বক্তব্যের ভুল ব্যাখ্যা করা হয়েছে, দাবি স্বাস্থ্য মহাপরিচালকের

মনিরুজ্জামান উজ্জ্বল
মনিরুজ্জামান উজ্জ্বল মনিরুজ্জামান উজ্জ্বল , বিশেষ সংবাদদাতা
প্রকাশিত: ০৫:১১ পিএম, ১৯ জুন ২০২০

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ পরিস্থিতির স্থায়িত্ব নিয়ে স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল কালাম আজাদের একটি বক্তব্যের পর সারাদেশে তোলপাড় শুরু হয়েছে। খোদ সরকারের সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরও এ নিয়ে কথা বলেছেন। তবে ডা. আজাদ দাবি করেছেন, তার বক্তব্যের ভুল ব্যাখ্যা করা হয়েছে এবং অনেকে না জেনেই সমালোচনা করছেন। তিনি যা বলেছেন সেটা বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে নয়, বিশ্ব প্রেক্ষাপটে জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের পর্যবেক্ষণ তুলে ধরে সে কথা বলেছেন।

গতকাল বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) স্বাস্থ্য অধিদফতরের নিয়মিত হেলথ বুলেটিনে এসে মহাপরিচালক ডা. আজাদ বলেন, ‘বিশ্বের বিভিন্ন দেশের অভিজ্ঞতায় এবং জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ অনুযায়ী, করোনা পরিস্থিতি এক, দুই বা তিন মাসে শেষ হচ্ছে না। এটি দুই থেকে তিন বছর বা তার চেয়েও বেশিদিন স্থায়ী হবে। যদিও সংক্রমণের মাত্রা উচ্চ হারে নাও থাকতে পারে। এ বিষয়টি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সম্যক উপলব্ধি করেন।’

তার এ বক্তব্যে দেশজুড়ে আলোচনার সৃষ্টি হয়। জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, করোনাভাইরাসের সংক্রমণ পরিস্থিতি যখন তুঙ্গে, তখন এ ধরনের বক্তব্য দেশবাসীকে আরও বেশি আতঙ্কিত ও উদ্বিগ্ন করে তুলেছে। এই মুহূর্তে ডা. আজাদ কেন এমন বক্তব্য দিলেন তা নিয়েও আলোচনার ঝড় ওঠে। খোদ সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরও এ নিয়ে কথা বলেন। তিনি শুক্রবার (১৯ জুন) গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে বলেন, সরকার যখন দিনরাত পরিশ্রম করে মানুষের মনোবল চাঙ্গা রাখার নিরলস প্রয়াস চালিয়ে যাচ্ছে, ঠিক তখন স্বাস্থ্য বিভাগের কোনো কোনো কর্মকর্তার করোনার আয়ুষ্কাল নিয়ে অদূরদর্শী ও দায়িত্বজ্ঞানহীন বক্তব্য জনমনে হতাশা তৈরি করেছে

দেশে করোনাভাইরাস ছড়ানোর পর এন৯৫ মাস্ক, ব্যক্তিগত সুরক্ষা সামগ্রী (পিপিই) ও বিভিন্ন যন্ত্রপাতি কেনাকাটায় নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ ওঠে। এর কিছুদিনের মধ্যেই স্বাস্থ্য অধিদফতরের কেন্দ্রীয় ঔষধাগার পরিচালক, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সচিব এবং একই বিভাগের অতিরিক্ত সচিবের মন্ত্রণালয় বদল হয়। এ প্রেক্ষাপটে স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালককে নিয়েও নানা গুঞ্জন তৈরি হয়। এমনকি তিনি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে বেশ কিছুদিন জনসম্মুখে না আসায় সেই গুঞ্জন আরও ডালপালা মেলে। যদিও সুস্থতা লাভের পর সম্প্রতি কাজে যোগ দেন তিনি এবং বৃহস্পতিবার বুলেটিনে আসেন।

বুলেটিনের শুরুতে দেয়া বক্তব্য নিয়ে জানতে চাইলে স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক জাগো নিউজের কাছে দাবি করেন, তার বক্তব্যের ভুল ব্যাখ্যা করা হয়েছে এবং অনেকে না জেনেই আলোচনা-সমালোচনা করছেন। এ বক্তব্যে তিনি একটিবারও করোনাভাইরাস বাংলাদেশে দুই-তিন বছর থাকবে বলেননি।

