কৃষিবান্ধব ইশতেহার : উন্নয়নের রাজনৈতিক অঙ্গীকার

ড. রাধেশ্যাম সরকার
ড. রাধেশ্যাম সরকার ড. রাধেশ্যাম সরকার , লেখক: কৃষিবিদ, গবেষক।
প্রকাশিত: ০৯:২১ এএম, ১৪ জানুয়ারি ২০২৬

 

বাংলাদেশের অর্থনীতির প্রাণকেন্দ্র আজও কৃষি। স্বাধীনতার পর থেকে উৎপাদন বাড়লেও কৃষকের ভাগ্য যথাযথভাবে উন্নয়ন লাভ করতে পারেনি। দেশের প্রায় ৪০ শতাংশ শ্রমশক্তি প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষিকাজের সঙ্গে যুক্ত এবং জাতীয় জিডিপির প্রায় ১২–১৪ শতাংশ কৃষিখাত থেকে আসে। অথচ কৃষি খাত আজ নানা সংকটে জর্জরিত। আবাদযোগ্য জমি দ্রুত হ্রাস, সার, বীজ ও জ্বালানির দাম বৃদ্ধি, জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত এবং বাজার ব্যবস্থায় মধ্যস্বত্বভোগীর আধিপত্য এসব চ্যালেঞ্জ কৃষিকে টেকসই রাখতে বাধা সৃষ্টি করছে। জাতীয় রাজনীতিতে কৃষকের কণ্ঠ দুর্বল। সংসদে পেশাদার কৃষকের প্রতিনিধিত্ব খুবই কম। ফলে নীতি-নির্ধারণে মাঠের বাস্তব সমস্যা প্রতিফলিত হয় না। কৃষক ন্যায্য মূল্য, ভালো বীজ, সহজ ঋণ, সংরক্ষণ সুবিধা এবং বাজার সুরক্ষা পাওয়ার ক্ষেত্রে এখনও বঞ্চিত। সাম্প্রতিক সময়ে ফসলের মূল্য না পাওয়ায় কৃষকের ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে, যা দেশের খাদ্যনিরাপত্তার জন্য সতর্কবার্তা।

বর্তমান বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা একটি বড় চ্যালেঞ্জ। আমদানিনির্ভর উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে বাংলাদেশের জন্য এটি আরও গুরুতর। ২০২৪–২৫ অর্থবছরে কৃষি খাতের প্রবৃদ্ধি মাত্র ১.৭৯ শতাংশ, যা ২০৩০ সালের মধ্যে খাদ্য ও পুষ্টি নিরাপত্তা অর্জনের জন্য প্রয়োজনীয় ৪ শতাংশের চেয়ে অনেক কম। এই বাস্তবতা প্রমাণ করে যে, কেবল প্রযুক্তি বা উৎপাদন বৃদ্ধির মাধ্যমে নয়, বরং রাজনৈতিক সদিচ্ছা, সুশাসন, নীতি, বাজেট বরাদ্দ এবং প্রশাসনিক স্বচ্ছতার মাধ্যমে কৃষি খাতকে টেকসই ও লাভজনক করা সম্ভব।

কৃষিপণ্যের বাজার ব্যবস্থাও সমস্যার সম্মুখীন। উৎপাদন খরচ বাড়লেও কৃষক ন্যায্য মূল্য পান না; মধ্যস্বত্বভোগী ও ব্যবসায়ীরা মোটা মুনাফা অর্জন করে। কৃষক সংগঠন দুর্বল হওয়ায় কৃষকের দাবি-দাওয়া নীতি ও বাজারে প্রতিফলিত হয় না। এ অবস্থায় কৃষকবান্ধব রাজনৈতিক সংস্কৃতি গড়ে তোলা অপরিহার্য। বিশ্বে অনেক দেশ কৃষিবান্ধব নীতি গ্রহণ করে গ্রামীণ উন্নয়নে সফল হয়েছে। ভিয়েতনামে সরকার ও কৃষক সংগঠন মিলিতভাবে উৎপাদন দ্বিগুণ করেছে, জাপানে খাদ্য নিরাপত্তাকে জাতীয় নিরাপত্তার অংশ হিসেবে গ্রহণ করা হয়েছে, ভারতে কৃষক আন্দোলনের ফলে বিতর্কিত আইন বাতিল হয়েছে।

