ইউনাইটেডে অগ্নিকাণ্ড : মিলছে না অনেক প্রশ্নের উত্তর

আদনান রহমান
আদনান রহমান আদনান রহমান , জসীম উদ্দীন জসীম উদ্দীন
প্রকাশিত: ০৮:২১ পিএম, ২৮ মে ২০২০

রাজধানীর গুলশানের ইউনাইটেড হাসপাতালের করোনাভাইরাসে (কোভিড-১৯) আক্রান্ত রোগীদের জন্য অস্থায়ীভাবে নির্মিত আইসোলেশন ইউনিটে অগ্নিকাণ্ডে ঝরেছে পাঁচজনের প্রাণ। তাদের মধ্যে তিনজন করোনায় আক্রান্ত ছিলেন। বাকি দুইজন শ্বাসকষ্ট নিয়ে ভর্তি ছিলেন সেখানে। এ ঘটনায় দায়িত্বহীনতা, অবহেলা, গাফেলতিসহ বিস্তর অভিযোগ উঠেছে হাসপাতালটির বিরুদ্ধে।

অগ্নিকাণ্ডে মারা যাওয়া মাহবুব এলাহী চৌধুরী নামের এক রোগীর চিকিৎসায় অবহেলা, আগুন লাগার পর সময় মতো ফায়ার সার্ভিসকে খবর না দেয়া, করোনা ইউনিটে পর্যাপ্ত অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা না থাকা, আগুন নেভাতে ফায়ার হাইড্রেন্ট ব্যবহার না করা, পার্টেক্স বোর্ড দিয়ে করোনা ইউনিট তৈরি, ইউনিটের জন্য ব্যবহৃত ১২টি অগ্নিনির্বাপক যন্ত্রের ৯টিই মেয়াদোত্তীর্ণ থাকার মতো অভিযোগের তীরের সামনে ইউনাইটেড হাসপাতাল। এর মধ্যে আবার মৃত রোগীদের পরিবারের সঙ্গে কথা না বলেই অপমৃত্যুর মামলা করার মতো কাজ তাদের ফেলেছে আরও কড়া সমালোচনায়। বুধবার (২৭ মে) রাতে অগ্নিকাণ্ডের পর থেকে এসব বিষয়ে অবশ্য কিছু ব্যাখ্যা দিয়ে আসছে তারা।

দুইবার করোনা নেগেটিভ, তবু করোনা ইউনিটেই করুণ মৃত্যু
আগুনে মারা যাওয়া পাঁচজনের মধ্যে মাহবুব এলাহীকে গত ১৫ মে শ্বাসকষ্টের কারণে ইউনাইটেড হাসপাতালে ভর্তি করে পরিবার। তাকে আইসোলেশন ইউনিটে ভর্তি রেখে ১৬ মে রক্তের নমুনা সংগ্রহ করে করোনা টেস্ট করানো হয়। ছয়দিন পর ২১ মে সকালে টেস্টের রিপোর্ট আসে। রিপোর্টে তার করোনা ‘পজিটিভ আসে’। একই দিন বিকেলে আবার টেস্টে ফলাফল ‘নেগেটিভ’ আসে। অর্থাৎ তার করোনা ছিল না। তবু তার শ্বাসকষ্ট ছিল। ২২ মে ইউনাইটেড কর্তৃপক্ষ আবারও তার রক্তের নমুনা সংগ্রহ করে করোনা টেস্ট করে। ২৩ মে বিকেলে তার রিপোর্ট আবারও ‘নেগেটিভ’ আসে। এবারও জানা গেল তিনি করোনায় আক্রান্ত নন।

এ বিষয়ে মাহবুব এলাহীর পরিবারের অভিযোগ, শ্বাসকষ্টের কারণে তাকে বারবার নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) স্থানান্তর করতে বলা হলেও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তা কানে তোলেনি। ‘নেগেটিভ’ রিপোর্টের রোগীকে তখনো করোনা ইউনিটে রাখা হয়। ২৪ মে যোগাযোগ করা হলে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বলে, আরেকবার স্যাম্পল নিতে হবে, এরপর সিদ্ধান্ত।

jagonews24

১২ দিন এই করোনা ইউনিটেই ছিলেন মাহবুব। ২৫ মে ঈদের দিন আবারও নমুনা সংগ্রহ করা হয় তার। তবে সেই ফলাফল দেয়ার আগেই আগুনে মৃত্যু হয় তার।

