মে শেষে করোনা আক্রান্ত এক লাখ, মৃত্যু এক হাজার হতে পারে

মনিরুজ্জামান উজ্জ্বল
মনিরুজ্জামান উজ্জ্বল মনিরুজ্জামান উজ্জ্বল , বিশেষ সংবাদদাতা
প্রকাশিত: ০২:২৬ পিএম, ২৯ এপ্রিল ২০২০

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ নিয়ে সারাদেশের মানুষ উদ্বিগ্ন। চলমান পরিস্থিতি কতদিন অব্যাহত থাকবে, আগামী দিনগুলোতে আরও কত সংখ্যক মানুষ আক্রান্ত হবে এবং এ রোগে কত সংখ্যক মানুষের মৃত্যু হবে, এমন প্রশ্ন সাধারণ মানুষের মনে দিন-রাত ঘুরপাক খাচ্ছে।

এমন পরিস্থিতিতে করোনা বিস্তারের এক ভবিষ্যৎ প্রক্ষেপণে রোগ তত্ত্ববিদ ও স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, বাংলাদেশে আগামী ৩১ মে পর্যন্ত করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা সর্বনিম্ন ৫০ হাজার এবং সর্বোচ্চ ১ লাখ হতে পারে। এই সময়ে করোনায় মৃতের সংখ্যা হতে পারে ৮০০ থেকে ১ হাজার।

গত ২১ এপ্রিল স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেকের সভাপতিত্বে করোনাভাইরাস প্রতিরোধ ও প্রতিকারে গৃহীত কার্যক্রম পর্যালোচনা ও পরবর্তী করণীয় বিষয়ে সভার কার্যবিবরণীতে স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক অধ্যাপক আবুল কালাম আজাদ এই ভবিষ্যৎ প্রক্ষেপণের তথ্য তুলে ধরেন।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক জানান, করোনাভাইরাসে লক্ষাধিক মানুষ আক্রান্ত হতে পারে। এমন খারাপ পরিস্থিতি বিবেচনায় রেখে সর্বোচ্চ সক্ষমতা অনুযায়ী স্বাস্থ্যসেবার প্রস্তুতি গ্রহণ করা হচ্ছে। তবে এসব সিনারিও মডেলিংয়ে অনেকগুলো ফ্যাক্টর বিবেচনা ও ব্যবহার করা হয়েছে। যেমন- লকডাউন, জনসচেতনতা ও শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখা ইত্যাদি।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার চিকিৎসা নির্দেশনা অনুসারে আক্রান্তদের মধ্যে ২০ শতাংশ রোগীর হাসপাতালে সেবার প্রয়োজন পড়ে বলে তিনি জানান।

গত ৮ মার্চ দেশে প্রথম করোনাভাইরাস রোগী শনাক্ত হয়। স্বাস্থ্য অধিদফতরের করোনাভাইরাস পরিস্থিতি সম্পর্কিত নিয়মিত অনলাইন হেলথ বুলেটিনের সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুসারে, ২৮ এপ্রিল পর্যন্ত রাজধানীসহ সারাদেশে করোনায় মোট আক্রান্তের সংখ্যা ছয় হাজার ৪৬২। করোনা মোট ১৫৫ জনের প্রাণ কেড়ে নিয়েছে।

গত ২১ এপ্রিলের ওই সভায় স্বাস্থ্য অধিদফতরের পরিচালক (হাসপাতাল) জানান, সারাদেশে করোনা রোগীদের হাসপাতাল সুবিধা প্রদানের লক্ষ্যে সরকারি-বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিকের একটি ম্যাপিং সম্পন্ন করা হয়েছে। সে অনুযায়ী বর্তমানে সরকারিভাবে ৬ হাজার শয্যা প্রস্তুত আছে। এর ধারাবাহিকতায় সরকারি ও বেসরকারি মিলিয়ে সারাদেশে মোট ২০ হাজার শয্যা প্রস্তুত করা হচ্ছে।

