ইউনাইটেডে অগ্নিকাণ্ড : মিলছে না অনেক প্রশ্নের উত্তর

আদনান রহমান
আদনান রহমান আদনান রহমান , জসীম উদ্দীন জসীম উদ্দীন
প্রকাশিত: ০৮:২১ পিএম, ২৮ মে ২০২০

রাজধানীর গুলশানের ইউনাইটেড হাসপাতালের করোনাভাইরাসে (কোভিড-১৯) আক্রান্ত রোগীদের জন্য অস্থায়ীভাবে নির্মিত আইসোলেশন ইউনিটে অগ্নিকাণ্ডে ঝরেছে পাঁচজনের প্রাণ। তাদের মধ্যে তিনজন করোনায় আক্রান্ত ছিলেন। বাকি দুইজন শ্বাসকষ্ট নিয়ে ভর্তি ছিলেন সেখানে। এ ঘটনায় দায়িত্বহীনতা, অবহেলা, গাফেলতিসহ বিস্তর অভিযোগ উঠেছে হাসপাতালটির বিরুদ্ধে।

অগ্নিকাণ্ডে মারা যাওয়া মাহবুব এলাহী চৌধুরী নামের এক রোগীর চিকিৎসায় অবহেলা, আগুন লাগার পর সময় মতো ফায়ার সার্ভিসকে খবর না দেয়া, করোনা ইউনিটে পর্যাপ্ত অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা না থাকা, আগুন নেভাতে ফায়ার হাইড্রেন্ট ব্যবহার না করা, পার্টেক্স বোর্ড দিয়ে করোনা ইউনিট তৈরি, ইউনিটের জন্য ব্যবহৃত ১২টি অগ্নিনির্বাপক যন্ত্রের ৯টিই মেয়াদোত্তীর্ণ থাকার মতো অভিযোগের তীরের সামনে ইউনাইটেড হাসপাতাল। এর মধ্যে আবার মৃত রোগীদের পরিবারের সঙ্গে কথা না বলেই অপমৃত্যুর মামলা করার মতো কাজ তাদের ফেলেছে আরও কড়া সমালোচনায়। বুধবার (২৭ মে) রাতে অগ্নিকাণ্ডের পর থেকে এসব বিষয়ে অবশ্য কিছু ব্যাখ্যা দিয়ে আসছে তারা।

দুইবার করোনা নেগেটিভ, তবু করোনা ইউনিটেই করুণ মৃত্যু
আগুনে মারা যাওয়া পাঁচজনের মধ্যে মাহবুব এলাহীকে গত ১৫ মে শ্বাসকষ্টের কারণে ইউনাইটেড হাসপাতালে ভর্তি করে পরিবার। তাকে আইসোলেশন ইউনিটে ভর্তি রেখে ১৬ মে রক্তের নমুনা সংগ্রহ করে করোনা টেস্ট করানো হয়। ছয়দিন পর ২১ মে সকালে টেস্টের রিপোর্ট আসে। রিপোর্টে তার করোনা ‘পজিটিভ আসে’। একই দিন বিকেলে আবার টেস্টে ফলাফল ‘নেগেটিভ’ আসে। অর্থাৎ তার করোনা ছিল না। তবু তার শ্বাসকষ্ট ছিল। ২২ মে ইউনাইটেড কর্তৃপক্ষ আবারও তার রক্তের নমুনা সংগ্রহ করে করোনা টেস্ট করে। ২৩ মে বিকেলে তার রিপোর্ট আবারও ‘নেগেটিভ’ আসে। এবারও জানা গেল তিনি করোনায় আক্রান্ত নন।

এ বিষয়ে মাহবুব এলাহীর পরিবারের অভিযোগ, শ্বাসকষ্টের কারণে তাকে বারবার নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) স্থানান্তর করতে বলা হলেও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তা কানে তোলেনি। ‘নেগেটিভ’ রিপোর্টের রোগীকে তখনো করোনা ইউনিটে রাখা হয়। ২৪ মে যোগাযোগ করা হলে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বলে, আরেকবার স্যাম্পল নিতে হবে, এরপর সিদ্ধান্ত।

jagonews24

১২ দিন এই করোনা ইউনিটেই ছিলেন মাহবুব। ২৫ মে ঈদের দিন আবারও নমুনা সংগ্রহ করা হয় তার। তবে সেই ফলাফল দেয়ার আগেই আগুনে মৃত্যু হয় তার।

এ বিষয়ে মাহবুবের মেয়েজামাই সাইফুল ওসমান জাগোনিউজকে বলেন, আমরা তার চিকিৎসা পাওয়ার জন্য কোনো কম্প্রোমাইজ করিনি। শ্বাসকষ্টের কারণে ইউনাইটেডের আগে প্রথমে আমরা তাকে এভারকেয়ার হাসপাতালে (অ্যাপোলো হাসপাতাল) নিই। তারা সেখানে ভর্তি না রাখলে এখানে আনি। প্রতিদিন ৩০-৩৫ হাজার টাকা জমা করতে করতে ইতোমধ্যে সাড়ে তিন লাখ টাকা দিয়েছি। তবু এমন দুর্ঘটনায় তার মৃত্যু হলো। দুই-দুইবার করোনা নেগেটিভ আসার পর তাদের বারবার বলা সত্ত্বেও তারা তাকে আইসিইউতে স্থানান্তর করেনি। এখন আর কার কাছে কী অভিযোগ করবো? আক্ষেপ একটাই তার মরদেহ হস্তান্তরের সময় কাগজে ‘করোনা নেগেটিভ’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে, অথচ করোনা ইউনিটেই মৃত্যু হলো।

