বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তের ১১ চেকপোস্টে ইমিগ্রেশন চালু

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৩:৫৮ পিএম, ২৭ জুন ২০২২
ফাইল ছবি

করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) সংক্রমণ পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে বন্ধ থাকা বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তবর্তী ১১ চেকপোস্টে ফের ইমিগ্রেশন কার্যক্রম চালু করা হয়েছে।

চেকপোস্টে ইমিগ্রেশন কার্যক্রম ফের চালুর অনুমতি দিয়ে রোববার (২৬ জুন) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সুরক্ষাসেবা বিভাগ থেকে সংশ্লিষ্টদের চিঠি দেওয়া হয়েছে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও পুলিশের বিশেষ শাখার (এসবি) পত্রের পরিপ্রেক্ষিতে এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে সুরক্ষাসেবা বিভাগ।

সুরক্ষাসেবা বিভাগের চিঠিতে বলা হয়, বিশ্বে বর্তমানে কোভড-১৯ পরিস্থিতি অনেকটা স্বাভাবিক হওয়ায় ব্যবসা-বাণিজ্য, পর্যটন ইত্যাদির সুযোগ পুনরায় চালু করার স্বার্থে স্বাস্থ্যবিধি মেনে দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা শেরপুরের নাকুগাঁও ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট, সিলেটের জকিগঞ্জ ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট, মৌলভীবাজারের চাতলাপুর ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট, জুরি বটুলী ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট ও কুমারঘাট ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট, হবিগঞ্জের বাল্লা ইমগ্রেশন চেকপোস্ট, কুমিল্লার বিবির বাজার চেকপোস্ট, ফেনীর বিলোনিয়া ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট, ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট রেলওয়ে ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট, কুড়িগ্রামের রৌমারী স্থলবন্দর ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট এবং যশোরের বেনাপোল রেলওয়ে ইমিগ্রেশন চেকপোস্টসহ মোট ১১টি বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তবর্তী চেকপোস্টে ইমিগ্রেশন কার্যক্রম পুনরায় চালুর অনুমতি দেওয়া হলো।

এ চিঠি বিজিবি মহাপরিচালক, ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান ছাড়াও মন্ত্রিপরিষদ সচিব, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্যসচিব, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিবসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সচিব ও দপ্তর প্রধানদের দেওয়া হয়েছে।

আরএমএম/এমএএইচ/এএসএম

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]