কৃষি শুধু খাদ্য উৎপাদন নয়, এটি কর্মসংস্থান, জীবিকা, গ্রামীণ সমাজের স্থিতিশীলতা এবং দেশের অর্থনীতির মূল ভিত্তি। কৃষিকাজে নারীর অংশ প্রায় ৪৫ শতাংশ, কিন্তু তাদের অধিকাংশই জমির মালিকানা, ঋণ সুবিধা ও ন্যায্য স্বীকৃতি থেকে বঞ্চিত। একই সঙ্গে দেশের প্রায় ৩৪ শতাংশ তরুণ জনগোষ্ঠী কৃষিকে কম আয়ের ও কঠিন শ্রমসাধ্য পেশা মনে করে। রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি যদি কৃষিকে মর্যাদাপূর্ণ, লাভজনক ও আধুনিক পেশা হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে পারে, তবে তরুণদের আকৃষ্ট করে কৃষিকাজকে আরও টেকসই করা সম্ভব।

বাংলাদেশ আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনি প্রেক্ষাপটে, রাজনৈতিক দলগুলোর ইশতেহার কৃষিখাতকে সর্বাধিক অগ্রাধিকার দেওয়া আবশ্যক। ক্ষমতায় এলে তা বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে হবে। নীতিনির্ধারণে বাস্তবসম্মত পদক্ষেপ গ্রহণ করা ছাড়া কৃষি খাতকে টেকসই করা সম্ভব নয়। তাই একটি সুষ্ঠু, সুসংগঠিত ও টেকসই কৃষিবান্ধব নীতি গ্রহণ করতে হবে, যা হবে প্রযুক্তিনির্ভর, লাভজনক, সম্মানজনক এবং কৃষকের জন্য নিরপেক্ষ। কৃষি বিশেষজ্ঞদের মতে, নির্বাচনি ইশতেহারে কৃষিবান্ধব প্রস্তাবনা অন্তর্ভুক্ত করা এবং তা ম্যানিফেস্টোতে রাজনৈতিক অঙ্গীকার হিসেবে রাখা অত্যন্ত জরুরি।

প্রথমত, কৃষি বাজেট বৃদ্ধি: বাংলাদেশের প্রায় ৪০ শতাংশ শ্রমশক্তি কৃষিখাতে কাজ করে, কিন্তু কৃষি খাতের বাজেট বরাদ্দ ক্রমশ হ্রাস পাচ্ছে। ২০০৮–০৯ সালে কৃষিখাতে বাজেট বরাদ্দ ছিল ৭ শতাংশ, যা ২০২৪–২৫ অর্থবছরে নামিয়ে আনা হয়েছে মাত্র ৫.৯৪ শতাংশে। কৃষিখাতের অগ্রগতির জন্য এটি যথেষ্ট নয়। তাই নির্বাচনি ইশতেহারে জাতীয় বাজেটের অন্তত ৮–১০ শতাংশ কৃষিখাতে বরাদ্দ এবং এর কমপক্ষে ২০ শতাংশ গবেষণা, উদ্ভাবন, প্রযুক্তি ও শিক্ষায় বিনিয়োগ করার অঙ্গীকার থাকা উচিত। এর ফলে আধুনিক সেচ, উন্নত বীজ, কৃষি যন্ত্রপাতি, ড্রোন ও ডেটা অ্যানালিটিক্সের মতো প্রযুক্তি মাঠে সহজলভ্য হবে, যা কৃষকের উৎপাদনশীলতা ২০–৩০ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি করতে সাহায্য করবে।

কৃষক শুধু খাদ্য উৎপাদনকারী নয়, তিনি দেশের অর্থনীতি, সংস্কৃতি এবং গ্রামীণ সমাজের স্থিতিশীলতার রক্ষক। রাজনীতি যদি কৃষিকে অবহেলা করে, তবে উন্নয়ন কেবল নথিপত্রে সীমাবদ্ধ থেকে যাবে। আসন্ন নির্বাচনে রাজনৈতিক দলগুলোর ইশতেহারে কৃষিখাতকে সর্বাধিক অগ্রাধিকার, ন্যায্য মূল্য, সহজ ঋণ, বাজার ও সংরক্ষণ সুবিধা, নারী ও যুবকের অধিকার এবং জমি সংরক্ষণের প্রতিশ্রুতি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে। এর মাধ্যমে কৃষক হবে উন্নয়নের কেন্দ্রবিন্দু, কৃষি হবে আধুনিক, লাভজনক ও সম্মানজনক পেশা, এবং দেশের খাদ্যনিরাপত্তা ও টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত হবে।

