এমপিদের শপথ কাল
বিএনপির এমপিরা কি সংবিধান সংস্কারের শপথ নেবেন, যা বললেন সালাহউদ্দিন
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নির্বাচিত প্রতিনিধিরা আগামীকাল মঙ্গলবার সংসদ সদস্য (এমপি) হিসেবে শপথ নেবেন। একই সঙ্গে তাদের সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবেও আলাদা শপথ নেওয়ার কথা রয়েছে।
এরই মধ্যে পৃথক দুটি শপথ অনুষ্ঠানের প্রস্তুতি নিচ্ছে জাতীয় সংসদ সচিবালয়। তবে বিএনপি থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্যরা সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ নেবেন কি না, তা নিয়ে এখনো সংশয় রয়েছে।
এ নিয়ে সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে গুলশানে বিএনপি চেয়ারম্যানের রাজনৈতিক কার্যালয়ের সামনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের মুখোমুখি হন দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ।
এসময় তিনি সাংবাদিকদের বলেন, সংবিধান সংস্কার পরিষদ, এটা যদি কনস্টিটিউশনে (সংবিধানে) ধারণ হয়, সেই মর্মে অ্যামেন্ডমেন্ট (সংশোধন) হয় এবং সেই শপথ পরিচালনার জন্য সংবিধানের তৃতীয় তফসিলে ফরম হয়, কে শপথ পাঠ করাবেন সেটা নির্ধারিত হয়—এতগুলো ‘হয়’–এর পরে তারপরে হলে হতে পারে।
তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশনের সাংবিধানিক দায়িত্ব হলো জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও রাষ্ট্রপতি নির্বাচন পরিচালনা করা। আগামীকাল (মঙ্গলবার) সকাল ১০টায় সংসদ সদস্যদের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। সাংবিধানিকভাবে স্পিকার বা ডেপুটি স্পিকার অ্যাভেইলেবল না থাকলে বা অপারগ হলে বা তাদের মনোনীত প্রতিনিধি না থাকলে দ্বিতীয় বিকল্প হিসেবে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ পড়াবেন। সে হিসেবে আগামীকাল সকাল ১০টায় জাতীয় সংসদে নির্বাচিত সদস্যদের শপথ হবে। এটা সিইসির সাংবিধানিক এখতিয়ার আছে।
সালাহউদ্দিন আহমদের আগে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী সাংবাদিকদের বলেন, দেশ পরিচালনায় বিএনপি সরকারের সামনে অনেকগুলো বড় চ্যালেঞ্জ আছে। আমরা চাই ঐক্যবদ্ধভাবে দেশটাকে সামনের দিকে এগিয়ে নিতে।
তিনি বলেন, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, অর্থনীতিসহ সব ক্ষেত্রে বড় চ্যালেঞ্জ রয়েছে। প্রতিষ্ঠানগুলো সব ধ্বংস হয়ে গেছে। এগুলোর বিষয়েও চ্যালেঞ্জ আছে। সুতরাং চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হবে। জনগণ যে আস্থা আমাদের ওপর রেখেছে, সেটা আমাদের মাথায় থাকবে।
কেএইচ/এমকেআর