তার দাবি, ‘আমি বলেছি- বিশ্বের বিভিন্ন দেশের অভিজ্ঞতা এবং বিশ্বের স্বাস্থ্য বিজ্ঞানী এবং জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, করোনা পরিস্থিতি সারাবিশ্বে এক, দুই বা তিন মাসে শেষ হচ্ছে না। একটি সফল টিকা আবিষ্কার এবং পর্যাপ্ত জনগোষ্ঠীর মধ্যে সফল প্রয়োগ না হওয়া পর্যন্ত দেশগুলোতে করোনার অস্তিত্ব থাকবে। ফলে এটি এক বছরের বেশি এমনকি দুই বা তিন বছর বা আরও বেশি সময় স্থায়ী হতে পারে। যদিও আমরা মনে করি, সংক্রমণের মাত্রা অনেক হ্রাস পাবে। বাংলাদেশ একটি জনবহুল ও অত্যন্ত ঘনবসতিপূর্ণ দেশ। অপরপক্ষে করোনাভাইরাসও একটি অত্যন্ত ছোঁয়াচে ভাইরাস। এ কারণে অসতর্ক চলাফেরা এবং স্বাস্থ্যবিধি যথাযথভাবে মেনে না চললে দেশে সংক্রমণের হার মোকাবিলা করা কঠিন।’

‘বিশ্বব্যাপী অভিজ্ঞতা এবং বাংলাদেশের পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করে জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কিছুকাল পরে বাংলাদেশে করোনা সংক্রমণের উচ্চ হার কমে আসতে পারে। কিন্তু করোনার নমুনা পরীক্ষার সংখ্যা বাড়ালে অনেক লুকায়িত এবং মৃদু কেইসও শনাক্ত হবে। সেক্ষেত্রে সংক্রমিত ব্যক্তির সংখ্যায় পরিবর্তন দৃষ্টিগোচর নাও হতে পারে।’

ডা. আজাদ তার বক্তব্য ভুলভাবে না বোঝার জন্য দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানান। একই সঙ্গে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ও মৃত্যু প্রতিরোধে সমাজের সব শ্রেণি-পেশার মানুষকে সহযোগিতায় মানসিকতায় এগিয়ে আসার কথা বলেন।

এদিকে স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক এমন দাবি করলেও তার বৃহস্পতিবারের বক্তব্যে ‘নাখোশ’ দেশের জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা। নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ বলেন, দেশে যখন করোনা সংক্রমণ তুঙ্গে এবং প্রতিদিনই মৃতের সংখ্যা বাড়ছে—এ পরিস্থিতিতে স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালকের এমন বক্তব্য ‘গরমকালে শীতের ওয়াজ’র শামিল।

বিশেষজ্ঞরা আরও বলছেন, সারাদেশের মানুষ এখন করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ও মৃত্যুভয়ে ভীষণ আতঙ্কিত। অনেকেই করোনার নমুনা পরীক্ষা করাতে পারছেন না। হাসপাতালে গিয়ে কাঙ্ক্ষিত চিকিৎসাসেবা মিলছে না। করোনা আক্রান্ত রোগীদের শ্বাসকষ্ট হলে অক্সিজেনের সাপোর্ট মিলছে না। করোনার কারণে চাকরিচ্যুতির ঘটনাও ঘটছে। ব্যবসায়ীরা দোকানপাট খুলে বসলেও আগের মতো বেচাকেনা নেই। এমন এক পরিস্থিতিতে স্বাস্থ্য বিভাগের সর্বোচ্চ কর্মকর্তা হিসেবে তার এই বক্তব্য মানুষকে আরও ভীত করে তুলেছে। এ সময় মানুষকে সাহস জোগানো এবং পরিস্থিতির সাথে সমন্বয় করে চলার জন্য প্রয়োজনীয় দিক-নির্দেশনা দেয়া উচিত ছিল তার।

