হাঁকডাক-দরদামে জমজমাট মিরপুরের বেনারসি পল্লী

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৯:১০ পিএম, ০৬ মার্চ ২০২৬
মিরপুরের বেনারসি পল্লীর একটি দোকানের সামনে ক্রেতাদের ভিড়/ছবি: জাগো নিউজ

প্রতিটি দোকানেই একাধিক বিক্রয় কর্মী। বিক্রেতাদের দেখাচ্ছেন বাহারী পোশাক। হাঁকডাক দেওয়ার জন্য দোকানের বাইরে আছেন কয়েকজন বিক্রয়কর্মী। নতুন নতুন কালেকশন আর ডিসকাউন্টের কথা বলে ক্রেতাদের আকৃষ্ট করার চেষ্টা করছেন তারা।

রাজধানীর মিরপুর ১০ নম্বর গোলচত্বর সংলগ্ন বেনারসি পল্লীর দোকানগুলোতে শুক্রবার (৬ মার্চ) বিকেলে দেখা গেছে এমন চিত্র।

শাড়ির এই বাজারে প্রায় ২০০ দোকান রয়েছে। জামদানি, টাঙ্গাইল, রাজশাহী সিল্ক, ব্রোকেড, ধুপিয়ান, ঢাকাই মসলিন, কাতান, কোটা, কাঞ্জিপুরম, জর্জেটসহ বাহারি শাড়ি এসব দোকানে মিলছে দেড় হাজার থেকে ১০ হাজার টাকায়। এছাড়া কাপড় ও কাজভেদে আরও বেশি দামের শাড়িও বিক্রি হচ্ছে দোকানগুলোতে। শাড়ির পাশাপাশি লেহেঙ্গা, সারারা, গাউন, দেশি-বিদেশি থ্রিপিস মিলছে দোকানগুলোতে।

বিক্রেতারা জানান, ঈদ সামনে রেখে বেনারসি পল্লীতে বেচাকেনা জমে উঠতে শুরু করেছে। ক্রেতার চাহিদা মাথায় রেখে বিক্রেতারা এনেছেন নতুন ডিজাইনের শাড়িসহ নানা পোশাক। দামও রাখা হচ্ছে নাগালের মধ্যে। তাদের আশা ঈদের পর নববর্ষ। এই দুই উৎসবকে সামনে রেখে চাঁদরাত পর্যন্ত বিক্রি-বাট্টা বাড়বে। 

agonews24.comবেনারসি পল্লীর একটি পোশাকের দোকান/ছবি: জাগো নিউজ

রূপসী বেনারসির স্বত্বাধিকারী আফজাল বলেন, এখানে ঐতিহ্যবাহী ঢাকাই জামদানি, সিল্ক, কাতান, লিনেন ও টাঙ্গাইলের সুতি শাড়ি পাওয়া যায়। বেচাকেনা শুরু হয়েছে, আশা করছি ভালো কিছু হবে।

মুন্না নামের আরেক ব্যবসায়ী বলেন, ছুটির দিনে ক্রেতা ভালোই আসছে। ভারত থেকে পণ্য কম আসায় এখন একটু দাম বেশি। তবে আমরা এডজাস্ট করে দিচ্ছি, ক্রেতাদের যেন ফিরে যেতে না হয় সেই চেষ্টা করছি।

ইমান ফ্যাশনের বিক্রয়কর্মী শফিক বলেন, বড় দোকানে ভিড় একটু বেশি, ভেতরের দোকানে কম। সবার কাছে প্রায় একই ধরনের পণ্য।

বেনারসি পল্লীর কলকাতা বড় বাজার শো রুমে কথা হয় কয়েকজন ক্রেতার সঙ্গে। সঞ্জিব নামের একজন ক্রেতা এসেছেন বোন ও দুলাভাইকে সঙ্গে নিয়ে। তিনি বলেন, বেশ কয়েকটি দোকানে ঘুরেছি। এখনো পছন্দ করতে পারিনি। শাড়ির দাম কিছুটা বেশি।

রাঙ্গাবউ দোকানটিতে উপহারের শাড়ি পছন্দ করছিলেন উত্তরা থেকে আসা ইশতিয়াক আহমেদ। তিনি বলেন, দাম কিছুটা বেশি রাখতে চাইছে। পিউর বেনারসি যেগুলো ৪ থেকে ৫ হাজার টাকা দাম সেগুলো ৭-৮ হাজার টাকা চাইছে। দরদাম করে কেনার চেষ্টা করছি। 

এসএম/এমএমকে

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।