ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. মতামত

কেন বক্তব্যের সময় দায়িত্বশীলদের জিহ্বা অবাধ্য হয়ে ওঠে?

শাহানা হুদা রঞ্জনা | প্রকাশিত: ০২:৫০ পিএম, ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

বাংলাদেশের রাজনীতিতে মন্ত্রী মহোদয় ও উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের বিতর্কিত, অসংলগ্ন ও বাস্তবতার সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ বক্তব্য দেওয়ার ব্যাপারটা নতুন নয়। বরং বলা যায় এই প্রবণতা চলমান। যখনই একটা গ্রুপ ক্ষমতায় বসেন, তখনই তাদের কারো কারো মধ্যে নিজেকে জাহির করার এমন তাগাদা সৃষ্টি হয় যে চট করে কিছু ওয়াদা বা মন্তব্য করে বসেন।

গণমাধ্যমে সেইসব বক্তব্য বা ওয়াদা ভাইরাল হয়, সামাজিক মাধ্যমে সমালোচনা শুরু হয়। এরকম অসংখ্য উদাহরণ দেওয়া যাবে যে কিছু বক্তব্য শুনে মানুষ হাসাহাসি করেছে এবং সরকার বিব্রতবোধ করেছে। প্রায় প্রতিটি সরকারের মন্ত্রী পরিষদের মধ্যে এরকম কয়েকজন থাকেন। এমনকি তারা ক্ষমতা ছেড়ে দেওয়ার পরেও ওইসব “অমোচনীয় বাণী” মানুষের মুখে মুখে বা বাতাসে থেকে যায়, যেমন “খেলা হবে” এই কথাটি।

পরে কখনও সেইসব বিতর্কিত ও হাস্যকর উক্তির ব্যাখ্যা দেওয়া হয়, কখনও দুঃখপ্রকাশ করা হয়। কিন্তু মুখ থেকে বেরিয়ে যাওয়া কথা আর ফেরানো যায় না। আমাদের গুরুজনেরা প্রায়ই বলতেন,“স্বীয় জিহ্বা শাসনে রাখিবে”। বলা হতো বাড়িতে অতিথি এলে তাদের সামনে চটপট করে খেতে শুরু করবে না এবং কারো সামনে মুখ ফসকে উল্টাপাল্টা কথা বলবে না। কিন্তু আমাদের রাজনীতির জগতে কোন কোন মন্ত্রী মহোদয়, বড় রাজনীতিবিদ ও পদস্থ কর্মকর্তাদের কেউ কেউ কেন স্বীয় জিহ্বা শাসনে রাখতে পারেন না? এই উল্টাপাল্টা কথা বলার সংস্কৃতি কেন তৈরি হয়? উল্টাপাল্টা বক্তব্য হচ্ছে বাস্তব তথ্যের সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ দাবি বা বক্তব্য। যা হওয়ার নয় বা হতে পারে না সেরকম কথা বলা। যেমন, “উন্নত বিশ্ব জনশক্তি নিতে বাংলাদেশে আসবে, বাংলাদেশ কোথাও যাবে না।” এর আগে আমরা পেয়েছি 'লুকিং ফর শত্রুজ', 'আল্লাহর মাল আল্লাহ নিয়ে গেছে', বাংলাদেশ থেকে যাওয়া রিফিউজিরা সমুদ্রে ডুবে যায়নি, চলে গেছে’, 'হরতালকারী ও মৌলবাদীরা ভবনের স্তম্ভ ধরে টানাটানি করায় ভবন ধসে পড়েছে', ‘ঈদে বাড়ি গেলে ঘরে তালা লাগিয়ে যাবেন।’ ‘পুলিশ জোরে দৌড়াতে পারে না বলে অপরাধী ধরতে পারে না’ ইত্যাদি ইত্যাদি।

যেহেতু এটা মিডিয়ার যুগ, কাজেই নেতৃবৃন্দকে অবশ্যই মিডিয়া ট্রেনিং নিয়ে তথ্যভিত্তিক ব্রিফিং দিতে হবে। প্রয়োজনে ‘মুখপাত্র’ বা কমিউনিকেশন টিম থাকবে। তারাই মিডিয়া হ্যান্ডেল করবে। শুনতে কঠিন শোনালেও আধুনিক সমাজ ব্যবস্থায় মন্ত্রী, নেতা, আমলা সবার জন্যই যোগাযোগ দক্ষতা প্রশিক্ষণ প্রয়োজন। সংসদে বক্তব্য প্রদানকালেও এই যোগ্যতা কাজে দেবে। সংসদে কার্যকর বিতর্ক, সংসদীয় কমিটি ও প্রশ্নোত্তর পর্বকে সক্রিয় করা গেলে সরকার ও বিরোধীদল দু’পক্ষেরই জবাবদিহিতা বাড়ে।

