কম ভাড়া-নিরাপদ যাতায়াতসহ ট্রেন ভ্রমণ পছন্দ যেসব কারণে

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১১:৫৬ এএম, ১৫ মার্চ ২০২৬
শের পরিবহন ব্যবস্থায় ট্রেন এখনো সাধারণ মানুষের আস্থার অন্যতম মাধ্যম/ছবি: জাগো নিউজ

বাংলাদেশে দূরপাল্লার যাতায়াতে ট্রেন এখনো অন্যতম জনপ্রিয় গণপরিবহন। তুলনামূলক কম ভাড়া, নিরাপদ ভ্রমণ এবং দীর্ঘ পথে স্বাচ্ছন্দ্যের কারণে প্রতিদিন বিপুল সংখ্যক মানুষ ট্রেনে যাতায়াত করেন। দেশের রেলপথ পরিচালনা করে বাংলাদেশ রেলওয়ে, যার নেটওয়ার্ক রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলকে সংযুক্ত করেছে।

বিশেষ করে দীর্ঘ দূরত্বে ট্রেন ভ্রমণের খরচ বাস বা বিমানের তুলনায় অনেক কম। ফলে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত মানুষের কাছে এটি সহজলভ্য পরিবহন হিসেবে বিবেচিত হয়। একই সঙ্গে ট্রেনে যাত্রীরা বসে বা শুয়ে ভ্রমণের সুযোগ পান, যা দীর্ঘ পথ পাড়ি দেওয়ার ক্ষেত্রে আরামদায়ক। এজন্য চট্টগ্রাম, রাজশাহী, খুলনাসহ বিভিন্ন দূরপাল্লার রুটে ট্রেনের চাহিদা সবসময়ই বেশি থাকে।

এছাড়া, সড়কপথে যানজট ও দুর্ঘটনার ঝুঁকি থাকলেও ট্রেন নির্দিষ্ট রেলপথে চলাচল করায় তুলনামূলকভাবে নিরাপদ ও সময়নিষ্ঠ বলে মনে করেন যাত্রীরা। একটি ট্রেনে একসঙ্গে অনেক যাত্রী পরিবহন করা সম্ভব হওয়ায় ঈদ বা বড় ছুটির সময় ট্রেন ভ্রমণের চাপ আরও বেড়ে যায়। এসব কারণেই দেশের পরিবহন ব্যবস্থায় ট্রেন এখনো সাধারণ মানুষের আস্থার অন্যতম মাধ্যম হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

ঢাকায় বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেন আমিনুর রহমান। তিনি বলেন, আমি দুই সপ্তাহ পর পর যশোর যাই পরিবারের কাছে। ট্রেনে পদ্মা সেতু হয়ে যেতে সময়ও কম লাগে। ট্রেন ভ্রমণ আরামদায়ক। এজন্য ট্রেনেই যাই।

চট্রগ্রামের বাসিন্দা তাওসিফ বলেন, আমি চট্রগ্রাম থেকে ঢাকায় ট্রেনেই যাতায়াত করি। ট্রেন ভ্রমণে ক্লান্তি আসে না। সড়কপথে ট্রেন ভ্রমণের সুবিধা অনেক। টয়লেট সুবিধাসহ সব ধরনের ফ্যাসিলিটি থাকে। শুধু আমি না, আমাদের অঞ্চলের বেশিরভাগ মানুষ ট্রেনে যাতায়াত করেন।

পঞ্চগড়ের ফরহাদ বলেন, ট্রেন ভ্রমণ এমন যে, সিট না পেলে কোথাও পেপার বিছিয়ে বসে যাওয়াও শান্তির। ট্রেনে দুর্ঘটনার ঝুঁকি কম থাকে। ঈদের সময় দেখা যায় ছাদেও মানুষ ভ্রমণ করছে। ট্রেন সব থেকে নিরাপদ বাহন।

এনএস/এএমএ

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।