এ বিষয়ে ইউনাইটেড হাসপাতালের কমিউনিকেশন অ্যান্ড বিজনেস ডেভেলপমেন্ট বিভাগের প্রধান ডা. সাগুফা আনোয়ার জাগোনিউজকে বলেন, রোগীর লক্ষণ-উপসর্গে কোভিড-১৯ এর ইঙ্গিত ছিল। এক্স-রে রিপোর্টেও তার কোভিডের উপস্থিতি প্রকাশ পায়, তবে কোভিড টেস্টে ফলাফল ‘নেগেটিভ’ এসেছে, যেটা ‘ফলস নেগেটিভ’ও হতে পারে। বিশ্বব্যাপী এ ধরনের লক্ষণ-উপসর্গ দেখলে কোভিডের চিকিৎসা দেয়া হয়। আমরা এ বিষয়ে রোগীর পরিবারের সাথে কথা বলেছি। তারা এখানে (আইসোলেশন ইউনিট) রেখেই চিকিৎসা করাতে রাজি হন। তার পরিবারের অনুরোধেই আমরা তাকে প্লাজমা থেরাপি দেয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলাম। তার পরিবারের লোকজনও প্লাজমা ডোনারের খোঁজে ছিলেন।

করোনা ইউনিটে অগ্নিনিরাপত্তা ব্যবস্থা প্রশ্নবিদ্ধ
বুধবার রাতে অগ্নিকাণ্ডের পর বৃহস্পতিবার (২৮ মে) সকালে অগ্নিকাণ্ডস্থল পরিদর্শন করে ফায়ার সার্ভিস ও সিআইডির ফরেনসিক টিম। তারা সেখানে দেখে, করোনা রোগীদের জন্য তৈরি করা ইউনাইটেড হাসপাতালের মূল ভবনের বাইরে আইসোলেশন ইউনিটের জন্য যে ১২টি অগ্নিনির্বাপক যন্ত্র রাখা হয়েছে, তার নয়টিই মেয়াদোত্তীর্ণ। পরে তা আলামত হিসেবে জব্দ করে সিআইডি।

আইসোলেশন ইউনিটের অগ্নিনিরাপত্তা ব্যবস্থা সম্পর্কে ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্স অধিদফতরের উপ-পরিচালক ও ঘটনা তদন্তে গঠিত কমিটির প্রধান দেবাশীষ বর্ধন জাগোনিউজকে বলেন, ইউনাইটেড হাসপাতাল করোনা রোগী রাখার জন্য আলাদা আইসোলেশন করতে সরকারিভাবে নির্দেশনা পেয়েছে, তাই করার জন্য করেছে আর কি। এই ইউনিটটা খুবই রিস্কি ছিল। যে পাঁচজন মারা গেছেন তারা সানসেটের ঠিক নিচে ছিলেন। আর বাইরে একটা এক্সটেনশন আছে টিনশেডের। অস্থায়ীভাবে তৈরি ওই ইউনিটের পার্টিশনগুলো পার্টেক্স জাতীয়, যা অতিদাহ্য। আগুন যখন লেগেছে তাৎক্ষণিকভাবে একসঙ্গে পুরোটায় লেগে গেছে। এ কারণে একটা রোগীও বের হতে পারেননি। তাছাড়া, করোনা রোগীর আশপাশে সাধারণত কেউ থাকে না। ওখানে ওই পাঁচজন রোগীই চিকিৎসাধীন ছিলেন। যখনই আগুন লেগেছে তখন তারা আর বের হতে পারেননি।

jagonews24

এ বিষয়ে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদফতরের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. সাজ্জাদ হোসাইন বলেন, অগ্নিনিরাপত্তা ব্যবস্থা ওইভাবে ছিল না। কিন্তু করোনা ইউনিটের পাশেই ফায়ার হাইড্রেন্ট ছিল। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বোধয় ফায়ার হাইড্রেন্ট ব্যবহার করতে পারেনি। তাই প্রথমে তারা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে পারেনি। ফায়ার সার্ভিসের ইউনিট গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

ফায়ার সার্ভিসকে ডাকতে ২৫ মিনিট বিলম্ব
ইউনাইটেড হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বলেছে, অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হয় রাত ৯টা ৩০ মিনিটে। আর ফায়ার সার্ভিস বলছে, তাদের কাছে খবর যায় ৯টা ৫৫ মিনিটে। ফায়ার সার্ভিসকে খবর দিতে ২৫ মিনিট কেন সময় লেগেছিল? ফোন দেয়া কার দায়িত্ব ছিল, আর এই ২৫ মিনিটে কেন আগুন নেভানো যায়নি? এমন অনেক প্রশ্নের উত্তর মিলছে না ইউনাইটেড হাসপাতালের তরফ থেকে।

ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সাজ্জাদ হোসাইন বলেন, আমরা ৯টা ৫৫ মিনিটে আগুনের সংবাদ পেয়ে ১০টা ৪ মিনিটে ইউনাইটেডে প্রবেশ করে তা নিয়ন্ত্রণে কাজ করি। ফায়ার টিম এসেই দ্রুত আগুন নিভিয়ে ফেলে। যেই স্থানে আগুন লেগেছে, সেখানে আমরা আগেও মহড়া করেছিলাম।

