মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ

তেলপাম্পে পরিস্থিতি সামলাতে হিমশিম খাচ্ছেন বিক্রয় কর্মীরা

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৯:৫৫ পিএম, ০৭ এপ্রিল ২০২৬
তেলপাম্পে মোটরসাইকেল, প্রাইভেটকার ও বাসের দীর্ঘসারি, ছবি: জাগো নিউজ

মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের প্রভাবে দেশে তেল সংকট তৈরি হওয়ায় রাজধানীর পেট্রোল পাম্পগুলোতে তেলের সরবরাহ অপ্রতুল হয়ে পড়েছে। অনেক পাম্পে যানবাহনে তেল দেওয়া বন্ধ রয়েছে, আর যেখানে তেল সরবরাহ চালু রয়েছে, সেখানে মোটরসাইকেল, প্রাইভেটকার ও বাসের দীর্ঘ সারি দেখা যাচ্ছে। এ পরিস্থিতিতে গ্রাহকদের চাপ সামলাতে হিমশিম খাচ্ছেন পাম্পের কর্মীরা।

মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) বিকেলে রাজধানীর বিভিন্ন তেল পাম্পে কর্মরত কর্মীদের সঙ্গে কথা বললে এমন তথ্য জানান তারা।

সরেজমিনে মেঘনা পাম্প ও ট্রাস্ট ফুয়েল স্টেশন ঘুরে দেখা যায়, উভয় পাম্পের সামনে তেল নিতে আসা যানবাহনের দীর্ঘসারি। একের পর এক গাড়িতে তেল দেওয়ার কাজে ব্যস্ত পাম্পে কর্মরত শ্রমিকরা। মেঘনা ফিলিং স্টেশনের সামনে উল্টো দিকের গেট দিয়ে গাড়ি প্রবেশের জটলার কারণে নিরাপত্তা কর্মীরাও হিমশিম খাচ্ছেন।

মেঘনা ফিলিং স্টেশনের তেল বিক্রয় প্রতিনিধি রবিন বলেন, ‌‘ডিউটি শুরুর পর থেকে বিশ্রাম নেওয়ার সুযোগ নেই। সকালে দাঁড়িয়ে তেল দেওয়া শুরু করি এবং ডিউটি শেষ হলে বসার সুযোগ পাই। মাঝে মধ্যে খাওয়ারও সময় হয় না।’

পাম্পের অন্য এক নিরাপত্তা কর্মী বলেন, ‘আমরা দুই শিফটে ডিউটি করি। এক গ্রুপ যায়, অন্য গ্রুপ আসে। কোনো বসার সুযোগ নেই, সারাদিনই দৌড়ের ওপর থাকতে হয়।’

ট্রাস্ট ফুয়েল স্টেশনে কর্মরত তেল বিক্রয়কর্মী বলেন, দেশে তেল নিয়ে ঝামেলার পর থেকে একটা দিনও পাম্পে এসে বসার সুযোগ পাই না। মানুষের চাপ দেখেছেন। পাঁচ মিনিট তেল দেওয়া বন্ধ রাখলে পেছনে ১০০ গাড়ি দাঁড়িয়ে যাবে। যখন তেল শেষ হয়ে যায়। গাড়ি থেকে আনলোড করা হয় সেই সময়টুকু রেস্ট নেওয়ার সুযোগ পাই।

ট্রাস্ট ফুয়েল স্টেশনের এক বিক্রয়কর্মী বলেন, ‘দেশে তেল সংকট শুরু হওয়ার পর একদিনও পাম্পে এসে বসার সুযোগ পাইনি। মানুষের চাপ এতবেশি যে পাঁচ মিনিট তেল দেওয়া বন্ধ রাখলেই পেছনে ১০০ গাড়ি দাঁড়িয়ে যায়। মাত্র তেল শেষ হওয়ার সময়ই সামান্য বিরতির সুযোগ পাই।’

কেআর/এমএএইচ/

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।