উন্নয়নশীল দেশের স্বীকৃতি : প্রধানমন্ত্রীকে মন্ত্রিসভার অভিনন্দন

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৭:৪৬ পিএম, ১৯ মার্চ ২০১৮ | আপডেট: ০৭:৫২ পিএম, ১৯ মার্চ ২০১৮

জাতিসংঘ বাংলাদেশকে উন্নয়নশীল দেশের স্বীকৃতি দেয়ায় প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানিয়েছে মন্ত্রিসভা। মন্ত্রিসভার নিয়মিত বৈঠকের শুরুতেই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে এই অভিনন্দন জানানো হয়। সচিবালয়ে প্রেস ব্রিফিংয়ে এ কথা জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ‘বাংলাদেশকে উন্নয়নশীল দেশের স্বীকৃতি দিয়েছে জাতিসংঘ। এজন্য প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানিয়েছে মন্ত্রিসভা।’

তিনি বলেন, ‘গত ১৫ মার্চ বাংলাদেশকে উন্নয়নশীল দেশের এই স্বীকৃতি দেয়া হয়। মন্ত্রিসভা মনে করে, প্রধানমন্ত্রীর গতিশীল ও প্রাজ্ঞ নেতৃত্বে এ অর্জন সম্ভব হয়েছে। মন্ত্রিসভা মনে করে এ অর্জন সমগ্র জাতির।’

মন্ত্রিপরিষদ সচিব আরও বলেন, ‘সিঙ্গাপুরভিত্তিক আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন গবেষণা সংস্থা দ্য স্ট্যাটিসটিকস ইন্টারন্যাশনাল সম্প্রতি এক জরিপে দক্ষ নেতৃত্ব রাষ্ট্রনায়কোচিত গুণাবলি ও মানবিকতা, আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও বাস্তবায়নসহ ২০১৭ সালে আন্তর্জাতিক মিডিয়ায় আলোচনায় থাকার পরিপ্রেক্ষিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে বিশ্বের দ্বিতীয় সেরা প্রধানমন্ত্রী নির্বাচন করেছে। এজন্য প্রধানমন্ত্রীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জ্ঞাপন করেছে মন্ত্রিসভা।’

cabinet-2

মন্ত্রিপরিষদ সচিব আরও জানান, বড় ধরনের দুর্যোগ মোকাবেলায় জন্য গঠিত এশীয় প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের রিজিওনাল কনসালটেটিভ গ্রুপের (আরসিজি) দ্বিতীয় সম্মেলন গত ৫ ও ৬ ডিসেম্বর সিঙ্গাপুরে অনুষ্ঠিত হয়। ওই সম্মেলনের সমাপনী অধিবেশনে আরসিজি ২০১৭ সালের চেয়ার হিসেবে সিঙ্গাপুর সরকারের পক্ষ থেকে বাংলাদেশ সরকারের প্রতিনিধি ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সচিবের কাছে ২০১৮ সালের চেয়ারম্যানশিপ হস্তান্তর করা হয়। বাংলাদেশের জন্য এটি একটি সম্মানজনক অর্জন। সেখানে বাংলাদেশকে একটি ক্রেস্ট দেয়া হয়। সেই ক্রেস্ট সোমবার মন্ত্রিসভা বৈঠকের শুরুতে প্রধানমন্ত্রীর হাতে তুলে দেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া।

শফিউল আলম বলেন, ‘রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে ভারতীয় পরামর্শকদের সেবা গ্রহণ করা হবে। এ বিষয়ে আগেই একটি চুক্তি হয়েছে। চুক্তির সংযুক্তি-১ এর অংশটিকে মন্ত্রিসভার অনুমোদনের জন্য আনা হয়েছে।’

এছাড়া মন্ত্রিসভা পায়রাবন্দরের রাবনাবাদ চ্যানেলের ক্যাপিটাল ও মেইনটেন্যান্স ড্রেজিংয়ের বিষয়টি জাতীয় অগ্রাধিকার প্রকল্প (এনপিপি) হিসেবে ঘোষণার প্রস্তাব অনুমোদন দিয়েছে জনিয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ‘আমাদের পিপিপি (সরকারি বেসরকারি অংশীদারিত্ব) আইনে আছে কোনো প্রকল্পকে এনপিপি ঘোষণা করতে হলে মন্ত্রিসভার অনুমোদন লাগবে। পায়রাবন্দরকে সক্ষম রাখতে হলে ক্যাপিটাল ও মেইনটেন্যান্স ড্রেজিং করতেই হবে।’

আরএমএম/জেডএ/পিআর