ঘর সাজাতে ঈদে নেই গাছের চাহিদা

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৪:১৭ পিএম, ৩১ মে ২০১৯

জায়গা কম, তাই অল্প একটু জায়গা পেলে প্রাণের সঞ্চার ঘটাতে সেখানেই গাছ লাগানোর প্রবণতা রয়েছে রাজধানীবাসীর মধ্যে। নানা জাতের এসব গাছ ঘরের সৌন্দর্য বৃদ্ধিতেও সহায়ক। ঈদে মানুষ নতুন জামা-কাপড়ের সঙ্গে ঘরকেও সাজায় মনের মতো করে। ঘর, আঙিনা, বাগান সাজাতে গাছের গুরুত্ব থাকলেও এ বছর ঈদকে সামনে রেখে রাজধানীর নার্সারিগুলোতে গাছ বিক্রিতে মন্দা চলছে বলে দাবি করছেন সংশ্লিষ্টরা।

আজ শুক্রবার রাজধানীর কলাবাগান ও ধানমণ্ডি এলাকার বিভিন্ন নার্সারির মালিক ও কর্মচারীরা প্রতিবেদকের কাছে এ দাবি করেন। সকাল সাড়ে ১০টা থেকে দুপুর পৌনে ১২টা পর্যন্ত ঘুরে এসব নার্সারিতে ক্রেতার সন্ধান মেলেনি।

কলাবাগানের ছায়াতল গার্ডেনের মালিক মোক্তার হোসেন বললেন, ‘প্রতি বছরই ঈদের আগে বিক্রি ভালো হয়েছে। গত বছরও ভালো বিক্রি ছিল। তবে এ বছর বিক্রি অনেক কম। রোজার আগে যে বিক্রি ছিল, রোজা শুরুর পর সেটাও হচ্ছে না।’

তিনি বলেন, ‘এখন তো ঢাকায় মানুষ কমতে শুরু করেছে। তাই ঈদের আগে ভালো বিক্রির আর কোনো সম্ভাবনা নেই।’

Tree-2

হতাশার সুরে মোক্তার হোসেন বলেন, ‘আমাদের এসব গাছ তো ঘর ও বাগান সাজানোর জন্যই। কিন্তু ঈদে মানুষ তাদের ঘর বা বাগান সাজাতে গাছ কিনছে না।’

সর্বনিম্ন ২০ টাকা থেকে শুরু করে সর্বোচ্চ ৪ থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত বিভিন্ন গাছ বিক্রি হয় ছায়াতল গার্ডেন থেকে। তবে ঈদ সামনে রেখে প্রতিদিন তার নার্সারি থেকে ৩০০ থেকে ৪০০ টাকার গাছ বিক্রি হচ্ছে বলে জানালেন তিনি।

ছায়াতল গার্ডেনের পাশে রাইসা গার্ডেন। এটা মোক্তার হোসেনের সেজো ভাইয়ের বাগান। বিক্রি না থাকায় তার ভাই গ্রামের বাড়ি চলে গেছে বলে জানান মোক্তার হোসেন।

ধানমণ্ডি শেখ জামাল মাঠের পাশে মা নার্সারি। সেখানেও নানা জাতের গাছের সমাহার। এখানেও রোজা শুরুর পর বেচাকেনা কমেছে বলে দাবি করেন এই নার্সারির কর্মচারী মো. রাসেল। তিনি বলেন, ‘এহন পুরাই বিক্রি কম। রোজার আগে ভালো ছিল।’

পিডি/এসআর/এমকেএইচ

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]