বিপদে আমি না যেন করি ভয়

প্রভাষ আমিন
প্রভাষ আমিন প্রভাষ আমিন , হেড অব নিউজ, এটিএননিউজ
প্রকাশিত: ১০:১৪ এএম, ২৩ মে ২০২২

শঙ্কাটা ছিল করোনার সময়। করোনার আক্রমণে গোটা বিশ্ব যখন থমকে দাঁড়ায়, তখন স্থবিরতা নেমে এসেছিল অর্থনীতিতেও। স্থবির না হয়ে অবশ্য উপায় ছিল না। মাসের পর মাস বিশ্বের অধিকাংশ দেশ লকডাউনে ছিল। ফলে বন্ধ ছিল সবকিছুই। স্বাস্থ্যখাতে, টিকা উৎপাদন ও বিতরণে বিপুল ব্যয় হয়েছে।

আশঙ্কা করা হচ্ছিল, করোনার এই স্থবিরতা বিশ্বকে বড় ধরনের অর্থনৈতিক মন্দার দিকে নিয়ে যাবে। তবে যতটা আশঙ্কা করা হয়েছিল, বিশ্ব অর্থনীতি করোনার ধাক্কা সামলে উঠেছে তারচেয়েও দ্রুতগতিতে। এখনও করোনার প্রভাব থেকে বিশ্ব অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়ানোর লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে।

গোটা বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে বাংলাদেশও করোনার প্রভাব থেকে অর্থনীতিকে পুনরুদ্ধারের লড়াইয়ে এগিয়ে আছে ভালোভাবেই। বরং করোনা মোকাবেলায় বাংলাদেশের দূরদর্শিতা প্রশংসিত হয়েছে আন্তর্জাতিক মহলেও।

দুর্ভাগ্যজনক হলেও সত্যি, বিশ্ব এখন আরো বড় অর্থনৈতিক সঙ্কটের মুখে দাঁড়িয়ে আছে। দুঃখটা হলো, প্রকৃতি সৃষ্ট দুর্যোগ আমরা সাফল্যের সঙ্গে সামাল দিতে পারলেও মানুষের লাগানো যুদ্ধ আমরা থামাতে পারছি না। আর রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের প্রভাবে বিশ্ব অর্থনীতি এখন ভয়ঙ্কর এক সময়ের সামনে দাঁড়িয়ে আছে।

কে আগে আক্রমণ করেছে, কার দোষ বেশি ইত্যাদি নিয়ে অনেক বিশ্লেষণ হয়েছে। কিন্তু বাস্তবতা হলো, তিনমাস ধরে বিশ্ব একটি যুদ্ধ পরিস্থিতি মোকাবেলা করছে। ঠুঁটো জগন্নাথ জাতিসংঘ যুদ্ধ বন্ধে কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নিতে পারেনি।

গোটা বিশ্ব এখন এমনভাবে সংযুক্ত বিশ্বের যে প্রান্তেই যুদ্ধ বা অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি হোক, কোনো না কোনো মাত্রায় তার প্রভাব পড়ে বিশ্বের সব প্রান্তে। সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়ে একদম প্রান্তে থাকা গরিব মানুষগুলো। যেমন ধরুন, যুদ্ধ হচ্ছে বাংলাদেশ থেকে কয়েক হাজার মাইল দূরে, কিন্তু সেই বাংলাদেশও এক কঠিন সঙ্কটের সামনে দাঁড়িয়ে আছে।

রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের প্রভাব যুদ্ধক্ষেত্রে যতটা পড়েছে, অন্যান্য ক্ষেত্রে তারচেয়ে কম পড়েনি। বিশেষ করে বাজারে প্রভাব পড়েছে সবচেয়ে বেশি। জ্বালানি তেল, ভোজ্য তেল, খাদ্যপণ্যের সরবরাহ ব্যবস্থায় যে লণ্ডভণ্ড পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে, সাম্প্রতিক ইতিহাসে তার কোনো নজির নেই। সব দেশই নিজ নিজ ঘর সামলাতে ব্যস্ত। তাই টান পড়েছে সরবরাহে। ফলে নিত্যপণ্যের দাম বাড়ছে লাফিয়ে লাফিয়ে।

বাংলাদেশে নিত্যপণ্যের দাম বাড়ে কারণে ও অকারণে। মজুদদারদের দৌরাত্ম্য, ব্যবসায়ীদের অস্বাভাবিক লাভের লোভের কারণেও জিনিসপত্রের দাম বেড়েছে অতীতে। এ ক্ষেত্রে সরকারের ব্যর্থতা, অব্যবস্থাপনাও অনেকাংশে দায়ী। তবে বর্তমানে বাজারে যে অস্থিরতা, তারজন্য সরকারের দায় যতটা, অসহায়ত্ব তারচেয়ে বেশি।

আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি এসন আমাদের এমন জায়গায় নিয়ে যাচ্ছে, সরকারের ব্যর্থতার ওপর দায় চাপিয়ে পার পাওয়া যাবে না। বাংলাদেশের অর্থনীতিবিদরাও ভবিষ্যতে আরো বড় সঙ্কটের আশঙ্কা করছেন। জাতিসংঘ মহাসচিবও খাদ্যসঙ্কটের আশঙ্কা করছেন। এ অবস্থা থেকে উত্তরণ এবং মোকাবেলায় আমাদের সবাইকে, মানে বিশ্বের সবাইকে কৌশলী হতে হবে।