এমইউ/এইচএ/পিআর

করোনা ভাইরাস - লাইভ আপডেট

৪,০৮,৯১,২৪৩
আক্রান্ত

১১,২৬,৫৮৪
মৃত

৩,০৪,৯৪,৯৬৭
সুস্থ

# দেশ আক্রান্ত মৃত সুস্থ
বাংলাদেশ ৩,৯১,৫৮৬ ৫,৬৯৯ ৩,০৭,১৪১
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ৮৪,৭৭,০৮২ ২,২৫,৬৩৩ ৫৫,১৬,৩২৪
ভারত ৭৬,৪৮,২৪৮ ১,১৫,৯৩৮ ৬৭,৯১,১০২
ব্রাজিল ৫২,৫৫,২৭৭ ১,৫৪,৩২৭ ৪৬,৮১,৬৫৯
রাশিয়া ১৪,৩১,৬৩৫ ২৪,৬৩৫ ১০,৮৫,৬০৮
স্পেন ১০,২৯,৬৬৮ ৩৪,২১০ ১,৯৬,৯৫৮
আর্জেন্টিনা ১০,০২,৬৬২ ২৬,৭১৬ ৮,০৩,৯৬৫
কলম্বিয়া ৯,৬৫,৮৮৩ ২৯,১০২ ৮,৬৭,৯৬১
ফ্রান্স ৯,১০,২৭৭ ৩৩,৬২৩ ১,০৫,৯৩৫
১০ পেরু ৮,৭০,৮৭৬ ৩৩,৮২০ ৭,৮৪,০৫৬
১১ মেক্সিকো ৮,৫৪,৯২৬ ৮৬,৩৩৮ ৬,২৩,৪৯৪
১২ যুক্তরাজ্য ৭,৬২,৫৪২ ৪৬,৭০৬ ৩৪৪
১৩ দক্ষিণ আফ্রিকা ৭,০৫,২৫৪ ১৮,৪৯২ ৬,৩৫,২৫৭
১৪ ইরান ৫,৩৯,৬৭০ ৩১,০৩৪ ৪,৩৪,৬৭৬
১৫ চিলি ৪,৯৪,৪৭৮ ১৩,৭০২ ৪,৬৬,৬৪৩
১৬ ইরাক ৪,৩৪,৫৯৮ ১০,৩৬৬ ৩,৬৬,১৩৪
১৭ ইতালি ৪,৩৪,৪৪৯ ৩৬,৭০৫ ২,৫৫,০০৫
১৮ জার্মানি ৩,৭৭,২৭৮ ৯,৯২৪ ২,৯৮,৩০০
১৯ ইন্দোনেশিয়া ৩,৬৮,৮৪২ ১২,৭৩৪ ২,৯৩,৬৫৩
২০ ফিলিপাইন ৩,৬০,৭৭৫ ৬,৬৯০ ৩,১০,৬৪২
২১ তুরস্ক ৩,৫১,৪১৩ ৯,৪৪৫ ৩,০৬,৯৩৯
২২ সৌদি আরব ৩,৪২,৯৬৮ ৫,২১৭ ৩,২৯,২৭০
২৩ পাকিস্তান ৩,২৪,০৭৭ ৬,৬৭৩ ৩,০৮,০২০
২৪ ইউক্রেন ৩,০৯,১০৭ ৫,৭৮৬ ১,২৯,৫৩৩
২৫ ইসরায়েল ৩,০৫,৯৯৩ ২,২৭৮ ২,৮০,৮৪৯
২৬ নেদারল্যান্ডস ২,৪৪,৩৯১ ৬,৮১৪ ২৫০
২৭ বেলজিয়াম ২,৩০,৪৮০ ১০,৪৪৩ ২১,২১৪
২৮ কানাডা ২,০৩,০৪৬ ৯,৭৯২ ১,৭৭,১০৪
২৯ পোল্যান্ড ১,৯২,৫৩৯ ৩,৭২১ ৯৫,৯৫৬
৩০ চেক প্রজাতন্ত্র ১,৮৮,৭৭৩ ১,৬০০ ৭৫,৬৪৫
৩১ রোমানিয়া ১,৮৬,২৫৪ ৫,৯৯৬ ১,৩৪,৩৯৫
৩২ মরক্কো ১,৭৯,০০৩ ৩,০২৭ ১,৪৮,৮৩৮
৩৩ ইকুয়েডর ১,৫৪,১১৫ ১২,৪০৪ ১,৩৪,১৮৭
৩৪ বলিভিয়া ১,৩৯,৮৯০ ৮,৫০২ ১,০৪,৯৫৭
