চ্যালেঞ্জ নিয়েই রাজধানীতে বসছে ১৭টি পশুর হাট

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১২:৪৮ পিএম, ২৫ জুলাই ২০২০

ঈদুল আজহায় কোরবানির পশুর হাটকে ঘিরেও এক ধরনের উৎসবের আমেজ বিরাজ করত প্রতিবার। তবে এবার পরিস্থিতি ভিন্ন। করোনাভাইরাস সংক্রমণের ঝুঁকির মধ্যেই বসছে পশুর হাট। যেখানে বিরাজ করছে ভিন্ন এক পরিস্থিতি, সংক্রমণের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার মধ্যেই চলছে হাটের প্রস্তুতি। স্বাস্থ্য ও হাটের শর্তপূরণ- সবমিলিয়ে এবার সঠিকভাবে হাট পরিচালনা করাটাই ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ।

জানা গেছে, এবার ঢাকার উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি ও ডিএসসিসি) এলাকার ১৭টি স্থানে বসবে কোরবানির পশুর হাট। এর মধ্যে ডিএনসিসি এলাকায় ৬টি পশুর হাট বসবে। এর মধ্যে একটি স্থায়ী হাট এবং ৫টি অস্থায়ী। স্থায়ী হাটটি বসবে গাবতলীতে। অস্থায়ী হাটগুলো হলো- উত্তরা ১৭ নম্বর সেক্টরে বৃন্দাবন থেকে উত্তর দিকে বিজিএমইএ ভবন পর্যন্ত খালি জায়গায়; কাওলা শিয়াল ডাঙ্গা সংলগ্ন খালি জায়গায়; ৪৩ নম্বর ওয়ার্ডের পূর্বাচল ব্রিজ সংলগ্ন মস্তুল ডুমনী বাজারমুখী রাস্তার উভয় পাশের খালি জায়গায়; ভাটারা (সাইদ নগর) পশুর হাট এবং উত্তরখান মৈনারটেক হাউজিং প্রকল্পের খালি জায়গায়।

অন্যদিকে, ডিএসসিসি এলাকায় বসবে ১১টি হাট। উত্তর শাহজাহানপুর খিলগাঁও রেলগেট বাজারের মৈত্রী সংঘের মাঠ সংলগ্ন আশপাশের খালি জায়গা; হাজারীবাগে ইনস্টিটিউট অব লেদার টেকনোলজির মাঠ সংলগ্ন উন্মুক্ত এলাকা; সাদেক হোসেন খোকা মাঠের পাশে ধোলাইখাল ট্রাক টার্মিনাল সংলগ্ন উন্মুক্ত জায়গা; আমুলিয়া মডেল টাউনের খালি জায়গা; রহমতগঞ্জ খেলার মাঠ সংলগ্ন আশপাশের খালি জায়গা, পোস্তগোলা শ্মশানঘাট সংলগ্ন আশপাশের খালি জায়গা; লিটল ফ্রেন্ডস ক্লাব সংলগ্ন গোপীবাগ বালুর মাঠ; কমলাপুর স্টেডিয়াম সংলগ্ন বিশ্বরোডের আশপাশের খালি জায়গা; আফতাব নগর (ইস্টার্ন হাউজিং) ব্লক-ই; এফ জি এইচ ও সেকশন-১ ও ২–এর খালি জায়গা; মেরাদিয়া বাজার সংলগ্ন আশপাশের খালি জায়গা; দনিয়া কলেজ মাঠ সংলগ্ন খালি জায়গা এবং ধুপখোলা মাঠ সংলগ্ন খালি জায়গাতে হাটগুলো বসবে।

jagonews24

নিয়ম অনুযায়ী ঈদুল আজহার ৫ দিন আগে থেকেই হাটে পশু কেনা-বেচার জন্য আনা হয়। কিন্তু এবার রাজধানী ঢাকার সব অস্থায়ী হাটগুলোতে নির্ধারিত সময়ের আগেই আসতে শুরু করেছে কোরবানির পশু। এছাড়া স্বাস্থ্যবিধি, হাটের শর্তপূরণসহ এবারের হাট সঠিকভাবে পরিচালনা করাই ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ।

তবে পশুর হাটের কারণে করোনা ঝুঁকি বাড়তে পারে বলে অনেকেই আশঙ্কা করছেন। এসব বিষয়ে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস বলেন, ‘আমাদের এবারের পরিকল্পনা হচ্ছে, যত্রতত্র যেন পশু বেচাকেনা না হয়। অপরিকল্পিতভাবে যেন পশুর হাট না বসে, যেখানে সেখানে ময়লা-আবর্জনা যেন না ফেলা হয়। এ বিষয়ে হাট ইজারাদারদের বিশেষ নির্দেশনা দেয়া হচ্ছে। দিন ঘনিয়ে এলে আমরা আরও যেসব পরিকল্পনা নিয়েছি, সেসব বাস্তবায়নে বিশেষ তাগিদ থাকবে।’

অন্যদিকে, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে যারা হাট ইজারা নিয়েছেন তাদের জন্য কিছু শর্ত নির্ধারণ করে দেয়া হয়েছে। তবে শর্তগুলো মানাতে কর্তৃপক্ষের মনিটরিং টিম কতটা ভূমিকা পালন করতে পারবে তা নিয়ে সংশয় সৃষ্টি হয়েছে।