এদিকে পুলিশ বলছে, ইউনাইটেড হাসপাতাল নয় বরং একজন রোগীর স্বজন জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করে অগ্নিকাণ্ডের সংবাদ দেন । পুলিশের গুলশান বিভাগের উপ-কমিশনার (ডিসি) সুদীপ কুমার চক্রবর্তী এ বিষয়ে বলেন, অগ্নিকাণ্ডের সময় এক রোগীর স্বজন গেইটে দাঁড়ানো ছিলেন। তিনি ৯টা ৪৮ মিনিটে আগুন দেখে ৯৯৯-এ ফোন করেন। আমরা তার ফোন চেক করেছি। পরবর্তীতে ভাটারা থানার মাধ্যমে আমরা ফায়ার সার্ভিসকে দ্রুত মেসেজ পাঠাই। তবে ফায়ার সার্ভিস পৌঁছানো পর্যন্ত সময়ে হঠাৎ করেই আগুন বড় পর্যায়ে চলে যায়, এর ফলে প্রাথমিক পর্যায়ে আগুন নেভানো সম্ভব হয়নি।

ফায়ার সার্ভিসকে ফোন দেয়ার ক্ষেত্রে বিলম্বের বিষয়ে ইউনাইটেড হাসপাতালের কমিউনিকেশন অ্যান্ড বিজনেস ডেভেলপমেন্ট বিভাগের প্রধান ডা. সাগুফা আনোয়ার বলেন, এই অভিযোগ সত্য নয়, আমরা তৎক্ষণাৎ ফায়ার সার্ভিসকে ফোন দেই। ফায়ার সার্ভিস দেরি করে এলো কেন এটি দেখার বিষয়।

তাড়াহুড়ো করে অপমৃত্যু মামলা
হাসপাতালের অগ্নিকাণ্ডস্থল থেকে মরদেহগুলো রাত সোয়া ১০টায় উদ্ধার করা হয়। তবে এর প্রায় ঘণ্টাখানেকের মধ্যেই গুলশান থানায় অপমৃত্যুর মামলা করে ইউনাইটেড কর্তৃপক্ষ। সাধারণত অপমৃত্যুর মামলার ক্ষেত্রে মৃতের স্বজনদের কোনো অভিযোগ আছে কি-না এ বিষয়ে কথা বলা হয়। কিন্তু এই পাঁচজনের স্বজনদের সঙ্গে কোনো কথা না বলেই রাত সাড়ে ১১টায় মামলা করে ইউনাইটেড হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। দুইজন রোগীর স্বজন জাগোনিউজকে নিশ্চিত করেছেন যে, তারা অপমৃত্যুর মামলার বিষয়ে কিছুই জানেন না। তাদের কাছে কিছু জানতে চাওয়া হয়নি।

jagonews24

নেটিজেনরাও দুষছেন ইউনাইটেডকে
একটি পাঁচ তারকা মানের হাসপাতালে আগুনে এভাবে মানুষের মৃত্যুর পেছনে কর্তৃপক্ষের দায়িত্বহীনতা, অবহেলা ও পর্যাপ্ত অগ্নিনিরাপত্তা ব্যবস্থার অভাবের কথাই বলছেন নেটিজেনরা।

আগুনে মৃত্যুবরণকারী মাহবুব এলাহীর আবু সায়েম শাহীন নামে এক ছোটভাই ফেসবুকে পোস্ট করেছেন-
“#বিচারচাই
একটা কথা বলতে চাই আপনাদের সবার উদ্দেশ্যে, আজ আমার এক বড় ভাই উনি ইউনাইটেড হাসপাতালে যে দুর্ঘটনা হয়েছে ওই দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন, অবাক করার বিষয় উনি ১৪ দিন ধরে ওই হসপিটালে অ্যাডমিট ছিলেন, দুই দুইবার ওনার করোনা নেগেটিভ আসছে, নেগেটিভ আসার কারণে হসপিটাল থেকে ডিসচার্জ করতে চেয়েছে তার পরিবার, কিন্তু হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ওনাকে রিলিজ দেয় নাই। এখন আমার প্রশ্ন কী কারণে তাকে রিলিজ দেওয়া হলো না? আর আজকে এই আগুনের কারণে করুণ মৃত্যু তার দায় কে নেবে? হসপিটাল এই পাঁচজন লোককে কি বাঁচাতে পারত না? এটা কেমন ব্যাপার? হসপিটালে মানুষ বাঁচানোর জন্য নেওয়া হয় এইভাবে মানুষ মারার জন্য নয়! আমরা এটার সুষ্ঠু বিচার চাই, এইভাবে কেউ যেন আগুনে পুড়ে বা বিশ্বাস করে হসপিটালে ভর্তি হয়ে বিশ্বাসঘাতকতার শিকার না হয়, বিচার চাই হসপিটাল ম্যানেজমেন্ট এর বিরুদ্ধে, এরকম একটি ভালো লোকের মৃত্যু এভাবে হতে পারে না। ধিক্কার জানাই ইউনাইটেড হসপিটালকে, এরকম ম্যানেজমেন্টের বিচার চাই,
#শেয়ারকরুন”

সাংবাদিক আমানুর রহমান রনি লিখেছেন, “প্রশ্নটা নিষ্ঠুর হলেও করতে মন চায়। একটি ওয়ার্ডের পাঁচজন রোগীই মারা গেল, আর আপনাদের হসপিটালের একজন স্টাফ বা অন্য কেউ আহত হলো না! তখন কি ওয়ার্ডে কেউ ছিলেন না! ইউনাইটেডের লিখিত প্রেস রিলিজে এমন কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। আগুন নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা কী ছিল? থাকলে সেগুলে দিয়ে কি কেউ চেষ্টা করেছিল?”

