জালিয়াতি করে বন্দর থেকে পণ্যভর্তি কনটেইনার পাচার, ৭ ঘণ্টা পর উদ্ধার
ভুয়া নথি ব্যবহার করে চট্টগ্রাম বন্দর থেকে পাচার করা হয় পণ্যভর্তি একটি কনটেইনার। তবে ৭ ঘণ্টা পর সেটি উদ্ধার করা হয়।
মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) এ ঘটনা ঘটে। বিষয়টি জানাজানি হয় বুধবার (১ এপ্রিল)। বন্দর সচিব সৈয়দ রেফায়াত হামিম বিষয়টি জাগো নিউজকে নিশ্চিত করেছেন।
জানা গেছে, ফাহিম এটেয়ার অ্যান্ড কম্পোজিট লিমিটেডের নামে পণ্যের চালানটি আসে। এটির এজেন্ট হলো কন্টিনেন্টাল ট্রেডার্স।
মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১১টায় নগরীর হালিশহর বারনী ঘাট শাহজালাল ট্রাক টার্মিনালের পাশ থেকে কনটেইনারটি উত্তর করা হয়। এসময় কন্টেইনার পরিবহনে ব্যবহৃত টেইলারটি জব্দ করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। উদ্ধারের সময় কনটেইনারটির সীল অক্ষত পাওয়া গেছে বলে নিশ্চিত করেছে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ।
সূত্র জানায়, কনটেইনারটি পাচারের উদ্দেশ্যে জেএস ইন্টারন্যাশনাল সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টের নামে একটি ভুয়া অন-চেসিস অনুমতিপত্র, চালান এবং গেট পাস ব্যবহার করা হয়। নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) ব্যাকআপ ইয়ার্ড থেকে ট্রেইলারে লোড করে সিপিএআর গেট ব্যবহার করে মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে কনটেইনারটি বের করা হয়।
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে চট্টগ্রাম বন্দরের নিরাপত্তা বিভাগ বিষয়টি জানতে পারে। পরে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে কনটেইনারটির অবস্থান শনাক্ত করা হয়। এরপর দ্রুত অভিযান চালিয়ে হালিশহর বারনী ঘাট সংলগ্ন শাহজালাল ট্রাক টার্মিনালের পাশে, বিএমডি সাইফুল ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কশপ নামের একটি গ্যারেজ থেকে ওইদিন রাত সাড়ে ১১টার দিকে কনটেইনারটি উদ্ধার হয়। এসময় কনটেইনারটি পরিবহনে ব্যবহৃত ট্রেইলারটি জব্দ করা হয়। তবে কনটেইনার পাচারের সঙ্গে জড়িতরা পালিয়ে যায়।
এ ঘটনায় দায়ী ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে চিহ্নিত করে শাস্তির আওতায় আনতে উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন এবং বন্দর থানায় মামলা প্রক্রিয়াধীন বলে জানিয়েছেন বন্দর সচিব।
এমডিআইএইচ/ইএ