সভায় পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বিদেশে অবস্থানরত সব বাংলাদেশিকে চিকিৎসা প্রদানের জন্য সেখানে অবস্থিত দূতাবাস ও মিশনের সাহায্যে টেলিমেডিসিনের মাধ্যমে প্রবাসীদের স্বাস্থ্যসেবা প্রদান করা হচ্ছে। বিদেশে অবস্থানরত বাংলাদেশিদের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করা হচ্ছে। তারা যেন এ দুর্যোগময় সময়ে সেখানে অবস্থান করতে পারেন। এ ছাড়া বিদেশ থেকে যারা ফিরছেন তাদের কোয়ারেন্টাইনের ব্যবস্থা করা হচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সচিব বলেন, করোনা আক্রান্ত রোগীদের টেলিমেডিসিন সার্ভিস প্রদানের জন্য একটি গাইডলাইন খুব জরুরি। এ জন্য একটি প্রাক্টিসিং গাইডলাইন থাকা প্রয়োজন বলে তিনি মত দেন।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, 'করোনাভাইরাস নিয়ন্ত্রণে বিশ্বের উন্নত দেশগুলো হিমশিম খাচ্ছে। আমাদের দেশে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর উদ্যোগকে প্রথম থেকে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করায় পরিস্থিতি এখনও অনেকটা নিয়ন্ত্রণে আছে। তিনি বলেন, ঘরে বসে করোনা চিকিৎসা পাওয়া যায়, এরকম একটি চিকিৎসা পদ্ধতি প্রণয়ন করে সামাজিক যোগাযোগ ও গণমাধ্যমে প্রকাশের উদ্যোগ গ্রহণ করা প্রয়োজন। তিনি জানান, রোগ বিস্তার প্রক্ষেপণের ক্ষেত্রে আমরা যুক্তরাষ্ট্রের মডেল ও চিকিৎসার জন্য চীন, দক্ষিণ কোরিয়ার মডেল গ্রহণ করতে পারি। তবে পরিস্থিতি পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে প্রয়োজনে প্রতি সপ্তাহে প্রক্ষেপণ হালনাগাদ করতে হবে।

জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থার মহাপরিচালক বলেন, করোনা আক্রান্ত ব্যক্তির সংখ্যার প্রক্ষেপণটি যথাযথভাবে প্রণয়ন করে প্রস্তুতি ও রিচার্জ প্লানিং করা প্রয়োজন। বেসরকারি খাতকে সরকারি খাতের সঙ্গে সমন্বয় করতে হবে বলে তিনি মত প্রকাশ করেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, করোনাভাইরাস প্রতিরোধে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা ও তত্ত্বাবধানে পুলিশ ও দেশের সব আইন প্রয়োগকারী সংস্থা দিন-রাত নিরলসভাবে পরিশ্রম করছে এবং এজন্য এখন অনেকটা ভালো আছি। আইসোলেশন, কোয়ারেন্টাইন এবং লকডাউন কার্যকর করার ক্ষেত্রে জনগণকে উদ্বুদ্ধ করতে হবে। এই মুহূর্তে কোনো রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীকে দেশে ঢুকতে দেয়া যাবে না। অনেক ডাক্তার-নার্স ভয়ে আছেন। স্বাস্থ্যসেবার মান আরও বৃদ্ধি করার জন্য চিকিৎসকদের আরও আন্তরিক হতে হবে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের সিনিয়র সচিব বলেন, সংক্রমণ ঠেকাতে এবং সচেতনতা নিশ্চিত করার জন্য পাড়া-মহল্লায় মাইকিং কার্যক্রম অব্যাহত আছে। সুযোগ পেলে লোকজন একত্রিত হচ্ছেন। গ্রামে প্রচার সচেতনতার জন্য ৬০ লাখ আনসার সদস্য কাজ করছেন। তিনি জানান, নতুন করে রোহিঙ্গাদের আগমন কঠোরভাবে প্রতিরোধ করা হচ্ছে।

দুর্যোগ ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব বর্ধিত খাদ্য সহায়তার বিষয়টি তুলে ধরেন এবং জানান যে, মে পর্যন্ত খাদ্য সহায়তার জন্য যথেষ্ট খাদ্য মজুদ রয়েছে। এ ছাড়া তিনি চিকিৎসক-নার্সদের বিভিন্ন দলে প্রথম লাইন, দ্বিতীয় লাইন ও তৃতীয় লাইনে বিভক্ত করার পরামর্শ দেন।