ডিএনসিসির জুড়ে দেয়া শর্তগুলো হলো-

ঈদের দিনসহ মোট পাঁচ দিন হাট চালু থাকবে। নির্ধারিত তারিখের বেশি দিন হাট পরিচালনা করা যাবে না। হাটের নির্ধারিত সীমানা বহাল থাকবে। হাটের সীমানার বাইরে কোনো হাট বসানো যাবে না। ইজারা গ্রহীতা নিজ ব্যবস্থাপনায় হাটের চৌহদ্দি সংরক্ষণপূর্বক চৌহদ্দির বাইরে যাতে পশুর হাট প্রসারিত না হয় তা নিশ্চিত করবেন। পশুর বিক্রয় মূল্যের ওপর সরকার অনুমোদিত শতকরা ৫ টাকা হারে হাসিল আদায় করতে হবে; সরকারি হারের অতিরিক্ত হাসিল আদায় করা যাবে না। ইজারা গ্রহীতা নিজ খরচে বাজারে দৃশ্যমান একাধিক স্থানে সর্বসাধারণের অবগতির জন্য টোল চার্ট প্রদর্শনের ব্যবস্থা করবেন। হাট হস্তান্তর করার পূর্বে কোনো টোল আদায় করা যাবে না। যথাযথ কর্তৃপক্ষ যেকোনো সময় ইজারা বাতিল বলে ঘোষণা করলে ইজারা গ্রহীতা তা মেনে নিতে বাধ্য থাকবেন এবং কোন প্রকার ওজর-আপত্তি করতে পারবেন না।

হাটে পশু বেঁধে রাখার জন্য বা অন্য কোনো কাজে রাস্তার ইলেকট্রিক পিলার ব্যবহার করা যাবে না। হাটে যেকোনো দুর্ঘটনার জন্য ইজারা গ্রহীতা নিজেই দায়ী থাকবে। ইজারা গ্রহীতা নিজ দায়িত্বে বৈদ্যুতিক লাইন সংযোগ করবেন এবং সম্পূর্ণ বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করবেন। এ বিষয়ে ইজারা গ্রহীতা ঢাকা বিদ্যুৎ সরবরাহ কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করবেন। হাটে জেনারেটরের ব্যবস্থা করতে হবে। বৈধ ও লাইসেন্সপ্রাপ্ত লোক দ্বারা বিদ্যুৎ সংযোগ কাজ করতে হবে। ইজারা গ্রহীতা ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনারের দফতরে যোগাযোগ করে হাট চলাকালীন সময়ে হাট এলাকায় নিজ খরচে পুলিশ-আনসার মোতায়েনের ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। এছাড়া হাটের নিরাপত্তার জন্য নিজস্ব কর্মী নিযুক্ত রাখবেন। হাটের মধ্যে যত্রতত্র ময়লা আবর্জনা ফেলে রাখা যাবে না। একটি নির্দিষ্ট স্থানে ময়লা আর্বজনা রাখতে হবে।

রাস্তার ও অন্যান্য অবকাঠামোর ক্ষতি করলে জামানত বাজেয়াপ্তকরণসহ আইনানুগ ক্ষতিপূরণ ধার্য করা হবে এবং ইজারা গ্রহীতা তা পরিশোধ করতে বাধ্য থাকবেন। ইজারা গ্রহীতা অগ্নিনির্বাপক যন্ত্রের ব্যবস্থা করবেন। ইজারা গ্রহীতা জোরপূর্বক কোনো পশুকে হাটে প্রবেশ করানোর চেষ্টা করতে পারবেন না এবং হাটের আশেপাশের সড়কপথ বা জলপথ দিয়ে গমনকারী কোনো পশুর ওপর জোরপূর্বক কোনো হাসিল আদায় করতে পারবেন না। বর্ণিত হাটের সুবিধাজনক স্থানে ডিএনসিসির ভিজিল্যান্স টিমের জন্য একটি এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থার সদস্যদের জন্য একটিসহ মোট ২টি অস্থায়ী শেড নির্মাণ করতে হবে। রাস্তায় যান ও মানুষ চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হবে রাস্তার এমন কোনো জায়গায় গবাদি পশু ট্রাক থেকে লোড-আনলোড করা যাবে না। হাটের মধ্যে পার্কিংয়ের স্থান নির্ধারণপূর্বক পশু নামানোর ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে। ইজারা গ্রহীতাকে নিজ ব্যবস্থাপনায় হাটের বিভিন্ন স্থানে পর্যাপ্ত সংখ্যক সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করতে হবে। পশুর হাটের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য হাটের সুবিধাজনক স্থানে একটি ওয়াচ টাওয়ার বসানোর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

ইজারা গ্রহীতাকে হাটে পর্যাপ্ত সংখ্যক অস্থায়ী টয়লেট স্থাপন করতে হবে। অস্থায়ী টয়লেটের স্থানে হাত ধোয়ার জন্য পর্যাপ্ত সংখ্যক সাবান রাখতে হবে। হাট শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ইজারাদারের নিজ দায়িত্বে হাটের বাঁশ-খুঁটি অপসারণ করতে হবে। এর ব্যত্যয় ঘটলে অপসারণ খরচ তার জামানত থেকে কর্তন করা হবে।

Cow-3.jpg

করোনা সংক্রমণ রোধে ইজারা গ্রহীতাকে ইজারা প্রদত্ত অস্থায়ী পশুর হাটে বাধ্যতামূলকভাবে নিম্নলিখিত ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে-

