টিআইবির শঙ্কা, রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় চলছে অনৈতিক ব্যবসায়িক চর্চা

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১০:১৪ পিএম, ৩০ মে ২০২০

কোভিড-১৯ উদ্ভূত সংকটে জর্জরিত জাতির এই ক্রান্তিকালে জবাবদিহিতাহীন স্বেচ্ছাচারের একের পর এক উদাহরণ সৃষ্টি হচ্ছে উল্লেখ করে দুর্নীতি প্রতিরোধ ও আইনের শাসনের স্বার্থে এখনই এই প্রবণতার লাগাম টেনে ধরার জোরালো দাবি জানিয়েছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)।

সম্প্রতি একটি বেসরকারি হাসপাতালে অগ্নিকাণ্ডে মর্মান্তিক প্রাণহানির ঘটনায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের নির্লিপ্ত দায়হীনতা ‘গাফিলতি’ ও একটি বেসরকারি ব্যাংকের শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তাকে বেআইনিভাবে ঋণ সুবিধা আদায়ের জন্য গুলি করার মতো গুরুতর অভিযোগে অভিযুক্তদের এয়ার-অ্যাম্বুলেন্সে দেশ ছাড়তে পারার মতো ঘটনাকে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের যোগসাজশে ব্যবসায়িক দুর্বৃত্তায়ন বলে উল্লেখ করেছে সংস্থাটি।

tib

গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে টিআইবি বলছে, বহুল আলোচিত ওই দুই ঘটনার পাশপাশি আসন্ন বাজেটে পাচারকৃত অর্থসহ কালো টাকাকে বৈধতা প্রদানের সুবিধা আরও বিস্তৃত করার যে পরিকল্পনার সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে তাতে এমন আশঙ্কা করাটা অমূলক হবে না যে, অনৈতিক ব্যবসায়িক চর্চাকে রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতা দেয়া হচ্ছে। বৃহত্তর জাতীয় স্বার্থ বিবেচনা করে অবিলম্বে ব্যবসায় খাতের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার পাশাপাশি ‘দুর্নীতির বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর ঘোষিত শূন্য সহনশীলতা’ নীতির কঠোর বাস্তবায়নের দাবি জানিয়েছে সংস্থাটি।

ইউনাইটেড হাসপাতালের অগ্নিকাণ্ডে পাঁচজন চিকিৎসাধীন ব্যক্তির প্রাণহানির ঘটনার বিষয়ে টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, “এই মর্মান্তিক ঘটনায় বেশ কয়েকটি গুরুতর অভিযোগ সামনে এসেছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে। গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবরে জানা যাচ্ছে, যে আইসোলেশন ইউনিটে আগুন ধরেছিল সেখানে দাহ্যপদার্থ নির্মাণসামগ্রী হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে, অগ্নিনির্বাপণ যন্ত্রগুলো ছিল মেয়াদোত্তীর্ণ। এছাড়া, নিহতরা সবাই লাইফ সাপোর্টে ছিলেন, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের এমন দাবি তাদের স্বজন ও বিশেষজ্ঞরা নাকচ করে দিয়েছেন। মালিকপক্ষের এমন ‘বিভ্রান্তিকর আচরণ’ এবং কোনো প্রকার দায় স্বীকারে ব্যর্থতা অবশ্যই অগ্রহণযোগ্য। এমতাবস্থায় ঘটনার তদন্তে যে কমিটি করা হয়েছে, তারা যে-কোনো ধরনের প্রভাব উপেক্ষা করে বস্তুনিষ্ঠ প্রতিবেদন দেবেন এবং তাতে যদি ‘অপরাধমূলক গাফিলতির’ প্রমাণ পাওয়া যায় সেক্ষেত্রে যারা প্রাণ হারিয়েছেন তাদের পরিবারের সর্বোচ্চ ক্ষতিপূরণসহ আইনের কঠোরতম প্রয়োগ নিশ্চিত করতে হবে। মুনাফার পাশাপাশি চিকিৎসাসেবার মহতি উদ্যোগ থেকেই এসব বেসরকারি হাসপাতালগুলো তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করছে এমনটাই আমরা বিশ্বাস করতে চাই। কিন্তু ‘সেবার’ বিষয়টি কেবল সাইনবোর্ড সর্বস্ব হবে, আর ব্যবসায়িক লাভালাভের বিবেচনার কাছে চিকিৎসাপ্রার্থী হেরে যাবেন, গাফিলতির কারণে তাদের প্রাণ যাবে- এটা কোনো অবস্থাতেই মেনে নেয়া যায় না।”