সশস্ত্র বাহিনীর প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার জানান, সশস্ত্রবাহিনী বিভাগকে বিদেশফেরত নাগরিকদের প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইনের ব্যবস্থাপনা পরিচালনা করছে। প্রয়োজনে ফিল্ড হাসপাতাল স্থাপন করে আক্রান্ত রোগীদের সেবা প্রদান করবে। এ ছাড়া রোজার সময়ে টিভিতে আলোচ্য বিষয়ে করণীয় সম্পর্কে চিকিৎসকদের পরামর্শ প্রচারের অনুরোধ জানান তিনি।

পুলিশ মহাপরিদর্শক বলেন, ক্রমান্বয়ে হোম কোয়ারেন্টাইন ও আইসোলেশনের সংখ্যা বেড়ে যাচ্ছে। ৬ জেলা (করোনাবিহীন) আংশিক লকডাউন প্রত্যাহার করা যেতে পারে। আর যদি সম্পূর্ণ লকডাউনে যেতে হয় তাহলে মানুষের সম্পূর্ণ খাবারের ব্যবস্থা করতে হবে। এ কাজে ব্যাপক রিসোর্সের প্রয়োজন হবে। সুনামগঞ্জ, কিশোরগঞ্জ নেত্রকোনা জেলা ধান কাটার জন্য বিশেষ ব্যবস্থায় ১২ হাজার শ্রমিক পাঠানো হয়েছে। তিনি এরকম আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা নিয়মিত করে পরিস্থিতি পর্যালোচনার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

ডিজিএফআই মহাপরিচালক বলেন, করানোভাইরাস প্রতিরোধে শুধু চিকিৎসার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। জনগণের ঘরে অবস্থান নিশ্চিত করার জন্য আরও এক সপ্তাহ লকডাউন বাড়ানো যেতে পারে। হাসপাতালগুলোতে সব রকমের চিকিৎসা সুবিধা নিশ্চিত করতে হবে। সরকার প্রদত্ত খাদ্য সহায়তা আরও সম্প্রসারণ প্রয়োজন, যাতে জনগণের নিকট পৌঁছায়। যে সমস্ত এলাকায় পাকা ধান কাটার কার্যক্রম শুরু হয়েছে ওই সমস্ত এলাকায় ধান কাটার শ্রমিক পাঠানোর বিষয়টি সমন্বয় জোরদার করা যেতে পারে। তাছাড়া সংসদ সদস্যরা যদি নিজ এলাকায় করোনাসহ অন্যান্য কার্যক্রম সমন্বয় করেন তাহলে করোনাভাইরাস প্রতিরোধ অনেক সহজ হবে বলে মতামত দেন তিনি।

ওই সভায় বিস্তারিত আলোচনার পর কিছু সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। তা হলো :-

>> এ ধরনের আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা নিয়মিত, প্রতি সপ্তাহে একবার করে পরিস্থিতি পর্যালোচনা ও করণীয় নির্ধারণ করতে হবে।

>> স্বাস্থ্য অধিদফতর, রোগ তত্ত্ববিদ ও স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের সহায়তায় করোনার বিস্তার বিষয়ে প্রক্ষেপণ করবেন এবং নীতিনির্ধারকদের অবহিত করবেন।

>> স্বাস্থ্য অধিদফতর করোনা চিকিৎসার জন্য প্রণীত প্রটোকলের ভিত্তিতে একটি টেলিমেডিসিন গাইডলাইন প্রণয়ন করবে। রোগীদের ঘরে বসে চিকিৎসা প্রদানের যে সুবিধা বর্তমানে রয়েছে, তা স্বাস্থ্য অধিদফতর সম্প্রসারণের ব্যবস্থা করবে।

