বিপৎসীমার ওপরে ৫ নদীর পানি, ৫ জেলায় বন্যার আভাস

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৬:২১ পিএম, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
পাহাড়ি ঢলে প্লাবিত মৌলভীবাজারের একটি অঞ্চল/ফাইল ছবি

টানা ভারী থেকে অতিভারী বর্ষণে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় এরই মধ্যে জলাবদ্ধতা তৈরি হয়েছে। এই ভারী বৃষ্টিতে আরও পাঁচ জেলায় বন্যা হতে পারে বলে জানিয়েছে বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র। জেলাগুলো হলো- নেত্রকোনা, হবিগঞ্জ, সুনামগঞ্জ, সিলেট ও মৌলভীবাজার।

বুধবার (২৯ এপ্রিল) বিকেলে বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের সহকারী প্রকৌশলী মোস্তফা কামাল জিহানের সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নেত্রকোনার ভুগাই-কংস নদী জারিয়াজাগুইল পয়েন্টে, সোমেশ্বরী নদী কমলাকান্দা পয়েন্টে, মগরা নদী নেত্রকোনা পয়েন্টে এবং মৌলভীবাজারের মনু নদী মৌলভীবাজার পয়েন্টে প্রাক-মৌসুমি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

আরও পড়ুন
চট্টগ্রামে আরও চারদিন বৃষ্টির আভাস
মৌলভীবাজারে পানিবন্দি ৫ শতাধিক পরিবার
চট্টগ্রামে নিচু এলাকায় এখনো পানি পুরোপুরি নামেনি, ভোগান্তিতে নগরবাসী

এছাড়া উত্তর-পূর্বাঞ্চলের হাওর অববাহিকার সিলেট, সুনামগঞ্জ জেলার সুরমা ও কুশিয়ারা নদীর পানি সমতল আগামী তিনদিন বাড়তে পারে। তৃতীয় দিন কুশিয়ারা নদীর পানি সমতল প্রাক-মৌসুমি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হতে পারে এবং সুরমা নদীর পানি সমতল সতর্কসীমায় প্রবাহিত হতে পারে, ফলে সিলেট ও সুনামগঞ্জ জেলার হাওর সংলগ্ন নিম্নাঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে।

বন্যা পূর্বাভাস কেন্দ্র জানিয়েছে, মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জ জেলার মনু, খোয়াই ও জুড়ি নদীর পানি সমতল আগামী তিনদিন বাড়তে পারে। খোয়াই ও জুড়ি নদী আগামী ২৪ ঘণ্টায় দ্রুত বৃদ্ধি পেয়ে প্রাক-মৌসুমি বিপৎসীমার ওপর প্রবাহিত হতে পারে। ফলে মৌলভীবাজার জেলার হাওর সংলগ্ন নিম্নাঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হতে পারে এবং হবিগঞ্জ জেলায় বন্যা পরিস্থিতি সৃষ্টি হতে পারে।

আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের সর্বোচ্চ বৃষ্টি হয়েছে কিশোরগঞ্জের নিকলীতে, ১৬১ মিলিমিটার। এছাড়া ভোলায় বৃষ্টি হয়েছে ১৫১ মিলিমিটার, ফেনীতে ১৪৮ মিলিমিটার।

আরএএস/বিএ

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।