tib

‘আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার অন্যতম মূলভিত্তি আইনের দৃশ্যমান প্রয়োগ’ এমন মন্তব্য করে টিআইবির নির্বাহী পরিচালক বলেন, “সম্প্রতি অবৈধ ঋণ পাইয়ে দিতে একটি বেসরকারি ব্যাংকের শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তাকে গুলি করা, একাধিক কর্মকর্তাকে আটকে রেখে নির্যাতনের অভিযোগে মামলার ঘটনায় তোলপাড় হয়েছে। অথচ যাদের বিরুদ্ধে মামলা তারাই সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের ‘প্রত্যক্ষ সহযোগিতায়’ ‘মিথ্যা রোগী সেজে’ ‘এয়ার-অ্যাম্বুলেন্সে’ দেশ ছাড়লেন। ‘তাদের বিরুদ্ধে ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা দেয়া হয়নি’ এমন অজুহাতে এখানে দায় এড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ নেই। কোভিড-১৯ সংক্রমণের কারণে বিশ্বজুড়ে আকাশপথে যোগাযোগ কার্যত বন্ধ থাকার পরও যে-রকম অস্বাভাবিক দ্রুততায় পুরো আইনগত প্রক্রিয়া শেষে তাদের দেশছাড়ার সুযোগ করে দেয়া হয়েছে এবং এখন সরকারের এক বিভাগ অন্য বিভাগের ওপর যেভাবে দায়িত্ব দিয়ে নিজের দায় এড়িয়ে যেতে চাচ্ছে, তাতে অবৈধ যোগসাজশের আশঙ্কা আরও জোরদার হয়েছে। অনৈতিক ব্যবসায়িক সুবিধা নিয়ে দেশের ব্যাংকিং খাতকে প্রায় ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে দিয়েছেন প্রভাবশালীরা। বরাবরের মতো এবারও যদি তারা সরকারের ‘প্রত্যক্ষ মদদে’ দায় মুক্তি পেয়ে যান, সেটা হবে দুর্নীতির বিরুদ্ধে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ঘোষিত ‘শূন্য সহনশীলতা নীতির’ সরাসরি বরখেলাপ।”

tib

সরকারের সামগ্রিক কার্যক্রম পর্যালোচনা করলে, দুর্নীতির বিরুদ্ধে ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ‘ঘোষিত অবস্থান’ কেবল তার বক্তব্যের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থেকে যাচ্ছে কি-না, এমন আশঙ্কা তৈরি হয়েছে বলে মনে করছে টিআইবি।

ড. জামান বলছেন, “করোনা সংকটের এই ক’মাসে আমরা একের পর এক যতগুলো ঘটনা দেখলাম তাতে এই আশঙ্কা একেবারে অমূলক— এমনটা দাবি করার মতো অবস্থা নিশ্চিতভাবেই সরকারের নেই। এরই মধ্যে আবার সংবাদ শিরোনাম হয়েছে যে, আসন্ন বাজেটে আবারও কালো টাকা সাদা করার সুযোগই কেবল দেয়া হচ্ছে না, বরং পাচারকৃত অর্থসহ এর আওতা আরও বাড়ানোর বিষয়টি সরকারের সক্রিয় বিবেচনায় রয়েছে। দুর্নীতি দমনের ঘোষণা আর দুর্নীতির মাধ্যমে অর্জিত সম্পদকে বৈধতা দেয়া শুধু পরস্পর বিরোধী নয়, বরং অনৈতিক, অসাংবিধানিক ও বৈষম্যমূলক। বছরের পর বছর এই সুবিধা দিয়ে দেশের অর্থনীতির কোনো দৃশ্যমান উপকার হয়নি, উল্লেখযোগ্য কোনো বিনিয়োগ হয়নি। অথচ অনৈতিকতা প্রশ্রয় পেয়েছে আর সরকারের দুর্নীতিবিরোধী অবস্থান প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে। এমন বাস্তবতায় সরকারকে এই আত্মঘাতী পদক্ষেপ থেকে সরে আসার আহ্বান জানাচ্ছি। আমরা বিশ্বাস করতে চাই, দেশের সরকার এখনও মুষ্টিমেয় স্বার্থান্বেষীদের হাতে জিম্মি হয়ে যায়নি।”