এ বিষয়ে মাহবুবের মেয়েজামাই সাইফুল ওসমান জাগোনিউজকে বলেন, আমরা তার চিকিৎসা পাওয়ার জন্য কোনো কম্প্রোমাইজ করিনি। শ্বাসকষ্টের কারণে ইউনাইটেডের আগে প্রথমে আমরা তাকে এভারকেয়ার হাসপাতালে (অ্যাপোলো হাসপাতাল) নিই। তারা সেখানে ভর্তি না রাখলে এখানে আনি। প্রতিদিন ৩০-৩৫ হাজার টাকা জমা করতে করতে ইতোমধ্যে সাড়ে তিন লাখ টাকা দিয়েছি। তবু এমন দুর্ঘটনায় তার মৃত্যু হলো। দুই-দুইবার করোনা নেগেটিভ আসার পর তাদের বারবার বলা সত্ত্বেও তারা তাকে আইসিইউতে স্থানান্তর করেনি। এখন আর কার কাছে কী অভিযোগ করবো? আক্ষেপ একটাই তার মরদেহ হস্তান্তরের সময় কাগজে ‘করোনা নেগেটিভ’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে, অথচ করোনা ইউনিটেই মৃত্যু হলো।

এ বিষয়ে ইউনাইটেড হাসপাতালের কমিউনিকেশন অ্যান্ড বিজনেস ডেভেলপমেন্ট বিভাগের প্রধান ডা. সাগুফা আনোয়ার জাগোনিউজকে বলেন, রোগীর লক্ষণ-উপসর্গে কোভিড-১৯ এর ইঙ্গিত ছিল। এক্স-রে রিপোর্টেও তার কোভিডের উপস্থিতি প্রকাশ পায়, তবে কোভিড টেস্টে ফলাফল ‘নেগেটিভ’ এসেছে, যেটা ‘ফলস নেগেটিভ’ও হতে পারে। বিশ্বব্যাপী এ ধরনের লক্ষণ-উপসর্গ দেখলে কোভিডের চিকিৎসা দেয়া হয়। আমরা এ বিষয়ে রোগীর পরিবারের সাথে কথা বলেছি। তারা এখানে (আইসোলেশন ইউনিট) রেখেই চিকিৎসা করাতে রাজি হন। তার পরিবারের অনুরোধেই আমরা তাকে প্লাজমা থেরাপি দেয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলাম। তার পরিবারের লোকজনও প্লাজমা ডোনারের খোঁজে ছিলেন।

করোনা ইউনিটে অগ্নিনিরাপত্তা ব্যবস্থা প্রশ্নবিদ্ধ
বুধবার রাতে অগ্নিকাণ্ডের পর বৃহস্পতিবার (২৮ মে) সকালে অগ্নিকাণ্ডস্থল পরিদর্শন করে ফায়ার সার্ভিস ও সিআইডির ফরেনসিক টিম। তারা সেখানে দেখে, করোনা রোগীদের জন্য তৈরি করা ইউনাইটেড হাসপাতালের মূল ভবনের বাইরে আইসোলেশন ইউনিটের জন্য যে ১২টি অগ্নিনির্বাপক যন্ত্র রাখা হয়েছে, তার নয়টিই মেয়াদোত্তীর্ণ। পরে তা আলামত হিসেবে জব্দ করে সিআইডি।

আইসোলেশন ইউনিটের অগ্নিনিরাপত্তা ব্যবস্থা সম্পর্কে ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্স অধিদফতরের উপ-পরিচালক ও ঘটনা তদন্তে গঠিত কমিটির প্রধান দেবাশীষ বর্ধন জাগোনিউজকে বলেন, ইউনাইটেড হাসপাতাল করোনা রোগী রাখার জন্য আলাদা আইসোলেশন করতে সরকারিভাবে নির্দেশনা পেয়েছে, তাই করার জন্য করেছে আর কি। এই ইউনিটটা খুবই রিস্কি ছিল। যে পাঁচজন মারা গেছেন তারা সানসেটের ঠিক নিচে ছিলেন। আর বাইরে একটা এক্সটেনশন আছে টিনশেডের। অস্থায়ীভাবে তৈরি ওই ইউনিটের পার্টিশনগুলো পার্টেক্স জাতীয়, যা অতিদাহ্য। আগুন যখন লেগেছে তাৎক্ষণিকভাবে একসঙ্গে পুরোটায় লেগে গেছে। এ কারণে একটা রোগীও বের হতে পারেননি। তাছাড়া, করোনা রোগীর আশপাশে সাধারণত কেউ থাকে না। ওখানে ওই পাঁচজন রোগীই চিকিৎসাধীন ছিলেন। যখনই আগুন লেগেছে তখন তারা আর বের হতে পারেননি।

jagonews24

এ বিষয়ে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদফতরের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. সাজ্জাদ হোসাইন বলেন, অগ্নিনিরাপত্তা ব্যবস্থা ওইভাবে ছিল না। কিন্তু করোনা ইউনিটের পাশেই ফায়ার হাইড্রেন্ট ছিল। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বোধয় ফায়ার হাইড্রেন্ট ব্যবহার করতে পারেনি। তাই প্রথমে তারা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে পারেনি। ফায়ার সার্ভিসের ইউনিট গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

