শুধু উন্নয়ন করলেই হয় না, তা মনে করিয়েও দিতে হয়

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০২:০৬ এএম, ০৮ ডিসেম্বর ২০১৮

 

আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বিএনপির চরিত্র কেমন তা আমরা দেখেছি। আন্দোলনের নামে কীভাবে নিরীহ মানুষকে পুড়িয়ে মেরেছে? আর আমরা কীভাবে দেশের জন্য কাজ করেছি? শুধু উন্নয়ন করলেই হয় না, মানুষকে তা মনে করিয়েও দিতে হয়।

শুক্রবার (৭ ডিসেম্বর) গণভবনে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগকে বিজয়ী করতে প্রশাসনের তিন শতাধিক সাবেক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার সংহতি প্রকাশ অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, এটা যে শুধু অসমারিক প্রশাসনে হয়েছে তেমন না, সামরিক প্রশাসনেও হয়েছে। ওদের (বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকার) হিসেব ছিল-আমরা কাদের প্রমোশন দিলাম। প্রমোশন পাওয়াটাই তাদের অপরাধ ছিল। তারা এমন অনেককে ওএসডি করেছিল যাদের চাকরির বয়স ২৫ বছরও হয়নি। এমন অনেকে আছেন যাদের শেষ দিন পর্যন্ত কোনো কাজ করতে দেয়া হয়নি।

বঙ্গবন্ধু কন্যা বলেন, ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত যারা ক্ষমতায় ছিল তারা দেশকে অনেক পিছিয়ে দিয়েছিল। ২০০৮ সালের নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে আমরা বাংলাদেশকে একটি স্বয়ংসম্পূর্ণ দেশ হিসেবে গড়ে তোলার জন্য কাজ শুরু করি।

তিনি বলেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সমালোচনা করার কারণে আমাকে জেলে নেয়া হয়। সেখানে বসে আমি লিখেছিলাম ক্ষমতায় এলে আমরা কী কী করব। যদিও জানতাম না আমার কী হবে?

এ সময় তিনি অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের নিজ দায়িত্বে এলাকার মানুষকে বর্তমান সরকারের উন্নয়ন ও সফলতা তুলে ধরতে বলেন। সেই সঙ্গে আওয়ামী লীগের জন্য ভোট চাওয়ার আহ্বান জানান।

আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার সঙ্গে সংহতি প্রকাশ অনুষ্ঠানে অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের মধ্যে সাবেক মুখ্য সচিব, সিনিয়র সচিব ও সচিবসহ বিভিন্ন কমিশনের চেয়ারম্যান ও সদস্য ছিলেন ৫৭ জন, সাবেক রাষ্ট্রদূত ৯ জন, সাবেক অতিরিক্ত সচিব ও যুগ্ম সচিব ৭৫ জন।

এছাড়াও ছিলেন স্বাস্থ্য ক্যাডারের ১৪ জন; শিক্ষার ১৪ জন; প্রকৌশলী ২৭ জন; বন ও ডাক বিভাগের ১১ জন; পুলিশের ১০ জন; কর ও তথ্যের ১১ জন; কৃষি ক্যাডারের ৬৭ জন; টেলিকম, শুল্ক ও আবগারি, হিসাব ও নিরীক্ষা, রেলওয়ে এবং খাদ্যের ১১ জনসহ মোট ৩০৭ জন।

 

এইউএ/এএইচ/এমএমজেড

আপনার মতামত লিখুন :