এইচএস/এমএআর/জেআইএম

করোনা ভাইরাস - লাইভ আপডেট

১,৩২,৭৩,৫৯৫
আক্রান্ত

৫,৭৬,৪৯৬
মৃত

৭৭,৪৬,৭৮৭
সুস্থ

# দেশ আক্রান্ত মৃত সুস্থ
বাংলাদেশ ১,৯০,০৫৭ ২,৪২৪ ১,০৩,২২৭
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ৩৪,৮০,০৯৭ ১,৩৮,২৭৩ ১৫,৫০,৩৭৮
ব্রাজিল ১৮,৮৮,৮৮৯ ৭২,৯৫০ ১২,১৩,৫১২
ভারত ৯,১১,৬২৯ ২৩,৭৮৮ ৫,৭৩,৯৫৩
রাশিয়া ৭,৩৯,৯৪৭ ১১,৬১৪ ৫,১২,৮২৫
পেরু ৩,৩০,১২৩ ১২,০৫৪ ২,২১,০০৮
চিলি ৩,১৭,৬৫৭ ৭,০২৪ ২,৮৬,৫৫৬
যুক্তরাজ্য ৩,১৩,৪৮৩ ৪৪,৮৩০ ৩৪৪
মেক্সিকো ৩,০৪,৪৩৫ ৩৫,৪৯১ ১,৮৯,০৬৩
১০ স্পেন ৩,০৩,০৩৩ ২৮,৭৫২ ১,৯৬,৯৫৮
১১ দক্ষিণ আফ্রিকা ২,৮৭,৭৯৬ ৪,১৭২ ১,৩৮,২৪১
১২ ইরান ২,৬২,১৭৩ ১৩,২১১ ২,২৫,২৭০
১৩ পাকিস্তান ২,৫৩,৬০৪ ৫,৩২০ ১,৭০,৬৫৬
১৪ ইতালি ২,৪৩,২৩০ ৩৪,৯৬৭ ১,৯৫,১০৬
১৫ সৌদি আরব ২,৩৭,৮০৩ ২,২৮৩ ১,৭৭,৫৬০
১৬ তুরস্ক ২,১৪,০০১ ৫,৩৮২ ১,৯৫,৬৭১
১৭ জার্মানি ২,০০,৪৫১ ৯,১৩৯ ১,৮৫,১০০
১৮ ফ্রান্স ১,৮৯,২২০ ৩০,০২৯ ৭৮,৫৯৭
১৯ কলম্বিয়া ১,৫৪,২৭৭ ৫,৪৫৫ ৬৫,৮০৯
২০ কানাডা ১,০৮,১৫৫ ৮,৭৯০ ৭১,৮৪১
২১ কাতার ১,০৪,৫৩৩ ১৫০ ১,০১,১৬০
২২ আর্জেন্টিনা ১,০৩,২৬৫ ১,৯২৬ ৪৫,৪৬৭
২৩ চীন ৮৩,৬০৫ ৪,৬৩৪ ৭৮,৬৭৪
২৪ মিসর ৮৩,০০১ ৩,৯৩৫ ২৪,৯৭৫
২৫ ইরাক ৮১,৭৫৭ ৩,৩৪৫ ৫০,৭৮২
২৬ ইন্দোনেশিয়া ৭৮,৫৭২ ৩,৭১০ ৩৭,৬৩৬
২৭ সুইডেন ৭৫,৮২৬ ৫,৫৩৬ ৪,৯৭১
২৮ ইকুয়েডর ৬৮,৪৫৯ ৫,০৬৩ ৩০,৩৬৯
২৯ বেলারুশ ৬৫,২৬৯ ৪৭৪ ৫৫,৭৯৯
৩০ বেলজিয়াম ৬২,৭৮১ ৯,৭৮৭ ১৭,২২৩
৩১ কাজাখস্তান ৬১,৭৫৫ ৪৮৯ ৩৫,৯১১
৩২ ওমান ৫৯,৫৬৮ ২৭৩ ৩৭,৯৮৭
৩৩ ফিলিপাইন ৫৭,৫৪৫ ১,৬০৩ ২০,৪৫৯
৩৪ কুয়েত ৫৬,১৭৪ ৩৯৬ ৪৬,১৬১
