ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. মতামত

ফ্যামিলি কার্ডকে অনিয়ম ও দুর্নীতিমুক্ত রাখাই চ্যালেঞ্জ

আমীন আল রশীদ | প্রকাশিত: ১০:২৮ এএম, ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচির আওতায় সরকারি ভাতায় যে কত ধরনের অনিয়ম ও দুর্নীতি হয়, তা দেখার জন্য গুগলে ‘সরকারি ভাতায় দুর্নীতি’ লিখে সার্চ দিলেই অসংখ্য সংবাদের লিংক সামনে আসবে।

২০২১ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে টিআইবির একটি গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়, অনিয়ম-দুর্নীতির কারণে সরকারের অপ্রতুল বরাদ্দও যথাযথভাবে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের কাছে পৌঁছায় না। ইউনিয়ন পর্যায়ে জনপ্রতিনিধিরা প্রতিবন্ধীদের ভাতার কার্ড দিতে বেআইনিভাবে টাকা নিচ্ছেন। এমনকি স্থানীয় পর্যায়ে জনপ্রতিনিধিদের একাংশ প্রতিবন্ধীদের ভাতার অংশবিশেষ আত্মসাৎও করছে। (প্রথম আলো, ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২১)।

টিআইবির ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, প্রতিবন্ধী শনাক্ত, সুবর্ণ কার্ড ও ভাতা দেওয়ার ক্ষেত্রে একশো থেকে ৩ হাজার টাকা পর্যন্ত ঘুস নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে সংশ্লিষ্ট সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিরুদ্ধে। জরিপে সব ধরনের প্রতিবন্ধিতা শনাক্ত না করা, অধিকাংশ জেলা সদর হাসপাতালে প্রতিবন্ধী শনাক্তকরণ কার্যক্রমে দায়িত্বপ্রাপ্ত চিকিৎসকরা ‘অনেক ব্যস্ত’ থাকায় প্রতিবন্ধিতা শনাক্ত করতে সময়ক্ষেপণের পাশাপাশি বিভিন্ন অভিযোগ রয়েছে।

তবে শুধু প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নই নয়, বরং এর বাইরে আরও কিছু খাতে সরকারি ভাতা চালু রয়েছে। যেমন বয়স্ক ভাতা, বিধবা নারী ভাতা ইত্যাদি। কিন্তু সমাজের কতজন মানুষ এর সুফল ভোগ করছেন এবং যে পরিমাণ অর্থ দেয়া হয়, সেটি একজন মানুষ বা একটি পরিবারের জন্য আসলেই কতটা কাজে আসে—সেই প্রশ্নের বাইরেও এসব ভাতা পৌঁছানোর ক্ষেত্রে উপকারভোগীদের তালিকা প্রণয়নেই মূল অনিময় ও দুর্নীতি হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। তাছাড়া তালিকা তৈরির পরে ভাতা পাওয়ার ক্ষেত্রেও ঘুস দিতে হয়—এমন অভিযোগও বেশ পুরোনো।

বলা হয়, স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা টাকার বিনিময়ে পছন্দের লোকদের ভাতা কার্ড দেন। ভাতার অনলাইন আবেদনের জন্য ভাতাভোগীর কাছ থেকে অতিরিক্ত অর্থ আদায়েরও অভিযোগ আছে। কোনো কোনো ক্ষেত্রে প্রকৃত বিধবাকে মৃত দেখিয়ে তার ভাতা কার্ড বিক্রি করে দেওয়া হয়েছে—এমন খবরও গণমাধ্যমে এসেছে। এর সাথে আছে জনপ্রতিনধি ও প্রশাসনের লোকজনের স্বজনপ্রীতি। অনেক সচ্ছল ব্যক্তিও সরকারি এসব ভাতা পাচ্ছেন, বিপরীতে অনেক প্রকৃত অভাবী মানুষ থেকে যাচ্ছেন তালিকার বাইরে—এমন অভিযোগও কম নয়।

এর প্রধান কারণ সুশাসনের অভাব এবং ভাতা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের জবাবদিহি না থাকা। গণমাধ্যমে প্রতিবেদন হলে কালেভদ্রে দুয়েকজনের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়ার কথা শোনা গেলেও অধিকাংশ অপরাধের কথা আড়ালেই থেকে যায়। অনেক সময় কর্তৃপক্ষ অভিযোগ আমলে নেয় না। অনেক সময় সুশাসন ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে লোকবল সংকটের দোহাই দেয়া হয়।

