ইলিশ ধরায় নিষেধাজ্ঞা : ৪ লাখ জেলে পরিবারকে চাল সহায়তা

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১২:৩৬ পিএম, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৯
ফাইল ছবি

ইলিশ ধরা নিষিদ্ধের সময়ে দেশের ৩৫ জেলায় ৪ লাখ ৮ হাজার ৭৯টি জেলে পরিবারকে ভিজিএফ কর্মসূচির আওতায় ২০ কেজি করে চাল দেবে সরকার।

গত মঙ্গলবার এই বরাদ্দ অনুমোদন দিয়ে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় থেকে অফিস আদেশ জারি করা হয়েছে। ইলিশ রক্ষায় প্রধান প্রজনন মৌসুম ধরে আগামী ৯ থেকে ৩০ অক্টোবর পর্যন্ত ২২ দিন ইলিশ ধরা নিষিদ্ধ করেছে সরকার। ৩৫টি জেলার ১৪৭টি উপজেলায় জেলেদের এ সহায়তার জন্য ৮ হাজার ১৬১ টন চাল প্রয়োজন হবে।

অফিস আদেশে বলা হয়েছে, ভিজিএফ কর্মসূচির আওতায় চলতি ২০১৯-২০ অর্থবছরে প্রধান প্রজনন মৌসুমে মা ইলিশ আহরণ নিষিদ্ধকালীন এই চাল বিতরণ করা হবে।

ইলিশ আহরণে বিরত থাকার সময় ঢাকার ৫৮০, মানিকগঞ্জে ৭ হাজার ৭৭৯, কিশোরগঞ্জে ৬৯৯, রাজবাড়ীতে ৪ হাজার ৬৪০, শরিয়তপুরে ১৬ হাজার ৩৫৫, মাদারীপুরে এক হাজার ৫০০, ফরিদপুরে ২ হাজার ২৩৭, মুন্সিগঞ্জে ৩ হাজার ৬৭১, নরসিংদীতে ৫০০, টাঙ্গাইলে এক হাজার ৫০৬ জন, গোপালগঞ্জে এক হাজার ২, ভোলায় ৮৮ হাজার ১১১, পটুয়াখালীতে ৪৫ হাজার ৬৪২ জন জেলেকে চাল দেয়া হবে।

বরিশালের ৪৩ হাজার ৬৪৪, বরগুনার ৩৪ হাজার ২১১, পিরোজপুরের ১৪ হাজার ৮৭৫, ঝালকাঠির এক হাজার ৪৬০, চাঁদপুরে ৩৬ হাজার ৫৭৫, লক্ষ্মীপুরে ৩৭ হাজার ৩২৬, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ৮২৯, ফেনীতে ৫০০, নোয়াখালীতে ৮ হাজার ৫২৪, চট্টগ্রামে ১৭ হাজার ৫০০, কক্সবাজারে ১০ হাজার ৫০০ জন জেলে ২০ কেজি করে চাল পাবেন।

এছাড়া খুলনার ২ হাজার ১০০, কুষ্টিয়ায় এক হাজার ২৬৬, বাগেরহাটে ৫ হাজার ১৯৪, রাজশাহীতে এক হাজার ৮০০, চাঁপাইনবাবগঞ্জে এক হাজার, সিরাজগঞ্জে এক হাজার ৫০০, নাটোরে ৫০০, জামালপুরে ৫০০, পাবনায় এক হাজার ২৫০, কুড়িগ্রামে ৪ হাজার ৭৬১ ও গাইবান্ধায় ৩ হাজার ৫২২ জন জেলের পরিবার চাল সহায়তা পাবেন।

অফিস আদেশে আরও বলা হয়, মৎস্য অধিদফতরের মহাপরিচালক ভিজিএফ চাল সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসকের বরাদ্দ দেবেন। জেলা প্রশাসক ভিজিএফ চাল প্রধান প্রজনন মৌসুমে মা ইলিশ আহরণ নিষিদ্ধের সময়ে মৎস্য আহরণে বিরত থাকা নিবন্ধনকৃত মৎসজীবীদের মধ্যে মানবিক সহায়তা কর্মসূচি বাস্তবায়ন নির্দেশিকা অনুসরণ করে যথানিয়মে বিতরণ করবেন ও নিরীক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় হিসাব সংরক্ষণ করবেন। চাল আগামী ১৫ অক্টোবরের মধ্যে উত্তোলন করতে হবে।

জেলা প্রশাসক ভিজিএফ চাল বরাদ্দের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট এলাকার সংসদ সদস্যকে অবহিত করবেন বলে আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে।

আরএমএম/এমএসএইচ/পিআর