৩৫ নেপাল ১,৩৯,১২৯ ৭৬৫ ৯৬,৬০৯
৩৬ কাতার ১,২৯,৬৭১ ২২৪ ১,২৬,৬৫০
৩৭ পানামা ১,২৫,১৮১ ২,৫৭৪ ১,০১,৫৪৫
৩৮ ডোমিনিকান আইল্যান্ড ১,২১,৯৭৩ ২,২০৪ ৯৯,২৭১
৩৯ কুয়েত ১,১৭,৭১৮ ৭১৪ ১,০৯,১৯৮
৪০ সংযুক্ত আরব আমিরাত ১,১৭,৫৯৪ ৪৭০ ১,১০,৩১৩
৪১ ওমান ১,১১,০৩৩ ১,১২২ ৯৬,৯৪৯
৪২ কাজাখস্তান ১,০৯,৬২৩ ১,৭৬৮ ১,০৫,১৪৫
৪৩ সুইডেন ১,০৬,৩৮০ ৫,৯২২ ৪,৯৭১
৪৪ মিসর ১,০৫,৫৪৭ ৬,১৩০ ৯৮,৩১৪
৪৫ পর্তুগাল ১,০৩,৭৩৬ ২,২১৩ ৬১,৮৯৮
৪৬ গুয়াতেমালা ১,০২,২১৯ ৩,৫৪৬ ৯১,৬০৪
৪৭ কোস্টারিকা ৯৭,০৭৫ ১,২০৪ ৫৯,৫৮০
৪৮ জাপান ৯৩,৪৮০ ১,৬৭৬ ৮৬,৫১৩
৪৯ ইথিওপিয়া ৯০,৪৯০ ১,৩৭১ ৪৩,৬৩৮
৫০ হন্ডুরাস ৮৯,৩৮১ ২,৫৭৬ ৩৫,৩৯৮
৫১ বেলারুশ ৮৮,৯০৯ ৯৩৭ ৮০,৫০৩
৫২ ভেনেজুয়েলা ৮৭,১৬১ ৭৪১ ৮০,৩১৬
৫৩ সুইজারল্যান্ড ৮৬,১৬৭ ২,১৪৫ ৫৪,৬০০
৫৪ চীন ৮৫,৭০৪ ৪,৬৩৪ ৮০,৮১২
৫৫ বাহরাইন ৭৮,২২৪ ৩০৪ ৭৪,৬৮৩
৫৬ মলদোভা ৬৭,৯৫৮ ১,৬১৭ ৪৯,০৮৩
৫৭ অস্ট্রিয়া ৬৭,৪৫১ ৯১৪ ৫১,৪০৭
৫৮ আর্মেনিয়া ৬৬,৬৯৪ ১,১০১ ৪৮,৭৩৪
৫৯ উজবেকিস্তান ৬৩,৮৩১ ৫৩৪ ৬০,৯১০
৬০ লেবানন ৬২,৯৪৪ ৫২৬ ২৮,৮৫৫
৬১ নাইজেরিয়া ৬১,৫৫৮ ১,১২৫ ৫৬,৬৯৭
৬২ সিঙ্গাপুর ৫৭,৯২১ ২৮ ৫৭,৮১৯
৬৩ প্যারাগুয়ে ৫৫,৪৫২ ১,২০৭ ৩৬,৬৬৩
৬৪ আলজেরিয়া ৫৪,৮২৯ ১,৮৭৩ ৩৮,৩৪৬
৬৫ কিরগিজস্তান ৫২,৯১০ ১,৪৯৮ ৪৬,১৩৯
৬৬ আয়ারল্যান্ড ৫২,২৫৬ ১,৮৬৫ ২৩,৩৬৪
৬৭ লিবিয়া ৫০,৯০৬ ৭৪৬ ২৭,৮৩২
৬৮ হাঙ্গেরি ৪৮,৭৫৭ ১,২১১ ১৪,৬৩৭
৬৯ ফিলিস্তিন ৪৮,১২৯ ৪২১ ৪১,৪৫৫
৭০ ঘানা ৪৭,৩৭২ ৩১০ ৪৬,৬৬৪
৭১ আজারবাইজান ৪৫,৮৭৯ ৬৩৫ ৪০,২৭২
৭২ কেনিয়া ৪৫,৬৪৭ ৮৪২ ৩২,৫২২
৭৩ তিউনিশিয়া ৪২,৭২৭ ৬৮৭ ৫,০৩২
৭৪ জর্ডান ৪০,৯৭২ ৪১৪ ৭,১২৩
৭৫ আফগানিস্তান ৪০,৩৫৭ ১,৪৯৯ ৩৩,৭৯০
৭৬ মায়ানমার ৩৮,৫০২ ৯৪৫ ১৮,৮৭৪
৭৭ সার্বিয়া ৩৬,৬০৮ ৭৮০ ৩১,৫৩৬