এরকম বাস্তবতায় এবার আলোচনায় এসেছে ফ্যামিলি কার্ড। মূলত বিএনপির নির্বাচনি প্রচারের একটি বড় প্রতিশ্রুতি এই ফ্যামিলি কার্ড—যা দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমান তার প্রতিটি বক্তৃতায় বেশ গুরুত্বসহকারে উল্লেখ করেছেন। বিএনপির নির্বাচনি ইশতাহারেও ফ্যামিলি কার্ডের প্রতিশ্রুতি রয়েছে।

অনেক সময়ই সরকার জনগণের কল্যাণের কথা চিন্তা করে অনেক কর্মসূচি গ্রহণ করে, কিন্তু দেখা যায় তার সুফল ভোগ করছে তৃতীয় পক্ষ। বাজার সিন্ডিকেটের মতো এখানেও একটি মধ্যস্বত্বভোগী তৈরি হয়েছে যারা নানা কায়দা-কানুন করে জনগণের অর্থ হাতিয়ে নেয়। এতে একদিকে সরকারের বিপুল অর্থ খরচ হয়, অন্যদিকে প্রকৃত ব্যক্তির কাছে রাষ্ট্রীয় সহায়তা পৌঁছায় না। এই ধরনের তৎপরতা বন্ধ করা না গেলে ফ্যামিলি কার্ডের মতো একটি উদ্যোগও মুখথুবড়ে পড়বে, বিতর্কিত হবে।

জাতীয় নির্বাচনে দুই তৃতীয়াংশ আসনে জয়ী বিএনপি সরকার গঠনের পরপরই ফ্যামিলি কার্ডের ওপরে যে গুরুত্ব দিয়েছে, সেটি বোঝা যায় নতুন সরকারের শপথ গ্রহণের দুদিনের মাথায় এ সম্পর্কিত কমিটি গঠনের মধ্য দিয়ে।

প্রান্তিক ও নিম্ন আয়ের পরিবারের আর্থিক সুরক্ষায় গত ১৯ ফেব্রুয়ারি ‘ফ্যামিলি কার্ড’ বাস্তবায়নে ১৫ সদস্যের মন্ত্রিসভা কমিটি গঠন করে সরকার। যেখানে আছেন দুজন মন্ত্রী ও দুজন প্রতিমন্ত্রী। ২৪ ফেব্রুয়ারির মধ্যে একটি প্রাথমিক প্রতিবেদন দাখিল করতে কমিটিকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

সরকারের তরফে বলা হচ্ছে, দেশের ৮ বিভাগের ৮ উপজেলায় ফ্যামিলি কার্ডের পাইলটিং করা হবে। তবে কোন কোন উপজেলায় পাইলটিং হবে তা এখনো ঠিক হয়নি। পরিবেশমন্ত্রী আব্দুল আউয়াল মিন্টু সাংবাদিকদের বলেছেন, শুরুতে প্রান্তিক ও নিম্ন-আয়ের পরিবার ফ্যামিলি কার্ড পাবে। ধীরে ধীরে এর পরিসর বাড়ানো হবে।

বিএনপির নির্বাচনি ইশতেহারে বলা হয়েছে, নারীদের ক্ষমতায়নের জন্য ফ্যামিলি কার্ড দেয়া হবে—যার বিপরীতে প্রত্যেক মাসে একজন নারী দুই থেকে আড়াই হাজার টাকা নগদ সহায়তা পাবেন অথবা ওই টাকার সমপরিমাণে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য কিনতে পারবেন। বিএনপি মনে করে, এই উদ্যোগ নারীদের আত্মবিশ্বাস বাড়াবে।

এটা ঠিক যে, কর্মজীবী নারী বা সচ্ছল নারীর জন্য এই ফ্যামিলি কার্ড খুব আকর্ষণীয় কিছু হবে না। কারণ মাসে দুই থেকে আড়াই হাজার টাকা তার সংসারে খুব বেশি কিছু যোগ করবে না। কিন্তু যিনি কর্মজীবী নন, বিশেষ করে প্রান্তিক নারীদের জন্য মাসে আড়াই হাজার টাকা হয়তো কম নয়। সরকার এখনও এটা পরিষ্কার করেনি যে, কোন প্রক্রিয়ায় এই ফ্যামিলি কার্ড কাদেরকে দেয়া হবে। একজন চাকরিজীবী বা সচ্ছল নারীকেও এই কার্ড দেয়া প্রয়োজন কি না—সেটি বড় প্রশ্ন।