>> যেসব এলাকায় করোনার প্রাদুর্ভাব বেশি সেসব এলাকায় লকডাউন ও শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখার জন্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী অবস্থান গ্রহণ করবেন। যেসব হাসপাতাল করোনা চিকিৎসার জন্য নির্দিষ্ট করা হয়েছে সেগুলোতে চিকিৎসার সব সুবিধা নিশ্চিতের ব্যবস্থা করতে হবে। প্রয়োজনে নতুন চিকিৎসক ও নার্স নিয়োগের ব্যবস্থা নিতে হবে। এসব হাসপাতালে কর্মরত চিকিৎসক, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মীদের থাকা ও খাওয়ার বন্দোবস্ত করতে হবে।

এমইউ/জেডএ/জেআইএম

করোনা ভাইরাস - লাইভ আপডেট

১,২১,৯৬,৯২৩
আক্রান্ত

৫,৫২,৭৭১
মৃত

৭০,৯৩,৭৬৫
সুস্থ

# দেশ আক্রান্ত মৃত সুস্থ
বাংলাদেশ ১,৭৫,৪৯৪ ২,২৩৮ ৮৪,৫৪৪
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ৩১,৫৯,৫১৪ ১,৩৪,৮৭৩ ১৩,৯৩,২৫৬
ব্রাজিল ১৭,১৬,১৯৬ ৬৮,০৫৫ ১১,৫২,৪৬৭
ভারত ৭,৭১,৮৩৩ ২১,১৭৪ ৪,৭৭,৬৮৫
রাশিয়া ৭,০৭,৩০১ ১০,৮৪৩ ৪,৮১,৩১৬
যুক্তরাজ্য ৩,১৩,৪৮৩ ৪৪,৫১৭ ৩৪৪
পেরু ৩,১২,৯১১ ১১,১৩৩ ২,০৪,৭৪৮
চিলি ৩,০৩,০৮৩ ৬,৫৭৩ ২,৭১,৭০৩
স্পেন ২,৯৯,৫৯৩ ২৮,৭৫২ ১,৯৬,৯৫৮
১০ মেক্সিকো ২,৭৫,০০৩ ৩২,৭৯৬ ১,৬৭,৭৯৫
১১ ইরান ২,৫০,৪৫৮ ১২,৩০৫ ২,১২,১৭৬
১২ ইতালি ২,৪২,১৪৯ ৩৪,৯১৪ ১,৯৩,৬৪০
১৩ পাকিস্তান ২,৪০,৮৪৮ ৪,৯৮৩ ১,৪৫,৩১১
১৪ দক্ষিণ আফ্রিকা ২,২৪,৬৬৫ ৩,৬০২ ১,০৬,৮৪২
১৫ সৌদি আরব ২,২০,১৪৪ ২,০৫৯ ১,৫৮,০৫০
১৬ তুরস্ক ২,০৮,৯৩৮ ৫,২৮২ ১,৮৭,৫১১
১৭ জার্মানি ১,৯৮,৭৬৫ ৯,১১৫ ১,৮৩,৬০০
১৮ ফ্রান্স ১,৮৯,২২০ ২৯,৯৬৫ ৭৭,৯৮৫
১৯ কলম্বিয়া ১,২৮,৬৩৮ ৪,৫২৭ ৫৩,৬৩৪
২০ কানাডা ১,০৬,৪৩৪ ৮,৭৩৭ ৭০,২৪৭
২১ কাতার ১,০১,৫৫৩ ১৩৮ ৯৬,১০৭