সাংবাদিক শাহদাত পারভেজ লিখেছেন, “এমনিতেই করোনা। তার ওপর মরার আগুন। গলাকাটা ইউনাইটেডের করোনা ইউনিটের এসির যদি এই অবস্থা হয় তাহলে সাধারণ হাসপাতালগুলোর কী অবস্থা ভাবুন। ফায়ার সার্ভিসের সূত্রে জানা গেছে, সেখানে অগ্নিনির্বাপণের যথেষ্ট সুযোগ ছিল না।হতভাগ্য এই মানুষগুলো করোনা থেকে বাঁচতে গিয়েছেলেন ইউনাইটেড হাসপাতালে। আর বের হলেন কয়লা হয়ে। যারা মারা গেলেন তাদের পরিবার এর বিচার পাবে তো?”

এআর/এইচএ/এমকেএইচ

করোনা ভাইরাস - লাইভ আপডেট

৩৭,০৩,০০,২১৫
আক্রান্ত

৫৬,৬৮,০১৫
মৃত

২৯,২৩,৯৯,১৭৪
সুস্থ

# দেশ আক্রান্ত মৃত সুস্থ
বাংলাদেশ ১৭,৬২,৭৭১ ২৮,৩০৮ ১৫,৬২,৩৬৯
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ৭,৫২,৭১,৪০২ ৯,০৫,৬৬১ ৪,৫৮,০৬,৩৮৮
ভারত ৪,০৮,৫৪,৮৫১ ৪,৯৩,২১৮ ৩,৮৩,৪৬,৩৬৭
ব্রাজিল ২,৫০,৪০,১৬১ ৬,২৫,৯৪৮ ২,২১,৬২,৯১৪
ফ্রান্স ১,৮৪,৭৬,২২৭ ১,৩০,২৭৮ ১,১৬,৮৫,১০৬
যুক্তরাজ্য ১,৬৩,৩৩,৯৮০ ১,৫৫,৩১৭ ১,৩১,০৯,৬৯৪
রাশিয়া ১,১৫,০২,৬৫৭ ৩,২৯,৪৪৩ ১,০১,৫৯,১৯৭
তুরস্ক ১,১৩,৪৩,৬৯৩ ৮৬,৮৭১ ১,০৬,৫২,৯৩০
ইতালি ১,০৬,৮৩,৯৪৮ ১,৪৫,৫৩৭ ৭৮,৬৯,৫৮৩
১০ স্পেন ৯৭,৭৯,১৩০ ৯২,৯৬৬ ৫৮,৩৯,৮৫৯
১১ জার্মানি ৯৫,২৪,১০১ ১,১৮,২৪৪ ৭৪,৯৪,২০০
১২ আর্জেন্টিনা ৮২,৭১,৬৩৬ ১,২০,৬৫৭ ৭৩,৮৭,৫৫৯
১৩ ইরান ৬৩,১০,৪৫২ ১,৩২,৩৫৬ ৬০,৯৫,৪১৪
১৪ কলম্বিয়া ৫৮,৩৭,৪০৮ ১,৩৩,৫৬০ ৫৬,০৪,৯৪৪
১৫ মেক্সিকো ৪৮,৭৩,৫৬১ ৩,০৫,২৪০ ৩৯,৪০,৩২৮
১৬ পোল্যান্ড ৪৭,৫২,৭০০ ১,০৪,৯০৭ ৩৯,০৫,৭৭৬
১৭ ইন্দোনেশিয়া ৪৩,১৯,১৭৫ ১,৪৪,২৬৮ ৪১,৩১,৩৩৩
১৮ নেদারল্যান্ডস ৪২,০৫,৬৪৯ ২১,২৬২ ৩০,৮০,০০৮
১৯ ইউক্রেন ৩৯,৮০,৬১০ ৯৯,৮৮২ ৩৬,০৮,০৯৪
২০ দক্ষিণ আফ্রিকা ৩৫,৯৮,২৮৮ ৯৪,৭৮৪ ৩৪,৩৬,৩২৬
২১ ফিলিপাইন ৩৫,১১,৪৯১ ৫৩,৮০১ ৩২,২৬,০৩২
২২ পেরু ৩১,২০,৪০১ ২,০৪,৯৪০ ১৭,২০,৬৬৫
২৩ কানাডা ৩০,১৪,২২০ ৩৩,৫১৩ ২৭,৫৩,৫৯৬
২৪ বেলজিয়াম ৩০,০৭,৭২৪ ২৮,৯৩৮ ২০,৩৩,৮৯৮
২৫ চেক প্রজাতন্ত্র ২৯,২৩,৬৮০ ৩৭,১৪৫ ২৫,৯২,০৭৭
২৬ মালয়েশিয়া ২৮,৫৫,৯৩০ ৩১,৯৫২ ২৭,৭৩,৯৪৮
২৭ ইসরায়েল ২৭,০৫,১০৩ ৮,৫৯৯ ২১,৫৮,২৭৬
২৮ অস্ট্রেলিয়া ২৫,২৩,২৬৫ ৩,৬৩৩ ২০,৯২,২৭০
২৯ পর্তুগাল ২৫,০৭,৩৫৭ ১৯,৭৮৮ ১৯,০৮,১৯৯