দ্বিতীয়ত, নারী বলতে কত বছর বয়স থেকে বোঝানো হবে। আবার ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে যদি প্রাথমিকভাবে যদি এক কোটি নারীকেও অর্থ সহায়তা দেয়া হয়, তাহলে এই বিপুল অঙ্কের টাকা রাষ্ট্র কোথা থেকে জোগাড় করবে, সেটিও প্রশ্ন।

অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগের পতনের পরে গত দেড় বছরে প্রচুর কল-কার‌খানা বন্ধের ফলে অনেক মানুষ কর্মহীন হয়েছে। সামগ্রিকভাবে দেশের অর্থনীতি ভঙ্গুর। এরকম পরিস্থিতিতে নিম্ম আয়ের এবং কর্মহীন মানুষের জন্য সামাজিক সুরক্ষাবলয় বিস্তৃত করা যেমন জরুরি, তেমনি সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচিতে খরচ বাড়লে সেই বাড়তি টাকা কোথা থেকে আসবে বা এই টাকা সংগ্রহে রাষ্ট্রের কৌশল কী হবে—সেটিও বড় আলোচনার বিষয়।

তার চেয়ে বড় প্রশ্ন, যে ফ্যামিলি কার্ডের প্রতিশ্রুতি দিয়ে বিএনপি ক্ষমতায় এসেছে এবং যে কর্মসূচির মধ্য দিয়ে তারা প্রান্তিক নারীদের কিছুটা হলেও অর্থনৈতিক স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে চায়, সেই প্রক্রিয়াটি বিগত দিনের সরকারি ভাতার মতো অনিয়ম, দুর্নীতি ও স্বজনপ্রীতির বৃত্তে ঘুরপাক খাবে কি না বা এই মহৎ উদ্যোগকে বিতর্কমুক্ত রাখা তথা প্রকৃত অর্থে অসহায় ও দুস্থ নারীদের কাছে এই কার্ড পৌঁছে দিতে সরকারের কৌশলগুলো কী হবে?

অনেক সময়ই সরকার জনগণের কল্যাণের কথা চিন্তা করে অনেক কর্মসূচি গ্রহণ করে, কিন্তু দেখা যায় তার সুফল ভোগ করছে তৃতীয় পক্ষ। বাজার সিন্ডিকেটের মতো এখানেও একটি মধ্যস্বত্বভোগী তৈরি হয়েছে যারা নানা কায়দা-কানুন করে জনগণের অর্থ হাতিয়ে নেয়। এতে একদিকে সরকারের বিপুল অর্থ খরচ হয়, অন্যদিকে প্রকৃত ব্যক্তির কাছে রাষ্ট্রীয় সহায়তা পৌঁছায় না। এই ধরনের তৎপরতা বন্ধ করা না গেলে ফ্যামিলি কার্ডের মতো একটি উদ্যোগও মুখথুবড়ে পড়বে, বিতর্কিত হবে।

সেজন্য উপকারভোগী নির্বাচন প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও ডিজিটাল যাচাই ব্যবস্থা চালু করতে হবে। এক্ষেত্রে ব্যক্তির বায়োমেট্রিক ভেরিফিকেশন বা ফিঙ্গারপ্রিন্ট এবং জাতীয় পরিচয়পত্রভিত্তিক পরিচয় নিশ্চিত করা জরুরি।

অর্থাৎ একক সামাজিক নিবন্ধন ব্যবস্থা, জাতীয় পরিচয়পত্র ও জন্মনিবন্ধনের সাথে সংযুক্ত ডাটাবেইজ, পরিবারভিত্তিক তথ্যভাণ্ডার, ডুপ্লিকেট ও ভুয়া উপকারভোগী শনাক্তকরণ, ব্যক্তির আয়, সম্পদ, জমি, বাসস্থানের অবস্থা ইত্যাদির ভিত্তিতে হালনাগাদ ডাটাবেইজ তৈরির মতো উদ্যোগ নিতে হবে। এই ধরনের ডিজিটাল ব্যবস্থাপনা শুধু সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচি নয়, বরং নাগরিকদের অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা দেয়া এবং পক্ষান্তরে নাগরিকদের অনিয়ম ‍ও দুর্নীতি প্রতিরোধেও ভূমিকা রাখতে পারে।

মনে রাখতে হবে, ফ্যামিলি কার্ড বা এরকম সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচির অর্থ সরাসরি উপকারভোগীর কাছে পৌঁছাতে হবে। পরিবারের অন্য কারো কাছে নয়। সেজন্য সঠিক তালিকা প্রণয়ন জরুরি। এই ধরনের কাজে প্রথম অনিয়ম ও দুর্নীতিটাই হয় তালিকা তৈরিতে। মাঠ পর্যায়ে যারা তালিকা তৈরির সাথে যুক্ত থাকেন, তাদের সততা ও আন্তরিকতার ওপর পুরো কার্যক্রমের সফলতা নির্ভর করে।