২২ আর্জেন্টিনা ৮৭,০৩০ ১,৬৯৪ ৩৬,৫০২
২৩ চীন ৮৩,৫৮১ ৪,৬৩৪ ৭৮,৫৯০
২৪ মিসর ৭৮,৩০৪ ৩,৫৬৪ ২২,২৪১
২৫ সুইডেন ৭৩,৮৫৮ ৫,৪৮২ ৪,৯৭১
২৬ ইন্দোনেশিয়া ৭০,৭৩৬ ৩,৪১৭ ৩২,৬৫১
২৭ ইরাক ৬৭,৪৪২ ২,৭৭৯ ৩৭,৮৭৯
২৮ বেলারুশ ৬৪,২২৪ ৪৪৩ ৫২,৮৫৪
২৯ ইকুয়েডর ৬৩,২৪৫ ৪,৮৭৩ ২৯,০৭১
৩০ বেলজিয়াম ৬২,২১০ ৯,৭৭৮ ১৭,১৫৯
৩১ সংযুক্ত আরব আমিরাত ৫৩,০৪৫ ৩২৭ ৪২,২৮২
৩২ কাজাখস্তান ৫৩,০২১ ৪৮৯ ৩৫,১৩৭
৩৩ কুয়েত ৫২,০০৭ ৩৭৯ ৪২,১০৮
৩৪ ফিলিপাইন ৫১,৭৫৪ ১,৩১৪ ১২,৮১৩
৩৫ ওমান ৫১,৭২৫ ২৩৬ ৩৩,০২১
৩৬ ইউক্রেন ৫১,২২৪ ১,৩২৭ ২৩,৭৮৪
৩৭ নেদারল্যান্ডস ৫০,৭৪৬ ৬,১৩৫ ২৫০
৩৮ সিঙ্গাপুর ৪৫,৪২৩ ২৬ ৪১,৩২৩
৩৯ পর্তুগাল ৪৪,৮৫৯ ১,৬৩১ ২৯,৭১৪
৪০ বলিভিয়া ৪২,৯৮৪ ১,৫৭৭ ১২,৮৮৩
৪১ পানামা ৪১,২৫১ ৮১৯ ১৯,৪৬৯
৪২ ডোমিনিকান আইল্যান্ড ৩৯,৫৮৮ ৮২৯ ২০,০৫৬
৪৩ পোল্যান্ড ৩৬,৯৫১ ১,৫৫১ ২৫,৪৭৭
৪৪ ইসরায়েল ৩৩,৯৪৭ ৩৪৬ ১৮,৩৯২
৪৫ আফগানিস্তান ৩৩,৯০৮ ৯৫৭ ২০,৮৪৭
৪৬ সুইজারল্যান্ড ৩২,৫৮৬ ১,৯৬৬ ২৯,৪০০
৪৭ বাহরাইন ৩০,৯৩১ ১০১ ২৬,০৭৩
৪৮ রোমানিয়া ৩০,৭৮৯ ১,৮৩৪ ২০,৯৬৯
৪৯ আর্মেনিয়া ৩০,৩৪৬ ৫৩৫ ১৮,০০০
৫০ নাইজেরিয়া ৩০,২৪৯ ৬৮৪ ১২,৩৭৩
৫১ হন্ডুরাস ২৫,৯৭৮ ৬৯৪ ২,৭২১
৫২ আয়ারল্যান্ড ২৫,৫৪২ ১,৭৪২ ২৩,৩৬৪
৫৩ গুয়াতেমালা ২৫,৪১১ ১,০৫৩ ৩,৭১৮
৫৪ ঘানা ২২,৮২২ ১২৯ ১৭,৫৬৪
৫৫ আজারবাইজান ২১,৯১৬ ২৭৪ ১৩,১০০
৫৬ জাপান ২০,১৭৪ ৯৮০ ১৭,৩৩১
৫৭ অস্ট্রিয়া ১৮,৫১৩ ৭০৬ ১৬,৭২১
৫৮ মলদোভা ১৮,৪৭১ ৬১৪ ১১,৫৪৯
৫৯ আলজেরিয়া ১৭,৩৪৮ ৯৭৮ ১২,৩২৯
৬০ সার্বিয়া ১৭,০৭৬ ৩৪১ ১৩,৩৬৬
৬১ নেপাল ১৬,৫৩১ ৩৫ ৭,৮৯১
৬২ মরক্কো ১৪,৯৪৯ ২৪২ ১১,৩৭২
৬৩ ক্যামেরুন ১৪,৯১৬ ৩৫৯ ১১,৫২৫
৬৪ দক্ষিণ কোরিয়া ১৩,২৯৩ ২৮৭ ১২,০১৯
৬৫ ডেনমার্ক ১২,৯০০ ৬০৯ ১২,০০১