ব্যাপারটা এমন নয় যে, বাংলাদেশই শুধু সঙ্কটে পড়েছে, আমরাই বুঝছি, আর কেউ বুঝছে না। সঙ্কট মোকাবেলায় নানামুখি চেষ্টা চলছে। জাতিসংঘ মহাসচিবের আমন্ত্রণে গত শুক্রবার রাতে খাদ্য, জ্বালানি ও অর্থসংক্রান্ত ‘গ্লোবাল ক্রাইসিস রেসপন্স গ্রুপের (জিসিআরজি)’ প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৈঠকে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সঙ্কট মোকাবেলায় নানা প্রস্তাব দিয়েছেন। মোদ্দা কথাটা শেখ হাসিনা বলে দিয়েছেন সহজ করে, ‘আমাদের অবশ্যই বিশ্বব্যাপী সংহতি জোরদার করতে হবে এবং একটি সুসমন্বিত প্রতিক্রিয়া গ্রহণ করতে হবে।’

আরেকটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাব দিয়েছেন শেখ হাসিনা, ‘বৈশ্বিক লজিস্টিক এবং সরবরাহ শৃঙ্খল ব্যবস্থায় ব্যাঘাত তাৎক্ষণিকভাবে মোকাবেলা করতে হবে। বৈশ্বিক সংহতি জোরদার করা ছাড়া আসলে এই সঙ্কট উত্তরণের কোনো সুযোগ নেই। অপ্রয়োজনে যাতে কেউ নিত্যপণ্য রপ্তানি বন্ধ করতে না পারে বা যাতে কেউ অতিরিক্ত আমদানি করে স্টক করতে না পারে; সেদিকে নজর দিতে হবে।

মুক্তবাজার অর্থনীতির দোহাই দিয়ে যাতে বৈশ্বিক বৈষম্য আরো বাড়ানো না হয়। করোনার টিকার জন্য গড়ে তোলা কোভ্যাক্সের মত জাতিসংঘের নেতৃত্বে একটি ভার্চুয়াল খাদ্যব্যাংক গড়ে তোলা যেতে পারে। জাতিসংঘ মহাসচিব যে খাদ্যসঙ্কটের আশঙ্কা করছেন, তা থেকে বিশ্বের গরীব মানুষকে বাঁচাতে এর কোনো বিকল্প নেই। এই ব্যাংক খুঁজে দেখবে, কোথায় খাদ্যের সঙ্কট আছে, আর কোথায় অতিরিক্ত খাদ্য আছে।

রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের সরাসরি প্রভাব যেমন আছে, শ্রীলঙ্কা-পাকিস্তান সঙ্কটের মনস্তাত্ত্বিক প্রভাবও পড়েছে বাংলাদেশের অর্থনীতিতে। সবকিছুর দাম বাড়লেও শেয়ারবাজারে দাম শুধু কমছে। কোনো সরাসরি প্রভাব না থাকলেও বাংলাদেশের শেয়ারবাজারে যেন আতঙ্ক ভর করেছে। কিছু আতঙ্ক আছে আমাদের বানানো। ডলারের সঙ্কট আর মুদ্রাস্ফীতির প্রভাব মোকাবেলায় নানামুখী উদ্যোগও নিচ্ছে সরকার।

এরইমধ্যে সরকারি কর্মচারিদের বিদেশ যাওয়া বন্ধ করা হয়েছে। অপ্রয়োজনীয় প্রকল্প গ্রহণে সতর্ক হচ্ছে সরকার। গত সপ্তাহে একটি অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী সবাইকে মিতব্যয়ী হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। কিন্তু সমস্যা হলো, আমরা কারো পরামর্শ শুনতে চাই না। সাবেক বাণিজ্যমন্ত্রী যখন দ্রব্যমূল্য বেড়ে যাওয়ায় কম খাওয়ার পরামর্শ দিয়েছিলেন, আরো অনেকের মত আমিও ফারুক খানকে ব্যঙ্গ করে ‘কম খান’ বলেছি।

গত রমজানে শেখ হাসিনা যখন ইফতার সামগ্রীতে উচ্চমূল্যের বেগুনের বদলে মিষ্টি কুমড়া ব্যবহারের পরামর্শ দিয়েছিলেন, তখনও আমরা সর্বোচ্চ সৃজনশীলতা প্রয়োগ করে ট্রল করেছি। প্রধানমন্ত্রীর মিতব্যয়ী হওয়ার পরামর্শ নিয়েও আমাদের মাথাব্যথার কমতি নেই। স্বাভাবিক সময়ে নিত্যপণ্যের মূল্য নিয়ন্ত্রণ করতে না পারলে আমিও সরকারের সমালোচনা করি। কিন্তু এখন পরিস্থিতি সত্যি ভিন্ন।

