চট্টগ্রাম বন্দরের ১৫ কর্মচারীকে ফের বদলি
চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল/ ছবি- সংগৃহীত
নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) বিদেশিদের ইজারা দেওয়ার সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে আন্দোলনরত ১৬ কর্মচারীকে সম্প্রতি চট্টগ্রামের বাইরে বদলি করা হয়। ওই ১৬ জনের মধ্যে ১৫ কর্মচারীকে ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে আবারও বদলি করা হয়েছে। এবার তাদের মোংলা বন্দর ও পায়রা বন্দরে বদলি করা হয়েছে।
সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের এক অফিস আদেশে এই বদলি করা হয়। নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সহকারী সচিব মো. বেলায়েত হোসেনের সই করা এক অফিস আদেশে দাপ্তরিক প্রয়োজনে বদলিপূর্বক সংযুক্তি প্রদান করার কথা জানানো হয়। এদের মধ্যে আটজনকে পায়রা বন্দরে এবং সাতজনকে মোংলা বন্দরে বদলি করা হয়েছে।
মন্ত্রণালয়ের আদেশে বদলি হওয়া কর্মচারীদের মধ্যে চট্টগ্রাম বন্দর রক্ষা সংগ্রাম পরিষদের সমন্বয়ক ও জাতীয়তাবাদী বন্দর শ্রমিক দলের সমন্বয়ক মো. হুমায়ুন কবিরকে মোংলা বন্দরে বদলি করা হয়েছে। আরেক সমন্বয়ক মো. ইব্রাহিম খোকনকে বদলি করা হয়েছে পায়রা বন্দরে।
আরও পড়ুন
চট্টগ্রাম বন্দরের আরও ৫ কর্মচারীকে বদলি
তৃতীয় দিনের কর্মবিরতিতে অচল চট্টগ্রাম বন্দর
বদলি হওয়া অপর কর্মচারীরা হলেন- মো. ফরিদুর রহমান, মোহাম্মদ শফি উদ্দিন, রাশিদুল ইসলাম, আবদুল্লাহ আল মামুন, মো. জহিরুল ইসলাম, খন্দকার মাসুদুজ্জামান, মো. হুমায়ুন কবির, মো. শাকিল রায়হান, মানিক মিঝি, মো. শামসু মিয়া, মো. লিয়াকত আলী, আমিনুর রসুল বুলবুল ও মো. রাব্বানী। তবে মন্ত্রণালয়ের বদলি আদেশে নেই ৩১ জানুয়ারি পানগাঁও টার্মিনালে বদলিকৃত অর্থ ও হিসাব বিভাগের উচ্চ হিসাব সহকারী মো. আনোয়ারুল আজিমের নাম।
এর আগে তিন পৃথক আদেশে এসব কর্মচারীকে ঢাকার কমলাপুর কনটেইনার ডিপো ও কেরানীগঞ্জের পানগাঁও নৌ টার্মিনালে বদলি করেছিল বন্দর কর্তৃপক্ষ। তবে তারা এসব কর্মস্থলে যোগ দেননি। আজ সোমবার তাদের আবারও বদলি করে দুই বন্দরে সংযুক্তি প্রদান করা হলো।
সংযুক্ত আরব আমিরাতভিত্তিক কোম্পানি ডিপি ওয়ার্ল্ডের কাছে এনসিটি ইজারা দেওয়ার সরকারি সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে গত শনিবার থেকে আট ঘণ্টা করে কর্মবিরতি পালন করে আসছেন শ্রমিক-কর্মচারীরা। আন্দোলনের তৃতীয় দিন আজ সোমবারও সকাল আটটা থেকে বিকেল চারটা পর্যন্ত বন্দর কার্যক্রমে অচলাবস্থা ছিল। বদলি প্রত্যাহার ও ইজারা বাতিলের দাবিতে আগামীকাল মঙ্গলবার থেকে একটানা ২৪ ঘণ্টার কর্মবিরতির ডাক দিয়েছে চট্টগ্রাম বন্দর রক্ষা সংগ্রাম পরিষদ।
এমডিআইএইচ/কেএসআর