৩৫ সংযুক্ত আরব আমিরাত ৫৫,১৯৮ ৩৩৪ ৪৫,৫১৩
৩৬ ইউক্রেন ৫৪,৭৭১ ১,৪১২ ২৭,১৫৪
৩৭ নেদারল্যান্ডস ৫১,১৪৬ ৬,১৩৭ ২৫০
৩৮ বলিভিয়া ৪৯,২৫০ ১,৮৬৬ ১৫,২৯৪
৩৯ পানামা ৪৭,১৭৩ ৯৩২ ২৩,৯১৯
৪০ পর্তুগাল ৪৬,৮১৮ ১,৬৬২ ৩১,০৬৫
৪১ সিঙ্গাপুর ৪৬,৬৩০ ২৬ ৪২,৫৪১
৪২ ডোমিনিকান আইল্যান্ড ৪৫,৫০৬ ৯০৩ ২২,৪৪১
৪৩ ইসরায়েল ৪১,২৩৫ ৩৬৮ ১৯,৪৭৪
৪৪ পোল্যান্ড ৩৮,৪৫৭ ১,৫৮৮ ২৭,৭৫৬
৪৫ আফগানিস্তান ৩৪,৭৪০ ১,০৪৮ ২১,৪৫৪
৪৬ রোমানিয়া ৩৩,৫৮৫ ১,৯৩১ ২১,৮০৩
৪৭ বাহরাইন ৩৩,৪৭৬ ১০৯ ২৯,০৯৯
৪৮ নাইজেরিয়া ৩৩,১৫৩ ৭৪৪ ১৩,৬৭১
৪৯ সুইজারল্যান্ড ৩৩,০১৬ ১,৯৬৮ ২৯,৬০০
৫০ আর্মেনিয়া ৩২,৪৯০ ৫৮১ ২০,৭২৯
৫১ গুয়াতেমালা ২৯,৭৪২ ১,২৪৪ ৪,৩২১
৫২ হন্ডুরাস ২৮,৫৭৯ ৭৮৯ ৩,১২৩
৫৩ আয়ারল্যান্ড ২৫,৬৩৮ ১,৭৪৬ ২৩,৩৬৪
৫৪ ঘানা ২৪,৯৮৮ ১৩৯ ২১,০৬৭
৫৫ আজারবাইজান ২৪,৫৭০ ৩১৩ ১৫,৬৪০
৫৬ জাপান ২১,৮৬৮ ৯৮২ ১৮,১০৩
৫৭ আলজেরিয়া ১৯,৬৮৯ ১,০১৮ ১৪,০১৯
৫৮ মলদোভা ১৯,৪৩৯ ৬৫২ ১৩,০৩৩
৫৯ অস্ট্রিয়া ১৯,০২১ ৭০৯ ১৭,০৭৩
৬০ সার্বিয়া ১৮,৯৮৩ ৪১৮ ১৩,৯৯১
৬১ নেপাল ১৭,০৬১ ৩৮ ১০,৩২৮
৬২ মরক্কো ১৬,০৪৭ ২৫৬ ১৩,৪০৩
৬৩ ক্যামেরুন ১৫,১৭৩ ৩৫৯ ১১,৯২৮
৬৪ উজবেকিস্তান ১৩,৯৯৩ ৬৫ ৮,০৭৪
৬৫ দক্ষিণ কোরিয়া ১৩,৫১২ ২৮৯ ১২,২৮২
৬৬ চেক প্রজাতন্ত্র ১৩,২৩৮ ৩৫৩ ৮,৩৭৩
৬৭ ডেনমার্ক ১৩,০৬১ ৬১০ ১২,১৬০
৬৮ আইভরি কোস্ট ১২,৮৭২ ৮৪ ৬,৮১০
৬৯ কিরগিজস্তান ১১,৪৪৪ ১৪৯ ৩,৫৩৮
৭০ কেনিয়া ১০,৭৯১ ২০২ ৩,০১৭
৭১ সুদান ১০,৩১৬ ৬৫৭ ৫,৪০৩
৭২ এল সালভাদর ১০,৩০৩ ২৭৮ ৫,৯১৯
৭৩ অস্ট্রেলিয়া ১০,২৫০ ১০৮ ৭,৮৩৫
৭৪ ভেনেজুয়েলা ৯,৭০৭ ৯৩ ২,৬৭১
৭৫ নরওয়ে ৮,৯৮৮ ২৫৩ ৮,১৩৮
