয়ে নীরব হতে চেয়েছি—
৪.
শূন্যের মৃত—১৯০ প্রহর।
ফসিলের কবিতায় রিপিটেশন চলছে,
পৃথিবীতে রেজিমেন্ট রুলস,
অথৈ সৈন্য সামন্ত—ক্রমাগত গুলিবর্ষণ—
ফসিল ক্ষতবিক্ষত—
একা কবিতাই লড়ছে—
একপায়ে দাঁড়িয়ে—
চেতন মৃত, অবচেতনে।
এসইউ