ফায়ার সার্ভিসকে ডাকতে ২৫ মিনিট বিলম্ব
ইউনাইটেড হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বলেছে, অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হয় রাত ৯টা ৩০ মিনিটে। আর ফায়ার সার্ভিস বলছে, তাদের কাছে খবর যায় ৯টা ৫৫ মিনিটে। ফায়ার সার্ভিসকে খবর দিতে ২৫ মিনিট কেন সময় লেগেছিল? ফোন দেয়া কার দায়িত্ব ছিল, আর এই ২৫ মিনিটে কেন আগুন নেভানো যায়নি? এমন অনেক প্রশ্নের উত্তর মিলছে না ইউনাইটেড হাসপাতালের তরফ থেকে।

ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সাজ্জাদ হোসাইন বলেন, আমরা ৯টা ৫৫ মিনিটে আগুনের সংবাদ পেয়ে ১০টা ৪ মিনিটে ইউনাইটেডে প্রবেশ করে তা নিয়ন্ত্রণে কাজ করি। ফায়ার টিম এসেই দ্রুত আগুন নিভিয়ে ফেলে। যেই স্থানে আগুন লেগেছে, সেখানে আমরা আগেও মহড়া করেছিলাম।

এদিকে পুলিশ বলছে, ইউনাইটেড হাসপাতাল নয় বরং একজন রোগীর স্বজন জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করে অগ্নিকাণ্ডের সংবাদ দেন । পুলিশের গুলশান বিভাগের উপ-কমিশনার (ডিসি) সুদীপ কুমার চক্রবর্তী এ বিষয়ে বলেন, অগ্নিকাণ্ডের সময় এক রোগীর স্বজন গেইটে দাঁড়ানো ছিলেন। তিনি ৯টা ৪৮ মিনিটে আগুন দেখে ৯৯৯-এ ফোন করেন। আমরা তার ফোন চেক করেছি। পরবর্তীতে ভাটারা থানার মাধ্যমে আমরা ফায়ার সার্ভিসকে দ্রুত মেসেজ পাঠাই। তবে ফায়ার সার্ভিস পৌঁছানো পর্যন্ত সময়ে হঠাৎ করেই আগুন বড় পর্যায়ে চলে যায়, এর ফলে প্রাথমিক পর্যায়ে আগুন নেভানো সম্ভব হয়নি।

ফায়ার সার্ভিসকে ফোন দেয়ার ক্ষেত্রে বিলম্বের বিষয়ে ইউনাইটেড হাসপাতালের কমিউনিকেশন অ্যান্ড বিজনেস ডেভেলপমেন্ট বিভাগের প্রধান ডা. সাগুফা আনোয়ার বলেন, এই অভিযোগ সত্য নয়, আমরা তৎক্ষণাৎ ফায়ার সার্ভিসকে ফোন দেই। ফায়ার সার্ভিস দেরি করে এলো কেন এটি দেখার বিষয়।

তাড়াহুড়ো করে অপমৃত্যু মামলা
হাসপাতালের অগ্নিকাণ্ডস্থল থেকে মরদেহগুলো রাত সোয়া ১০টায় উদ্ধার করা হয়। তবে এর প্রায় ঘণ্টাখানেকের মধ্যেই গুলশান থানায় অপমৃত্যুর মামলা করে ইউনাইটেড কর্তৃপক্ষ। সাধারণত অপমৃত্যুর মামলার ক্ষেত্রে মৃতের স্বজনদের কোনো অভিযোগ আছে কি-না এ বিষয়ে কথা বলা হয়। কিন্তু এই পাঁচজনের স্বজনদের সঙ্গে কোনো কথা না বলেই রাত সাড়ে ১১টায় মামলা করে ইউনাইটেড হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। দুইজন রোগীর স্বজন জাগোনিউজকে নিশ্চিত করেছেন যে, তারা অপমৃত্যুর মামলার বিষয়ে কিছুই জানেন না। তাদের কাছে কিছু জানতে চাওয়া হয়নি।

jagonews24

নেটিজেনরাও দুষছেন ইউনাইটেডকে
একটি পাঁচ তারকা মানের হাসপাতালে আগুনে এভাবে মানুষের মৃত্যুর পেছনে কর্তৃপক্ষের দায়িত্বহীনতা, অবহেলা ও পর্যাপ্ত অগ্নিনিরাপত্তা ব্যবস্থার অভাবের কথাই বলছেন নেটিজেনরা।