দ্বিতীয়ত, ন্যায্য মূল্য ও বাজার সুরক্ষা: কৃষি উৎপাদনের খরচ দিনদিন বাড়ছে। সার, বীজ, জ্বালানি ও কীটনাশকের দাম বৃদ্ধির ফলে কৃষকের উৎপাদন খরচ ৩০–৪০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। কিন্তু বাজারে ন্যায্য মূল্য না পাওয়ায় কৃষক ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। তাই নির্বাচনি ইশতেহারে ফসলের ন্যূনতম ক্রয়মূল্য আইন প্রণয়ন, মধ্যস্বত্বভোগী ও দালালের প্রভাব সীমিত করা, এবং কৃষককে সরাসরি বাজারে পৌঁছানোর সুযোগ ও মূল্য সহায়তা প্রদানের প্রতিশ্রুতি থাকতে হবে। আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা দেখায়, যেখানে ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত করা হয়েছে, সেখানে কৃষকের আয় কমপক্ষে ২০–২৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।

তৃতীয়ত, কৃষকের সুরক্ষা ও পরিচয়: কৃষকরা প্রায়শই ভর্তুকি, ঋণ এবং বিমা সুবিধা থেকে বঞ্চিত হন। এজন্য প্রত্যেক কৃষকের জন্য নিবন্ধন ও সুরক্ষা কার্ড চালু, সহজ ঋণ, বিমা, ভর্তুকি ও অন্যান্য সুবিধা স্বচ্ছভাবে প্রদান, এবং রাজনৈতিক বা দলীয় সমর্থন নির্বিশেষে কৃষকের অধিকার নিশ্চিত করা অঙ্গীকারে থাকতে হবে। এই ব্যবস্থায় কৃষক রাষ্ট্রের সুরক্ষিত নাগরিক হিসেবে স্বীকৃতি পাবেন এবং ঝুঁকি-সহনশীল উৎপাদন আরও বাড়বে।

চতুর্থত, সংরক্ষণ ও বিপণন ব্যবস্থার উন্নয়ন: বর্তমান কৃষিপণ্যের বিপণন ব্যবস্থায় হিমাগার, আধুনিক পরিবহন ও ন্যায্য বাজারকেন্দ্রের অভাব রয়েছে। ফলশ্রুতিতে ফসল নষ্ট হচ্ছে এবং কৃষকের আয় কমছে। তাই নির্বাচনি ইশতেহারে হিমাগার, আধুনিক পরিবহন ব্যবস্থা এবং ন্যায্য মূল্যের জন্য সমবয় বাজার স্থাপন ও ফসল নষ্ট ও মূল্য পতন প্রতিরোধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের প্রতিশ্রুতি থাকা উচিত। বিশ্বব্যাপী প্রমাণিত হয়েছে, যেখানে সংরক্ষণ ও বাজার ব্যবস্থায় বিনিয়োগ করা হয়েছে, কৃষকের আয় ২০–২৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।

পঞ্চমত, কৃষিতে শিক্ষা ও প্রযুক্তিতে বিনিয়োগ: দেশে প্রায় ৩৪ শতাংশ তরুণ জনগোষ্ঠী কৃষিকাজে আগ্রহী নয়। তাই কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, প্রযুক্তি ইনস্টিটিউট ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে আধুনিক কোর্স চালু, যেমন ড্রোন ব্যবহার, ডেটা অ্যানালিটিক্স, অর্গানিক চাষ এবং জলবায়ু-সংশ্লিষ্ট প্রযুক্তি শিক্ষা। পাশাপাশি তরুণদের কৃষিকাজে আকৃষ্ট করার জন্য এটি মর্যাদাপূর্ণ ও সৃজনশীল পেশা হিসেবে প্রচার করা জরুরি। এর ফলে যুবক ও শিক্ষিত সমাজ কৃষিকাজে ফিরে আসবে, যা কৃষি উৎপাদন ও উদ্ভাবনকে আরও টেকসই করবে।

ষষ্ঠত, জমি সংরক্ষণ ও আইন-শৃঙ্খলা: প্রায় ১৬ কোটি মানুষের জন্য চাষযোগ্য জমি মাত্র ৮০ লাখ হেক্টর, যার এক চতুর্থাংশ হুমকির মুখে। প্রতিদিন গড়ে ৭০০ একর জমি হারাচ্ছে নগরায়ণ, শিল্পায়ন ও রাস্তা নির্মাণের কারণে। তাই নির্বাচনি ইশতেহারে অবৈধ দখল ও জমি জালিয়াতির বিরুদ্ধে দ্রুত বিচার ও জরিমানা, “কৃষি-ল্যান্ড সুরক্ষা আইন” প্রণয়ন এবং ল্যান্ড-ব্যাংক গড়ে আবাদযোগ্য জমি পুনরুদ্ধার, এবং নারী কৃষকের জন্য জমির মালিকানা ও ঋণ সুবিধা নিশ্চিত করার অঙ্গীকার থাকতে হবে। এটি কৃষি সংরক্ষণ ও ন্যায্য বিতরণের ক্ষেত্রে বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ।