৬৬ চেক প্রজাতন্ত্র ১২,৮১৪ ৩৫৩ ৮,০১০
৬৭ আইভরি কোস্ট ১১,৫০৪ ৭৮ ৫,৫৭১
৬৮ উজবেকিস্তান ১১,২৫৯ ৪৭ ৭,০৬০
৬৯ সুদান ১০,০৮৪ ৬৩৬ ৫,০৭৪
৭০ অস্ট্রেলিয়া ৯,০৫৯ ১০৬ ৭,৫৭৩
৭১ নরওয়ে ৮,৯৫৪ ২৫১ ৮,১৩৮
৭২ কিরগিজস্তান ৮,৮৪৭ ১১৬ ৩,০৫৩
৭৩ এল সালভাদর ৮,৮৪৪ ২৪৩ ৫,২৮৯
৭৪ মালয়েশিয়া ৮,৬৮৩ ১২১ ৮,৪৯৯
৭৫ কেনিয়া ৮,৫২৮ ১৬৯ ২,৫৯৩
৭৬ ভেনেজুয়েলা ৮,০০৮ ৭৫ ২,১০০
৭৭ ড্যানিশ রিফিউজি কাউন্সিল ৭,৮৪৬ ১৮৯ ৩,৫১৩
৭৮ সেনেগাল ৭,৭৮৪ ১৪৩ ৫,১৬৯
৭৯ উত্তর ম্যাসেডোনিয়া ৭,৪০৬ ৩৫৯ ৩,৫৫৪
৮০ ফিনল্যাণ্ড ৭,২৭৩ ৩২৯ ৬,৮০০
৮১ ইথিওপিয়া ৬,৭৭৪ ১২০ ২,৪৩০
৮২ হাইতি ৬,৪৮৬ ১২৩ ২,১৮১
৮৩ তাজিকিস্তান ৬,৩৬৪ ৫৪ ৫,০১১
৮৪ বুলগেরিয়া ৬,৩৪২ ২৫৯ ৩,১৬৬
৮৫ বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা ৬,০৮৬ ২১৪ ২,৮১৫
৮৬ গ্যাবন ৫,৮৭১ ৪৬ ২,৬৮২
৮৭ কোস্টারিকা ৫,৮৩৬ ২৫ ১,৯২৯
৮৮ গিনি ৫,৬৯৭ ৩৪ ৪,৫৭৭
৮৯ ফ্রেঞ্চ গায়ানা ৫,৪৫৯ ২২ ২,৩৪৯
৯০ ফিলিস্তিন ৫,২২০ ২২ ৫২৫
৯১ মৌরিতানিয়া ৫,০৮৭ ১৩৯ ১,৯৯৪
৯২ জিবুতি ৪,৮৮৯ ৫৫ ৪,৬৪৪
৯৩ লুক্সেমবার্গ ৪,৬৫০ ১১০ ৪,০৫৬
৯৪ হাঙ্গেরি ৪,২২০ ৫৯১ ২,৮৮৭
৯৫ সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিক ৪,১০৯ ৫২ ১,০৫০
৯৬ মাদাগাস্কার ৩,৭৮২ ৩৩ ১,৯৫০
৯৭ গ্রীস ৩,৬২২ ১৯৩ ১,৩৭৪
৯৮ ক্রোয়েশিয়া ৩,৩২৫ ১১৪ ২,২৭৭
৯৯ থাইল্যান্ড ৩,২০২ ৫৮ ৩,০৮৫
১০০ আলবেনিয়া ৩,১৮৮ ৮৩ ১,৮৩২
১০১ ইকোয়েটরিয়াল গিনি ৩,০৭১ ৫১ ৮৪২
১০২ সোমালিয়া ৩,০৪৮ ৯২ ১,১৪৭
১০৩ নিকারাগুয়া ২,৮৪৬ ৯১ ১,৯৯৩
১০৪ মায়োত্তে ২,৬৮৮ ৩৫ ২,৪৪৬
১০৫ প্যারাগুয়ে ২,৫৫৪ ২০ ১,২১২
১০৬ মালদ্বীপ ২,৫১৭ ১৩ ২,১৮০
১০৭ কিউবা ২,৩৯৯ ৮৬ ২,২৪২
১০৮ মালি ২,৩৫৮ ১২০ ১,৫৯৭