আগুনে মৃত্যুবরণকারী মাহবুব এলাহীর আবু সায়েম শাহীন নামে এক ছোটভাই ফেসবুকে পোস্ট করেছেন-
“#বিচারচাই
একটা কথা বলতে চাই আপনাদের সবার উদ্দেশ্যে, আজ আমার এক বড় ভাই উনি ইউনাইটেড হাসপাতালে যে দুর্ঘটনা হয়েছে ওই দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন, অবাক করার বিষয় উনি ১৪ দিন ধরে ওই হসপিটালে অ্যাডমিট ছিলেন, দুই দুইবার ওনার করোনা নেগেটিভ আসছে, নেগেটিভ আসার কারণে হসপিটাল থেকে ডিসচার্জ করতে চেয়েছে তার পরিবার, কিন্তু হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ওনাকে রিলিজ দেয় নাই। এখন আমার প্রশ্ন কী কারণে তাকে রিলিজ দেওয়া হলো না? আর আজকে এই আগুনের কারণে করুণ মৃত্যু তার দায় কে নেবে? হসপিটাল এই পাঁচজন লোককে কি বাঁচাতে পারত না? এটা কেমন ব্যাপার? হসপিটালে মানুষ বাঁচানোর জন্য নেওয়া হয় এইভাবে মানুষ মারার জন্য নয়! আমরা এটার সুষ্ঠু বিচার চাই, এইভাবে কেউ যেন আগুনে পুড়ে বা বিশ্বাস করে হসপিটালে ভর্তি হয়ে বিশ্বাসঘাতকতার শিকার না হয়, বিচার চাই হসপিটাল ম্যানেজমেন্ট এর বিরুদ্ধে, এরকম একটি ভালো লোকের মৃত্যু এভাবে হতে পারে না। ধিক্কার জানাই ইউনাইটেড হসপিটালকে, এরকম ম্যানেজমেন্টের বিচার চাই,
#শেয়ারকরুন”

সাংবাদিক আমানুর রহমান রনি লিখেছেন, “প্রশ্নটা নিষ্ঠুর হলেও করতে মন চায়। একটি ওয়ার্ডের পাঁচজন রোগীই মারা গেল, আর আপনাদের হসপিটালের একজন স্টাফ বা অন্য কেউ আহত হলো না! তখন কি ওয়ার্ডে কেউ ছিলেন না! ইউনাইটেডের লিখিত প্রেস রিলিজে এমন কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। আগুন নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা কী ছিল? থাকলে সেগুলে দিয়ে কি কেউ চেষ্টা করেছিল?”

সাংবাদিক শাহদাত পারভেজ লিখেছেন, “এমনিতেই করোনা। তার ওপর মরার আগুন। গলাকাটা ইউনাইটেডের করোনা ইউনিটের এসির যদি এই অবস্থা হয় তাহলে সাধারণ হাসপাতালগুলোর কী অবস্থা ভাবুন। ফায়ার সার্ভিসের সূত্রে জানা গেছে, সেখানে অগ্নিনির্বাপণের যথেষ্ট সুযোগ ছিল না।হতভাগ্য এই মানুষগুলো করোনা থেকে বাঁচতে গিয়েছেলেন ইউনাইটেড হাসপাতালে। আর বের হলেন কয়লা হয়ে। যারা মারা গেলেন তাদের পরিবার এর বিচার পাবে তো?”