সপ্তমত, কৃষক সংগঠন শক্তিশালীকরণ: কৃষক সংগঠন দুর্বল হলে তাদের দাবি-দাওয়া নীতি ও বাজারে প্রতিফলিত হয় না। তাই নির্বাচনি ইশতেহারে স্থানীয় সরকার থেকে সংসদ পর্যায় পর্যন্ত কৃষকের কণ্ঠ সক্রিয় করা, কৃষি গবেষক, প্রযুক্তিবিদ ও কৃষক সংগঠনকে নীতিনির্ধারণে অন্তর্ভুক্ত করা, এবং নীতি বাস্তবসম্মত ও মাঠভিত্তিক করা নিশ্চিত করার অঙ্গীকার থাকা আবশ্যক।

অষ্টমত, সততা ও রাজনৈতিক অঙ্গীকার: কৃষি খাতকে অবহেলা করলে রাজনীতি দীর্ঘমেয়াদি টেকসই হতে পারে না। তাই নির্বাচনি ইশতেহারে কৃষিবান্ধব অঙ্গীকার স্পষ্টভাবে অন্তর্ভুক্ত করা, ক্ষমতায় এলে প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন নিশ্চিত করা, এবং কৃষিকে শুধু ভোট ব্যাংক হিসেবে নয়, দেশের টেকসই উন্নয়নের মূল চালিকাশক্তি হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হবে।

নবমত, খাদ্য নিরাপত্তা ও রাজনৈতিক–প্রশাসনিক সক্ষমতা: বাজারে খাদ্য থাকা সত্ত্বেও অনেক সময় রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক সীমাবদ্ধতার কারণে তা প্রত্যেক নাগরিকের কাছে পৌঁছায় না। শুধু উৎপাদন বাড়ানো বা প্রযুক্তিনির্ভর বিতরণ ব্যবস্থা চালু করলেই খাদ্য সমস্যার সমাধান হয় না। কারণ খাদ্য সংকটের শিকড় অনেক গভীরে, যেখানে নীতি, প্রশাসন ও ক্ষমতার কাঠামোগত সীমাবদ্ধতাগুলো বড় ভূমিকা রাখে। খাদ্য নিরাপত্তা চারটি স্তম্ভের উপর নির্ভর করে খাদ্যের লভ্যতা (availability), খাদ্যে প্রবেশগম্যতা (access), খাদ্যের ব্যবহারযোগ্যতা (utilization) এবং সময়ের ধারাবাহিকতায় স্থিতিশীলতা (stability)। তবে এই স্তম্ভগুলো কার্যকর করার জন্য রাজনৈতিক সদিচ্ছা এবং প্রশাসনিক দক্ষতা অপরিহার্য। তাই নির্বাচনি ইশতেহারে খাদ্য নিরাপত্তার নিশ্চিতকরণে রাজনৈতিক অঙ্গীকার, স্বচ্ছ প্রশাসন এবং দুর্নীতিমুক্ত কার্যক্রম প্রতিশ্রুতির মধ্যে রাখা উচিত, যাতে প্রতিটি মানুষ প্রয়োজন অনুযায়ী নিরাপদ ও পুষ্টিকর খাদ্য পেতে সক্ষম হয়। এটি কেবল কৃষি উৎপাদন নয়, দেশের সামাজিক ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতারও ভিত্তি।

কৃষক শুধু খাদ্য উৎপাদনকারী নয়, তিনি দেশের অর্থনীতি, সংস্কৃতি এবং গ্রামীণ সমাজের স্থিতিশীলতার রক্ষক। রাজনীতি যদি কৃষিকে অবহেলা করে, তবে উন্নয়ন কেবল নথিপত্রে সীমাবদ্ধ থেকে যাবে। আসন্ন নির্বাচনে রাজনৈতিক দলগুলোর ইশতেহারে কৃষিখাতকে সর্বাধিক অগ্রাধিকার, ন্যায্য মূল্য, সহজ ঋণ, বাজার ও সংরক্ষণ সুবিধা, নারী ও যুবকের অধিকার এবং জমি সংরক্ষণের প্রতিশ্রুতি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে। এর মাধ্যমে কৃষক হবে উন্নয়নের কেন্দ্রবিন্দু, কৃষি হবে আধুনিক, লাভজনক ও সম্মানজনক পেশা, এবং দেশের খাদ্যনিরাপত্তা ও টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত হবে।

লেখক: সিনিয়র কৃষিবিদ, কলামিস্ট ও চেয়ারম্যান, ডিআরপি ফাউন্ডেশন।
[email protected]

এইচআর/এমএস

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।