জুবায়ের হত্যা মামলার রায় ৮ ফেব্রুয়ারি
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) ইংরেজি বিভাগের ছাত্র জুবায়ের আহমেদ হত্যা মামলার রায় ঘোষণার দিন ৮ ফেব্রুয়ারি নির্ধারণ করেছেন আদালত। বুধবার মামলার রায় ঘোষণার দিন নির্ধারিত ছিল।
এ দিন আসামিদের আদালতে হাজির করতে না পারায় ৮ ফেব্রুয়ারি দিন ধার্য করেছেন ট্রাইব্যুনাল। ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-৪ এর বিচারক এ বি এম নিজামুল হক সকাল সোয়া ১১টার দিকে এ আদেশ দেন।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী এ্যাডভোকেট তাসলিমা ইয়াছমিন দিপা জানান, ট্রাইব্যুনাল রায় ঘোষণার জন্য প্রস্তুত থাকলেও হরতালে ও অবরোধে নিরাপত্তাজনিত কারণে আসামিদের আদালতে উপস্থিত করতে না পারায় এ মামলার রায় ঘোষণা হচ্ছে না।
গত ২৮ জানুয়ারি মামলার বিচারিক কার্যক্রম শেষ হলে রায় ঘোষণা করার জন্য এ দিন ধার্য করে আদেশ দেন বিচারক এ বি এম নিজামুল হক। সেদিন জামিন থাকা সাত আসামির জামিন বাতিল করে কারাগারে প্রেরণ করার আদেশ দেন আদালত।
এ মামলার ১৩ আসামি হলেন মো. নাজমুল হুসেইন প্লাবন, শফিউল আলম সেতু, অভিনন্দন কুণ্ডু অভি, মো. মাহমুদুল হাসান মাসুদ, নাজমুস সাকিব তপু, মাজহারুল ইসলাম, কামরুজ্জামান সোহাগ, খন্দকার আশিকুল ইসলাম, খান মোহাম্মদ রইস, রাশেদুল ইসলাম রাজু, ইসতিয়াক মেহবুব অরূপ, মাহবুব আকরাম ও জাহিদ হাসান।
আসামিরা জাবির বিভিন্ন ব্যাচ ও বিভাগের শিক্ষার্থী এবং ছাত্রলীগের নেতা-কর্মী। ১৩ আসামির মধ্যে সাতজন বর্তমানে কারাগারে আছেন। এরা হলেন মো. নাজমুল হুসেইন প্লাবন, শফিউল আলম সেতু, অভিনন্দন কুণ্ডু অভি, মো. মাহমুদুল হাসান মাসুদ, নাজমুস সাকিব তপু, মাজহারুল ইসলাম ও কামরুজ্জামান সোহাগ।
পলাতক আসামিরা হলেন খন্দকার আশিকুল ইসলাম, খান মোহাম্মদ রইস, রাশেদুল ইসলাম রাজু, ইসতিয়াক মেহবুব অরূপ, মাহবুব আকরাম ও জাহিদ হাসান।
গত বছরের ২৩ ফেব্রুয়ারি মামলার কাঠগড়া থেকে চার আসামি খন্দকার আশিকুল ইসলাম আশিক, খান মো. রইছ, ইশতিয়াক মেহবুব অরূপ ও মাহবুব আকরাম পালিয়ে যায়।
প্রসঙ্গত, ২০১২ সালের ৮ জানুয়ারি বিকেলে জুবায়ের আহমেদকে প্রতিপক্ষ ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা কুপিয়ে জখম করে। পরদিন ভোরে রাজধানীর ইউনাইটেড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।
জুবায়ের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আবাসিক হলের ছাত্র ছিলেন। তার বাড়ি পটুয়াখালী জেলার কলাপাড়া উপজেলায়।
বিএ/আরআইপি