এখন আর শুধু সরকারের ব্যর্থতার সমালোচনা করে পেট ভরবে না। আমরা আন্দোলন করে সরকার বদলে ফেলতে পারবো, কিন্তু পরিস্থিতি বদলাতে পারবো না। কারণ পরিস্থিতির ওপর বর্তমান সরকারের নিয়ন্ত্রণ নেই। নিত্যপণ্যের দাম বাড়ছে, আরো বাড়তে পারে। তাই এই মুহূর্তে শুধু আমাদের নয়, গোটা বিশ্বকেই মিতব্যয়ী হতে হবে।

বাংলাদেশের অর্থনীতি এখন শক্ত ভিতের ওপর দাঁড়ানো। কিন্তু আমদানি-রপ্তানির হিসেবে ডলারের রিজার্ভে টান পড়ছে। এখনও রপ্তানি বাড়ছে, রেমিট্যান্সও আসছে। তাই এক্ষুণি কোনো সঙ্কটের আশঙ্কা নেই। কিন্তু ডলারের দাম বেড়ে যাওয়ায় আমদানি পণ্যের দাম বেড়ে যাচ্ছে। তাই নিত্যপণ্যে শুল্ক কমিয়ে বিলাস পণ্যে শুল্ক বাড়াতে হবে। শুল্ক পণ্য আমদানি নিরুৎসাহিত করতে হবে, প্রয়োজনে অতি বিলাসপণ্য আমদানি বন্ধ করে দিতে হবে।

করোনার সময় যেমন আমরা নাক ভাসিয়ে মৌলিক চাহিদা মিটিয়ে বেঁচে থাকতে শিখেছি, সেই শিক্ষাটা আবার প্রয়োগ করতে হবে। আমার অর্থ আছে, আমি যা ইচ্ছা তাই করতে পারবো; এই ভাবনা থেকে বেরিয়ে সামগ্রিকভাবে ভাবতে হবে। সঙ্কটে ভয় পেলে চলবে না, মোকাবেলা করতে হবে সাহসের সাথে। বেঁচে থাকতে হবে সবাইকে নিয়ে।
২২ মে, ২০২২

লেখক: বার্তাপ্রধান, এটিএন নিউজ।

এইচআর/জিকেএস

স্বাভাবিক সময়ে নিত্যপণ্যের মূল্য নিয়ন্ত্রণ করতে না পারলে আমিও সরকারের সমালোচনা করি। কিন্তু এখন পরিস্থিতি সত্যি ভিন্ন। এখন আর শুধু সরকারের ব্যর্থতার সমালোচনা করে পেট ভরবে না। আমরা আন্দোলন করে সরকার বদলে ফেলতে পারবো, কিন্তু পরিস্থিতি বদলাতে পারবো না। কারণ পরিস্থিতির ওপর বর্তমান সরকারের নিয়ন্ত্রণ নেই। নিত্যপণ্যের দাম বাড়ছে, আরো বাড়তে পারে। তাই এই মুহূর্তে শুধু আমাদের নয়, গোটা বিশ্বকেই মিতব্যয়ী হতে হবে।