নিত্যপণ্যের দামের ঊর্ধ্বগতির কারণে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের মানুষ কষ্টে থাকলেও সাবেক বাণিজ্যমন্ত্রীর এলাকার মানুষ বেশ ভালো ছিলেন। সেই ভালো থাকার প্রমাণ হিসেবে তিনি দাবি করেছিলেন, ‘তার এলাকার নারীরা এখন লিপস্টিক মাখছেন’, তাই বুঝে নিতে হবে তারা ভালো আছেন। কী অদ্ভুত দাবি মন্ত্রী সাহেবের।

নতুন সরকার ক্ষমতা নেওয়ার পর আমরা খুব করে প্রত্যাশা করছি আগের মতো অবান্তর ও হাস্যকর মন্তব্য আর শুনতে হবে না। কিন্তু ইতোমধ্যেই সড়ক পরিবহণ মন্ত্রী সড়কে চাঁদাবাজি বিষয়ে এমন মন্তব্য করেছেন, যা যথেষ্ট আলোচিত হচ্ছে। উচ্চ পদে থাকাকালীন কেউ যখন সংবেদনশীল বিষয়ে দায়িত্বজ্ঞানহীন উক্তি করেন, তখন তা মানুষের মনে ক্ষোভের সৃষ্টি করে। যেমন, এক মায়ের সন্তানের মৃত্যুর পর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সেই বাণী, “আল্লাহর মাল আল্লাহ নিয়ে গেছে”। এধরনের দায়িত্বজ্ঞানহীন উক্তির অসংখ্য উদাহরণ রয়েছে, যা মানুষকে ক্ষুব্ধ করেছে। আমাদের প্রধান উপদেষ্টা বলেছিলেন,’বাংলাদেশে ভোট কেনা যায়’ এবং ’বাংলাদেশের মানুষ জালিয়াত’। তাঁর এই বক্তব্য নিয়েও ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে জনমনে।

এছাড়া একই দলের বা প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন ব্যক্তিরা পরস্পরবিরোধী বক্তব্য দেন হরহামেশা। কে, কোন কথা বলবেন, এর কোন ম্যাপিং থাকে না। সংকটকালে সহমর্মিতাহীন বা অবমূল্যায়নমূলক ভাষা ব্যবহার করা নতুন কিছু নয়। এগুলো সবসময় যে তারা ইচ্ছাকৃতভাবে বলেন, তা নয়। অনেক সময় কথা বলতে বলতে বলে ফেলেন বা আবেগ থেকে এবং তাৎক্ষণিকভাবে একটা অপ্রাসঙ্গিক মন্তব্য করে ফেলেন। অনেকে অপ্রস্তুত হয়ে যে-কোনো একটা কথা বলে বসেন।

সবচাইতে দৃষ্টিকটু ও শ্রুতিকটু লাগে যখন এইসব উচ্চপদস্থ মানুষ পরস্পরকে ব্যক্তিগত আক্রমণ করেন এবং অতীত সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রম নিয়ে অযৌক্তিক তুলনা ও সমালোচনা করেন। বাংলাদেশের প্রধান দলগুলোর মধ্যে তীব্র প্রতিযোগিতা রয়েছে। এই প্রতিযোগিতায় অনেক সময় নেতাদের বক্তব্য হয়ে ওঠে “আক্রমণ ও পাল্টা আক্রমণ”কেন্দ্রিক।

ফলে যুক্তির চেয়ে মুখ্য হয়ে ওঠে আবেগ, উত্তেজনা ও ব্যক্তিগত হীনম্মন্যতা। নিজেদের অর্জন না বলে, অন্য দল কী পারেনি সেই বক্তব্যকে হাইলাইট করা হয়। কিছু মানুষ এই নেতিবাচক প্রচারণা পছন্দ করলেও অধিকাংশ মানুষ বিরক্তবোধ করেন। কোনো কোনো মন্ত্রী, নেতা ও উচ্চপদে থাকা ব্যক্তি এমন অপ্রাসঙ্গিক, অবাস্তব ও আক্রমণাত্মক বক্তব্য প্রদান করতে কেন ভালোবাসেন? খুব বেশিদিন আগেও এই প্রবণতা দেশের রাজনীতিতে ছিল না, বা খুব কম ছিল। গত ২০/২৫ বছর ধরে বিদ্বেষপ্রসূত কথাবার্তা বেড়েছে। অনেকে মনে করেন আমাদের দেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতিটা এখন এরকমই নেতিবাচক হয়ে উঠেছে। প্রতিযোগিতার নামে মৌখিক আক্রমণ ও অন্যকে হেয় করা বেড়েছে।
তবে অপ্রিয় হলেও সত্য যে সবচেয়ে ক্ষতি করেছে বর্তমানের মিডিয়াকেন্দ্রিক রাজনীতি। বিশেষ করে টিভি চ্যানেলগুলোর মাইক্রোফোন ও ক্যামেরা দেখার পরই কোন কোন মন্ত্রী ও নেতৃবৃন্দদের মধ্যে একধরনের উত্তেজনা সৃষ্টি করে। তারা তখন আত্মনিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে অতিরিক্ত ও অপ্রয়োজনীয় বক্তব্য দিয়ে ফেলেন।

