হতাশার বিশ্বকাপের শেষটা রঙিন হলো অস্ট্রেলিয়ার
হতাশার টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ মিশনের শেষটা রঙিন হলো অস্ট্রেলিয়ার। ওমানের বিপক্ষে ৯ উইকেটের দাপুটে জয় নিয়ে বিশ্বকাপ শেষ করলো অস্ট্রেলিয়া। ১০৫ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে একটি উইকেট হারিয়েই জয় পেয়েছে অজিরা। আসর থেকে বিদায় নিলেও ৬২ বল হাতে রেখে পকেটে পুরেছে দ্বিতীয় জয়।
ওপেনিংয়ে নামা অস্ট্রেলিয়ার অধিনায়ক মিচেল মার্শের ঝোড়ো ফিফটিতে ওমানের বোলাররা খেয়েছেন বেধড়ক পিটুনি। ট্রাভিস হেডের সঙ্গে ঝোড়ো ব্যাটিংয়ে গড়েন ৯৩ রানের জুটি। ৬ চারে ১৯ বলে ৩২ রান করে শাকিল আহমেদের বলে তাকেই ক্যাচ দিয়ে বিদায় নেন হেড। তিনি আউট না হলে ১০ উইকেটে জয়ের পথেই ছিল অজিরা।
মিচেল মার্শ অপরাজিত থেকে দলকে পাইয়ে দিয়েছেন জয়। মারকুটে ব্যাটিং করে করেছেন ৩৩ বলে ৬৪ রান। ৭ চার ও ৪ ছক্কায় সাজান ইনিংসটি। জশ ইংলিসও তার সঙ্গে অপরাজিত ছিলেন ৬ বলে ১২ রান করে। মেরেছেন দুটি চার। উইনিং শটও খেলেছেন তিনি।
ওমানের হয়ে বোলাররা বেধড়ক পিটুনি খেয়েছেন। শাকিল আহমেদ ছাড়া সবাই রান দিয়েছেন ওভারপ্রতি দশের ওপরে।
আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে ৬৭ রানের বড় ব্যবধানে জয় নিয়ে আসর শুরু করলেও জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে পরাজয়ে বিপদে পড়ে অজিরা। এরপর হারে স্বাগতিক শ্রীলঙ্কার কাছেও। সবশেষ বৃষ্টিতে আইরিশ ও সিকান্দার রাজাদের ম্যাচ ভেস্তে গেলে বিদায় নিশ্চিত হয়ে যায় মিচেল মার্শের দলের।
এর আগে, নিয়মরক্ষার ম্যাচে বল হাতেও ওমানকে ছাড় দেয়নি অস্ট্রেলিয়া। অজি বোলারদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় ১৬.২ ওভারে ওমান অলআউট হয় মাত্র ১০৪ রানে।
শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) পাল্লেকেল্লেতে ওমানকে ব্যাটিংয়ের আমন্ত্রণ জানায় অজি অধিনায়ক মিচেল মার্শ। তবে অস্ট্রেলিয়ার বোলারদের সম্মিলিত আক্রমণে লড়াকু পুঁজিও পায়নি ওমান।
ইনিংসের প্রথম বলেই হ্যাভিয়ের বার্টলেট আমির কলিমকে সাজঘরে যান ফেরান গোল্ডেন ডাকে। একা তিনি ব্যর্থ হয়েছেন বিষয়টা এমন নয়। সুবিধা করতে পারেননি ওমানের কোনো ব্যাটারই।
দলের বোর্ডে ১০০ রান যোগ হওয়ার আগেই ৮৯ রানে হারায় ৭ উইকেট। সর্বোচ্চ ৩২ রান করেছেন ওয়াসিম আলি। ১৭ রান করেন অধিনায়ক যতিন্দর সিং। ১৬ রান এসেছে হাম্মাদ মির্জার ব্যাট থেকে। শেষ পর্যন্ত দলটির বোর্ডে যোগ হয় ১০৪ রান।
অস্ট্রেলিয়ার হয়ে সর্বোচ্চ ৪ উইকেট পেয়েছেন অ্যাডাম জাম্পা। দুটি করে বার্টলেট ও ম্যাক্সওয়েল। সমান একটি করে পেয়েছেন স্টয়নিস ও এলিস।
আইএন