৩০ থাইল্যান্ড ২৪,২৪,০৯০ ২২,১৪৮ ২৩,১৮,০০৬
৩১ জাপান ২৪,২১,৪৪৩ ১৮,৬৪২ ১৯,১৯,২৬৫
৩২ ভিয়েতনাম ২২,১৮,১৩৭ ৩৭,৪৩২ ১৯,৫০,২৪৪
৩৩ ইরাক ২১,৯১,৯৫৬ ২৪,৩৪৭ ২০,৯৫,৩৭৪
৩৪ রোমানিয়া ২১,৪৬,৫৫৮ ৫৯,৮৫৭ ১৮,৯৪,০৭৭
৩৫ সুইজারল্যান্ড ২১,২২,১৩৫ ১২,৭৮৫ ১২,৮৩,৩৬১
৩৬ চিলি ২০,৭৫,৭০৩ ৩৯,৬২০ ১৭,৬৩,২৯৭
৩৭ সুইডেন ২০,৭০,৪৫৬ ১৫,৮২০ ১২,৯৯,০১৮
৩৮ গ্রীস ১৮,৯০,২৯৬ ২৩,১৯৫ ১৬,৩৭,৭৮৮
৩৯ অস্ট্রিয়া ১৭,৬৬,২৯২ ১৪,০৬১ ১৪,৬৯,২৩৫
৪০ সার্বিয়া ১৬,৩৩,৮৬৮ ১৩,৪৫৯ ১৩,৪৬,১২৭
৪১ ডেনমার্ক ১৫,৬৭,২৭০ ৩,৭০০ ১০,৪২,৩৫৯
৪২ হাঙ্গেরি ১৫,০৮,৩৫৮ ৪১,২২৯ ১২,৪১,৩২৮
৪৩ পাকিস্তান ১৪,০২,০৭০ ২৯,১৯২ ১২,৭৪,৬৫৭
৪৪ কাজাখস্তান ১২,০৪,৭৬৯ ১৩,৪৬৪ ১০,৩২,৬৩৯
৪৫ জর্ডান ১১,৮৯,০৮০ ১৩,১৫৭ ১০,৯৭,১৭৬
৪৬ আয়ারল্যান্ড ১১,৬৯,৬৪৫ ৬,১৩৬ ৭,৪১,৭৫৯
৪৭ জর্জিয়া ১১,২৭,২৩৪ ১৪,৮৭০ ৯,৮৬,৯২৮
৪৮ মরক্কো ১১,২৪,৯৮৬ ১৫,৩০০ ১০,৫৭,৩৩৩
৪৯ কিউবা ১০,৩৬,৭৮৩ ৮,৩৮৮ ১০,১৩,৬৪০
৫০ স্লোভাকিয়া ৯,৭১,৯৪৫ ১৭,৭৭৯ ৮,৫৬,৬৪৪
৫১ নেপাল ৯,৪৪,০৭৪ ১১,৬৯৭ ৮,৪২,৪৩৬
৫২ বুলগেরিয়া ৯,৩৩,৩৩৭ ৩৩,০৮৮ ৬,৬৬,২৩৭
৫৩ ক্রোয়েশিয়া ৯,১৯,৫৯৮ ১৩,৬৯০ ৮,৩৯,১৫৭
৫৪ লেবানন ৯,০০,০৯৮ ৯,৫৬১ ৬,৮২,৯৭৭
৫৫ তিউনিশিয়া ৮,৮৪,৫৮৮ ২৬,১৩২ ৭,৪৬,০৭৬
৫৬ বলিভিয়া ৮,৪১,৭৫৭ ২০,৮২৪ ৬,৭০,০৩১
৫৭ সংযুক্ত আরব আমিরাত ৮,৩৮,৩৮৪ ২,২৩৪ ৭,৭৪,০৪৩
৫৮ দক্ষিণ কোরিয়া ৮,১১,১২২ ৬,৭১২ ৬,১৮,৫৬১
৫৯ বেলারুশ ৭,৩৬,২৯৯ ৬,০০৯ ৭,২৭,৮৫৭
৬০ নরওয়ে ৭,৩৬,০৫১ ১,৪৩৯ ৮৮,৯৫২
৬১ ইকুয়েডর ৭,০৭,২২৪ ৩৪,৪৪২ ৪,৪৩,৮৮০
৬২ পানামা ৬,৮৫,৬৩০ ৭,৬৮০ ৫,৯৮,৫০৫
৬৩ গুয়াতেমালা ৬,৮৫,৫৪২ ১৬,৩৪৩ ৬,২৯,৬৯২
৬৪ কোস্টারিকা ৬,৮২,৪৮০ ৭,৫৩৩ ৫,৭৩,০১০
৬৫ সৌদি আরব ৬,৭৫,৪৭১ ৮,৯৩১ ৬,২৬,৫৩২
৬৬ স্লোভেনিয়া ৬,৭৩,১৫৪ ৫,৮৩৫ ৫,১৩,৯৪৯
৬৭ লিথুনিয়া ৬,৫১,২৯৩ ৭,৮২৯ ৫,৪২,৭৭৭
৬৮ আজারবাইজান ৬,৪৭,০৭৩ ৮,৬৮৩ ৬,২১,১৮৬
৬৯ উরুগুয়ে ৬,৪৪,৬৩১ ৬,৪১১ ৫,৬৪,২০২
৭০ শ্রীলংকা ৬,০৮,০৬৫ ১৫,৩৮৬ ৫,৭৭,৩১৪
৭১ প্যারাগুয়ে ৫,৬৫,৩৬৮ ১৭,২১২ ৪,৮৪,৫২০
৭২ ডোমিনিকান আইল্যান্ড ৫,৫১,৫২৮ ৪,২৯৮ ৫,৩৩,৫৮৪
৭৩ মায়ানমার ৫,৩৪,৯০৮ ১৯,৩১০ ৫,১২,৯০০