৭৬ মালয়েশিয়া ৮,৭২৯ ১২২ ৮,৫২৪
৭৭ সেনেগাল ৮,২৪৩ ১৫০ ৫,৫৮০
৭৮ উত্তর ম্যাসেডোনিয়া ৮,১৯৭ ৩৮৫ ৪,৩২৬
৭৯ ড্যানিশ রিফিউজি কাউন্সিল ৮,১৩৫ ১৯০ ৩,৯৪৮
৮০ কোস্টারিকা ৮,০৩৬ ৩৪ ২,৩০৪
৮১ ইথিওপিয়া ৭,৭৬৬ ১২৮ ২,৪৩০
৮২ বুলগেরিয়া ৭,৪১১ ২৭৬ ৩,৫১৭
৮৩ ফিনল্যাণ্ড ৭,৩০১ ৩২৯ ৬,৮০০
৮৪ বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা ৬,৯৮১ ২২৬ ৩,১৭৯
৮৫ ফিলিস্তিন ৬,৭৬৪ ৪২ ১,০৮৪
৮৬ হাইতি ৬,৭২৭ ১৪১ ৩,০২২
৮৭ তাজিকিস্তান ৬,৫৯৬ ৫৫ ৫,২৭৮
৮৮ ফ্রেঞ্চ গায়ানা ৬,১৭০ ২৯ ৩,২১০
৮৯ গিনি ৬,১৪১ ৩৭ ৪,৮৬২
৯০ গ্যাবন ৬,০২৬ ৪৬ ৩,৪৭৫
৯১ মৌরিতানিয়া ৫,৪৪৬ ১৪৭ ২,৫০১
৯২ মাদাগাস্কার ৫,৩৪৩ ৩৯ ২,৬৪৬
৯৩ জিবুতি ৪,৯৭৯ ৫৬ ৪,৭৪৩
৯৪ লুক্সেমবার্গ ৪,৯৫৬ ১১১ ৪,১৮৩
৯৫ সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিক ৪,৩২১ ৫৩ ১,২০৮
৯৬ হাঙ্গেরি ৪,২৫৮ ৫৯৫ ৩,১০৬
৯৭ ক্রোয়েশিয়া ৩,৮২৭ ১২০ ২,৫৫৮
৯৮ গ্রীস ৩,৮২৬ ১৯৩ ১,৩৭৪
৯৯ আলবেনিয়া ৩,৬৬৭ ৯৭ ২,০৬২
১০০ থাইল্যান্ড ৩,২২৭ ৫৮ ৩,০৯১
১০১ সোমালিয়া ৩,০৭২ ৯৩ ১,৩৪৩
১০২ ইকোয়েটরিয়াল গিনি ৩,০৭১ ৫১ ৮৪২
১০৩ প্যারাগুয়ে ২,৯৮০ ২৫ ১,২৯৩
১০৪ নিকারাগুয়া ২,৮৪৬ ৯১ ১,৯৯৩
১০৫ মালদ্বীপ ২,৭৬২ ১৩ ২,২৯০
১০৬ মায়োত্তে ২,৭২৪ ৩৭ ২,৪৮০
১০৭ শ্রীলংকা ২,৬৫৭ ১১ ১,৯৮৮
১০৮ মালাউই ২,৪৩০ ৩৯ ৭৪৭
১০৯ কিউবা ২,৪২৮ ৮৭ ২,২৬৮
১১০ মালি ২,৪২৩ ১২১ ১,৭৪৮
১১১ লেবানন ২,৪১৯ ৩৬ ১,৪২৩
১১২ দক্ষিণ সুদান ২,১৪৮ ৪১ ৩৩৩
১১৩ কঙ্গো ২,০২৮ ৪৭ ৫৮৯
১১৪ এস্তোনিয়া ২,০১৫ ৬৯ ১,৮৯৭
১১৫ স্লোভাকিয়া ১,৯০৮ ২৮ ১,৪৯৩
