চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণ করা হয় তরুণীকে
উচ্চ বেতনে চাকরির দেয়ার প্রলোভন দেখিয়ে বিক্রয়কর্মী তরুণীকে (২১) ধর্ষণ করে আশরাফ (তুষার) ও লাভলু। মঙ্গলবার র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব) কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে একথা জানান র্যাবের লিগ্যাল ও মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক কমান্ডার মুফতি মাহমুদ খান।
গত ২১ মে রাজধানীর কুড়িলে একটি শোরুমের বিক্রয়কর্মী তরুণীকে মাইক্রোবাসে তুলে ধর্ষণ করে কয়েকজন দুর্বৃত্ত। পরে এ ঘ্টনায় ওই তরুণী রাজধানীর ভাটারা থানায় মামলা করে।
মামলার সূত্র ধরে সোমবার রাতে র্যাবের একটি তদন্ত দল ঘটনায় সরাসরি জড়িত দুই জনকে গ্রেফতার করে। আসামীরা হচ্ছে আশরাফ (তুষার) এবং জাহিদুল ইসলাম লাভলু। এ ছাড়া ঘটনার আগে করা পরিকল্পনায় ফিরোজ নামে আরেকজন জড়িত ছিল বলে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়। আশরাফ ও লাভলু সিগনেট বাইং হাউজের ড্রাইভারি করতো।
মুফতি মাহমুদ জানান, ১৭ মে দুইজন সাউথ আফ্রিকান নাগরিককে নিয়ে আশরাফ যমুনা ফিউচার পার্কের সেই দোকানটিতে গিয়ে মেয়েটির সঙ্গে নানা ধরণের কথা বলে। তার বেতন এবং চাকরীর অভিজ্ঞতার কথা জিজ্ঞেস করে। এক পর্যায়ে সে মেয়েটির মোবাইল ফোন নম্বর নিয়ে তার সঙ্গে বেশ কয়েকদিন কথা বলে।
পরবর্তী দুই-তিনদিন ওই তরুণীর গতিবিধি লক্ষ্য করে তাকে ধর্ষণের পরিকল্পনা করে। পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী আসামিরা ২১ মে রাতে যমুনা ফিউচার পার্কের অপর পাশের একটি রেস্টুরেন্টে মেয়েটির জন্য অপেক্ষা করে এবং চাকরিতে সিভি দেয়ার জন্য মেয়েটিকে ফোন করে গাড়িটির সামনে আসতে বলে।
মেয়েটি গাড়ির সামনে আসলে তাকে জোর করে গাড়িতে তুলে আশরাফ। পরবর্তীতে আশরাফ নিজে এবং তার পরে লাভলু তাকে ‘নির্যাতন’ করে। পরবর্তীতে রাত ১০ টায় তাকে উত্তরায় ফেলে পালিয়ে যায়। আসামিরা র্যাবের কাছে তাদের দায় স্বীকার করেছে বলে জানিয়েছেন মুফতি মাহমুদ খান। আসামীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
এআর/এএইচ/এমএস