হাটের প্রবেশ পথে টিভি স্ক্রিনযুক্ত থার্মাল স্ক্যানার দিয়ে প্রবেশকারীর শরীরের তাপমাত্রা নির্ণয় করতে হবে। গায়ে জ্বর থাকলে কাউকে হাটে প্রবেশ করতে দেয়া যাবে না। হাটে প্রত্যেক প্রবেশকারীকে হ্যান্ড গ্লাভস, মাস্ক, হেড ক্যাপ ও হ্যান্ড স্যানিটাইজার নিয়ে হাটে প্রবেশ করতে হবে। হ্যান্ড-স্যানিটাইজার, হ্যান্ডগ্লাভস, মাস্ক ও হেড কাভার ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে এবং এ কাজ তদারকির জন্য মনিটরিং টিম রাখতে হবে। করোনা নিয়ন্ত্রণের উদ্দেশে স্বাস্থ্য অধিদফতর প্রণীত স্বাস্থ্যবিধি সংবলিত ব্যানার, পোস্টার টাঙ্গানোসহ এসব বিষয়ে মাইকে ধারাবাহিকভাবে প্রচার করতে হবে। জীবাণুনাশক দিয়ে হাটের সর্বত্র ও আশপাশের সংশ্লিষ্ট জায়গা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে। ক্রেতা, বিক্রেতা ও ইজারাদারের নিয়োজিত সংশ্লিষ্ট সকলকে মাস্ক, গ্লাভস, হেড কাভার পরে হাঁটে আসতে হবে। হাটে প্রয়োজনীয় সংখ্যক সাবান, পানির ড্রাম ও বেসিন রাখতে হবে।

হাটে প্রবেশ এবং বহির্গমনের জন্য পৃথক পৃথক গেইট করতে হবে এবং নির্ধারিত সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে হাটে প্রবেশ-বাইর হতে হবে। একাধিক প্রবেশ পথ হলে প্রত্যেক প্রবেশ পথেই টিভি স্ক্রিনযুক্ত থার্মাল স্ক্যানার বসাতে হবে। বয়স্ক, শিশু ও অসুস্থ ব্যক্তিকে হাটে প্রবেশ করতে দেয়া যাবে না। করোনা সংক্রমণ প্রতিরোধের নিমিত্তে করণীয় এবং বর্জনীয় বিষয়গুলো স্ক্রিনে সার্বক্ষণিকভাবে দেখাতে হবে। ইজারা গ্রহীতাকে হাটের জন্য প্রশিক্ষিত ও স্বেচ্ছাসেবক টিম তৈরি করতে হবে। ক্রেতা সঙ্গে করে অনেক লোক নিয়ে হাটে আসতে পারবেন না এবং ক্রেতাকে নির্ধারিত দূরত্ব থেকে পশু দেখতে হবে। ক্রেতা-বিক্রেতাকে অনলাইনে পশু ক্রয়-বিক্রয়ে উৎসাহিত করতে হবে। হাটে পর্যাপ্ত সংখ্যক ডাস্টবিন স্থাপন করতে হবে। করোনা সংক্রমণ প্রতিরোধের জন্য ব্যবহৃত মেডিকেল বর্জ্য যেমন- গ্লাভস, মাস্ক, হেড কাভার, স্যানিটাইজার বোতল রাখার জন্য পৃথক ডাস্টবিন রাখতে হবে, ডাস্টবিনসমূহ কোথায় তা তির চিহ্নিত স্টিকার দিয়ে দেখাতে হবে। সর্বোপরি, স্বাস্থ্য অধিদফতর কর্তৃক নির্দেশিত স্বাস্থ্যবিধি যথাযথভাবে পালন নিশ্চিত করতে হবে। করোনা সংক্রমণ রোধের জন্য সরকার, স্বাস্থ্য অধিদফতর, সিটি করপোরেশন থেকে যদি আরও কোনও শর্ত-বিধি-নিষেধ আরোপ করা হয় তবে ইজারাদারকে তা আবশ্যিকভাবে পালন করতে হবে। করোনা রোধ সংক্রান্ত স্বাস্থ্যবিধি ভঙ্গকারীদের বিরুদ্ধে ‘সংক্রামক রোগ (প্রতিরোধ, নিয়ন্ত্রণ ও নির্মূল) আইন, ২০১৮’ এবং সিটি করপোরেশন আইন-২০০৯ ও তৎসংশ্লিষ্ট অন্যান্য আইন-বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এসব বিষয়ে ঢাকা উত্তর সিটি কপোরেশনের মেয়র আতিকুল ইসলাম বলেছেন, ‘করোনাভাইরাসের গণসংক্রমণ এড়াতে প্রত্যেক ইজারা গ্রহীতাকে কোরবানি পশুর হাটে সুনির্দিষ্ট স্বাস্থ্যবিধি বাস্তবায়ন করতে হবে। অন্যথায় ইজারা বাতিল করা হবে। হাট মনিটরিং করার জন্য ওয়ার্ড কাউন্সিলরের সমন্বয়ে একটি কমিটি করা হয়েছে। তারা হাটগুলো প্রতিদিন পরিদর্শন করবেন। এছাড়া প্রতিটি হাটে একটি করে মোবাইল কোর্ট থাকবে। স্বাস্থ্যবিধি ও অন্যান্য শর্ত মেনে চলছে কি না তা নিশ্চিত করতে একটি করে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হবে।’

অন্যদিকে কোরবানি পশুর হাটে স্বাস্থ্য বিধি এবং অন্যান্য শর্ত সঠিকভাবে বাস্তবায়ন হচ্ছে কি না তা মনিটরিংয়ের জন্য ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে (ডিএনসিসি) ১০ সদস্য বিশিষ্ট একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে।