১১৬ আইসল্যান্ড ১,৯০৫ ১০ ১,৮৮২
১১৭ জাম্বিয়া ১,৮৯৫ ৪২ ১,৪১২
১১৮ লিথুনিয়া ১,৮৭৫ ৭৯ ১,৫৭৯
১১৯ স্লোভেনিয়া ১,৮৫৯ ১১১ ১,৪৮৮
১২০ গিনি বিসাউ ১,৮৪২ ২৬ ৭৭৩
১২১ কেপ ভার্দে ১,৭২২ ১৯ ৭৭২
১২২ সিয়েরা লিওন ১,৬৪২ ৬৩ ১,১৭৫
১২৩ হংকং ১,৫৭০ ১,২২৯
১২৪ নিউজিল্যান্ড ১,৫৪৫ ২২ ১,৪৯৮
১২৫ লিবিয়া ১,৫১২ ৪০ ৩৬৭
১২৬ ইয়েমেন ১,৪৯৮ ৪২৪ ৬৭৫
১২৭ ইসওয়াতিনি ১,৩৮৯ ২০ ৬৮৮
১২৮ রুয়ান্ডা ১,৩৭৮ ৭১০
১২৯ বেনিন ১,৩৭৮ ২৬ ৫৫৭
১৩০ তিউনিশিয়া ১,৩০২ ৫০ ১,০৮২
১৩১ মন্টিনিগ্রো ১,২৮৭ ২৪ ৩৩০
১৩২ মোজাম্বিক ১,২১৯ ৩৬৯
১৩৩ জর্ডান ১,১৮৩ ১০ ১,০০৮
১৩৪ লাটভিয়া ১,১৭৪ ৩১ ১,০২২
১৩৫ নাইজার ১,০৯৯ ৬৮ ৯৯২
১৩৬ উগান্ডা ১,০৪০ ৯৮৪
১৩৭ বুর্কিনা ফাঁসো ১,০৩৭ ৫৩ ৮৭৩
১৩৮ জিম্বাবুয়ে ১,০৩৪ ১৯ ৩৪৩
১৩৯ লাইবেরিয়া ১,০২৪ ৫১ ৪৩৯
১৪০ সাইপ্রাস ১,০২২ ১৯ ৮৩৯
১৪১ জর্জিয়া ৯৯৯ ১৫ ৮৭০
১৪২ উরুগুয়ে ৯৮৯ ৩১ ৯০৩
১৪৩ চাদ ৮৮০ ৭৫ ৭৯২
১৪৪ নামিবিয়া ৮৬৪ ২৯
১৪৫ এনডোরা ৮৫৮ ৫২ ৮০৩
১৪৬ সুরিনাম ৭৮০ ১৮ ৫২৬
১৪৭ জ্যামাইকা ৭৫৯ ১০ ৬২৮
১৪৮ টোগো ৭২১ ১৫ ৫১৭
১৪৯ ডায়মন্ড প্রিন্সেস (প্রমোদ তরী) ৭১২ ১৩ ৬৫১
১৫০ সান ম্যারিনো ৬৯৯ ৪৫ ৬৫৬
১৫১ মালটা ৬৭৪ ৬৬০
১৫২ রিইউনিয়ন ৫৯৬ ৪৭২
১৫৩ চ্যানেল আইল্যান্ড ৫৮১ ৪৮ ৫২৮
১৫৪ অ্যাঙ্গোলা ৫২৫ ২৬ ১১৮
১৫৫ তানজানিয়া ৫০৯ ২১ ১৮৩
১৫৬ তাইওয়ান ৪৫১ ৪৪০
১৫৭ সিরিয়া ৪৩৯ ২১ ১৩৮
১৫৮ বতসোয়ানা ৩৯৯ ৩৮
১৫৯ ভিয়েতনাম ৩৭৩ ৩৫২
১৬০ মরিশাস ৩৪২ ১০ ৩৩০
১৬১ আইল অফ ম্যান ৩৩৬ ২৪ ৩১২
১৬২ মায়ানমার ৩৩৬ ২৬১
১৬৩ কমোরস ৩১৭ ২৯৬
১৬৪ গায়ানা ৩০০ ২৩ ১৫৫
১৬৫ বুরুন্ডি ২৬৯ ২০৭