৭৮ ডেনমার্ক ৩৬,৩৭৩ ৬৮৮ ২৯,৯৯৮
৭৯ বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা ৩৫,৩৮৯ ১,০১৭ ২৫,৫৬০
৮০ এল সালভাদর ৩১,৯৭৫ ৯২৯ ২৭,৪৫৩
৮১ স্লোভাকিয়া ৩১,৪০০ ৯৮ ৮,০০৪
৮২ বুলগেরিয়া ৩০,৫২৭ ১,০০৮ ১৭,১৫৩
৮৩ অস্ট্রেলিয়া ২৭,৪২৯ ৯০৫ ২৫,১২৬
৮৪ ক্রোয়েশিয়া ২৬,৮৬৩ ৩৮২ ২০,৯৬২
৮৫ গ্রীস ২৬,৪৬৯ ৫২৮ ৯,৯৮৯
৮৬ দক্ষিণ কোরিয়া ২৫,৩৩৩ ৪৪৭ ২৩,৪৬৬
৮৭ উত্তর ম্যাসেডোনিয়া ২৪,১৯৬ ৮৫০ ১৭,৬৭৩
৮৮ মালয়েশিয়া ২২,২২৫ ১৯৩ ১৪,৩৫১
৮৯ ক্যামেরুন ২১,৫০৬ ৪২৪ ২০,১১৭
৯০ আইভরি কোস্ট ২০,৩২৪ ১২১ ২০,০২৯
৯১ জর্জিয়া ১৯,৮৫৭ ১৫৮ ৮,৬৬৬
৯২ আলবেনিয়া ১৭,৬৫১ ৪৫৮ ১০,২২৫
৯৩ মাদাগাস্কার ১৬,৮১০ ২৩৮ ১৬,২১৫
৯৪ নরওয়ে ১৬,৬৭৯ ২৭৮ ১১,৮৬৩
৯৫ জাম্বিয়া ১৫,৯৮২ ৩৪৬ ১৫,০৩৮
৯৬ মন্টিনিগ্রো ১৫,৮৯২ ২৪৭ ১১,৫৮১
৯৭ সেনেগাল ১৫,৪৫৯ ৩২০ ১৩,৯২২
৯৮ স্লোভেনিয়া ১৪,৪৭৩ ১৯২ ৬,৫৭২
৯৯ ফিনল্যাণ্ড ১৩,৮৪৯ ৩৫১ ৯,১০০
১০০ সুদান ১৩,৭২৪ ৮৩৬ ৬,৭৬৪
১০১ নামিবিয়া ১২,৩২৬ ১৩১ ১০,৪২৬
১০২ গিনি ১১,৫৩৮ ৭০ ১০,৪৪৭
১০৩ লুক্সেমবার্গ ১১,২৪১ ১৩৬ ৮,৪৭১
১০৪ মালদ্বীপ ১১,২৩২ ৩৭ ১০,২০১
১০৫ মোজাম্বিক ১১,১৯০ ৭৮ ৯,০০৭
১০৬ ড্যানিশ রিফিউজি কাউন্সিল ১১,০৫২ ৩০৩ ১০,৩৫৭
১০৭ উগান্ডা ১০,৭৮৮ ৯৭ ৭,০৬৬
১০৮ তাজিকিস্তান ১০,৫৭৪ ৮০ ৯,৬১৭
১০৯ ফ্রেঞ্চ গায়ানা ১০,২৬৮ ৬৯ ৯,৯৯৫
১১০ হাইতি ৮,৯৭৬ ২৩১ ৭,৩০৩
১১১ গ্যাবন ৮,৮৮৪ ৫৪ ৮,৪৫২
১১২ জ্যামাইকা ৮,৩৭৪ ১৭৪ ৪,০০২
১১৩ জিম্বাবুয়ে ৮,১৫৯ ২৩২ ৭,৬৮৩
১১৪ লিথুনিয়া ৭,৯২৮ ১১৮ ৩,২৭৬
১১৫ অ্যাঙ্গোলা ৭,৮২৯ ২৪৮ ৩,০৩১
১১৬ কেপ ভার্দে ৭,৮০০ ৮৭ ৬,৬২০
১১৭ মৌরিতানিয়া ৭,৬২১ ১৬৩ ৭,৩৫৫
১১৮ গুয়াদেলৌপ ৭,১২২ ৯৬ ২,১৯৯
১১৯ কিউবা ৬,৩০৫ ১২৭ ৫,৮০৬