এআর/এইচএ/এমকেএইচ

করোনা ভাইরাস - লাইভ আপডেট

৩,১৫,৫১,৯৬৯
আক্রান্ত

৯,৭০,৫৫৪
মৃত

২,৩১,৬৫,৯৮৩
সুস্থ

# দেশ আক্রান্ত মৃত সুস্থ
বাংলাদেশ ৩,৫২,১৭৮ ৫,০০৭ ২,৬০,৭৯০
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ৭০,৫১,৫৬৪ ২,০৪,৬৩৩ ৪৩,০১,০৮৯
ভারত ৫৫,৮০,২৮৬ ৮৯,১১৭ ৪৫,০৯,৯২৪
ব্রাজিল ৪৫,৬০,০৮৩ ১,৩৭,৩৫০ ৩৮,৮৭,১৯৯
রাশিয়া ১১,১৫,৮১০ ১৯,৬৪৯ ৯,১৭,৯৪৯
পেরু ৭,৭২,৮৯৬ ৩১,৪৭৪ ৬,২২,৪১৮
কলম্বিয়া ৭,৭০,৪৩৫ ২৪,৩৯৭ ৬,৪০,৯০০
মেক্সিকো ৭,০০,৫৮০ ৭৩,৬৯৭ ৫,০২,৯৮২
স্পেন ৬,৭১,৪৬৮ ৩০,৬৬৩ ১,৯৬,৯৫৮
১০ দক্ষিণ আফ্রিকা ৬,৬১,৯৩৬ ১৫,৯৯২ ৫,৯১,২০৮
১১ আর্জেন্টিনা ৬,৪০,১৪৭ ১৩,৪৮২ ৫,০৮,৫৬৩
১২ ফ্রান্স ৪,৫৮,০৬১ ৩১,৩৩৮ ৯৩,০০৮
১৩ চিলি ৪,৪৮,৫২৩ ১২,৩২১ ৪,২৩,১৭৬
১৪ ইরান ৪,২৯,১৯৩ ২৪,৬৫৬ ৩,৬৩,৭৩৭
১৫ যুক্তরাজ্য ৩,৯৮,৬২৫ ৪৬,৭০৬ ৩৪৪
১৬ সৌদি আরব ৩,৩০,৭৯৮ ৪,৫৪২ ৩,১২,৬৮৪
১৭ ইরাক ৩,২৭,৫৮০ ৮,৬৮২ ২,৬১,৭৫৭
১৮ পাকিস্তান ৩,০৬,৮৮৬ ৬,৪২৪ ২,৯৩,১৫৯
১৯ তুরস্ক ৩,০৪,৬১০ ৭,৫৭৪ ২,৬৮,৪৩৫
২০ ইতালি ২,৯৯,৫০৬ ৩৫,৭২৪ ২,১৮,৭০৩
২১ ফিলিপাইন ২,৯১,৭৮৯ ৫,০৪৯ ২,৩০,৬৪৩
২২ জার্মানি ২,৭৬,২২৬ ৯,৪৮৫ ২,৪৬,৩০০
২৩ ইন্দোনেশিয়া ২,৫২,৯২৩ ৯,৮৩৭ ১,৮৪,২৯৮
২৪ ইসরায়েল ১,৯৩,৩৭৪ ১,২৮৫ ১,৪০,৭৫১
২৫ ইউক্রেন ১,৮১,২৩৭ ৩,৬৪২ ৭৯,৯০১
২৬ কানাডা ১,৪৫,৮৯৬ ৯,২৩১ ১,২৫,৯১০
২৭ বলিভিয়া ১,৩০,৯৮৬ ৭,৬৫৪ ৯০,২৪০
২৮ ইকুয়েডর ১,২৬,৭১১ ১১,০৯৫ ১,০২,৮৫২
২৯ কাতার ১,২৩,৯১৭ ২১১ ১,২০,৭৬৬
৩০ রোমানিয়া ১,১৪,৬৪৮ ৪,৫০৩ ৯২,১৬৯
৩১ ডোমিনিকান আইল্যান্ড ১,০৮,৭৮৩ ২,০৫৪ ৮২,২৭৪
৩২ কাজাখস্তান ১,০৭,৩৭৪ ১,৬৭১ ১,০২,০৬৪
৩৩ পানামা ১,০৬,৮১০ ২,২৭২ ৮২,৩২০
৩৪ বেলজিয়াম ১,০৩,৩৯২ ৯,৯৯৬ ১৮,৯৭৭
৩৫ মরক্কো ১,০৩,১১৯ ১,৮৫৫ ৮৪,১৫৮
৩৬ মিসর ১,০২,১৪১ ৫,৭৮৭ ৯০,৩৩২
৩৭ কুয়েত ১,০০,৬৮৩ ৫৮৮ ৯১,৬১২
৩৮ নেদারল্যান্ডস ৯৮,২৪০ ৬,২৯১ ২৫০
৩৯ ওমান ৯৪,৭১১ ৮৬৫ ৮৬,১৯৫
৪০ সুইডেন ৮৯,৪৩৬ ৫,৮৭০ ৪,৯৭১
৪১ গুয়াতেমালা ৮৫,৬৮১ ৩,১২৪ ৭৫,১৭২
৪২ সংযুক্ত আরব আমিরাত ৮৫,৫৯৫ ৪০৫ ৭৫,০৮৬
৪৩ চীন ৮৫,২৯৭ ৪,৬৩৪ ৮০,৪৯৭
৪৪ পোল্যান্ড ৮০,৬৯৯ ২,৩১৬ ৬৪,৯৭২
