শিশুদের নিরাপদ আবাসস্থল হবে বাংলাদেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৬:৩৯ পিএম, ১৮ অক্টোবর ২০২০

মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ফজিলাতুন নেসা ইন্দিরা বলেছেন, সরকার শিশুদের জন্য উন্নত জীবন ও নিরাপদ পরিবেশ সৃষ্টি করতে কাজ করে যাচ্ছে। বাংলাদেশ হবে শিশুদের নিরাপদ আবাসস্থল।

রোববার রাজধানীর শিশু একাডেমি মিলনায়তনে বাংলাদেশ শিশু একাডেমি আয়োজিত বঙ্গবন্ধুর কনিষ্ঠপুত্র শেখ রাসেলের ৫৬তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে শিশুদের ছড়া আবৃত্তি, স্বরচিত কবিতা পাঠ ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

বাংলাদেশ শিশু একাডেমির চেয়ারম্যান লাকী ইনামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত সচিব ফরিদা পারভীন, বাংলাদেশ শিশু একাডেমির মহাপরিচালক জ্যোতি লাল কুরী, মহিলা বিষয়ক অধিদফতরের মহাপরিচালক পারভীন আকতার, অতিরিক্ত সচিব ড. মহিউদ্দিন আহমেদ ও যুগ্মসচিব মো. মুহিবুজ্জামানসহ বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা।

ইন্দিরা বলেন, জাতির পিতা ও রাষ্ট্রপতির সন্তান হয়েও শেখ রাসেল সহপাঠী ও অন্যান্য শিশুদের সঙ্গে খেলাধুলা করে বেড়াত। ৩২ নম্বরসহ ধানমন্ডির রাস্তায় বন্ধুদের সঙ্গে সাইকেল চালিয়ে বেড়াত ও ক্রিকেট খেলতো। ছোট বেলায় সবার মন জয় করেছিল সে। অথচ এই নিষ্পাপ শিশুকে ১৫ আগস্ট খুনিরা ঠান্ডা মাথায় হত্যা করে।

তিনি বলেন, বিশ্বের অনেক দেশে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছে। কিন্তু কোথাও ঘাতকেরা এ রকম নিষ্পাপ শিশু, গর্ভবতী মা ও নারীদের হত্যা করেনি। যারা এ দেশের স্বাধীনতার বিরোধিতা করেছিল সেই পরাজিত ঘাতকেরা এই জঘন্যতম হত্যাকাণ্ড সংগঠিত করেছিল।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, সবাইকে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতনকারী এবং ধর্ষকদের বিরুদ্ধে দুর্বার আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে। সবার প্রতি আমার এ আহ্বান একটা শিশুও যেন নির্যাতনের শিকার না হয়।

সভাপতির বক্তব্যে শিশু একাডেমির চেয়ারম্যান লাকী ইনাম বলেন, ‘শেখ রাসেল আমাদের শিশুদের ভালোবাসতে শেখায়। আমাদের সবার দায়িত্ব শিশুদের জন্য নিরাপদ পৃথিবী গড়ে তোলা।’

আজকের এ অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ শিশু একাডেমির কেন্দ্রীয় কার্যালয়সহ ১০টি জেলা থেকে ১১ জন প্রশিক্ষণার্থী আবৃত্তি, কবিতা ও স্বরচিত কবিতা পাঠের অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করে।

এর আগে সকালে বনানী কবরস্থানে শেখ রাসেলের সমাধিতে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে শ্রদ্ধা নিবেদন জানানো হয়।

এমইউএইচ/জেএইচ/এমএস

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]