১০৯ শ্রীলংকা ২,০৯৪ ১১ ১,৯৭৯
১১০ দক্ষিণ সুদান ২,০২১ ৩৮ ৩৩৩
১১১ এস্তোনিয়া ২,০১১ ৬৯ ১,৮৮৯
১১২ লেবানন ১,৯৪৬ ৩৬ ১,৩৬৮
১১৩ মালাউই ১,৯৪২ ২৫ ৩৬৯
১১৪ জাম্বিয়া ১,৮৯৫ ৪২ ১,৩৪৮
১১৫ আইসল্যান্ড ১,৮৮০ ১০ ১,৮৫০
১১৬ লিথুনিয়া ১,৮৫৭ ৭৯ ১,৫৬৪
১১৭ স্লোভাকিয়া ১,৮৫১ ২৮ ১,৪৭৭
১১৮ কঙ্গো ১,৮২১ ৪৭ ৫২৫
১১৯ গিনি বিসাউ ১,৭৯০ ২৫ ৭৬০
১২০ স্লোভেনিয়া ১,৭৭৬ ১১১ ১,৪২৯
১২১ সিয়েরা লিওন ১,৫৮৪ ৬৩ ১,১২২
১২২ কেপ ভার্দে ১,৫৪২ ১৮ ৭৩০
১২৩ নিউজিল্যান্ড ১,৫৪০ ২২ ১,৪৯৪
১২৪ হংকং ১,৩৬৬ ১,১৭৬
১২৫ ইয়েমেন ১,৩১৮ ৩৫১ ৫৯৫
১২৬ লিবিয়া ১,২৬৮ ৩৬ ৩০৬
১২৭ তিউনিশিয়া ১,২২১ ৫০ ১,০৫০
১২৮ বেনিন ১,১৯৯ ২১ ৩৩৩
১২৯ রুয়ান্ডা ১,১৯৪ ৬১০
১৩০ জর্ডান ১,১৬৯ ১০ ৯৭৭
১৩১ লাটভিয়া ১,১৫৪ ৩০ ১,০১৯
১৩২ ইসওয়াতিনি ১,১৩৮ ১৪ ৫৮৮
১৩৩ নাইজার ১,০৯৭ ৬৮ ৯৭৬
১৩৪ মোজাম্বিক ১,০৭১ ৩৩৭
১৩৫ সাইপ্রাস ১,০০৮ ১৯ ৮৩৯
১৩৬ বুর্কিনা ফাঁসো ১,০০৫ ৫৩ ৮৬২
১৩৭ উগান্ডা ১,০০০ ৯০৮
১৩৮ উরুগুয়ে ৯৭৪ ২৯ ৮৭১
১৩৯ জর্জিয়া ৯৬৮ ১৫ ৮৪৪
১৪০ মন্টিনিগ্রো ৯৬০ ১৭ ৩২০
১৪১ লাইবেরিয়া ৯২৬ ৪১ ৩৯৫
১৪২ জিম্বাবুয়ে ৮৮৫ ২০৬
১৪৩ চাদ ৮৭৩ ৭৪ ৭৮৮
১৪৪ এনডোরা ৮৫৫ ৫২ ৮০২
১৪৫ জ্যামাইকা ৭৫১ ১০ ৬০০
১৪৬ ডায়মন্ড প্রিন্সেস (প্রমোদ তরী) ৭১২ ১৩ ৬৫১
১৪৭ সান ম্যারিনো ৬৯৮ ৪৫ ৬৫৬
১৪৮ টোগো ৬৯৫ ১৫ ৪৭৫
১৪৯ মালটা ৬৭৪ ৬৫৬
১৫০ সুরিনাম ৬৬৫ ১৭ ৪৩৪
১৫১ নামিবিয়া ৫৯৩ ২৫
১৫২ চ্যানেল আইল্যান্ড ৫৭৭ ৪৮ ৫২৮
১৫৩ রিইউনিয়ন ৫৬৩ ৪৭২
১৫৪ তানজানিয়া ৫০৯ ২১ ১৮৩
১৫৫ তাইওয়ান ৪৪৯ ৪৩৮
১৫৬ অ্যাঙ্গোলা ৩৯৬ ২২ ১১৭
১৫৭ সিরিয়া ৩৭২ ১৪ ১২৬
১৫৮ ভিয়েতনাম ৩৬৯ ৩৪৭
১৫৯ মরিশাস ৩৪২ ১০ ৩৩০
১৬০ আইল অফ ম্যান ৩৩৬ ২৪ ৩১২