৭৪ কুয়েত ৫,২৮,২৫৪ ২,৪৯২ ৪,৭৫,৫৯০
৭৫ ভেনেজুয়েলা ৪,৭৭,০২২ ৫,৪২৫ ৪,৫৪,৪১৮
৭৬ ফিনল্যাণ্ড ৪,৭৫,৪৩১ ১,৯৪২ ৪৬,০০০
৭৭ ফিলিস্তিন ৪,৭৩,৮৬৭ ৪,৮১২ ৪,৪১,৪৯৫
৭৮ ইথিওপিয়া ৪,৬৪,৩৮৩ ৭,৩১১ ৩,৯৬,০৯৫
৭৯ মঙ্গোলিয়া ৪,৩৮,২৯৫ ২,১০৪ ৩,১৩,২৫৬
৮০ মলদোভা ৪,৩৪,৫৪৯ ১০,৬২১ ৩,৭৮,৪৪৩
৮১ লিবিয়া ৪,১৯,৫৪৩ ৫,৯৯৩ ৩,৯০,৯৩৪
৮২ মিসর ৪,১৯,৪৬০ ২২,৫২২ ৩,৫৩,৪০৯
৮৩ হন্ডুরাস ৩,৯১,৮৭৪ ১০,৫০৪ ১,২৭,০৩৮
৮৪ লাটভিয়া ৩,৭২,৫০৩ ৪,৮৫৫ ২,৯১,২৬১
৮৫ আর্মেনিয়া ৩,৬১,৭৫৪ ৮,০৩৫ ৩,৩৫,২২৭
৮৬ বাহরাইন ৩,৫৫,৩১৪ ১,৪০৩ ৩,১৭,২৬২
৮৭ বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা ৩,৪৩,৯৮৬ ১৪,৩১০ ১৫,৮১,১৬৪
৮৮ সিঙ্গাপুর ৩,৩৮,৬২৫ ৮৫৩ ৩,১৭,০৪৩
৮৯ কাতার ৩,৩৪,৫৪৩ ৬৪১ ৩,০৫,০০১
৯০ ওমান ৩,৩০,৭৬৭ ৪,১৩৪ ৩,০৮,৮২৫
৯১ কেনিয়া ৩,২১,১১১ ৫,৫৭৮ ২,৯৪,০৩৫
৯২ এস্তোনিয়া ৩,১৯,৫০৫ ২,০২৫ ২,৫৩,২৭৪
৯৩ জাম্বিয়া ৩,০৪,৩৫৩ ৩,৯১০ ২,৯৫,৯৩৭
৯৪ উত্তর ম্যাসেডোনিয়া ২,৬৫,১০১ ৮,৩৩৮ ২,৩৯,৫৮১
৯৫ আলবেনিয়া ২,৫৫,৭৪১ ৩,৩৩৪ ২,৩০,১৯৩
৯৬ নাইজেরিয়া ২,৫২,৯১২ ৩,১৩৪ ২,২৮,৬৩২
৯৭ বতসোয়ানা ২,৫০,৭৪৬ ২,৫৮০ ২,৪৩,৩২৫
৯৮ সাইপ্রাস ২,৪৮,৯৪১ ৭২৬ ১,২৪,৩৭০
৯৯ আলজেরিয়া ২,৪৭,৫৬৮ ৬,৫৪৫ ১,৬৪,৯৫০
১০০ জিম্বাবুয়ে ২,২৯,৩৩৩ ৫,৩৩৩ ২,১৭,৩৫৫
১০১ মোজাম্বিক ২,২৩,৬১২ ২,১৬৫ ২,০৯,৩৯৬
১০২ উজবেকিস্তান ২,১৯,৬৬৩ ১,৫৫৪ ২,০৯,৪১৭
১০৩ মন্টিনিগ্রো ২,১৭,৭৫২ ২,৫৪৬ ২,০৮,১২৩
১০৪ কিরগিজস্তান ১,৯৭,৪৩৭ ২,৮৬৭ ১,৮৫,৭৭১
১০৫ রিইউনিয়ন ১,৮০,৫৩১ ৫০০ ১,০৮,৭৭১
১০৬ উগান্ডা ১,৬১,৩৫৪ ৩,৫১৭ ৯৯,১৯৫
১০৭ আফগানিস্তান ১,৬১,০৫৭ ৭,৪০৩ ১,৪৬,৪৫৬
১০৮ ঘানা ১,৫৬,৫১৫ ১,৩৮৮ ১,৫৩,০৩৯
১০৯ নামিবিয়া ১,৫৫,৭২২ ৩,৯৬২ ১,৪৫,৫৫২
১১০ লুক্সেমবার্গ ১,৫৩,৪৩৫ ৯৪৮ ১,২০,২৯১
১১১ লাওস ১,৩২,৬৮১ ৫৩৮ ৭,৬৬০
১১২ মালদ্বীপ ১,৩০,৫৯৯ ২৭৪ ১,১২,৫৩৫
১১৩ রুয়ান্ডা ১,২৮,৭০৮ ১,৪৩৮ ৪৫,৫২২
১১৪ এল সালভাদর ১,২৭,০১২ ৩,৮৭৭ ১,১৭,৭৫৩
১১৫ জ্যামাইকা ১,২৩,০৪৭ ২,৬৩৫ ৬৯,২৫৮
১১৬ কম্বোডিয়া ১,২১,১৮৮ ৩,০১৫ ১,১৭,৩০৩
১১৭ ক্যামেরুন ১,১৪,১১৩ ১,৮৬৭ ১,০৬,০৫০
১১৮ ত্রিনিদাদ ও টোবাগো ১,০৯,৬৬০ ৩,৩৭২ ৮৪,২৯২
১১৯ চীন ১,০৫,৯৩৪ ৪,৬৩৬ ৯৯,১৭১