জানা গেছে, কমিটির আহ্বায়ক করা হয়েছে ১৯ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর মো. মফিজুর রহমানকে। অন্য সদস্যরা হলেন- ১ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর মো. আফসার উদ্দিন খান; ১৩ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর মো. ইসমাইল মোল্লা; ১৪ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর মো. হুমায়ুন রশীদ; ১৭ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর মো. ইসহাক মিয়া; ১৮ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর মো. জাকির হোসেন; ৩২ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর সৈয়দ হাসান নুর ইসলাম; ৫৪ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর জাহাঙ্গীর হোসেন; ১০ নম্বর সংরক্ষিত আসনের কাউন্সিলর হামিদা আক্তার মিতা এবং ১৭ নম্বর সংরক্ষিত আসনের কাউন্সিলর জাকিয়া সুলতানা।

এছাড়া প্রতিটি হাটে একটি করে মোবাইল কোর্ট পরিচালিত হবে।

এএস/এফআর/এমএস

করোনা ভাইরাস - লাইভ আপডেট

২৪,০৭,০৪,২১৭
আক্রান্ত

৪৯,০২,৪২৮
মৃত

২১,৭৯,৫৮,৮৮১
সুস্থ

# দেশ আক্রান্ত মৃত সুস্থ
বাংলাদেশ ১৫,৬৪,৮৮১ ২৭,৭৪৬ ১৫,২৬,৮৯১
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ৪,৫৬,৮৩,১৯৬ ৭,৪৩,২৪২ ৩,৫২,৪৪,৮৭৭
ভারত ৩,৪০,৫২,৬৮৭ ৪,৫২,০০৮ ৩,৩৩,৯১,৯৮৫
ব্রাজিল ২,১৬,১২,২৩৭ ৬,০২,২০১ ২,০৭,৫৮,৫৯৭
যুক্তরাজ্য ৮৩,৬১,৬৫১ ১,৩৮,৩৭৯ ৬৮,৩৯,১২৯
রাশিয়া ৭৯,২৫,১৭৬ ২,২১,৩১৩ ৬৯,৬০,০২৪
তুরস্ক ৭৬,০১,৬২৬ ৬৭,২২৫ ৭০,৩৯,৭৫২
ফ্রান্স ৭০,৮০,৩৭৫ ১,১৭,২৪৫ ৬৮,৭২,৪০২
ইরান ৫৭,৬৫,৯০৪ ১,২৩,৬৯৫ ৫২,৯৪,৯৮১
১০ আর্জেন্টিনা ৫২,৭০,০০৩ ১,১৫,৬৩৩ ৫১,৩৬,৪৬৩
১১ স্পেন ৪৯,৮৪,৩৮৬ ৮৬,৯৭৪ ৪৮,২৫,৭৯৪
১২ কলম্বিয়া ৪৯,৭৭,০৪৩ ১,২৬,৭৫৯ ৪৮,২০,৪২৩
১৩ ইতালি ৪৭,১২,৪৮২ ১,৩১,৫০৩ ৪৫,০২,৪৫৭
১৪ জার্মানি ৪৩,৭৪,০৮১ ৯৫,৩৮৭ ৪১,৩৪,১০০
১৫ ইন্দোনেশিয়া ৪২,৩৩,০১৪ ১,৪২,৮৮৯ ৪০,৭০,৮০৭
১৬ মেক্সিকো ৩৭,৪৪,৫৭৪ ২,৮৩,৫৭৪ ৩১,০৩,১৩৮
১৭ পোল্যান্ড ২৯,৩৩,৮৩৪ ৭৬,০৬৭ ২৬,৭২,৬৫৬
১৮ দক্ষিণ আফ্রিকা ২৯,১৫,৫৬০ ৮৮,৫৬২ ২৮,০৪,০৬৫
১৯ ফিলিপাইন ২৭,০৫,৭৯২ ৪০,৪২৪ ২৫,৮৬,৩৬৯