করোনা ভাইরাস - লাইভ আপডেট

৫৪,৮২,৯২,১২৭
আক্রান্ত

৬৩,৪৯,৬২১
মৃত

৫২,৩২,৮৫,৬০২
সুস্থ

# দেশ আক্রান্ত মৃত সুস্থ
বাংলাদেশ ১৯,৬২,২১৩ ২৯,১৩৫ ১৯,০৬,৪১৭
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ৮,৮৭,০৮,৭০৩ ১০,৪০,৬৪১ ৮,৪৩,৫২,৫০৬
ভারত ৪,৩৩,৮১,০৬৪ ৫,২৪,৯৭৪ ৪,২৭,৬১,৪৮১
ব্রাজিল ৩,২০,৩০,৭২৯ ৬,৭০,২৮২ ৩,০৫,৬৬,০৮৮
ফ্রান্স ৩,০৫,১৩,৭১৩ ১,৪৯,৩১৭ ২,৯৪,৭১,৭৯৬
জার্মানি ২,৭৬,৮১,৭৭৫ ১,৪০,৬৫০ ২,৬৩,৮৫,৬০০
যুক্তরাজ্য ২,২৫,৯২,৮২৭ ১,৭৯,৯২৭ ২,২১,০৯,০৫৭
রাশিয়া ১,৮৪,১২,৮০৫ ৩,৮০,৭৭৬ ১,৭৮,৩৯,৩৪৬
স্পেন ১,৮৩,৪৮,০২৯ ১,৫৯,৬০৫ ১,২১,৬১,৯৭৮
১০ দক্ষিণ কোরিয়া ১,৮৩,১৯,৭৭৩ ২৪,৫১৬ ১,৮১,৫০,৩৮২
১১ ইতালি ১,৮১,২৮,০৪৪ ১,৬৮,০১৮ ১,৭২,৮১,৮৪৮
১২ তুরস্ক ১,৫০,৮৫,৭৪২ ৯৮,৯৯৬ ১,৪৯,৮৬,৩৪০
১৩ ভিয়েতনাম ১,০৭,৪২,২৩৪ ৪৩,০৮৪ ৯৬,৩৭,২৭৫
১৪ আর্জেন্টিনা ৯৩,৪১,৪৯২ ১,২৯,০১৬ ৯১,২৭,৯০৬
১৫ জাপান ৯২,২৩,৯৪৪ ৩১,১০৭ ৯০,৫১,৮২৫
১৬ নেদারল্যান্ডস ৮১,৫২,৭৭৮ ২২,৩৫৪ ৮০,৫৭,৬৮২
১৭ অস্ট্রেলিয়া ৭৯,৭৮,৭০১ ৯,৬৫৬ ৭৭,২০,৫৯৯
১৮ ইরান ৭২,৩৫,৯২৮ ১,৪১,৩৭৯ ৭০,৬১,৩৫২
১৯ কলম্বিয়া ৬১,৫১,৩৫৪ ১,৩৯,৯৭০ ৫৯,৬৫,০৮৩
২০ ইন্দোনেশিয়া ৬০,৭৬,৮৯৪ ১,৫৬,৭১১ ৫৯,০৬,৯৬৯
২১ পোল্যান্ড ৬০,১২,৬৩৫ ১,১৬,৪১২ ৫৩,৩৫,৬৩৮
২২ মেক্সিকো ৫৯,৪০,৫১৮ ৩,২৫,৫৫৩ ৫১,৪৪,৭৩৬
২৩ পর্তুগাল ৫১,২০,৯৭০ ২৪,০১৩ ৪৬,০২,৭৫৪
২৪ ইউক্রেন ৫০,১৫,৯৯৪ ১,০৮,৬২২ ৪৯,০৫,৭৪৪
২৫ মালয়েশিয়া ৪৫,৪৯,৮৪৭ ৩৫,৭৪২ ৪৪,৮৬,৭৮৭
২৬ থাইল্যান্ড ৪৫,১১,৭৭৭ ৩০,৫৭৮ ৪৪,৫৮,৪১৬
২৭ অস্ট্রিয়া ৪৩,৭০,৮৫২ ১৮,৭৫৭ ৪২,৭১,২৭৭
২৮ ইসরায়েল ৪২,৮৬,১৩২ ১০,৯২১ ৪২,১৪,৮১৫
২৯ বেলজিয়াম ৪২,১১,৫১১ ৩১,৮৮৩ ৪১,১৪,৪২০
৩০ দক্ষিণ আফ্রিকা ৩৯,৯১,০০৩ ১,০১,৭১৭ ৩৮,৭৬,০৮২
৩১ চিলি ৩৯,৩৫,৩৭৫ ৫৮,৩৪৬ ৩৫,৯৮,৮৫৩
৩২ চেক প্রজাতন্ত্র ৩৯,২৮,৭৯৭ ৪০,৩১৩ ৩৮,৮৪,৯৬৯
৩৩ কানাডা ৩৯,২৬,৬১৩ ৪১,৮৬৫ ৩৫,৫৬,৩৭১
৩৪ সুইজারল্যান্ড ৩৭,০৮,৮৯১ ১৩,৯৭৯ ৩৬,৩৮,৩৬৩
৩৫ ফিলিপাইন ৩৬,৯৯,২৫১ ৬০,৫০৭ ৩৬,৩২,৬৭৬
৩৬ পেরু ৩৬,১১,১২৩ ২,১৩,৪৪৩ ৩৩,৭৬,৩৩৯
৩৭ গ্রীস ৩৫,৯৫,৪৯৮ ৩০,১৫৪ ৩৪,৭০,৩৪৮
৩৮ তাইওয়ান ৩৫,৭৩,৭০৩ ৬,১২০ ২৩,৯৮,৮৮৯
