প্রতিমন্ত্রী টুকু
প্রাণিসম্পদ খাত সমৃদ্ধ করতে সরকারি-বেসরকারি উদ্যোগ প্রয়োজন
দেশের প্রাণিসম্পদ খাতকে সমৃদ্ধ করতে সরকারি-বেসরকারি উদ্যোক্তাদের সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।
বুধবার (১৩ মে) লাইভস্টক সার্ভিস ট্রান্সফরমেশন (এলএসটি) প্রকল্পের সম্ভাব্যতা সমীক্ষাবিষয়ক ভ্যালিডেশন কর্মশালাতে তিনি এ মন্তব্য করেন। বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল (বার্ক) মিলনায়তনে কর্মশালাটি হয়।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী বলেন, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা ও মানুষের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রাণিসম্পদ ও জীববৈচিত্র্যের গুরুত্ব অপরিসীম। তাই প্রাণীর যথাযথ পরিচর্যা ও সেবার ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে। সরকার প্রাণিসম্পদ খাতকে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে এবং এ খাতের উন্নয়নে কার্যকর উদ্যোগ নিচ্ছে।
সুলতান সালাউদ্দিন টুকু উল্লেখ করেন, প্রাণিসম্পদ খাতের সঠিক ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে রোগ নির্ণয়, উন্নত ক্লিনিক ব্যবস্থা ও পর্যাপ্ত জনবলের প্রয়োজন রয়েছে। এ খাতকে আধুনিক ও কার্যকরভাবে পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় প্রকল্প নেওয়া এবং যথাযথ বাজেট বরাদ্দ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
তিনি বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান দেশের খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন। পরবর্তীতে সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াও এ খাতকে গুরুত্ব দিয়েছেন। বর্তমানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রাণিসম্পদ খাতকে এগিয়ে নিতে আন্তরিকভাবে কাজ করছেন।
তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে, সম্মিলিত প্রচেষ্টা ও আন্তরিকতার মাধ্যমে প্রাণিসম্পদ খাত দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে এবং একটি সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব হবে।
প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. শাহজামান খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. দেলোয়ার হোসেন। তিনি বলেন, প্রাণিসম্পদ খাতকে রপ্তানিমুখী খাতে পরিণত করতে হবে এবং এ জন্য প্রকল্পের পরিধি ও বিনিয়োগ বাড়ানো জরুরি। দেশের পুষ্টি নিরাপত্তা, কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে প্রাণিসম্পদ খাতের ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে। তাই এ খাতকে আরও অগ্রাধিকার দিয়ে পরিকল্পিতভাবে এগিয়ে নিতে হবে।
কর্মশালায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন এলএসটি প্রকল্পের টিম লিডার ড. মো. মুশফিকুর রহমান। স্বাগত বক্তব্য দেন প্রকল্প পরিচালক ড. রেজাউল হক খান। এসময় মন্ত্রণালয় এবং অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
এনএইচ/একিউএফ