অন্যদিকে মিডিয়াগুলোর মধ্যেও কেউ কেউ ‘সুড়সুড়ি’ দেওয়া নীতি’তে চলে। ২৪ ঘণ্টার নিউজ চালানোর, সোর্সের মুখ দিয়ে ভাইরাল বাণী বের করানোর ও সামাজিক মাধ্যমে দ্রুত আকর্ষণীয় হেডলাইন তৈরির জন্য খোঁচা দেন বা অপ্রাসঙ্গিক প্রশ্ন করেন। কিছু রাজনীতিবিদ মনে করেন চটুল বা চমকপ্রদ বক্তব্য দিলে মিডিয়া কাভারেজ বেশি পাওয়া যায়।

বিগত অন্তর্বর্তী সরকারের যিনি স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা ছিলেন, তিনি মিডিয়ার সামনে কোনোধরনের প্রস্তুতি ছাড়াই ব্রিফিং দিতেন। দেশে যখন মবতন্ত্র তুঙ্গে, সেইসময়ও উনি অনায়াসে বলেছেন, দেশে কোনো মব নাই। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই তিনি যা খুশি তাই বলেছেন এবং হাসাহাসির সম্মুখীন হয়েছেন।

যে বিষয় ওনার না, যে-সব কথা বলার কোনো প্রয়োজন ছিল না, সেইসব বিষয়েও অবলীলায় কথা বলে গেছেন। যেমন- তরকারিতে আলু বেশি ও পেঁয়াজের দাম নিয়ে ওনার অর্বাচীন বক্তব্য ভাইরাল হয়েছে এবং উনি তা এনজয় করেছেন। মানুষ যখন মনেকরেযে-সব হবে না, তখন সেই ব্যক্তি কথা বলার সময় লাগাম টানতে ভুলে যান। আর এই কারণেই যা মনে আসে, মুখে তাই বলে ফেলেন। একবারও ভেবে দেখেন না এতে তাদের উপর মানুষের আস্থা নষ্ট হয়। দলকানা লোক ছাড়া সাধারণ মানুষ ধীরে ধীরে মুখ ফিরিয়ে নেন।

অর্জন করা যাবে না বা অর্জন করা কঠিন, এধরনের বড় বড় ওয়াদা শুধু জনগণ ও দলের মধ্যেই নয়, প্রশাসনেও বিভ্রান্তি তৈরি করে। ভুল, অতিরিক্ত স্বপ্ন বা অস্পষ্ট বক্তব্য মাঠপর্যায়ে ভুল বার্তা পৌঁছে দিতে পারে। আর সবচেয়ে বড় ব্যাপার হলো আন্তর্জাতিক পরিসরেও ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

এই গ্লোবাল ওয়ার্ল্ড এর যুগে কোনো কথা গোপন থাকে না। মুহূর্তেই তা চারিদিকে ছড়িয়ে যায়। যেমন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আমলে আমরা দেখেছি ছাত্র উপদেষ্টা ও বৈষম্যবিরোধী তরুণ নেতারা ভারতের সাথে ক‚কূটনৈতিক সম্পর্ক নিয়ে অনেক অকূটনৈতিক ও বাগাড়ম্বর বক্তব্য দিয়েছেন। তাদের সেইসব বক্তব্য শেষপর্যন্ত দুটি দেশের মধ্যে বৈরী পরিস্থিতি সৃষ্টি করেছে। আমরা ভুলে যাই বিদেশি গণমাধ্যম বা কূটনৈতিক মহলে বিতর্কিত মন্তব্য দেশের ভাবমূর্তির উপর প্রভাব রাখে।

রাজনীতির মূল আদর্শ হওয়া উচিৎ ‘বন্ধুসুলভ যোগাযোগ’। অনেকটা কোনো দেশের পররাষ্ট্রনীতির মতো। পরস্পরের প্রতি অভিযোগ থাকবে, থাকবে প্রতিযোগিতা কিন্তু হিংসামূলক আচরণ নয়। দলের অভ্যন্তরে যেমন সহযোগিতা থাকতে হবে এবং আক্রমণাত্মক ভাষার ব্যবহার চলবে না, তেমনি দলের সাথে দলের ও নেতার সাথে নেতারও সেই যোগাযোগ থাকতে হবে। হিংসা, আক্রমণ দলে এবং সমাজে বিভাজন বাড়ায়। দেশের রাজনৈতিক অবস্থার কারণে আমরা সেই বিভাজিত অবস্থায় রয়েছি।