৩৯ ডেনমার্ক ৩০,০৫,৭০৭ ৬,৪৩৮ ২৯,৮৪,০৪২
৪০ রোমানিয়া ২৯,১৫,৪৮৭ ৬৫,৭২৬ ২৮,৪৬,১৫১
৪১ সুইডেন ২৫,১৫,৭৬৯ ১৯,০৬০ ২৪,৮৯,১৬০
৪২ ইরাক ২৩,৩৬,৭৬৪ ২৫,২২৯ ২৩,০৫,৫১৮
৪৩ সার্বিয়া ২০,২৫,০৪২ ১৬,১২০ ২০,০২,৭৭১
৪৪ হাঙ্গেরি ১৯,২৫,০৮৩ ৪৬,৬২৬ ১৮,৬৯,২৪৪
৪৫ স্লোভাকিয়া ১৭,৯৩,৬৮৮ ২০,১৪২ ১৭,৭০,৮১৭
৪৬ জর্ডান ১৬,৯৭,২৭১ ১৪,০৬৮ ১৬,৮২,৯৬২
৪৭ জর্জিয়া ১৬,৫৯,৩৭১ ১৬,৮৩৯ ১৬,৩৭,২৯৩
৪৮ আয়ারল্যান্ড ১৫,৮৭,৩৮৫ ৭,৪৩৭ ১৫,৫১,৯৪১
৪৯ পাকিস্তান ১৫,৩৩,৪৮২ ৩০,৪৩৬ ১৪,৯৮,৮৬৫
৫০ নরওয়ে ১৪,৪৩,৬৩৭ ৩,২৮০ ১৪,৩২,২৩২
৫১ সিঙ্গাপুর ১৩,৯৭,০৭৪ ১,৪০৮ ১৩,০৫,৮৪৯
৫২ কাজাখস্তান ১৩,০৬,১১০ ১৩,৬৬৩ ১২,৯২,২৩১
৫৩ নিউজিল্যান্ড ১৩,০৩,৭৭৯ ১,৪০৪ ১২,৬৮,৬৪৫
৫৪ হংকং ১২,৩৪,১৬৬ ৯,৩৯৮ ১২,০০,২৯০
৫৫ মরক্কো ১১,৯৯,২২৬ ১৬,০৯৭ ১১,৬৫,৯৬৭
৫৬ বুলগেরিয়া ১১,৬৯,৭২৮ ৩৭,২৪৬ ১০,৭১,২৯৯
৫৭ ক্রোয়েশিয়া ১১,৪৩,৯৬৬ ১৬,০৪৭ ১১,২৫,০০৯
৫৮ ফিনল্যাণ্ড ১১,৩৩,৫৯৭ ৪,৮৩২ ৪৬,০০০
৫৯ লেবানন ১১,০৬,৭৬৬ ১০,৪৫৮ ১০,৮৭,৫৮৭
৬০ কিউবা ১১,০৫,৮৭৫ ৮,৫২৯ ১০,৯৭,১৮৩
৬১ লিথুনিয়া ১০,৬৬,৩৮৬ ৯,১৬৫ ১০,৩৮,৩০০
৬২ তিউনিশিয়া ১০,৪৬,৭০৩ ২৮,৬৭০ ৯,৮৩,৬৩০
৬৩ স্লোভেনিয়া ১০,৩৪,১৭২ ৬,৬৪৮ ১০,২১,১৯৪
৬৪ বেলারুশ ৯,৮২,৮৬৭ ৬,৯৭৮ ৯,৩১,১৫০
৬৫ নেপাল ৯,৭৯,৪৮৯ ১১,৯৫২ ৯,৬৭,৩৫৬
৬৬ উরুগুয়ে ৯,৫১,৯৪৮ ৭,৩১২ ৯,২৮,৩৭৩
৬৭ সংযুক্ত আরব আমিরাত ৯,৩৫,৩৪৫ ২,৩১০ ৯,১৫,৮৫৭
৬৮ মঙ্গোলিয়া ৯,২৬,২৮২ ২,১৭৯ ৩,১৩,২৫৬
৬৯ বলিভিয়া ৯,১৯,৭৩৭ ২১,৯৫২ ৮,৮০,৫৬১
৭০ পানামা ৯,১২,৩৪৮ ৮,৩৪০ ৮,৮৭,৯১৩
৭১ কোস্টারিকা ৯,০৪,৯৩৪ ৮,৫২৫ ৮,৬০,৭১১
৭২ ইকুয়েডর ৮,৯৮,৬৬৭ ৩৫,৬৯৫ ৪,৪৩,৮৮০
৭৩ গুয়াতেমালা ৮,৯৩,০৭১ ১৮,৪৬৯ ৮,৫১,০৩৭
৭৪ লাটভিয়া ৮,৩২,৮৮৪ ৬,০০৮ ৮,২৪,০১৫
৭৫ আজারবাইজান ৭,৯৩,১০৬ ৯,৭১৭ ৭,৮৩,২৪০
৭৬ সৌদি আরব ৭,৯০,২২৩ ৯,১৯৮ ৭,৭১,০৮১
৭৭ শ্রীলংকা ৬,৬৪,০৫২ ১৬,৫২১ ৬,৪৭,০১১
৭৮ প্যারাগুয়ে ৬,৫৫,৫৩২ ১৮,৯৬৩ ৬,২৪,৬৭৩
৭৯ কুয়েত ৬,৪১,৬৭৮ ২,৫৫৫ ৬,৩৪,৫০৮
৮০ বাহরাইন ৬,১৫,১২৫ ১,৪৯৮ ৫,৯৯,৬৭৬
৮১ মায়ানমার ৬,১৩,৫৩৮ ১৯,৪৩৪ ৫,৯২,৫২৪
৮২ ডোমিনিকান আইল্যান্ড ৬,০০,৪১০ ৪,৩৮৩ ৫,৯২,৩২৩
