পুলিশ সপ্তাহ উপলক্ষে রাষ্ট্রপতির বাণী


প্রকাশিত: ০৩:৫৭ পিএম, ২৬ জানুয়ারি ২০১৫

রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ পুলিশ সপ্তাহ উপলক্ষে বাণী দিয়েছেন। বাণীতে তিনি বলেছেন...

“পুলিশ সপ্তাহ ২০১৫ উপলক্ষে আমি বাংলাদেশ পুলিশের সকল সদস্যকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানাচ্ছি।

বাংলাদেশ পুলিশ দেশের ঐতিহ্যবাহী প্রতিষ্ঠান। মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উজ্জীবিত বাংলাদেশ পুলিশ দেশের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভ‚মিকা পালন করে যাচ্ছে। ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কর্তৃক স্বাধীনতার ঘোষণায় তাৎক্ষণিক সাড়া দিয়ে আমাদের বীর পুলিশ সদস্যগণ স্বাধীনতার প্রথম প্রহরে রাজারবাগ পুলিশ লাইনস্-এ পাক হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে সর্বপ্রথম সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। বাংলাদেশ পুলিশের ইতিহাসে তাঁদের অবদান স্মরণীয় হয়ে থাকবে। আমি মুক্তিযুদ্ধে পুলিশ সদস্যদের অপরিসীম অবদান গভীর শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করছি এবং তাঁদের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি। এছাড়াও যে সকল পুলিশ সদস্য দায়িত্ব পালনকালে নিহত, আহত ও পঙ্গুত্ব বরণ করেছেন, আমি তাঁদের অবদান শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করছি।

বাংলাদেশ পুলিশ দেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা রক্ষার পাশাপাশি জঙ্গিবাদ নিয়ন্ত্রণসহ অপরাধ দমনে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও প্রশংসনীয় ভ‚মিকা রেখে যাচ্ছে। দেশের সীমানা পেরিয়ে আজ বিশ্বের বিভিন্ন যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশে শান্তি প্রতিষ্ঠায় জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে এ বাহিনীর সদস্যগণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও বলিষ্ঠ ভ‚মিকা পালন করছে। ফলে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের মর্যাদা বৃদ্ধি পেয়েছে এবং বাংলাদেশ পুলিশের পেশাদারিত্ব ও দক্ষতা ব্যাপকভাবে প্রশংসিত হয়েছে। নিরাপদ ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ বিনির্মাণে পুলিশের প্রতিটি সদস্য আরও দক্ষতা ও আন্তরিকতার সাথে দায়িত্ব পালনে ব্রতী হবেন-এটাই আমার প্রত্যাশা। পরিবর্তিত বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশ পুলিশকে একটি আধুনিক, প্রযুক্তিনির্ভর ও জনবান্ধব প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে। আমার বিশ্বাস এ কার্যক্রম বাংলাদেশ পুলিশকে আরও গতিশীল করবে।

আমি ‘পুলিশ সপ্তাহ-২০১৫’ এর সার্বিক সাফল্য কামনা করছি। খোদা হাফেজ, বাংলাদেশ চিরজীবী হোক।”

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।