সিএনজি অটোরিকশার ভাড়া ৩ গুণ

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০১:৪৫ পিএম, ২৬ আগস্ট ২০১৮

গাবতলী থেকে মিরপুর ১১ নম্বর যেতে সিএনজি চালিত অটোরিকশার সর্বোচ্চ ভাড়া ১৫০-১৮০ টাকা। রোববার (২৬ আগস্ট) সকালে সে ভাড়া চাওয়া হচ্ছে ৪০০ টাকা। যাত্রীর তুলনায় সিএনজি চালিত অটোরিকশার সংখ্যা কম। তাই ভাড়া নেয়া হচ্ছে আড়াই থেকে তিনগুণ।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, নগরীতে পঙ্গপালের মতো ফিরছে সর্বস্তরের মানুষ। নাড়ির টানে বাড়ি ফিরতে ভোগান্তির যেন অন্ত নেই। ৬ ঘণ্টার পথ ১৪ ঘণ্টায় শেষ হচ্ছে। পদে পদে বাড়তি খরচ। এর মধ্যে ঢাকায় সিএনজি চালিত অটোরিকশার ভাড়া সবচেয়ে বেশি নেয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ।

রাসেল আহমেদ নামের একজন যাত্রী জানান, যাব মোহাম্মদপুর তাজমহল রোডে। ভাড়া স্বাভাবিকের চেয়ে দ্বিগুণ বললাম। তাতেও যেতে চায় না। সিএনজি চালকেরা বলছে, মালামাল বেশি, ভাড়া আরও বাড়াতে হবে।

CNG

একই ধরনের কথা জানিয়েছেন আবির হোসেন। জাগো নিউজকে তিনি বলেন, ‘২০০ টাকার ভাড়া ৫০০ টাকা চাচ্ছে। এর কোনো মানে হয়! বসে থাকবে তবু কমে যাবে না। সবগুলোই একই রকম। সিন্ডিকেট করে বসে আছে।’

ঈদ ফেরত মানুষের সঙ্গে ছোট-বড় লাগেজ। অনেকে বাড়ি থেকে চাল, কোরবানির মাংস এনেছেন। বাড়তি এসব দেখে চালকেরা ইচ্ছামতো ভাড়া চাচ্ছেন।

সিএনজি চালিত অটোরিকশা চালক আক্কেল আলী বলেন, ‘ঈদ মাটি কইরা ভাড়া মারতাছি ভাড়া একটু বেশি পাওয়ার আশাতেই। এটা দোষের কী? ঈদে সেবা দিচ্ছি, লাগেজ টানছি মামা। আপনারা এটা দেখবেন না। শুধু ভাড়া নিয়া চিন্তা করতাছেন।’

CNG

লাগেজ নিয়ে ফিরতি পথের সর্বত্রই বেশি খরচ হচ্ছে। এ বিষয়ে আলিম নামের একজন বলেন, ‘বাড়ি থেকে চাল আনলাম। কিছু কোরবানির মাংসও আনছি ফ্রিজিং করে। এগুলো গাড়িতে তুলতে আলাদা বকশিশ দিতে হয়েছে। টিকিটেও বেশি ভাড়া নিয়েছে। এখন সিএনজি চালিত অটোরিকশার ভাড়াও বেশি চাচ্ছে।’

সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, মানুষের এই নগরীমুখী স্রোত আরও কয়েকদিন থাকবে। তবে যাত্রীদের নিরাপত্তায় যেন কোনো ঘাটতি না থাকে, সে বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে সতর্ক থাকতে দেখা গেছে।

এমএ/এসআর/এমএস

আপনার মতামত লিখুন :