রাজনৈতিক সম্প্রীতি বজায় রাখতে সংলাপে জোর দিলেন বিভিন্ন দলের নেতারা
ডেমোক্রেসি ইন্টারন্যাশনাল আয়োজিত সংলাপে পাঁচটি রাজনৈতিক দলের নেতারা অংশ নেন
ভবিষ্যতে রাজনৈতিক সম্প্রীতি বজায় রাখা, সহনশীলতা বৃদ্ধি এবং সংলাপের সংস্কৃতি জোরদারের প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেছেন বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারা।
রোববার (১ মার্চ) রাজধানীর এক হোটেলে ডেমোক্রেসি ইন্টারন্যাশনাল (ডিআই) আয়োজিত সংলাপ ও ইফতার অনুষ্ঠানে দেশের পাঁচটি রাজনৈতিক দলের নেতারা অংশ নেন। এসময় তারা রাজনৈতিক সহাবস্থান ও সৌহার্দ্য জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
অনুষ্ঠানে বিএনপি, জামায়াত, এনসিপি, গণঅধিকার পরিষদ ও গণসংহতি আন্দোলনের নেতারা এক মঞ্চে মিলিত হন। তারা ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক পরিবেশ আরও সহনশীল ও সংলাপনির্ভর করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।
যুক্তরাজ্যের ফরেন, কমনওয়েলথ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অফিস (এফসিডিও)-এর আর্থিক সহায়তায় ডেমোক্রেসি ইন্টারন্যাশনাল ও মাল্টিপার্টি অ্যাডভোকেসি ফোরাম (এমএএফ) যৌথভাবে ‘রাজনৈতিক সৌহার্দ্য সংলাপ ও ইফতার’ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
আয়োজকরা জানান, নাগরিক সমাজ ও রাজনৈতিক নেতৃত্বের মধ্যে যোগাযোগ বাড়ানো এবং জনস্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে সহযোগিতা জোরদার করাই এ আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য।
আরও পড়ুন
নির্বাচন-পরবর্তী সহিংসতা বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ নিন
সরকার পরামর্শ গ্রহণ না করলে বিরোধীদলের যে ভূমিকা সেটাই করবো
অনুষ্ঠানে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ, শ্রম ও প্রবাসী কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন, বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ ইমরান সালেহ প্রিন্স, সংসদ সদস্য এ বি এম মোশাররফ হোসেন, জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এহসানুল মাহবুব জুবায়ের, সংসদ সদস্য মীর আহমাদ বিন কাসেমসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের জ্যেষ্ঠ ও তরুণ নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
ডিআই-এর কান্ট্রি চিফ অব পার্টি আমিনুল এহসানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন চিফ অব পার্টি ক্যাথরিন সিসেল। ‘নির্বাচন-পরবর্তী সময়ে রাজনৈতিক সম্প্রীতির গুরুত্ব ও ভবিষ্যৎ করণীয়’ শীর্ষক মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ডিআই-এর মুখ্য পরিচালক ড. আব্দুল আলীম। আলোচনায় বক্তারা বলেন, রাজনৈতিক বিভাজন কমাতে নিয়মিত বহুদলীয় সংলাপ চালু রাখা এবং ভিন্নমতের প্রতি সহনশীল রাজনৈতিক সংস্কৃতি গড়ে তোলা সময়ের দাবি।
সংলাপে অংশ নেওয়া বক্তারা বলেন, ক্ষমতাসীন ও বিরোধী দল উভয়েরই দায়িত্ব রয়েছে রাজনৈতিক উত্তেজনা কমিয়ে গণতান্ত্রিক চর্চাকে এগিয়ে নেওয়ার। তারা নিয়মিত সংলাপ আয়োজন, তৃণমূল পর্যায়ে সহনশীলতা বৃদ্ধি এবং জাতীয় স্বার্থে পারস্পরিক সহযোগিতা জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। একই সঙ্গে নাগরিক সমস্যার সমাধানে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে সমন্বয় বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরা হয়।
অনুষ্ঠানের সমাপনী বক্তব্য দেন এমএএফ সদস্য ও এনসিপি নেতা এনজামুল করিম রিমন এবং ছাত্রদলের সাবেক নেতা সুলতানা জেসমিন জুঁই। তারা রাজনৈতিক সৌহার্দ্য বজায় রাখতে ধারাবাহিক আলোচনার পরিবেশ বজায় রাখার আহ্বান জানান।
জেপিআই/কেএসআর
সর্বশেষ - রাজনীতি
- ১ রাজনীতিক ও বিশিষ্ট ব্যক্তিদের সম্মানে বিএনপির ইফতার মাহফিল ৮ মার্চ
- ২ রাজনৈতিক সম্প্রীতি বজায় রাখতে সংলাপে জোর দিলেন বিভিন্ন দলের নেতারা
- ৩ নির্বাচন-পরবর্তী সহিংসতা বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ নিন
- ৪ সংসদ ও রাজপথে সোচ্চার থাকবে এনসিপি: নাহিদ ইসলাম
- ৫ খামেনিকে হত্যার প্রতিবাদে রাজধানীতে জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল