বৈশ্বিক উদ্ভাবন সূচক: ১৩২ দেশের মধ্যে ১১৬তম বাংলাদেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৭:০০ পিএম, ১৪ অক্টোবর ২০২১

গ্লোবাল ইনোভেশন ইনডেক্স (জিআইআই) নামে পরিচিত বৈজ্ঞানিক ও অর্থনৈতিক উদ্ভাবন সূচকে ২০ দশমিক ২ পয়েন্ট নিয়ে ১৩২টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ১১৬ নম্বরে। ওয়ার্ল্ড ইন্টেলেকচুয়াল প্রোপার্টি সংস্থার (উইপো) সর্বশেষ প্রতিবেদনে জিআইআই ইনডেক্সের খবর জানানো হয়েছে। সম্প্রতি গ্লোবাল ইনোভেশন ইনডেক্সের ১৪তম সংস্করণ প্রকাশিত হয়।

সূচকে বিভিন্ন দেশের বিজ্ঞান ও অর্থনীতিতে ইনোভেশন বা উদ্ভাবনের প্রভাবকে আমলে নেওয়া হয় এবং সবচেয়ে সাম্প্রতিক উদ্ভাবনী ধারাগুলোকে অনুসরণ করা হয়।

নলেজ ক্যাপিটাল, স্টাটআপ ইকো সিস্টেম, বৈজ্ঞানিক বিভাগ, পারমাণবিক শক্তি, বায়োটেকনোলজি, মহাকাশ বিজ্ঞানের নতুন ধারণা উদ্ভাবনে কে কতটা এগিয়ে তা জানা যায় জিআইআই ইনডেক্স থেকে।

দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে ভারতের অবস্থান ৪৬তম, শ্রীলঙ্কা ৯৫তম, পাকিস্তান ৯৯তম, নেপাল ১১১তম, মায়ানমার ১২৭তম। তালিকার শীর্ষস্থানে অবস্থান করছে সুইজারল্যান্ড। এরপরেই রয়েছে সুইডেন, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও দক্ষিণ কোরিয়া। সেরা ১০-এ আরও আছে নেদারল্যান্ডস, ফিনল্যান্ড, সিংগাপুর, ডেনমার্ক ও জার্মানি।

উইপো জানায়, বাংলাদেশ প্রাতিষ্ঠানিক পিলারে ১২২তম, জনসম্পদ ও গবেষণা পিলারে ১২৮তম, অবকাঠামোগত পিলারে ৯৫তম এবং মার্কেট সফিস্টিকেশন পিলারে ৯৫তম অবস্থানে রয়েছে। বিজনেস সফিস্টিকেশন পিলারে ১২২তম, জ্ঞান ও প্রযুক্তি আউটপুট পিলারে ৯২তম এবং সৃজনশীল আউটপুট পিলারে ১২৩তম অবস্থানে রয়েছে বাংলাদেশ।

প্রতিবেদনের মুখবন্ধে উইপোর মহাপরিচালক ড্যারেন ট্যাং বলেন, এ বছরের সংস্করণ করোনাভাইরাস মহামারির মধ্যে প্রকাশিত হয়েছে। এই মহামারি জীবন ও জীবিকার ওপর বৈরি প্রভাব ফেলেছে। একই সঙ্গে মানবজাতির উদ্ভাবনী শক্তি, সহনশীলতা ও সব পরিস্থিতির সঙ্গে মানিয়ে চলার সক্ষমতার অসংখ্য উদাহরণ তৈরি করেছে।

তিনি আরও বলেন, মহামারির প্রভাব কাটিয়ে অর্থনীতির পুনর্গঠনে দেশগুলোকে অসাধারণ সব চিন্তাধারাকে যুগান্তকারী পণ্য ও সেবায় রূপান্তর করতে হবে।

এসএম/এআরএ/জিকেএস

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]