কিছু চালকের বেপরোয়া গতি উদ্বেগজনক পর্যায়ে পৌঁছেছে

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০২:৪৯ পিএম, ০১ সেপ্টেম্বর ২০১৯

দেশের কিছু গাড়িচালক বেপরোয়া হয়ে গেছে। এটি উদ্বেগজনক পর্যায়ে পৌঁছেছে। এ জন্য আমাদের সবাইকে সচেতন হওয়া প্রয়োজন বলে জানিয়েছেন তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ।

রোববার (১ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে তথ্যমন্ত্রীর দফতরে সমসাময়িক বিষয় নিয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

বিআইডব্লিউটিসির কর্মকর্তা কৃষ্ণা রায়কে গাড়িচাপা দেয়া নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আসলে বাংলাদেশে কিছু চালক আমি সব চালককে বলব না। যেভাবে বেপরোয়া হয়ে উঠেছে এটি উদ্বেগজনক পর্যায়ে পৌঁছেছে। আমি মনে করি সবাইকে সচেতন হওয়া প্রয়োজন।

বাস-ট্রাক মালিক ও শ্রমিক ইউনিয়নকে অনুরোধ জানিয়ে তিনি বলেন, চালক ব্যতীত কোনো চালকের সহকারীর হাতে যাতে গাড়ির স্টিয়ারিং তুলে দেয়া না হয়।

তিনি বলেন, গত কিছুদিনের মধ্যে যেসব দুর্ঘটনা হয়েছে; সেখানে অনেক ক্ষেত্রে ড্রাইভার নয়, হেলপার গাড়ি চালাচ্ছে।

কৃষ্ণা রায়ের পা হারানো অত্যন্ত দুঃখজনক এবং যাদের কারণে হয়েছে তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হওয়া প্রয়োজন। সরকারও সে লক্ষ্যে কাজ করছে বলে জানান তথ্যমন্ত্রী।

আইএস নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তথ্যমন্ত্রী বলেন, আসলে দেশে কোনো গাড়ির চাকা ব্রাস্ট হলেও আইএস দাবি করে বসে; সেটা এখন সন্দেহ হয়। এই যে আইএস দাবি করা এটা কীভাবে কারা করে এটা আমার জানা নেই। আইএসের কোনো অস্তিত্ব বাংলাদেশে নেই। অবশ্য জঙ্গিরা আগস্ট মাস আসলেই সক্রিয় হয় বাংলাদেশে। আমরা জঙ্গি অবদমন করতে পেরেছি। তবে জঙ্গি পুরোপুরি নির্মূল হয়নি। আমরা জাতিকে সঙ্গে নিয়ে জঙ্গি পুরোপুরি নির্মূল করতে বদ্ধপরিকর এবং বিএনপিসহ যে সমস্ত রাজনৈতিক দল জঙ্গিদের আশ্রয় প্রশ্রয় দেয় তাদের কাছে অনুরোধ তারা যেন এই আশ্রয় দেয়ার প্রবণতা থেকে বেরিয়ে আসে।

গুজব নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে হাছান মাহমুদ বলেন, সময় সময় গুজব ছড়িয়ে দেশকে অস্থিতিশীল করা সরকারকে দোষারোপ করার পরিকল্পনার অংশ। আমাদের গুজব প্রতিরোধ সেল আছে। গুজব ছড়ানো নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে গুজব ছড়ানো কারীদের বিরুদ্ধে লেখা হলে গুজব কিছুটা কমে আসবে। তবে সরকার এ বিষয়ে কাজ করে যাচ্ছে।

এমইউএইচ/বিএ/জেআইএম

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]