ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. জাতীয়

যাত্রী কল্যাণ সমিতি

মার্চে সড়কে নিহত ৬১৯ জন, সবচেয়ে বেশি প্রাণহানি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায়

নিজস্ব প্রতিবেদক | প্রকাশিত: ০১:৩২ পিএম, ০৪ এপ্রিল ২০২৬

গত মার্চ মাসে ৬১৬টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৬১৯ জন নিহত এবং এক হাজার ৫৪৮ জন আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতি। সংগঠনটি জানায়, সড়ক, রেল ও নৌ-পথে সর্বমোট ৬৭০টি দুর্ঘটনায় ৬৮২ জন নিহত এবং এক হাজার ৭৯৬ জন আহত হয়েছেন। এ সময়ে সবচেয়ে বেশি হতাহত হয়েছে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায়। এতে ২৩৭ জন নিহত ও ১৯৭ জন আহত হয়েছেন, যা মোট দুর্ঘটনায় মোট নিহতের ৩৮ দশমিক ৬১ শতাংশ।

শনিবার (৪ এপ্রিল) সংগঠনটির মহাসচিব মো. মোজাম্মেল হক চৌধুরীর সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

দেশের জাতীয়, আঞ্চলিক ও অনলাইন সংবাদপত্রে প্রকাশিত সড়ক, রেল ও নৌ-পথের দুর্ঘটনার সংবাদ মনিটরিং করে এ প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে বলে জানিয়েছে সংগঠনটি।

মার্চে দুর্ঘটনায় প্রাণহানির তথ্য তুলে ধরে যাত্রী কল্যাণ সমিতি জানায়, এ মাসে সবচেয়ে বেশি সড়ক দুর্ঘটনা হয়েছে ঢাকা বিভাগে, ১৬০টি সড়ক দুর্ঘটনায় ১৭০ জন নিহত ও ৩২০ জন আহত হয়েছেন। সবচেয়ে কম সড়ক দুর্ঘটনা হয়েছে বরিশাল বিভাগে, ৩০টি সড়ক দুর্ঘটনায় ২৭ জন নিহত ও ১২২ জন আহত হয়েছেন।

আরও পড়ুন
যাত্রাবাড়ীতে ট্রাকের ধাক্কায় প্রাণ গেলো রিকশাচালক ও আরোহীর 
ব্রেক চাপলেও যে কারণে থামেনি পদ্মায় ডোবা বাসটি 

সড়কে দুর্ঘটনায় আক্রান্ত ব্যক্তিদের মধ্যে ৯ জন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য, ১৫৭ জন চালক, ৯০ জন পথচারী, ১৭ জন পরিবহন শ্রমিক, ৬৮ জন শিক্ষার্থী, ১৫ জন শিক্ষক, ৭৮ জন নারী, ৮৬ শিশু, চারজন সাংবাদিক, তিনজন চিকিৎসক, একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা, একজন আইনজীবী, তিনজন প্রকৌশলী এবং ১৩ জন বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীর পরিচয় মিলেছে।

নিহতদের মধ্যে ৫ জন পুলিশ সদস্য, একজন আনসার সদস্য, একজন বিজিবি সদস্য, একজন ফায়ার সার্ভিস সদস্য রয়েছেন।

দুর্ঘটনার ধরন বিশ্লেষণে দেখা যায়, এ মাসে সংঘঠিত মোট দুর্ঘটনার ৪০ দশমিক ৯০ শতাংশ জাতীয় মহাসড়কে, ৩০ দশমিক শূন্য ৩ শতাংশ আঞ্চলিক মহাসড়কে, ২২ দশমিক শূন্য ৭ শতাংশ ফিডার রোডে সংঘটিত হয়েছে। এছাড়াও সারা দেশে সংঘটিত মোট দুর্ঘটনার ৫ দশমিক ৫১ শতাংশ ঢাকা মহানগরীতে, শূন্য দশমিক ৪৮ শতাংশ চট্টগ্রাম মহানগরীতে ও শূন্য দশমিক ৯৭ শতাংশ রেলক্রসিংয়ে সংঘঠিত হয়েছে।

বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির দুর্ঘটনা মনিটরিং সেল গণমাধ্যম পর্যবেক্ষণে এসব তথ্য পেয়েছে। প্রকৃত হতাহতের ঘটনা আরও বাড়তে পারে বলে মনে করছে সংগঠনটি।

কেএসআর/