১৬৬ লেসোথো ২৫৬ ৪৮
১৬৭ মার্টিনিক ২৫৫ ১৫ ৯৮
১৬৮ মঙ্গোলিয়া ২৪৩ ২০৪
১৬৯ ইরিত্রিয়া ২৩২ ১০৭
১৭০ কেম্যান আইল্যান্ড ২০৩ ২০০
১৭১ গুয়াদেলৌপ ১৯০ ১৪ ১৫৭
১৭২ ফারে আইল্যান্ড ১৮৮ ১৮৮
১৭৩ জিব্রাল্টার ১৮০ ১৭৯
১৭৪ কম্বোডিয়া ১৬৫ ১৩৩
১৭৫ বারমুডা ১৫০ ১৩৭
১৭৬ ব্রুনাই ১৪১ ১৩৮
১৭৭ ত্রিনিদাদ ও টোবাগো ১৩৩ ১২৪
১৭৮ বাহামা ১১৩ ১১ ৯১
১৭৯ মোনাকো ১০৯ ৯৭
১৮০ আরুবা ১০৫ ৯৯
১৮১ বার্বাডোস ১০৩ ৯০
১৮২ সিসিলি ১০০ ১১
১৮৩ লিচেনস্টেইন ৮৬ ৮১
১৮৪ ভুটান ৮৪ ৭৮
১৮৫ সিন্ট মার্টেন ৭৮ ১৫ ৬৩
১৮৬ অ্যান্টিগুয়া ও বার্বুডা ৭৪ ৫৭
১৮৭ টার্কস্ ও কেইকোস আইল্যান্ড ৭২ ১১
১৮৮ গাম্বিয়া ৬৪ ৩৪
১৮৯ ফ্রেঞ্চ পলিনেশিয়া ৬২ ৬০
১৯০ ব্রিটিশ ভার্জিন দ্বীপপুঞ্জ ৫৪
১৯১ ম্যাকাও ৪৬ ৪৫
১৯২ সেন্ট মার্টিন ৪৩ ৩৭
১৯৩ বেলিজ ৩৭ ২০
১৯৪ সেন্ট ভিনসেন্ট ও গ্রেনাডাইন আইল্যান্ড ৩৫ ২৯
১৯৫ ফিজি ২৬ ১৮
১৯৬ কিউরাসাও ২৫ ২৪
১৯৭ পূর্ব তিমুর ২৪ ২৪
১৯৮ গ্রেনাডা ২৩ ২৩
১৯৯ সেন্ট লুসিয়া ২২ ১৯
২০০ নিউ ক্যালেডোনিয়া ২১ ২১
২০১ লাওস ১৯ ১৯
২০২ ডোমিনিকা ১৮ ১৮
২০৩ সেন্ট কিটস ও নেভিস ১৭ ১৫
২০৪ গ্রীনল্যাণ্ড ১৩ ১৩
২০৫ ফকল্যান্ড আইল্যান্ড ১৩ ১৩
২০৬ ভ্যাটিকান সিটি ১২ ১২
২০৭ মন্টসেরাট ১২ ১০
২০৮ পাপুয়া নিউ গিনি ১১
২০৯ পশ্চিম সাহারা ১০
২১০ জান্ডাম (জাহাজ)
২১১ ক্যারিবিয়ান নেদারল্যান্ডস
২১২ সেন্ট বারথেলিমি
২১৩ এ্যাঙ্গুইলা
২১৪ সেন্ট পিয়ের এন্ড মিকেলন
তথ্যসূত্র: চীনের জাতীয় স্বাস্থ্য কমিশন (সিএনএইচসি) ও অন্যান্য।
করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]