২০ ইউক্রেন ২৬,১০,৮৯৯ ৬০,১৩৭ ২৩,১৬,৫৮২
২১ মালয়েশিয়া ২৩,৭৭,০৩৩ ২৭,৭৭০ ২২,৫১,৭৫৮
২২ পেরু ২১,৮৭,৩৬৮ ১,৯৯,৭৭৫ ১৭,২০,৬৬৫
২৩ নেদারল্যান্ডস ২০,৪০,৩৩৭ ১৮,২৩৭ ১৯,৫৮,৭৮৫
২৪ ইরাক ২০,৩২,৬৬০ ২২,৭১৩ ১৯,৬১,৬৬৬
২৫ থাইল্যান্ড ১৭,৬২,১৯০ ১৮,১২৩ ১৬,৩৬,৪৬১
২৬ জাপান ১৭,১৩,২৬৮ ১৮,০৫১ ১৬,৮৬,২১৪
২৭ চেক প্রজাতন্ত্র ১৭,০৫,৯৭১ ৩০,৫২৮ ১৬,৬২,৭৪২
২৮ কানাডা ১৬,৭৩,৩৯৭ ২৮,৪২১ ১৬,০৯,৬৪০
২৯ চিলি ১৬,৬৭,৫৪৭ ৩৭,৫৯৪ ১৬,২০,২৪০
৩০ রোমানিয়া ১৪,৩০,৪৭৫ ৪১,১৩০ ১২,২০,৯৫৩
৩১ ইসরায়েল ১৩,১৪,২১৩ ৭,৯৭৬ ১২,৮৬,১১২
৩২ বেলজিয়াম ১২,৭৬,২২১ ২৫,৭৩২ ১১,৮৪,৬৫৫
৩৩ পাকিস্তান ১২,৬২,৭৭১ ২৮,২২৮ ১১,৯৪,৫৯০
৩৪ সুইডেন ১১,৬১,৯৩৩ ১৪,৯১৬ ১১,২৯,০২৪
৩৫ পর্তুগাল ১০,৭৮,৭২৯ ১৮,০৭৮ ১০,৩০,৪৩৯
৩৬ সার্বিয়া ১০,৩৭,৭০৭ ৮,৯৯৬ ৯,০২,১২০
৩৭ মরক্কো ৯,৪১,৪৪৬ ১৪,৫৩৩ ৯,২১,০৪৮
৩৮ কিউবা ৯,৩০,৮২২ ৮,০১৮ ৯,১২,৪৭০
৩৯ কাজাখস্তান ৯,১২,৭৯৯ ১১,৬৭২ ৮,৫৪,৯৭৬
৪০ ভিয়েতনাম ৮,৫৭,৬৩৯ ২১,০৪৩ ৭,৮৮,৯২৩
৪১ সুইজারল্যান্ড ৮,৫৪,৫৯০ ১১,১৭০ ৮,০৭,৫৯২
৪২ জর্ডান ৮,৩৯,৫৪৪ ১০,৮৫৯ ৮,১৩,৮৩৮
৪৩ হাঙ্গেরি ৮,৩৩,১১৫ ৩০,৩৫১ ৭,৯০,৬৪৬
৪৪ নেপাল ৮,০৪,৫১৬ ১১,২৭৭ ৭,৭৯,৯৩১
৪৫ অস্ট্রিয়া ৭,৭১,১৪৩ ১১,১৫১ ৭,৩৯,০২৪
৪৬ সংযুক্ত আরব আমিরাত ৭,৩৮,২৬৮ ২,১১৭ ৭,৩১,৮০৫
৪৭ তিউনিশিয়া ৭,১০,৫৪২ ২৫,০৬৬ ৬,৮৩,৭২৭
৪৮ গ্রীস ৬,৮৯,৮৯৬ ১৫,৩১৭ ৬,৪৬,০১৯
৪৯ জর্জিয়া ৬,৫২,৬৭৭ ৯,৩৯৬ ৬,০৮,৮৬১
৫০ লেবানন ৬,৩২,২৭১ ৮,৪০৬ ৬,০৬,২৮২
৫১ গুয়াতেমালা ৫,৮৪,৬১৩ ১৪,২০৪ ৫,৫৫,৯৯৩
৫২ বেলারুশ ৫,৬৭,৯৩৮ ৪,৩৬৯ ৫,৪১,১৫৫
৫৩ কোস্টারিকা ৫,৫০,১৩৪ ৬,৭৭১ ৪,৬৮,১৩৬
৫৪ সৌদি আরব ৫,৪৭,৮৪৫ ৮,৭৫৮ ৫,৩৬,৮৫৯
৫৫ বুলগেরিয়া ৫,৩৪,৩১২ ২২,১০২ ৪,৫৫,১৫৩
৫৬ শ্রীলংকা ৫,৩০,৪২১ ১৩,৪৪৯ ৪,৯১,৯৫৮
৫৭ ইকুয়েডর ৫,১৩,০২৬ ৩২,৮৯৯ ৪,৪৩,৮৮০
৫৮ বলিভিয়া ৫,০৫,১৫৭ ১৮,৮১১ ৪,৬৬,৭০৭
৫৯ আজারবাইজান ৪,৯৮,৬৩০ ৬,৭৩৪ ৪,৭৬,৯৬৪
৬০ মায়ানমার ৪,৮৫,৬৪৬ ১৮,২৯৭ ৪,৩৭,৮৫৫
৬১ পানামা ৪,৬৯,৭৯৬ ৭,২৮৪ ৪,৬০,০৭২
৬২ প্যারাগুয়ে ৪,৬০,৩০১ ১৬,২০৮ ৪,৪৩,৯২৩
৬৩ স্লোভাকিয়া ৪,৩৩,৭০৯ ১২,৮১৬ ৪,০০,৯৩২
৬৪ ক্রোয়েশিয়া ৪,২৪,৬৬৬ ৮,৮৬২ ৪,০৫,৯৯৩
৬৫ ফিলিস্তিন ৪,১৭,২৫৬ ৪,২৯৯ ৩,৯৯,৯৬৪
৬৬ কুয়েত ৪,১২,২৫৮ ২,৪৫৫ ৪,০৯,২২৬