১২০ গুয়াদেলৌপ ১,০৫,৩১৯ ৭৭৩ ২,২৫০
১২১ অ্যাঙ্গোলা ৯৮,০২৯ ১,৮৯৩ ৯৩,৬৪৭
১২২ ড্যানিশ রিফিউজি কাউন্সিল ৮৪,৯৯৮ ১,২৭৮ ৫০,৯৩০
১২৩ সেনেগাল ৮৪,৭৮৬ ১,৯৪১ ৭৯,৩৬৩
১২৪ মালাউই ৮৪,৩০৯ ২,৫৫৩ ৬৯,০৩৫
১২৫ মার্টিনিক ৮২,৮১৩ ৮২৬ ১০৪
১২৬ আইভরি কোস্ট ৮০,৫৬৬ ৭৮২ ৭৭,৪৫৩
১২৭ ফ্রেঞ্চ গায়ানা ৭৫,২৪২ ৩৭১ ১১,২৫৪
১২৮ সুরিনাম ৭২,৯৪৩ ১,২৫৭ ৪৯,২৪৪
১২৯ ইসওয়াতিনি ৬৮,৩০১ ১,৩৭৩ ৬৬,৬৫৩
১৩০ মালটা ৬৭,১৬৭ ৫৪৪ ৬২,৬১৪
১৩১ আইসল্যান্ড ৬৪,৪৮৬ ৪৬ ৫৩,১৪৩
১৩২ ফিজি ৬২,৩৭৩ ৭৯৮ ৫৯,৯৩৭
১৩৩ গায়ানা ৫৮,৬০৪ ১,১৫৬ ৪৫,৪৪০
১৩৪ মৌরিতানিয়া ৫৮,০৪১ ৯৪৫ ৫৩,৪৯০
১৩৫ মাদাগাস্কার ৫৭,৩৭৫ ১,২২৩ ৫২,০১২
১৩৬ সুদান ৫৭,১০৬ ৩,৪২২ ৪০,৩২৯
১৩৭ কেপ ভার্দে ৫৫,৬৩৫ ৩৯৫ ৫৪,৫৭৯
১৩৮ সিরিয়া ৫১,২৩০ ২,৯৮২ ৩৭,৭১২
১৩৯ বেলিজ ৫০,৪৮৭ ৬২৫ ৪০,৬৯১
১৪০ ফ্রেঞ্চ পলিনেশিয়া ৪৮,০৪৪ ৬৩৬ ৩৩,৫০০
১৪১ গ্যাবন ৪৬,৭২২ ৩০১ ৪১,৭৯৮
১৪২ বার্বাডোস ৪২,৮৫১ ২৭৭ ৩৩,৬৮২
১৪৩ চ্যানেল আইল্যান্ড ৪০,৯৪৭ ১৩০ ৩৮,০৮২
১৪৪ বুরুন্ডি ৩৭,২৬৫ ৩৮ ৭৭৩
১৪৫ কিউরাসাও ৩৬,৮৭৫ ২২৭ ৩৪,১২৮
১৪৬ পাপুয়া নিউ গিনি ৩৬,৮৬৬ ৫৯৭ ৩৫,৮৭৭
১৪৭ সিসিলি ৩৬,৫৫৯ ১৪৯ ৩২,৮১১
১৪৮ টোগো ৩৬,৪৬৯ ২৬৭ ৩২,০৪৮
১৪৯ মায়োত্তে ৩৬,২৮২ ১৮৭ ২,৯৬৪
১৫০ গিনি ৩৬,০১৩ ৪১৬ ৩১,৮৭০
১৫১ এনডোরা ৩৫,৫৫৬ ১৪৫ ৩০,৪৮৮
১৫২ তানজানিয়া ৩২,৯২০ ৭৭৮ ১৮৩
১৫৩ আরুবা ৩২,৮০৮ ১৯৩ ৩২,১৯৮
১৫৪ বাহামা ৩২,৪১৯ ৭৩৯ ২৪,২৮৯
১৫৫ লেসোথো ৩২,১৭৬ ৬৯৩ ২১,৪৮৪
১৫৬ মালি ২৯,৯৮৩ ৭১১ ২৫,৭০৭
১৫৭ হাইতি ২৮,৮৭৫ ৭৮৪ ২৪,৪১০
১৫৮ বেনিন ২৬,৪৫০ ১৬৩ ২৫,৫০৬
১৫৯ মরিশাস ২৫,৮০৩ ৭৬২ ২৪,৭৭৫
১৬০ সোমালিয়া ২৫,৩৮৮ ১,৩৩৫ ১৩,১৮২
১৬১ কঙ্গো ২৩,৬৫৩ ৩৭১ ১৯,২৯৮
১৬২ আইল অফ ম্যান ২১,৩৭৬ ৭০ ২০,৭২৮
১৬৩ বুর্কিনা ফাঁসো ২০,৬১১ ৩৬৬ ২০,০৮৬
১৬৪ সেন্ট লুসিয়া ২০,৪১৭ ৩২৬ ১৫,৮৭৭
১৬৫ পূর্ব তিমুর ১৯,৮৯৪ ১২২ ১৯,৭৪০
১৬৬ নিউ ক্যালেডোনিয়া ১৮,৬৪৩ ২৮৩ ১৩,৭৩৭
১৬৭ তাইওয়ান ১৮,৬৩৪ ৮৫১ ১৬,৪৫১
১৬৮ নিকারাগুয়া ১৭,৬৫০ ২১৬ ৪,২২৫
১৬৯ ফারে আইল্যান্ড ১৭,৪০৩ ১৮ ৭,৬৯৩
১৭০ তাজিকিস্তান ১৭,২৮৩ ১২৪ ১৭,০৭৮
১৭১ দক্ষিণ সুদান ১৬,৭৭৫ ১৩৭ ১৩,০৭৪
১৭২ ব্রুনাই ১৬,২৯৩ ৯৮ ১৫,৮৪২
