কাটেনি আতঙ্ক, ফেরিঘাট এলেই বাস থেকে নেমে যাচ্ছেন যাত্রীরা
স্বজনদের সঙ্গে ঈদুল ফিতর উদযাপন শেষে ঢাকায় ফিরছে মানুষ। তবে ঈদের আগে এবং ঈদ পরবর্তী কিছু দুর্ঘটনা আতঙ্কগ্রস্ত করে তুলেছে যাত্রীদের। গত বুধবার রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বাস পদ্মায় তলিয়ে যাওয়ার ঘটনা দেশজুড়ে সর্বস্তরের মানুষের মনকে বিষাদময় করে তুলেছে। কুষ্টিয়া, রাজবাড়ী, মেহেরপুর, ফরিদপুর, ঝিনাইদহ, চুয়াডাঙ্গা, যশোর, খুলনার মানুষ যারা দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া ঘাট হয়ে ঢাকা ফিরছেন তাদের অনেকেরই মুখে দেখা গেলো আতঙ্ক।
শনিবার (২৮ মার্চ) গাবতলী বাস টার্মিনাল এলাকা ঘুরে দেখা গেছে ঢাকায় ফেরা মানুষের ঢল। তাদের সঙ্গে কথা বলে ঢাকায় ফেরা নিয়ে তাদের স্বস্তি এবং আতঙ্ক- মিশ্র অনুভূতি দেখা গেছে।
ঈদের ছুটি শেষ হলেও অনেক যাত্রী শুক্র ও শনিবার ছুটি কাটিয়ে রোববার ঢাকায় ফেরার পরিকল্পনা করছেন। এজন্য শনিবারও রাজধানীমুখী মানুষের ভিড় বেশ বেড়েছে। তবে, ঢাকায় ফেরা উত্তরবঙ্গের যাত্রীরা এলেঙ্গা, চন্দ্রা ও বাইপাইলে জটলায় আটকে থাকছেন ঘণ্টার পর ঘণ্টা।

গাবতলীতে আহাদ পরিবহনের চালক শফিক বলেন, এলেঙ্গা থেকে বাইপাইল পর্যন্ত ৮ থেকে ১০ ঘণ্টা বসে ছিলাম। সারাপথে জ্যাম, গাড়ি নড়ে না।
শ্যামলী পরিবহনের কাউন্টার মাস্টার স্বপন চন্দ্র দাশ বলেন, যেসব যাত্রী ঘাট হয়ে আসছেন, তারা আছেন আতঙ্কে। সেদিন দৌলতদিয়ায় নদীতে বাস পড়ার পর থেকেই এই অবস্থা। ঘাটে আসলেই সব যাত্রী ফেরিতে নেমে পড়ছেন।
কুষ্টিয়া থেকে ঘাট হয়ে ঢাকায় ফিরেছেন আসিফ। তিনি বলেন, ঘাটে বাস থামার সঙ্গে সঙ্গে আমি নেমে পড়ছি। টিভিতে দুর্ঘটনা দেখে সেই ভয় এখনো পাচ্ছি। ঘাটে বাস আসার সঙ্গে সঙ্গে ভয় লাগছে আমার বাসটি যদি নদীতে পড়ে যায়।
এমওএস/এএমএ