৮৩ ফিলিস্তিন ৫,৮৩,২৯৩ ৫,৩৫৬ ৫,৭৭,৫২৭
৮৪ এস্তোনিয়া ৫,৭৯,৩১৬ ২,৫৮৮ ৫,২১,৭৫৯
৮৫ ভেনেজুয়েলা ৫,২৫,৫৩৯ ৫,৭২৬ ৫,১৮,০২৯
৮৬ মলদোভা ৫,১৯,৭৪১ ১১,৫৬৩ ৫,০৪,১৪২
৮৭ মিসর ৫,১৫,৬৪৫ ২৪,৬১৩ ৪,৪২,১৮২
৮৮ লিবিয়া ৫,০২,১১০ ৬,৪৩০ ৪,৯০,৯৭৩
৮৯ সাইপ্রাস ৪,৯৭,৪৫৪ ১,০৭০ ১,২৪,৩৭০
৯০ ইথিওপিয়া ৪,৮৬,৮৩১ ৭,৫২৭ ৪,৫৯,২৬৯
৯১ হন্ডুরাস ৪,২৬,৪৯০ ১০,৯০৪ ১,৩২,৪৪৪
৯২ আর্মেনিয়া ৪,২৩,১০৪ ৮,৬২৯ ৪,১২,৬৬১
৯৩ রিইউনিয়ন ৪,২১,২৬৯ ৮০৭ ৪,১৮,৫৭২
৯৪ ওমান ৩,৯০,২৪৪ ৪,২৬০ ৩,৮৪,৬৬৯
৯৫ কাতার ৩,৭৮,৮১৮ ৬৭৮ ৩,৭৩,৩৩৯
৯৬ বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা ৩,৭৮,৪১৩ ১৫,৭৯৯ ১৫,৮১,১৬৪
৯৭ কেনিয়া ৩,৩১,৫৩৯ ৫,৬৫১ ৩,২১,৭৭৪
৯৮ জাম্বিয়া ৩,২৫,১১০ ৪,০০৩ ৩,১৯,৭২২
৯৯ বতসোয়ানা ৩,১৮,৫২৮ ২,৭১৯ ৩,০৯,১২৪
১০০ উত্তর ম্যাসেডোনিয়া ৩,১৩,৩৬০ ৯,৩২২ ৩,০৩,৪৯৮
১০১ আলবেনিয়া ২,৭৮,৫০৪ ৩,৪৯৭ ২,৭৩,৬২০
১০২ আলজেরিয়া ২,৬৬,০২৫ ৬,৮৭৫ ১,৭৮,৪৯৪
১০৩ নাইজেরিয়া ২,৫৬,৭১১ ৩,১৪৪ ২,৫০,১৫৮
১০৪ জিম্বাবুয়ে ২,৫৫,৩০৯ ৫,৫৪৯ ২,৪৮,১৮৭
১০৫ লুক্সেমবার্গ ২,৫৪,৬৯৭ ১,০৮৫ ২,৪৬,৬১০
১০৬ উজবেকিস্তান ২,৪০,২০৬ ১,৬৩৭ ২,৩৭,৮৫৭
১০৭ মন্টিনিগ্রো ২,৩৯,১০৭ ২,৭২৪ ২,৩৮,৪৭২
১০৮ মোজাম্বিক ২,২৭,৫২৭ ২,২১২ ২,২৪,৭৮৪
১০৯ চীন ২,২৫,৪৮৭ ৫,২২৬ ২,১৯,৬৩৮
১১০ লাওস ২,১০,২৩৮ ৭৫৭ ৭,৬৬০
১১১ কিরগিজস্তান ২,০১,০২৪ ২,৯৯১ ১,৯৬,৪০৬
১১২ আইসল্যান্ড ১,৯২,৯৯১ ১৫৩ ৭৫,৬৮৫
১১৩ মার্টিনিক ১,৯২,৫০৬ ৯৫৭ ১০৪
১১৪ আফগানিস্তান ১,৮২,০৩৩ ৭,৭১৭ ১,৬৩,৯৮২
১১৫ মালদ্বীপ ১,৮০,৩৮৪ ৩০০ ১,৬৩,৬৮৭
১১৬ এল সালভাদর ১,৬৯,৬৪৬ ৪,১৩৯ ১,৫৯,৯৯৩
১১৭ নামিবিয়া ১,৬৯,০০৭ ৪,০৫৮ ১,৬৪,২৮৩
১১৮ উগান্ডা ১,৬৭,৩০১ ৩,৬১৮ ১,০০,৩৯৫
১১৯ ত্রিনিদাদ ও টোবাগো ১,৬৬,৫৭৬ ৩,৯৯৭ ১,৫৫,৬৯৫
১২০ গুয়াদেলৌপ ১,৬৬,৪২৪ ৯৫০ ২,২৫০
১২১ ঘানা ১,৬৪,৮৪৩ ১,৪৪৮ ১,৬১,৯৭৮
১২২ ব্রুনাই ১,৫৮,৫২৪ ২২৫ ১,৫৩,৮৮৭
১২৩ জ্যামাইকা ১,৪২,১৬১ ৩,১১২ ৯০,৩৮৭
১২৪ কম্বোডিয়া ১,৩৬,২৬২ ৩,০৫৬ ১,৩৩,২০৬
১২৫ রুয়ান্ডা ১,৩০,৭৪৯ ১,৪৫৯ ৪৫,৫২২
১২৬ ক্যামেরুন ১,২০,০০২ ১,৯৩০ ১,১৭,৭৯১