১২০ বাহামা ৫,৯২৩ ১২৪ ৩,৫২৫
১২১ মালাউই ৫,৮৬১ ১৮২ ৪,৭৫৭
১২২ শ্রীলংকা ৫,৮১১ ১৩ ৩,৪৫৭
১২৩ ইসওয়াতিনি ৫,৭৮৮ ১১৬ ৫,৪২৭
১২৪ বতসোয়ানা ৫,৬০৯ ২১ ৯১৫
১২৫ জিবুতি ৫,৪৬৯ ৬১ ৫,৩৭৯
১২৬ নিকারাগুয়া ৫,৩৫৩ ১৫৪ ৪,২২৫
১২৭ ত্রিনিদাদ ও টোবাগো ৫,২৯৮ ৯৭ ৩,৬৯৬
১২৮ হংকং ৫,২৬২ ১০৫ ৪,৯৯৬
১২৯ কঙ্গো ৫,১৫৬ ১১৪ ৩,৮৮৭
১৩০ সিরিয়া ৫,১৩৪ ২৫১ ১,৫৬৫
১৩১ সুরিনাম ৫,১৩৩ ১০৯ ৪,৯৫৯
১৩২ ইকোয়েটরিয়াল গিনি ৫,০৭৪ ৮৩ ৪,৯৫৪
১৩৩ রুয়ান্ডা ৪,৯৯২ ৩৪ ৪,৭৯৭
১৩৪ রিইউনিয়ন ৪,৯২১ ১৭ ৪,৪৪৫
১৩৫ মালটা ৪,৮৭১ ৪৬ ৩,২৮২
১৩৬ সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিক ৪,৮৫৬ ৬২ ১,৯২৪
১৩৭ ফ্রেঞ্চ পলিনেশিয়া ৪,৫৪৮ ১৬ ৩,২০২
১৩৮ আরুবা ৪,৩৩৪ ৩৪ ৪,০৪০
১৩৯ আইসল্যান্ড ৪,১৯৩ ১১ ২,৯৩০
১৪০ মায়োত্তে ৪,১৫৯ ৪৩ ২,৯৬৪
১৪১ এস্তোনিয়া ৪,১২৭ ৭১ ৩,২৭০
১৪২ সোমালিয়া ৩,৮৯০ ৯৯ ৩,০৮৯
১৪৩ গায়ানা ৩,৭৬৫ ১১১ ২,৭৪৯
১৪৪ থাইল্যান্ড ৩,৭০০ ৫৯ ৩,৪৯১
১৪৫ গাম্বিয়া ৩,৬৪৯ ১১৮ ২,৬৪৯
১৪৬ এনডোরা ৩,৬২৩ ৬২ ২,২৭৩
১৪৭ লাটভিয়া ৩,৬০৯ ৪৭ ১,৩৪১
১৪৮ মালি ৩,৪০৭ ১৩২ ২,৫৮৮
১৪৯ দক্ষিণ সুদান ২,৮৪৭ ৫৫ ১,২৯০
১৫০ বেলিজ ২,৮৩৩ ৪৫ ১,৬৯২
১৫১ সাইপ্রাস ২,৬৮৭ ২৫ ১,৪৪৪
১৫২ উরুগুয়ে ২,৫৬০ ৫১ ২,১২১
১৫৩ বেনিন ২,৪৯৬ ৪১ ২,৩৩০
১৫৪ গিনি বিসাউ ২,৪০৩ ৪১ ১,৮১৮
১৫৫ বুর্কিনা ফাঁসো ২,৩৮৭ ৬৫ ১,৮০২
১৫৬ সিয়েরা লিওন ২,৩৩১ ৭৩ ১,৭৬০
১৫৭ মার্টিনিক ২,২৫৭ ২৪ ৯৮
১৫৮ টোগো ২,০৭১ ৫১ ১,৫৪১
১৫৯ ইয়েমেন ২,০৫৭ ৫৯৭ ১,৩৩৮
১৬০ লেসোথো ১,৯১৮ ৪৩ ৯৬১
১৬১ নিউজিল্যান্ড ১,৮৮৭ ২৫ ১,৮২৯
১৬২ চাদ ১,৩৯০ ৯৩ ১,১৯৪
১৬৩ লাইবেরিয়া ১,৩৮১ ৮২ ১,২৭১
১৬৪ নাইজার ১,২১১ ৬৯ ১,১২৮
১৬৫ ভিয়েতনাম ১,১৪১ ৩৫ ১,০৪৬
১৬৬ চ্যানেল আইল্যান্ড ৭৬৮ ৪৮ ৬৫৯