৬৭ আয়ারল্যান্ড ৪,১১,৫৫৪ ৫,৩০৬ ৩,৬৪,৫৮২
৬৮ উরুগুয়ে ৩,৯০,৫৭৫ ৬,০৬৫ ৩,৮৩,০৪৭
৬৯ ভেনেজুয়েলা ৩,৮৮,৭৪৩ ৪,৬৮১ ৩,৬৮,৮৫৪
৭০ হন্ডুরাস ৩,৭১,৮৬১ ১০,০৮৪ ১,১৩,৩৫৯
৭১ ডোমিনিকান আইল্যান্ড ৩,৬৮,৮৩০ ৪,০৮২ ৩,৫৭,৪৬৩
৭২ ডেনমার্ক ৩,৬৭,৩০৭ ২,৬৭৯ ৩,৫৬,৫৭৫
৭৩ লিথুনিয়া ৩,৬৩,৬৩০ ৫,৩৭৬ ৩,২৫,২৫৭
৭৪ ইথিওপিয়া ৩,৫৭,৫৫০ ৬,১৪১ ৩,২৬,৭৩৫
৭৫ লিবিয়া ৩,৪৯,২১০ ৪,৮৬০ ২,৭৭,৭০১
৭৬ দক্ষিণ কোরিয়া ৩,৩৯,৩৬১ ২,৬২৬ ৩,০৫,৮৫১
৭৭ মঙ্গোলিয়া ৩,৩৪,৮৬৫ ১,৫১৩ ৩,০০,০৭৪
৭৮ মিসর ৩,১৫,৮৪২ ১৭,৮৪৬ ২,৬৬,৪৪৪
৭৯ মলদোভা ৩,১২,৪৪২ ৭,১৩৭ ২,৯১,৪৯০
৮০ স্লোভেনিয়া ৩,০৬,০৬৩ ৪,৬৩১ ২,৮৯,৭১৩
৮১ ওমান ৩,০৪,০২৫ ৪,১০৩ ২,৯৯,৩৬২
৮২ আর্মেনিয়া ২,৭৮,৪৩১ ৫,৭১৩ ২,৫২,২১১
৮৩ বাহরাইন ২,৭৫,৯১২ ১,৩৯১ ২,৭৩,৯০০
৮৪ কেনিয়া ২,৫১,৮০৩ ৫,২১০ ২,৪৫,০৭৭
৮৫ বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা ২,৪৩,৯১৪ ১১,১১০ ১,৯২,২১৮
৮৬ কাতার ২,৩৭,৭৯৮ ৬০৮ ২,৩৬,২৭৫
৮৭ জাম্বিয়া ২,০৯,৪৭৭ ৩,৬৫৭ ২,০৫,৫৯৮
৮৮ নাইজেরিয়া ২,০৮,৬৩০ ২,৭৬৭ ১,৯৬,৩২৬
৮৯ আলজেরিয়া ২,০৫,১০৬ ৫,৮৬৭ ১,৪০,৬১৯
৯০ উত্তর ম্যাসেডোনিয়া ১,৯৬,৩৭৬ ৬,৯০১ ১,৮২,৭৮২
৯১ নরওয়ে ১,৯৫,৫৮৫ ৮৮৪ ৮৮,৯৫২
৯২ বতসোয়ানা ১,৮১,৮৫৬ ২,৩৮৬ ১,৭৮,১২৪
৯৩ লাটভিয়া ১,৮০,৪৪০ ২,৮৬৯ ১,৫৫,৫৭৪
৯৪ উজবেকিস্তান ১,৮০,১৬২ ১,২৮৩ ১,৭৫,৯৯৬
৯৫ কিরগিজস্তান ১,৭৯,৬৮১ ২,৬২৯ ১,৭৪,৫০১
৯৬ আলবেনিয়া ১,৭৬,৬৬৭ ২,৭৯৭ ১,৬৭,৩০৮
৯৭ এস্তোনিয়া ১,৭০,১৫৯ ১,৪১৫ ১,৫২,৭৫৫
৯৮ আফগানিস্তান ১,৫৫,৬৮৮ ৭,২৩৮ ১,২৬,৮০৬
৯৯ মোজাম্বিক ১,৫১,০৮০ ১,৯২৫ ১,৪৮,০৯৯
১০০ ফিনল্যাণ্ড ১,৪৯,৮৯৭ ১,১১৬ ৪৬,০০০
১০১ অস্ট্রেলিয়া ১,৩৮,৭২০ ১,৫০৭ ১,০৫,৫৯৬
১০২ সিঙ্গাপুর ১,৩৮,৩২৭ ২০৭ ১,১১,৪৯৮
১০৩ মন্টিনিগ্রো ১,৩৭,০৪৬ ২,০১৮ ১,৩০,১৫২
১০৪ জিম্বাবুয়ে ১,৩২,২৫১ ৪,৬৫৫ ১,২৫,৯৫৬
১০৫ ঘানা ১,২৮,৩৬৮ ১,১৫৮ ১,২৪,৫১৪
১০৬ নামিবিয়া ১,২৮,২৩৯ ৩,৫৩৮ ১,২৩,৮২০
১০৭ উগান্ডা ১,২৫,০৪৯ ৩,১৮০ ৯৬,৩৫২
১০৮ সাইপ্রাস ১,২০,৪১৫ ৫৬০ ৯০,৭৫৫
১০৯ কম্বোডিয়া ১,১৬,১৪০ ২,৬১০ ১,১০,১৫৪
১১০ এল সালভাদর ১,০৯,৮৮১ ৩,৪৪৭ ৯১,৮৮১
১১১ রুয়ান্ডা ৯৮,৯৮৭ ১,৩১৩ ৪৫,৫০৬
১১২ ক্যামেরুন ৯৮,৪০২ ১,৫৫০ ৮০,৪৩৩