সুতরাং মাঠ পর্যায়ে কারা এই তালিকা প্রণয়নে যুক্ত থাকবেন, সেটি আগে ঠিক করা দরকার। যাদের বিরুদ্ধে অনিয়ম ও ‍দুর্নীতির অভিযোগ আছে বা যাদের সততা নিয়ে প্রশ্ন আছে, সচেতনভাবে তাদেরকে এই কাজ থেকে দূরে রাখতে হবে। প্রতিটি উপজেলায় এমন কিছু ভালো ও সৎ মানুষ নিশ্চয়ই পাওয়া যাবে, যারা প্রকৃত উপকারভোগীর তালিকা প্রণয়নে কোনো ধরনের অনিয়ম বা স্বজনপ্রীতির আশ্রয় নেবেন না। সরকারের উচিত হবে প্রথমে এই ধরনের কিছু ভালো মানুষ খুঁজে বের করা।

তালিকা তৈরির পরে সেটি প্রতিটি এলাকার একটি উন্মুক্ত স্থানে টানিয়ে দেয়ার ব্যবস্থা করতে হবে—যাতে প্রকৃত কেউ বাদ গেলে কিংবা যার এই ধরনের সহায়তা প্রয়োজন নেই, তার নাম তালিকায় ঢুকে গেলে সংশ্লিষ্ট বিভাগে যে-কোনো নাগরিক অভিযোগ করতে পারেন। যে-কোনো কাজে মধ্যস্বত্বভোগী কমানো বা মধ্যস্বত্বভোগী গোষ্ঠী বিলুপ্ত করাই সুশাসন নিশ্চিত করার একটি বড় শর্ত।

এছাড়া উপকারভোগী বাছাইয়ে রাজনৈতিক সুপারিশ নিষিদ্ধ করা; স্থানীয় জনপ্রতিনিধির পরিবর্তে নিরপেক্ষ কমিটি গঠন; প্রশাসনিক ও তথ্যভিত্তিক যাচাই বাড়ানো; নিয়মিত অডিট ও স্বাধীন নজরদারি নিশ্চিত করা; ত্রৈমাসিক অডিট; অভ্যন্তরীণ অডিট; বাহ্যিক স্বাধীন অডিট এবং দুর্নীতি দমন সংস্থার সক্রিয় নজরদারিও ফ্যামিলি কার্ডসহ যে-কোনো সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচি সফল হতে সহায়তা করে।

কোনো অভিযোগ পওয়া গেলে দ্রুত তার নিরপেক্ষ তদন্ত করে অপরাধীর শাস্তি নিশ্চিত করাও জরুরি। তালিকা তৈরি এবং উপকারভোগীর কাছে অর্থ পৌঁছাতে কোনো ধরনের ঘুস বা অনৈতিক লেনদেন যে শাস্তিযোগ্য অপরাধ, সেটি বেশি করে প্রচার করা দরকার। মানুষের মধ্যে এই বার্তা ছড়িয়ে দেয়া দরকার যে, ঘুস নেয়ার মতো ঘুস দেয়াও শাস্তিযোগ্য অপরাধ। এক্ষেত্রে গণমাধ্যম ও নাগরিক সমাজকে বিশেষ ভূমিকা পালন করতে হবে। অনিয়ম দেখলেই সেটা নজরে আনতে হবে। প্রতিবাদ করতে হবে। সরকারের যে-কোনো সমালোচনাকে বিরোধিতা হিসেবে না দেখে রাষ্ট্র পরিচালনায় সহায়ক হিসেবে বিবেচনা করতে শিখতে হবে।

সর্বোপরি, ফ্যামিলি কার্ড উপকারভোগীরা কীভাবে ব্যবহার করবেন, সেটি পরিষ্কার করতে হবে। যদি এটা ব্যাংকের এটিএম কার্ডের মতো হয়, তাহলে সমাজের প্রান্তিক নারীরা এর সঠিক ব্যবহার করতে পারবেন কি না এবং না পারলে তিনি যখন অন্য কারো সহায়তায় টাকা তুলতে যাবেন, সেখানেও দুর্নীতি হবে কি না, সেদিকেও নজর রাখতে হবে।

লেখক : সাংবাদিক ও লেখক।

এইচআর/জেআইএম