ডিএনসিসির পরবর্তী ‘চিরুনি অভিযান’ বনশ্রীতে

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৬:০৮ পিএম, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০১৯
ফাইল ছবি

ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) মেয়র মো. আতিকুল ইসলাম জানিয়েছেন, মশা নিধনের মতো শিগগিরই রামপুরার বনশ্রীতে ‘চিরুনি অভিযান’ চালানো হবে। এ চিরুনি অভিযানে মশা নিধনের পাশাপাশি এলাকাটির রাস্তা সংস্কার, ড্রেন পরিস্কার এবং ফুটপাত দখলমুক্ত করা হবে।

গুলশান-২ নম্বরে অবস্থিত নগর ভবনে বৃহস্পতিবার সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন মেয়র আতিকুল ইসলাম। ডিএনসিসির ২০১৯-২০ অর্থবছরের জন্য ৩০৫৭ কোটি ২৪ লাখ টাকার বাজেট ঘোষণা উপলক্ষে এ সংবাদ সম্মেলন করা হয়।

মশা নিধনে চিরুনি অভিযানের ক্ষেত্রে অভিজাত এলাকা বেছে নেয়ার কারণ কি? সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে মেয়র আতিকুল বলেন, ‘অনেকেরই প্রশ্ন কেন আমরা গুলশান, বনানী, বারিধারার মতো এলাকা অভিযানের ক্ষেত্রে বেছে নিয়েছি। আমাদের রিপোর্টে মশার ক্ষেত্রে যে এলাকায় ডেঙ্গুর হার বেশি ছিল ওই এলাকায় আমরা চিরুনি অভিযান চালিয়েছি। আমাদের নেক্সট প্রজেক্ট বনশ্রীতে হচ্ছে। বনশ্রীবাসীর অনেক দিনের দাবি ছিল ওই এলাকার রাস্তা অনেক খারাপ। এ ছাড়া শেরেবাংলা নগর, আগারগাঁওয়ের অবস্থা খুব খারাপ। আমরা দেখেছি বনশ্রীর অবস্থা কী, আমরা দেখেছি আগারগাঁওয়ের অবস্থা কী, আমরা দেখেছি নিকেতনের অবস্থা কী, আমরা ওই এলাকাগুলোতে বিশেষ ভাবে নজর দিচ্ছি। বিশেষ করে রাস্তা-ঘাট, ড্রেন এবং ফুটপাতের জন্য।’

তিনি বলেন, ‘সব কাউন্সিলরের সঙ্গে আলোচনা করে আমরা মশার বাজেট নির্ধারণ করেছি। গত বছর প্রতি ওয়ার্ডের জন্য বরাদ্দ ছিল ৪৮ লাখ টাকা। এবার আমরা এটা ধার্য করেছি ৯১ লাখ টাকা করে। দরকার হলে সংশোধনী করে এ খাতে বাজেট আরও বাড়ানো হবে।’

মশা নিধনে মনিটরিংয়ের ক্ষেত্রে জোর দেয়া হচ্ছে জানিয়ে আতিকুল বলেন, ‘আমরা ওষুধ ছিটিয়ে চলে যাচ্ছি, কিন্তু ৩০ দিন পর ওই এলাকায় কোনো ধরনের মনিটরিং আমরা করি না। আমরা ৩০ দিন পর পর তৃতীয় পক্ষ এনে মনিটরিং করার পদক্ষেপ নিয়েছি। মশার কী অবস্থা সে বিষয়ে আমরা একটি রিপোর্ট তৈরি করে তা জনসমক্ষে প্রকাশ করতে চাই। এ ক্ষেত্রে আমার যদি কোনো দুর্বলতা থাকে, কাউন্সিলরদের কোনো দুর্বলতা থাকে তা জনগণ দেখবে।’

উত্তরের নগরপিতা আরও বলেন, ‘টেকনিক্যাল থেকে ইব্রাহিমপুর হয়ে এয়ারপোর্ট পর্যন্ত লিংক রোড করার বিষয়ে একটি প্রকল্প হাতে নেয়া হয়েছে। এটি একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ। আগামী মাসের মধ্যে এটিকে আমরা একটি পর্যায়ে নিয়ে আসতে পারব বলে আমার বিশ্বাস। এ কাজে শুধু অধিগ্রহণের জন্য ৩ হাজার কোটি টাকা ব্যয় হবে। আর ফুটওভার ব্রিজের জন্য ১২০০ কোটি টাকা ব্যয় হবে।’

এমএএস/এনডিএস/এমকেএইচ