১১৩ চীন ৯৬,৪৮৮ ৪,৬৩৬ ৯১,২৯৬
১১৪ জ্যামাইকা ৮৬,৯৮৬ ২,০৭২ ৫৫,০৮৬
১১৫ মালদ্বীপ ৮৫,৯৭৭ ২৩৭ ৮৪,৫১০
১১৬ লুক্সেমবার্গ ৭৯,৭২০ ৮৩৯ ৭৭,৪৪৭
১১৭ সেনেগাল ৭৩,৮৫৯ ১,৮৭১ ৭১,৯৬১
১১৮ অ্যাঙ্গোলা ৬২,৩৮৫ ১,৬৫৩ ৫০,৩০৩
১১৯ মালাউই ৬১,৭০২ ২,২৯২ ৫৬,৬৬৫
১২০ আইভরি কোস্ট ৬০,৯৪২ ৬৭৩ ৫৯,২১৯
১২১ ড্যানিশ রিফিউজি কাউন্সিল ৫৭,২৬৯ ১,০৮৯ ৫০,৯৩০
১২২ গুয়াদেলৌপ ৫৪,১৫২ ৭৩১ ২,২৫০
১২৩ রিইউনিয়ন ৫৪,০২৪ ৩৭০ ৫৩,৫২০
১২৪ ত্রিনিদাদ ও টোবাগো ৫৩,৩৯২ ১,৫৭৩ ৪৭,৬৪১
১২৫ ফিজি ৫১,৭০১ ৬৬৩ ৪৮,২২১
১২৬ ইসওয়াতিনি ৪৬,৩৪৪ ১,২৩২ ৪৪,৭৮৪
১২৭ সুরিনাম ৪৫,৮৬১ ১,০০০ ২৭,০৫৩
১২৮ ফ্রেঞ্চ গায়ানা ৪৩,২৫৫ ২৯৫ ৯,৯৯৫
১২৯ মাদাগাস্কার ৪২,৮৯৮ ৯৫৮ ৪২,৫৪৫
১৩০ মার্টিনিক ৪১,১২৯ ৬০৮ ১০৪
১৩১ ফ্রেঞ্চ পলিনেশিয়া ৪০,১৭৮ ৬৩২ ৩৩,৫০০
১৩২ সুদান ৩৮,৮২৪ ২,৯২৮ ৩২,৩৯৫
১৩৩ সিরিয়া ৩৮,৩৬৫ ২,৩৮২ ২৪,৮৭৩
১৩৪ কেপ ভার্দে ৩৭,৯৭৬ ৩৪৭ ৩৭,১৮৭
১৩৫ মালটা ৩৭,৪৩৭ ৪৫৯ ৩৬,২৯২
১৩৬ মৌরিতানিয়া ৩৬,৫৫০ ৭৮৬ ৩৫,৩৪৯
১৩৭ গায়ানা ৩৪,১৩২ ৮৫৭ ২৯,৫০৪
১৩৮ গ্যাবন ৩৩,১১৫ ২০৯ ২৭,৭২৭
১৩৯ লাওস ৩১,১৮৮ ৩৬ ৬,৫৫৮
১৪০ গিনি ৩০,৫৭২ ৩৮৫ ২৯,২৩৩
১৪১ তানজানিয়া ২৬,০৩৪ ৭২৪ ১৮৩
১৪২ টোগো ২৫,৮৫০ ২৩৮ ২৪,৯৪৪
১৪৩ বেনিন ২৪,৫৬০ ১৬১ ২৩,৯৭১
১৪৪ পাপুয়া নিউ গিনি ২৪,০৪১ ২৬৬ ১৯,৮৪০
১৪৫ বেলিজ ২৩,৭৬২ ৪৫৭ ২০,৫০২
১৪৬ হাইতি ২২,৮২৭ ৬৪৯ ১৯,৯৮৯
১৪৭ সিসিলি ২১,৬৩৮ ১১৮ ২১,২৪২
১৪৮ বাহামা ২১,৫৮০ ৫৯০ ১৯,৬৮৩
১৪৯ লেসোথো ২১,৫২৪ ৬৫৫ ১১,৯৮৩
১৫০ সোমালিয়া ২১,২৬৯ ১,১৮০ ৯,৯২৭
১৫১ মায়োত্তে ২০,৪২২ ১৮১ ২,৯৬৪
১৫২ পূর্ব তিমুর ১৯,৭০৩ ১১৯ ১৯,৪৮১
১৫৩ বুরুন্ডি ১৯,৫১৩ ৩৮ ৭৭৩
১৫৪ তাজিকিস্তান ১৭,০৮৪ ১২৪ ১৬,৯৬০
১৫৫ কিউরাসাও ১৬,৮৮৫ ১৬৯ ১৬,৪১৮
১৫৬ মরিশাস ১৬,৪৭২ ১২৩ ১,৮৫৪
১৫৭ তাইওয়ান ১৬,৩২৫ ৮৪৬ ১৫,৩৩৫
১৫৮ নিকারাগুয়া ১৫,৭৩৭ ২০৬ ৪,২২৫
১৫৯ আরুবা ১৫,৭০২ ১৭০ ১৫,৩৬৭
১৬০ মালি ১৫,৫৭৭ ৫৫৫ ১৪,৪৩৭
১৬১ এনডোরা ১৫,৩৩৮ ১৩০ ১৫,১৩৯
১৬২ কঙ্গো ১৫,২৫৫ ২১৯ ১২,৪২১
১৬৩ বুর্কিনা ফাঁসো ১৪,৬৫৭ ২০৩ ১৪,০৯১
১৬৪ জিবুতি ১৩,৩৭৭ ১৭৯ ১৩,০০৮
১৬৫ ইকোয়েটরিয়াল গিনি ১২,৮৪০ ১৫৬ ১২,২৬৩
১৬৬ আইসল্যান্ড ১২,৪৫৫ ৩৩ ১১,৯২৩
১৬৭ হংকং ১২,২৮৬ ২১৩ ১১,৯৮০
১৬৮ দক্ষিণ সুদান ১২,১৮৪ ১৩০ ১১,৭২৬