৪৫ জাপান ৭৯,১৪০ ১,৫০০ ৭১,৪০৪
৪৬ বেলারুশ ৭৬,১০৪ ৭৯১ ৭৩,৩৮৬
৪৭ হন্ডুরাস ৭২,০৭৫ ২,২০৪ ২২,৬১১
৪৮ ইথিওপিয়া ৬৯,৭০৯ ১,১০৮ ২৮,৬৩৪
৪৯ পর্তুগাল ৬৯,৬৬৩ ১,৯২৫ ৪৫,৯৭৪
৫০ ভেনেজুয়েলা ৬৭,৪৪৩ ৫৫৫ ৫৬,৭২৬
৫১ নেপাল ৬৬,৬৩২ ৪২৯ ৪৮,০৬১
৫২ বাহরাইন ৬৫,৭৫২ ২২৬ ৫৮,৬২৬
৫৩ কোস্টারিকা ৬৫,৬০২ ৭৪৫ ২৫,১২৭
৫৪ সিঙ্গাপুর ৫৭,৬২৭ ২৭ ৫৭,২৬২
৫৫ নাইজেরিয়া ৫৭,৪৩৭ ১,১০০ ৪৮,৬৭৪
৫৬ উজবেকিস্তান ৫২,৪৯১ ৪৪০ ৪৮,৬০৬
৫৭ চেক প্রজাতন্ত্র ৫০,৭৬৪ ৫২২ ২৫,৪২৫
৫৮ সুইজারল্যান্ড ৫০,৬৬৪ ২,০৫৪ ৪১,৮০০
৫৯ আলজেরিয়া ৫০,০২৩ ১,৬৭৯ ৩৫,১৮০
৬০ আর্মেনিয়া ৪৭,৬৬৭ ৯৩৮ ৪২,৬৭৬
৬১ মলদোভা ৪৭,৪৪৬ ১,২৩০ ৩৫,৫৪২
৬২ ঘানা ৪৬,০৬২ ২৯৭ ৪৫,২৫৮
৬৩ কিরগিজস্তান ৪৫,৫৪২ ১,৪৯৮ ৪১,৭৯৬
৬৪ আজারবাইজান ৩৯,৩৭৮ ৫৭৮ ৩৬,৯৪৯
৬৫ অস্ট্রিয়া ৩৯,৩০৩ ৭৭১ ৩০,৩১২
৬৬ আফগানিস্তান ৩৯,০৯৬ ১,৪৪৫ ৩২,৫৭৬
৬৭ কেনিয়া ৩৭,০৭৯ ৬৫০ ২৩,৯৪৯
৬৮ ফিলিস্তিন ৩৬,৫৮০ ২৬৯ ২৫,৪৬৯
৬৯ প্যারাগুয়ে ৩৪,২৬০ ৬৭৬ ১৮,৬২৯
৭০ আয়ারল্যান্ড ৩৩,১২১ ১,৭৯২ ২৩,৩৬৪
৭১ সার্বিয়া ৩২,৯৯৯ ৭৪৩ ৩১,৫৩৬
৭২ লেবানন ২৯,৯৮৭ ৩০৭ ১২,৫০৭
৭৩ লিবিয়া ২৯,৪৪৬ ৪৬০ ১৫,৯১৩
৭৪ এল সালভাদর ২৭,৭৯৮ ৮১৪ ২১,৭৯৫
৭৫ অস্ট্রেলিয়া ২৬,৯৪২ ৮৫৪ ২৪,২১৮
৭৬ বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা ২৫,৭৩৭ ৭৭৮ ১৮,৩৫৯
৭৭ ডেনমার্ক ২৩,৭৯৯ ৬৪১ ১৮,০৩৫
৭৮ দক্ষিণ কোরিয়া ২৩,১০৬ ৩৮৮ ২০,৪৪১
৭৯ ক্যামেরুন ২০,৫৯৮ ৪১৬ ১৯,১২৪
৮০ হাঙ্গেরি ১৯,৪৯৯ ৬৯৪ ৪,৫৫৯
৮১ আইভরি কোস্ট ১৯,৩২৭ ১২০ ১৮,৬৩০
৮২ বুলগেরিয়া ১৯,০১৪ ৭৬৫ ১৩,৭২৭
৮৩ উত্তর ম্যাসেডোনিয়া ১৬,৮৬৭ ৭০৫ ১৪,০৮৪
৮৪ মাদাগাস্কার ১৬,১৩৬ ২২৬ ১৪,৭৪৩
৮৫ গ্রীস ১৫,৫৯৫ ৩৪৪ ৯,৯৮৯
৮৬ ক্রোয়েশিয়া ১৫,১৩৬ ২৫৫ ১২,৯৮৭
৮৭ সেনেগাল ১৪,৭৫৯ ৩০২ ১১,৬২১
৮৮ জাম্বিয়া ১৪,৩৮৯ ৩৩১ ১৩,৬২৯
৮৯ সুদান ১৩,৫৫৫ ৮৩৬ ৬,৭৬০
৯০ নরওয়ে ১৩,০৭৫ ২৬৭ ১০,৩৭১
৯১ আলবেনিয়া ১২,৬৫৬ ৩৬৭ ৬,৯৯৫
৯২ তিউনিশিয়া ১১,২৬০ ১৬৪ ২,৩৮৬
৯৩ নামিবিয়া ১০,৬০৭ ১১৬ ৮,৩৫৯
৯৪ ড্যানিশ রিফিউজি কাউন্সিল ১০,৫২৩ ২৭১ ১০,০১১
৯৫ মালয়েশিয়া ১০,৩৫৮ ১৩০ ৯,৫৬৩
৯৬ গিনি ১০,৩৪৪ ৬৫ ৯,৭৫৭