১২৭ মালটা ১,০০,১৩৮ ৭৪০ ৯৪,৬২৪
১২৮ অ্যাঙ্গোলা ৯৯,৭৬১ ১,৯০০ ৯৭,১৪৯
১২৯ ড্যানিশ রিফিউজি কাউন্সিল ৯১,০৮২ ১,৩৭১ ৫০,৯৩০
১৩০ ফ্রেঞ্চ গায়ানা ৮৬,৯১১ ৪০১ ১১,২৫৪
১৩১ মালাউই ৮৬,৩৪৮ ২,৬৪৫ ৮২,৯৭৯
১৩২ সেনেগাল ৮৬,২৬৬ ১,৯৬৮ ৮৪,২৬১
১৩৩ বার্বাডোস ৮৩,৫২৪ ৪৭৩ ৮২,১০০
১৩৪ আইভরি কোস্ট ৮২,৯৫৩ ৮০৪ ৮১,৯৬৬
১৩৫ সুরিনাম ৮০,৮১৭ ১,৩৫৯ ৪৯,৫৬১
১৩৬ চ্যানেল আইল্যান্ড ৭৯,১১৭ ১৭৮ ৭৭,৪৭৪
১৩৭ ফ্রেঞ্চ পলিনেশিয়া ৭৩,২৩৪ ৬৪৯ ৩৩,৫০০
১৩৮ ইসওয়াতিনি ৭৩,০৬৯ ১,৪১৫ ৭১,৬২০
১৩৯ গায়ানা ৬৬,৯৪৭ ১,২৪৯ ৬৪,৮১৪
১৪০ ফিজি ৬৫,৪৬৫ ৮৬৫ ৬৩,৫৮০
১৪১ মাদাগাস্কার ৬৫,০০৯ ১,৩৯৮ ৬৩,১৩৩
১৪২ নিউ ক্যালেডোনিয়া ৬৩,৩৭৯ ৩১৩ ৬২,৩৯৩
১৪৩ বেলিজ ৬৩,০৩৭ ৬৭৯ ৬১,৩৪৪
১৪৪ সুদান ৬২,৫৫১ ৪,৯৫১ ৪০,৩২৯
১৪৫ ভুটান ৫৯,৬৭৪ ২১ ৫৯,৬২৭
১৪৬ মৌরিতানিয়া ৫৯,৪০১ ৯৮২ ৫৮,২৫৫
১৪৭ কেপ ভার্দে ৫৯,২৬৫ ৪০৩ ৫৭,৭০২
১৪৮ সিরিয়া ৫৫,৯২০ ৩,১৫০ ৫২,৭৫২
১৪৯ গ্যাবন ৪৭,৮২৪ ৩০৫ ৪৭,৩৪৩
১৫০ পাপুয়া নিউ গিনি ৪৪,৭০২ ৬৬২ ৪৩,৯৮২
১৫১ সিসিলি ৪৪,৫২১ ১৬৭ ৪৩,৯০৫
১৫২ কিউরাসাও ৪৪,১২৭ ২৭৭ ৪৩,৫৬৭
১৫৩ এনডোরা ৪৩,৭৭৪ ১৫৩ ৪৩,১৯২
১৫৪ বুরুন্ডি ৪২,৫৪২ ৩৮ ৭৭৩
১৫৫ আরুবা ৩৯,৯৮০ ২১৯ ৩৯,০৫৪
১৫৬ মরিশাস ৩৮,২৭৫ ১,০০১ ৩৬,৬০৫
১৫৭ মায়োত্তে ৩৭,৫২৩ ১৮৭ ২,৯৬৪
১৫৮ টোগো ৩৭,২৯৯ ২৭৪ ৩৬,৯৫১
১৫৯ গিনি ৩৬,৫৯৭ ৪৪২ ৩৬,১১৩
১৬০ বাহামা ৩৫,৮১০ ৮১৬ ৩৪,০৯৪
১৬১ তানজানিয়া ৩৫,৩৬৬ ৮৪১ ১৮৩
১৬২ ফারে আইল্যান্ড ৩৪,৬৫৮ ২৮ ৭,৬৯৩
১৬৩ লেসোথো ৩৩,৯৩৮ ৬৯৯ ২৪,১৫৫
১৬৪ আইল অফ ম্যান ৩৩,৮২১ ১০৮ ২৬,৭৯৪
১৬৫ হাইতি ৩১,২৪৮ ৮৩৭ ২৯,৮১৫
১৬৬ মালি ৩১,১৫০ ৭৩৬ ৩০,৩২২
১৬৭ বেনিন ২৭,১২২ ১৬৩ ২৫,৫০৬
১৬৮ সেন্ট লুসিয়া ২৬,৮৮৫ ৩৮০ ২৬,৩৭৩
১৬৯ কেম্যান আইল্যান্ড ২৬,৭৯৭ ২৮ ৮,৫৫৩
১৭০ সোমালিয়া ২৬,৭৪৮ ১,৩৫০ ১৩,১৮২
১৭১ কঙ্গো ২৪,১২৮ ৩৮৫ ২০,১৭৮
১৭২ পূর্ব তিমুর ২২,৯৪৭ ১৩৩ ২২,৭৯৮
১৭৩ সলোমান আইল্যান্ড ২১,২৩৭ ১৪৯ ১৬,৩৫৭
১৭৪ বুর্কিনা ফাঁসো ২০,৮৫৩ ৩৮২ ২০,৪৩৯
১৭৫ জিব্রাল্টার ১৯,৩০৬ ১০৪ ১৬,৫৮৩
১৭৬ নিকারাগুয়া ১৮,৪৯১ ২২৫ ৪,২২৫
১৭৭ গ্রেনাডা ১৮,২৪৩ ২৩২ ১৭,৮৮৩
১৭৮ লিচেনস্টেইন ১৭,৮১৪ ৮৫ ১৭,৫৯৪