রাজনীতিতে শালীন ভাষা ও তথ্যনিষ্ঠ বক্তব্য খুব জরুরি। অশালীন ভাষা মানুষ পছন্দ করে না। নিজেদের মধ্যে, বন্ধু মহলে যে ভাষা চলে, সেই ভাষা সংসদে, বক্তব্য প্রদানকালে চলবে না। অশ্লীল কথা, স্লোগান কখনো গণ আন্দোলনের পক্ষে কাজ করবে না। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আমলে আমরা দেখেছি তরুণদের একটা অংশ অশ্লীল স্লোগান দিয়ে রাজপথে নেমেছিল। কিন্তু তাদের এই অ্যাপ্রোচ গ্রহণযোগ্যতা পায়নি। মানুষ তীব্র সমালোচনা করেছে।

নেতৃত্বের শক্তি শুধু ক্ষমতা প্রদর্শনেই নয়, দায়িত্বশীল বক্তব্যের মাধ্যমেও প্রকাশ পায়। তাই কে কী বললেন, এটা কথা নয়, বরং বুঝতে হবে রাজনৈতিক সংস্কৃতি কোন দিকে যাচ্ছে? তীব্র রাজনৈতিক প্রতিযোগিতা ও মিডিয়াকেন্দ্রিক রাজনীতির এই সময়ে বক্তব্য শুধু তথ্য প্রদান করা নয়, একটি সঠিক তথ্য দেওয়া। কারণ ’কথা’ রাজনৈতিক অস্ত্র।

‘কথা’র ভুল প্রয়োগ হলে বা মুখনিঃসৃত বক্তব্যের অর্থ ভুলভাবে ব্যাখ্যার আশঙ্কা থাকলে অনেক বড় ক্ষতি হয়ে যেতে পারে। এর প্রমাণও আমাদের সামনে আছে। কোনো বিষয়ে সীমিত জ্ঞান সমস্যা নয়, সমস্যা হচ্ছে তা ঢাকতে চাওয়া। সবাই সবকিছু জানবেন বা বিশেষজ্ঞ হবেন, তা নয়। তাই নেতা বা মন্ত্রীরা যখন কথা বলবেন, তখন বিশেষজ্ঞ ব্রিফিং নিয়ে কথা বলা দরকার।

যেহেতু এটা মিডিয়ার যুগ, কাজেই নেতৃবৃন্দকে অবশ্যই মিডিয়া ট্রেনিং নিয়ে তথ্যভিত্তিক ব্রিফিং দিতে হবে। প্রয়োজনে ‘মুখপাত্র’ বা কমিউনিকেশন টিম থাকবে। তারাই মিডিয়া হ্যান্ডেল করবে। শুনতে কঠিন শোনালেও আধুনিক সমাজ ব্যবস্থায় মন্ত্রী, নেতা, আমলা সবার জন্যই যোগাযোগ দক্ষতা প্রশিক্ষণ প্রয়োজন। সংসদে বক্তব্য প্রদানকালেও এই যোগ্যতা কাজে দেবে। সংসদে কার্যকর বিতর্ক, সংসদীয় কমিটি ও প্রশ্নোত্তর পর্বকে সক্রিয় করা গেলে সরকার ও বিরোধীদল দু’পক্ষেরই জবাবদিহিতা বাড়ে।

রাজনৈতিক মনোবিজ্ঞান বলে যে দায়িত্বশীল ভাষা নেতৃত্বের পরিপক্বতার চিহ্ন। শক্তিশালী গণতন্ত্রে নেতার সাহস শুধু আক্রমণে নয়, আত্মসমালোচনাতেও নিহিত। নেতৃত্বের উল্টাপাল্টা বক্তব্য কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়; এটি ক্ষমতার মনস্তত্ত্ব। দলীয় সংস্কৃতি ও সামাজিক কাঠামোর সম্মিলিত ফল। তাই এর সমাধানও সমাধানও খুঁজতে দল ও সরকারের মধ্যে সচেতনতা ও জবাবদিহিতা বাড়াতে হবে। যে বা যারা লাগামছাড়া কথা বলবেন, তাঁকে প্রশ্ন করতে হবে। কেন তিনি স্বীয় জিহ্বা শাসনে রাখতে পারছেন না, এটা খুঁজে বের করতে হবে। আর এজন্য দরকার সাংগঠনিক সংস্কার।

লেখক : যোগাযোগ বিশেষজ্ঞ ও কলাম লেখক।

এইচআর/এএসএম

আরও পড়ুন