১৭৩ নিউজিল্যান্ড ১৬,১৪৬ ৫২ ১৪,৬৮৯
১৭৪ ইকোয়েটরিয়াল গিনি ১৫,৮০২ ১৮২ ১৫,২০০
১৭৫ জিবুতি ১৫,৪২৯ ১৮৯ ১৫,১০৭
১৭৬ হংকং ১৩,৯০৫ ২১৩ ১২,৫৭২
১৭৭ সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিক ১৩,৮৯৮ ১১০ ৬,৮৫৯
১৭৮ কেম্যান আইল্যান্ড ১৩,৭৮৮ ১৫ ৮,৫৫৩
১৭৯ জিব্রাল্টার ১২,৬১০ ১০০ ১০,৮৩৮
১৮০ গ্রেনাডা ১২,০৯০ ২১০ ৯,৯৫৪
১৮১ সান ম্যারিনো ১১,৭৮৬ ১০৮ ১০,০৯১
১৮২ গাম্বিয়া ১১,৫৭২ ৩৪৭ ১০,১৫৬
১৮৩ ইয়েমেন ১০,৮৭৮ ২,০০৬ ৭,০৯০
১৮৪ বারমুডা ১০,৫৫২ ১১৬ ৯,০৩২
১৮৫ গ্রীনল্যাণ্ড ১০,৫৩৩ ২,৭৬১
১৮৬ ইরিত্রিয়া ৯,৪৮৯ ৯৭ ৯,০৭৩
১৮৭ সেন্ট মার্টিন ৯,৪৩৯ ৬১ ১,৩৯৯
১৮৮ সিন্ট মার্টেন ৯,২২৯ ৭৯ ৮,৩৪৩
১৮৯ ডোমিনিকা ৮,৮৩৮ ৫১ ৮,০৫৮
১৯০ নাইজার ৮,৬৪০ ২৯৮ ৭,৮৬৬
১৯১ লিচেনস্টেইন ৮,৫৯০ ৭৩ ৮,০৬৬
১৯২ মোনাকো ৮,১৮৩ ৪৪ ৭,৬৩৫
১৯৩ কমোরস ৭,৮২৭ ১৫৯ ৭,৬২৬
১৯৪ সিয়েরা লিওন ৭,৬১২ ১২৫ ৪,৩৯৩
১৯৫ গিনি বিসাউ ৭,৫৪৪ ১৫৪ ৬,৫৫৬
১৯৬ লাইবেরিয়া ৭,২৫৪ ২৯০ ৫,৭৪৭
১৯৭ চাদ ৭,০৭৩ ১৯০ ৪,৮৭৪
১৯৮ ক্যারিবিয়ান নেদারল্যান্ডস ৬,৮৭৬ ২৭ ৬,৪৪৫
১৯৯ সেন্ট ভিনসেন্ট ও গ্রেনাডাইন আইল্যান্ড ৬,৬৬৮ ৯৩ ৫,৭৪৭
২০০ অ্যান্টিগুয়া ও বার্বুডা ৬,৫৫৮ ১২৭ ৫,৮৯৯
২০১ ব্রিটিশ ভার্জিন দ্বীপপুঞ্জ ৫,৮০৯ ৪৯ ২,৬৪৯
২০২ টার্কস্ ও কেইকোস আইল্যান্ড ৫,৬৯২ ৩৪ ৫,৪৪৬
২০৩ সেন্ট কিটস ও নেভিস ৫,৩৯৩ ৩৩ ৪,৮৭৭
২০৪ ভুটান ৪,৪৩০ ২,৭৮০
২০৫ সেন্ট বারথেলিমি ৩,৪৩৫ ৪৬২
২০৬ এ্যাঙ্গুইলা ২,৩২৪ ২,২৫৮
২০৭ পালাও ১,৩৯৩ ১২৬
২০৮ সলোমান আইল্যান্ড ৮৯৮ ২৫
২০৯ সেন্ট পিয়ের এন্ড মিকেলন ৮৩৯ ৬২৩
২১০ ডায়মন্ড প্রিন্সেস (প্রমোদ তরী) ৭১২ ১৩ ৬৯৯
২১১ ওয়ালিস ও ফুটুনা ৪৫৪ ৪৩৮
২১২ কিরিবাতি ২০১
২১৩ মন্টসেরাট ১৬২ ১৫৪
২১৪ ফকল্যান্ড আইল্যান্ড ৮৫ ৬৮
২১৫ ম্যাকাও ৭৯ ৭৯
২১৬ ভ্যাটিকান সিটি ২৯ ২৭
২১৭ সামোয়া ২৭
২১৮ পশ্চিম সাহারা ১০
২১৯ জান্ডাম (জাহাজ)
২২০ মার্শাল আইল্যান্ড
২২১ ভানুয়াতু
২২২ সেন্ট হেলেনা
২২৩ টাঙ্গা
তথ্যসূত্র: চীনের জাতীয় স্বাস্থ্য কমিশন (সিএনএইচসি) ও অন্যান্য।

টাইমলাইন  

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]