৯৭ মালদ্বীপ ৯,৭৭০ ৩৪ ৮,৩৯০
৯৮ ফ্রেঞ্চ গায়ানা ৯,৭১২ ৬৫ ৯,৩৭৩
৯৯ তাজিকিস্তান ৯,৪৩২ ৭৩ ৮,১৯৯
১০০ ফিনল্যাণ্ড ৯,১৯৫ ৩৪১ ৭,৭০০
১০১ মন্টিনিগ্রো ৮,৮৪২ ১৩৮ ৫,৪২৫
১০২ গ্যাবন ৮,৭০৪ ৫৪ ৭,৮৭৫
১০৩ হাইতি ৮,৬৩৩ ২২৩ ৬,৪৮২
১০৪ লুক্সেমবার্গ ৭,৯২৮ ১২৪ ৭,১৪০
১০৫ জিম্বাবুয়ে ৭,৬৮৩ ২২৫ ৫,৯২৪
১০৬ মৌরিতানিয়া ৭,৩৮৪ ১৬১ ৬,৯৭৭
১০৭ স্লোভাকিয়া ৬,৯৩১ ৪০ ৩,৬৬৮
১০৮ মোজাম্বিক ৬,৯১২ ৪৪ ৩,৭৩৮
১০৯ মায়ানমার ৬,৭৪৩ ১১৫ ১,৯৫১
১১০ উগান্ডা ৬,৭১২ ৬৪ ২,৭৭৮
১১১ মালাউই ৫,৭৩৩ ১৭৯ ৪,০৫৩
১১২ জিবুতি ৫,৪০৪ ৬১ ৫,৩৩৬
১১৩ ইসওয়াতিনি ৫,২৮২ ১০৪ ৪,৬৪৭
১১৪ কেপ ভার্দে ৫,২৮১ ৫২ ৪,৬৭৪
১১৫ কিউবা ৫,২২২ ১১৭ ৪,৫০৬
১১৬ জ্যামাইকা ৫,১৪৩ ৭০ ১,৪০৭
১১৭ হংকং ৫,০৪৭ ১০৩ ৪,৭১৭
১১৮ জর্ডান ৫,০৪৫ ৩২ ৩,৫২৭
১১৯ কঙ্গো ৫,০০২ ১১৪ ৩,৮৮৭
১২০ ইকোয়েটরিয়াল গিনি ৫,০০২ ৮৩ ৪,৫০৯
১২১ নিকারাগুয়া ৪,৯৬১ ১৪৭ ২,৯১৩
১২২ সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিক ৪,৭৮৬ ৬২ ১,৮৩০
১২৩ সুরিনাম ৪,৭৪০ ৯৭ ৪,৫২৫
১২৪ রুয়ান্ডা ৪,৭২২ ২৭ ২,৯৭৩
১২৫ স্লোভেনিয়া ৪,৫৫৮ ১৪২ ৩,০৪৮
১২৬ অ্যাঙ্গোলা ৪,১১৭ ১৫৪ ১,৪৪৯
১২৭ ত্রিনিদাদ ও টোবাগো ৩,৯৪৫ ৬৫ ১,৮০২
১২৮ জর্জিয়া ৩,৯১৩ ২৩ ১,৫৭৪
১২৯ লিথুনিয়া ৩,৮৫৯ ৮৭ ২,২২৫
১৩০ সিরিয়া ৩,৮৩৩ ১৭৫ ৯৬৩
১৩১ আরুবা ৩,৫৮৭ ২৪ ২,৩৬৯
১৩২ মায়োত্তে ৩,৫৪১ ৪০ ২,৯৬৪
১৩৩ গাম্বিয়া ৩,৫২৬ ১০৮ ১,৯৯২
১৩৪ থাইল্যান্ড ৩,৫১১ ৫৯ ৩,৩৪৩
১৩৫ সোমালিয়া ৩,৪৬৫ ৯৮ ২,৮৭৭
১৩৬ গুয়াদেলৌপ ৩,৪২৬ ২৬ ৮৩৭
১৩৭ বাহামা ৩,৪১৮ ৭৫ ১,৭৭১
১৩৮ রিইউনিয়ন ৩,৪১৫ ১৫ ২,৪৮২
১৩৯ শ্রীলংকা ৩,৩১২ ১৩ ৩,১১৮
১৪০ মালি ৩,০২৪ ১২৮ ২,৩৭৭
১৪১ এস্তোনিয়া ২,৯৭৬ ৬৯ ২,৩৮৫
১৪২ মালটা ২,৮১৪ ২৩ ২,১১৩
১৪৩ দক্ষিণ সুদান ২,৬৪৯ ৪৯ ১,২৯০
১৪৪ বতসোয়ানা ২,৫৬৭ ১৩ ৬২৪
১৪৫ আইসল্যান্ড ২,৪১৯ ১০ ২,১৩০
১৪৬ গায়ানা ২,৪০২ ৬৫ ১,৩৫৯
১৪৭ গিনি বিসাউ ২,৩০৩ ৩৯ ১,১২৭
১৪৮ বেনিন ২,২৯৪ ৪০ ১,৯৫৪
১৪৯ সিয়েরা লিওন ২,১৬৮ ৭২ ১,৬৫০
১৫০ ইয়েমেন ২,০২৮ ৫৮৬ ১,২৩৫
১৫১ উরুগুয়ে ১,৯২৭ ৪৬ ১,৬৩৪
১৫২ বুর্কিনা ফাঁসো ১,৮৯৬ ৫৬ ১,১৮৯
১৫৩ নিউজিল্যান্ড ১,৮১৫ ২৫ ১,৭২৯
