মৃত্তিকা সম্পদ ইনস্টিটিউটের জনবল দ্বিগুণের উদ্যোগ


প্রকাশিত: ০৭:২৯ পিএম, ২২ ফেব্রুয়ারি ২০১৬
মৃত্তিকা সম্পদ ইনস্টিটিউটের জনবল দ্বিগুণের উদ্যোগ

মৃত্তিকা সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউটের আধুনিকায়ন ও উন্নত সুযোগ সুবিধার জন্য সরকার জনবল দ্বিগুণ করার উদ্যোগ নিয়েছে বলে জানিয়েছ্নে কৃষিমন্ত্রী বেগম মতিয়া চৌধুরী।  সোমবার জাতীয় সংসদে খুলনা-৪ আসনের সংসদ সদস্য এস এম মোস্তফা রশিদীর প্রশ্নের জবাবে এ কথা জানান তিনি।

কৃষিমন্ত্রী বলেন, মৃত্তিকা সম্পদ উন্নয়নে একটি অর্গানোগ্রাম ইতোমধ্যে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় অনুমোদন দিয়েছে। এই অর্গানোগ্রামে প্রায় দ্বিগুণ জনবল সংস্থানের জন্য প্রস্তাব করা হয়েছে।

মতিয়া চৌধুরী বলেন, প্রস্তাবিত অর্গানোগ্রামটি কার্যকর হলে মৃত্তিকা সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউট ও খুলনা আঞ্চলিক অফিসের জনবলও বৃদ্ধি পাবে, পাশাপাশি খুলনা অঞ্চলের মৃত্তিকা ও ভূমি সম্পদের ইনভেনটরি তৈরি এবং সক্ষমতাভিক্তিক শ্রেণিবিন্যাসের কাজ আরো তরান্বিত ও হালনাগাদ করা সম্ভব হবে।

তিনি আরো বলেন, হালনাগাদ তথ্য-উপাত্ত কৃষকদের মৃত্তিকা ও ভূমি সম্পদের লাভজনক ব্যবহার নিশ্চিতকরণ ও প্রাকৃতিক সম্পদের সর্বোত্তম ব্যবহার করতে সহায়ক ভূমিকা হিসেবে কাজ করবে এই অর্গানোগ্রাম। এছাড়াও বর্ধিত জনবলের মাধ্যমে বিশেষ করে খুলনা অঞ্চলের কৃষকদের আধুনিক ও বিজ্ঞানভিত্তিক চাষাবাদের সঠিক পরামর্শ ও পরিকল্পনা প্রণয়ন করা সম্ভব হবে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।

ফেনী-৩ আসনের সংসদ সদস্য রহিম উল্লাহর  অপর এক প্রশ্নের জবাবে কৃষিমন্ত্রী বলেন, দেশের ৪৫টি জেলার ৯০টি উপজেলায় বারিড পাইপ নির্মাণ প্রদর্শনী, ফিতা পাইপ সেচ প্রদর্শনী, ড্রিপ সেচ প্রদর্শনী, হ্যান্ড শাওয়ার সেচ প্রদর্শনী, এসআরআই প্রদর্শনী, রেড নালা পদ্ধতিতে ধান চাষ প্রদর্শনী ও মাঠ দিবস কার্যক্রম শুরু হয়েছে। সেচের পানির অপচয় কমিয়ে সেচ দক্ষতা বৃদ্ধি, সেচ এলাকা সম্প্রারণ ও সেচ খরচ কমানোর জন্য এ সকল কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে।

জয়পুরহাট-১ আসনের সামছুল আলম দুদুর এক প্রশ্নের জবাবে মতিয়া চৌধুরী বলেন, ভূ-গর্ভস্থ পানির স্তর ক্রমান্বয়ে নিচে নেমে যাওয়ার কারণে পরিবেশের উপর বিরূপ প্রভাব পড়ার সম্বাবনা থাকায় বর্তমানে গভীর নলকুপ স্থাপন কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। তবে ভূ-পরিস্থ পানি ব্যবহার করে জয়পুরহাট জেলার অবশিষ্ট আবাদযোগ্য কৃষি জমি পর্যায়ক্রমে সেচের আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে বলেও জানান কৃষিমন্ত্রী।

এইচএস/এসকেডি/আরআইপি