১৬১ মায়ানমার ৩১৭ ২৫০
১৬২ বতসোয়ানা ৩১৪ ৩১
১৬৩ কমোরস ৩১৩ ২৭২
১৬৪ গায়ানা ২৮৪ ২৩ ১২৫
১৬৫ মার্টিনিক ২৪৯ ১৪ ৯৮
১৬৬ মঙ্গোলিয়া ২২৭ ১৯৭
১৬৭ ইরিত্রিয়া ২১৫ ৫৬
১৬৮ কেম্যান আইল্যান্ড ২০১ ১৯৭
১৬৯ বুরুন্ডি ১৯১ ১১৮
১৭০ ফারে আইল্যান্ড ১৮৮ ১৮৮
১৭১ গুয়াদেলৌপ ১৮৪ ১৪ ১৫৭
১৭২ জিব্রাল্টার ১৮০ ১৭৬
১৭৩ বারমুডা ১৪৯ ১৩৭
১৭৪ ব্রুনাই ১৪১ ১৩৮
১৭৫ কম্বোডিয়া ১৪১ ১৩১
১৭৬ ত্রিনিদাদ ও টোবাগো ১৩৩ ১১৭
১৭৭ মোনাকো ১০৮ ৯৫
১৭৮ বাহামা ১০৬ ১১ ৮৯
১৭৯ আরুবা ১০৫ ৯৮
১৮০ বার্বাডোস ৯৮ ৯০
১৮১ সিসিলি ৯১ ১১
১৮২ লেসোথো ৯১ ১১
১৮৩ লিচেনস্টেইন ৮৬ ৮১
১৮৪ ভুটান ৮০ ৫৫
১৮৫ সিন্ট মার্টেন ৭৮ ১৫ ৬৩
১৮৬ অ্যান্টিগুয়া ও বার্বুডা ৭৩ ৫৭
১৮৭ গাম্বিয়া ৬৩ ৩২
১৮৮ ফ্রেঞ্চ পলিনেশিয়া ৬২ ৬০
১৮৯ টার্কস্ ও কেইকোস আইল্যান্ড ৫৫ ১১
১৯০ ব্রিটিশ ভার্জিন দ্বীপপুঞ্জ ৫৪
১৯১ ম্যাকাও ৪৬ ৪৫
১৯২ সেন্ট মার্টিন ৪৩ ৩৭
১৯৩ বেলিজ ৩০ ১৯
১৯৪ সেন্ট ভিনসেন্ট ও গ্রেনাডাইন আইল্যান্ড ২৯ ২৯
১৯৫ পূর্ব তিমুর ২৪ ২৪
১৯৬ গ্রেনাডা ২৩ ২৩
১৯৭ কিউরাসাও ২৩ ১৯
১৯৮ সেন্ট লুসিয়া ২২ ১৯
১৯৯ নিউ ক্যালেডোনিয়া ২১ ২১
২০০ ফিজি ২১ ১৮
২০১ লাওস ১৯ ১৯
২০২ ডোমিনিকা ১৮ ১৮
২০৩ সেন্ট কিটস ও নেভিস ১৬ ১৫
২০৪ গ্রীনল্যাণ্ড ১৩ ১৩
২০৫ ফকল্যান্ড আইল্যান্ড ১৩ ১৩
২০৬ ভ্যাটিকান সিটি ১২ ১২
২০৭ মন্টসেরাট ১১ ১০
২০৮ পাপুয়া নিউ গিনি ১১
২০৯ পশ্চিম সাহারা ১০
২১০ জান্ডাম (জাহাজ)
২১১ ক্যারিবিয়ান নেদারল্যান্ডস
২১২ সেন্ট বারথেলিমি
২১৩ এ্যাঙ্গুইলা
২১৪ সেন্ট পিয়ের এন্ড মিকেলন
তথ্যসূত্র: চীনের জাতীয় স্বাস্থ্য কমিশন (সিএনএইচসি) ও অন্যান্য।
করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]