১৬৭ সান ম্যারিনো ৭৬৬ ৪৫ ৬৮৮
১৬৮ কিউরাসাও ৭৫৯ ৪৬৬
১৬৯ সিন্ট মার্টেন ৭৫৬ ২২ ৬৭৫
১৭০ ডায়মন্ড প্রিন্সেস (প্রমোদ তরী) ৭১২ ১৩ ৬৫৯
১৭১ টার্কস্ ও কেইকোস আইল্যান্ড ৬৯৮ ৬৮৯
১৭২ জিব্রাল্টার ৬০৮ ৪৭১
১৭৩ পাপুয়া নিউ গিনি ৫৮১ ৫৪১
১৭৪ বুরুন্ডি ৫৫০ ৪৯৭
১৭৫ তাইওয়ান ৫৪৩ ৪৯৫
১৭৬ সেন্ট মার্টিন ৫৩১ ৩৮০
১৭৭ তানজানিয়া ৫০৯ ২১ ১৮৩
১৭৮ কমোরস ৫০৪ ৪৯৪
১৭৯ ফারে আইল্যান্ড ৪৮৮ ৪৭২
১৮০ ইরিত্রিয়া ৪৫২ ৩৮৮
১৮১ মরিশাস ৪১৯ ১০ ৩৭৯
১৮২ আইল অফ ম্যান ৩৪৮ ২৪ ৩২১
১৮৩ ভুটান ৩৩০ ৩০১
১৮৪ মঙ্গোলিয়া ৩২৬ ৩১২
১৮৫ কম্বোডিয়া ২৮৫ ২৮০
১৮৬ মোনাকো ২৬৮ ২২২
১৮৭ লিচেনস্টেইন ২৩৫ ১৪২
১৮৮ কেম্যান আইল্যান্ড ২৩৫ ২১২
১৮৯ বার্বাডোস ২২২ ২০৩
১৯০ বারমুডা ১৮৫ ১৭২
১৯১ ক্যারিবিয়ান নেদারল্যান্ডস ১৫০ ১২১
১৯২ সিসিলি ১৪৯ ১৪৮
১৯৩ ব্রুনাই ১৪৭ ১৪৩
১৯৪ অ্যান্টিগুয়া ও বার্বুডা ১১৯ ১০১
১৯৫ সেন্ট বারথেলিমি ৭২ ৫৫
১৯৬ ব্রিটিশ ভার্জিন দ্বীপপুঞ্জ ৭১ ৭০
১৯৭ সেন্ট ভিনসেন্ট ও গ্রেনাডাইন আইল্যান্ড ৬৭ ৬৪
১৯৮ ম্যাকাও ৪৬ ৪৬
১৯৯ সেন্ট লুসিয়া ৩৬ ২৭
২০০ ডোমিনিকা ৩৩ ২৯
২০১ ফিজি ৩২ ৩০
২০২ পূর্ব তিমুর ২৯ ৩১
২০৩ নিউ ক্যালেডোনিয়া ২৭ ২৭
২০৪ গ্রেনাডা ২৭ ২৪
২০৫ ভ্যাটিকান সিটি ২৭ ১৫
২০৬ লাওস ২৩ ২২
২০৭ সেন্ট কিটস ও নেভিস ১৯ ১৯
২০৮ গ্রীনল্যাণ্ড ১৬ ১৪
২০৯ সেন্ট পিয়ের এন্ড মিকেলন ১৬ ১২
২১০ মন্টসেরাট ১৩ ১৩
২১১ ফকল্যান্ড আইল্যান্ড ১৩ ১৩
২১২ পশ্চিম সাহারা ১০
২১৩ জান্ডাম (জাহাজ)
২১৪ এ্যাঙ্গুইলা
২১৫ সলোমান আইল্যান্ড
২১৬ ওয়ালিস ও ফুটুনা
তথ্যসূত্র: চীনের জাতীয় স্বাস্থ্য কমিশন (সিএনএইচসি) ও অন্যান্য।
করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]