১৫৪ এনডোরা ১,৬৮১ ৫৩ ১,১৯৯
১৫৫ টোগো ১,৬৬৯ ৪১ ১,২৭৪
১৫৬ বেলিজ ১,৬৩৫ ২১ ৯৬৭
১৫৭ সাইপ্রাস ১,৬০৩ ২২ ১,৩৬৯
১৫৮ লাটভিয়া ১,৫৬০ ৩৬ ১,২৪৮
১৫৯ লেসোথো ১,৪২৪ ৩৩ ৭৫৪
১৬০ ফ্রেঞ্চ পলিনেশিয়া ১,৩৯৪ ১,১৭০
১৬১ লাইবেরিয়া ১,৩৩৬ ৮২ ১,২১৮
১৬২ নাইজার ১,১৮৯ ৬৯ ১,১০৪
১৬৩ চাদ ১,১৫৩ ৮১ ৯৬৭
১৬৪ মার্টিনিক ১,১২২ ১৮ ৯৮
১৬৫ ভিয়েতনাম ১,০৬৮ ৩৫ ৯৫৭
১৬৬ সান ম্যারিনো ৭৩৫ ৪৫ ৬৬৯
১৬৭ ডায়মন্ড প্রিন্সেস (প্রমোদ তরী) ৭১২ ১৩ ৬৫১
১৬৮ টার্কস্ ও কেইকোস আইল্যান্ড ৬৬৮ ৫৭২
১৬৯ চ্যানেল আইল্যান্ড ৬৫২ ৪৮ ৫৭৫
১৭০ সিন্ট মার্টেন ৫৯১ ২০ ৫০৫
১৭১ পাপুয়া নিউ গিনি ৫১৭ ২৩২
১৭২ তাইওয়ান ৫০৯ ৪৭৯
১৭৩ তানজানিয়া ৫০৯ ২১ ১৮৩
১৭৪ বুরুন্ডি ৪৭৪ ৪৬২
১৭৫ কমোরস ৪৭০ ৪৫০
১৭৬ ফারে আইল্যান্ড ৪৪৮ ৪১৪
১৭৭ মরিশাস ৩৬৭ ১০ ৩৩৯
১৭৮ ইরিত্রিয়া ৩৬৪ ৩০৫
১৭৯ জিব্রাল্টার ৩৫৫ ৩২৩
১৮০ আইল অফ ম্যান ৩৪০ ২৪ ৩১২
১৮১ সেন্ট মার্টিন ৩৩০ ২০৬
১৮২ মঙ্গোলিয়া ৩১৩ ৩০২
১৮৩ কিউরাসাও ২৮২ ১০২
১৮৪ কম্বোডিয়া ২৭৫ ২৭৪
১৮৫ ভুটান ২৬১ ১৯৪
১৮৬ কেম্যান আইল্যান্ড ২০৯ ২০৪
১৮৭ মোনাকো ১৯৫ ১৫৯
১৮৮ বার্বাডোস ১৮৯ ১৭৩
১৮৯ বারমুডা ১৮০ ১৬৬
১৯০ ব্রুনাই ১৪৫ ১৪২
১৯১ সিসিলি ১৪৩ ১৩৬
১৯২ লিচেনস্টেইন ১১৪ ১১০
১৯৩ অ্যান্টিগুয়া ও বার্বুডা ৯৬ ৯২
১৯৪ ব্রিটিশ ভার্জিন দ্বীপপুঞ্জ ৬৯ ৪৮
১৯৫ সেন্ট ভিনসেন্ট ও গ্রেনাডাইন আইল্যান্ড ৬৪ ৬৪
১৯৬ ক্যারিবিয়ান নেদারল্যান্ডস ৫৪ ১৮
১৯৭ ম্যাকাও ৪৬ ৪৬
১৯৮ ফিজি ৩২ ২৮
১৯৯ সেন্ট লুসিয়া ২৭ ২৬
২০০ পূর্ব তিমুর ২৭ ২৭
২০১ নিউ ক্যালেডোনিয়া ২৬ ২৬
২০২ ডোমিনিকা ২৪ ১৮
২০৩ গ্রেনাডা ২৪ ২৪
২০৪ লাওস ২৩ ২২
২০৫ সেন্ট বারথেলিমি ২৩ ১৬
২০৬ সেন্ট কিটস ও নেভিস ১৯ ১৭
২০৭ গ্রীনল্যাণ্ড ১৪ ১৪
২০৮ মন্টসেরাট ১৩ ১৩
২০৯ ফকল্যান্ড আইল্যান্ড ১৩ ১৩
২১০ ভ্যাটিকান সিটি ১২ ১২
২১১ সেন্ট পিয়ের এন্ড মিকেলন ১১
২১২ পশ্চিম সাহারা ১০
২১৩ জান্ডাম (জাহাজ)
২১৪ এ্যাঙ্গুইলা
তথ্যসূত্র: চীনের জাতীয় স্বাস্থ্য কমিশন (সিএনএইচসি) ও অন্যান্য।

টাইমলাইন  

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]