সুদানের কাছে পাট বিক্রির বকেয়া অর্থ চায় বাংলাদেশ
সুদানের কাছে পাট বিক্রির বকেয়া ১৪ কোটি ৬২ লাখ টাকা ফেরত চেয়েছে বাংলাদেশ। ১৯৯২ সালে জুট মিলস করপোরেশন (বিজেএমসি) পাট ও পাটপণ্য রফতানি করেছিল। দীর্ঘ দিন পর আবারও বড় অঙ্কের এ অর্থ ফেরত পেতে উদ্যোগ নিতে দেশটির রাষ্ট্রদূতের কাছে আহ্বান জানানো হয়েছে।
সোমবার সচিবালয়ে পাট মন্ত্রণালয়ে এক বৈঠকে দিল্লিতে নিযুক্ত বাংলাদেশ ও ভারতের দায়িত্বে থাকা সুদানের রাষ্ট্রদূত ড. হাসান তালিব অর্থ ফেরত দেওয়ার বিষয়ে আবারও আশ্বাস দিয়েছেন। বৈঠকে বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী মুহাম্মদ ইমাজ উদ্দীন প্রামাণিক এ দীর্ঘ দিনের বকেয়ার বিষয়টি উপস্থাপন করেন।
১৯৯২ সালে এগ্রিকালচার ব্যাংক অব সুদানের সঙ্গে চুক্তি অনুযায়ী বিজেএমসি বাকিতে ২ কোটি ৫৪ লাখ ডলার মূল্যের এক লাখ ৭৩ হাজার ৯৬০ বেল পাটপণ্য সুদানে রফতানি করে। এক বছরের মধ্যে তিন কিস্তিতে অর্থ পরিশোধের কথা থাকলেও প্রথম দুই কিস্তিতে ১ কোটি ১২ লাখ ডলার পরিশোধ করা হয়।
এরপর দেশটি আর কোনো অর্থ দেয়নি দেশটি। এর আগে বড় অঙ্কের এ পাওনা আদায়ে সব ধরনের কূটনৈতিক তৎপরতা ব্যর্থ হয়েছে। অন্তত ১১ বার সুদানে উচ্চক্ষমতার প্রতিনিধি দল পাঠিয়েও অর্থ আদায় করা যায়নি।
বৈঠকে বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মির্জা আজম, মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব ফরিদ উদ্দীন আহমদ চৌধুরী, বিজেএমসির চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) হুমায়ুন খালেদ, টেক্সটাইল মিলস করপোরেশনের চেয়ারম্যান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. বায়েজিদ সরোয়ারসহ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতনরা উপস্থিত ছিলেন।
বিএ/আরআইপি