১৭৯ সান ম্যারিনো ১৭,৭১৯ ১১৫ ১৭,২৬৪
১৮০ দক্ষিণ সুদান ১৭,৬৯৭ ১৩৮ ১৫,৬৩০
১৮১ তাজিকিস্তান ১৭,৩৮৮ ১২৪ ১৭,২৬৪
১৮২ ইকোয়েটরিয়াল গিনি ১৫,৯৯৫ ১৮৩ ১৫,৭৩৯
১৮৩ বারমুডা ১৫,৯৫৭ ১৩৮ ১৫,৫৬৮
১৮৪ জিবুতি ১৫,৬৯০ ১৮৯ ১৫,৪২৭
১৮৫ সামোয়া ১৪,৮১২ ২৯ ১,৬০৫
১৮৬ ডোমিনিকা ১৪,৭৮১ ৬৭ ১৪,৪৫০
১৮৭ সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিক ১৪,৬৪৯ ১১৩ ৬,৮৫৯
১৮৮ মোনাকো ১২,৭৬৯ ৫৭ ১২,৫৫৪
১৮৯ টাঙ্গা ১২,০৭৯ ১২ ১১,৮২১
১৯০ গাম্বিয়া ১২,০০২ ৩৬৫ ১১,৫৯১
১৯১ গ্রীনল্যাণ্ড ১১,৯৭১ ২১ ২,৭৬১
১৯২ ইয়েমেন ১১,৮২৪ ২,১৪৯ ৯,১০৮
১৯৩ ভানুয়াতু ১১,০২৬ ১৪ ১০,৮৩৯
১৯৪ সেন্ট মার্টিন ১০,৬৬৮ ৬৩ ১,৩৯৯
১৯৫ সিন্ট মার্টেন ১০,৫৩৭ ৮৬ ১০,৪২৭
১৯৬ ক্যারিবিয়ান নেদারল্যান্ডস ১০,৩০২ ৩৫ ১০,২২২
১৯৭ ইরিত্রিয়া ৯,৭৮৮ ১০৩ ৯,৬৭৪
১৯৮ নাইজার ৯,০৩১ ৩১০ ৮,৬২৮
১৯৯ অ্যান্টিগুয়া ও বার্বুডা ৮,৬২৫ ১৪১ ৮,৪২৬
২০০ গিনি বিসাউ ৮,৩৪৮ ১৭১ ৮,১০৫
২০১ কমোরস ৮,১০০ ১৬০ ৭,৯৩৩
২০২ সিয়েরা লিওন ৭,৬৯৩ ১২৫ ৪,৩৯৩
২০৩ লাইবেরিয়া ৭,৪৯৩ ২৯৪ ৫,৭৪৭
২০৪ চাদ ৭,৪২৪ ১৯৩ ৪,৮৭৪
২০৫ সেন্ট ভিনসেন্ট ও গ্রেনাডাইন আইল্যান্ড ৭,০১২ ১১১ ৬,৬৪১
২০৬ ব্রিটিশ ভার্জিন দ্বীপপুঞ্জ ৬,৯৪১ ৬৩ ২,৬৪৯
২০৭ টার্কস্ ও কেইকোস আইল্যান্ড ৬,২১১ ৩৬ ৬,১২৮
২০৮ সেন্ট কিটস ও নেভিস ৫,৯৪১ ৪৩ ৫,৮৩২
২০৯ কুক আইল্যান্ড ৫,৭৬৮ ৫,৭৪০
২১০ পালাও ৫,২০১ ৪,৫৫৫
২১১ সেন্ট বারথেলিমি ৪,৬৩০ ৪৬২
২১২ এ্যাঙ্গুইলা ৩,৪১১ ৩,৩৭৬
২১৩ কিরিবাতি ৩,২৩৬ ১৩ ২,৬৬৫
২১৪ সেন্ট পিয়ের এন্ড মিকেলন ২,৭৬৭ ২,৪৪৯
২১৫ ফকল্যান্ড আইল্যান্ড ১,৮০৭ ৬৮
২১৬ নাউরু ১,০৬০ ১২
২১৭ মন্টসেরাট ১,০১৬ ১,০০৭
২১৮ ডায়মন্ড প্রিন্সেস (প্রমোদ তরী) ৭১২ ১৩ ৬৯৯
২১৯ ওয়ালিস ও ফুটুনা ৪৫৪ ৪৩৮
২২০ ম্যাকাও ১২৫ ৮৩
২২১ ভ্যাটিকান সিটি ২৯ ২৯
২২২ মার্শাল আইল্যান্ড ১৮ ১৮
২২৩ পশ্চিম সাহারা ১০
২২৪ নিউয়ে ১০
২২৫ জান্ডাম (জাহাজ)
২২৬ টুভালু
২২৭ সেন্ট হেলেনা
তথ্যসূত্র: চীনের জাতীয় স্বাস্থ্য কমিশন (সিএনএইচসি) ও অন্যান্য।
করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]