১৬৯ চ্যানেল আইল্যান্ড ১২,১৩৫ ৯৮ ১১,৬২৩
১৭০ সেন্ট লুসিয়া ১২,১২৯ ২৩২ ১১,২৬২
১৭১ বার্বাডোস ১২,১০৫ ১০৮ ৮,৯৩৫
১৭২ সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিক ১১,৪৬৯ ১০০ ৬,৮৫৯
১৭৩ ব্রুনাই ১০,২৫১ ৬৮ ৭,৬৮২
১৭৪ গাম্বিয়া ৯,৯৪৩ ৩৩৯ ৯,৫৯৭
১৭৫ নিউ ক্যালেডোনিয়া ৯,৮৬১ ২৩১ ৫৮
১৭৬ ইয়েমেন ৯,৪৬৭ ১,৭৯৩ ৫,৯৭৫
১৭৭ আইল অফ ম্যান ৮,৪৩০ ৫৪ ৭,৬৮১
১৭৮ ইরিত্রিয়া ৬,৭৬৭ ৪৪ ৬,৬৭৬
১৭৯ সিয়েরা লিওন ৬,৩৯৬ ১২১ ৪,৩৯৩
১৮০ নাইজার ৬,১৩৯ ২০৪ ৫,৮৩৬
১৮১ গিনি বিসাউ ৬,১২৪ ১৪১ ৫,৩৮০
১৮২ লাইবেরিয়া ৫,৯১৫ ২৮৬ ৫,৪৫৮
১৮৩ জিব্রাল্টার ৫,৭৪০ ৯৮ ৫,৪৭৮
১৮৪ গ্রেনাডা ৫,৭০৪ ১৯১ ৫,৩৩২
১৮৫ বারমুডা ৫,৫৪৮ ৯৫ ৪,৯৭৯
১৮৬ সান ম্যারিনো ৫,৪৭০ ৯১ ৫,৩৪৩
১৮৭ চাদ ৫,০৬৭ ১৭৪ ৪,৮৭৪
১৮৮ নিউজিল্যান্ড ৪,৮৯৭ ২৮ ৪,১৮৬
১৮৯ সিন্ট মার্টেন ৪,৪৩৮ ৭০ ৪,২৮৭
১৯০ সেন্ট ভিনসেন্ট ও গ্রেনাডাইন আইল্যান্ড ৪,২১৭ ৪২ ২,৮০৩
১৯১ কমোরস ৪,১৮৪ ১৪৭ ৪,০১৬
১৯২ ডোমিনিকা ৪,১৫৩ ২৮ ৩,৮৪১
১৯৩ অ্যান্টিগুয়া ও বার্বুডা ৩,৮৩০ ৯৩ ২,৯৩৭
১৯৪ সেন্ট মার্টিন ৩,৮১৯ ৫৫ ১,৩৯৯
১৯৫ লিচেনস্টেইন ৩,৪৭৮ ৬০ ৩,৩৯০
১৯৬ মোনাকো ৩,৩৫৭ ৩৩ ৩,২৮১
১৯৭ টার্কস্ ও কেইকোস আইল্যান্ড ২,৯১০ ২৩ ২,৮২৪
১৯৮ ব্রিটিশ ভার্জিন দ্বীপপুঞ্জ ২,৭২৫ ৩৭ ২,৬৪৯
১৯৯ ভুটান ২,৬১৭ ২,৬০৫
২০০ সেন্ট কিটস ও নেভিস ২,৫২৫ ২১ ১,৬৫৭
২০১ ক্যারিবিয়ান নেদারল্যান্ডস ২,৩০৬ ১৯ ৬,৪৪৫
২০২ সেন্ট বারথেলিমি ১,৫৮৮ ৪৬২
২০৩ ফারে আইল্যান্ড ১,৩২৩ ১,২২৭
২০৪ কেম্যান আইল্যান্ড ১,০১১ ৮২৭
২০৫ ডায়মন্ড প্রিন্সেস (প্রমোদ তরী) ৭১২ ১৩ ৬৯৯
২০৬ গ্রীনল্যাণ্ড ৬৫৪ ৬৯১
২০৭ এ্যাঙ্গুইলা ৬৪৪ ৫৬০
২০৮ ওয়ালিস ও ফুটুনা ৪৪৫ ৪৩৮
২০৯ ম্যাকাও ৭৭ ৬৪
২১০ ফকল্যান্ড আইল্যান্ড ৬৮ ৬৭
২১১ মন্টসেরাট ৪১ ৩১
২১২ সেন্ট পিয়ের এন্ড মিকেলন ৩২ ৩২
২১৩ ভ্যাটিকান সিটি ২৭ ২৭
২১৪ সলোমান আইল্যান্ড ২০ ২০
২১৫ পশ্চিম সাহারা ১০
২১৬ জান্ডাম (জাহাজ)
২১৭ পালাও
২১৮ মার্শাল আইল্যান্ড
২১৯ ভানুয়াতু
২২০ সামোয়া
২২১ সেন্ট হেলেনা
তথ্যসূত্র: চীনের জাতীয় স্বাস্থ্য কমিশন (সিএনএইচসি) ও অন্যান্য।
করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]