মনোনয়ন ফরম নিতে এসে তোপের মুখে কনকচাঁপা

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৬:৪৮ পিএম, ১১ এপ্রিল ২০২৬
কণ্ঠশিল্পী কনকচাঁপা/ ফাইল ছবি

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের জন্য বিএনপির মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করতে এসে দলীয় নেত্রীদের তীব্র ক্ষোভের মুখে পড়েছেন কণ্ঠশিল্পী কনকচাঁপা। শনিবার (১১ এপ্রিল) সকালে রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে।

সকাল থেকেই মনোনয়নপ্রত্যাশীদের ভিড় ছিল দলীয় কার্যালয়ে। এর মধ্যেই কনকচাঁপা মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করতে গেলে উপস্থিত ত্যাগী ও আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় নারী নেত্রীদের একাংশ তার প্রতি তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেন।

তারা অভিযোগ করেন, দীর্ঘদিন দলের সঙ্গে সম্পৃক্ত না থেকেও হঠাৎ করে মনোনয়নপ্রত্যাশী হওয়া সুবিধাবাদিতার শামিল।

ঘটনাস্থলে উপস্থিত বগুড়া জেলা বিএনপির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ও কেন্দ্রীয় মহিলা দলের নির্বাহী সদস্য সুরাইয়া জেরিন রনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘কণ্ঠশিল্পী কনকচাঁপা বিএনপির কে? তিনি কি দল করেছে? যারা আন্দোলনে ছিল, ১৭ বছর আমরা দলের জন্য খেটেছি—তাদের মূল্যায়ন কোথায়?’

তিনি আরও বলেন, বগুড়ার রাজপথে, ঢাকার রাজপথে ছিলাম। ১৭ বার জেলে গেছি। নারীদের মধ্যে সর্বোচ্চ মামলা খেয়েছি। কনকচাঁপা এতদিন কোথায় ছিলেন? আমাদের সরিয়ে দেওয়া হচ্ছে কেন? আমরা সুবিধাবাদীদের দেখতে চাই না।

jagonews24বগুড়া জেলা বিএনপির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ও কেন্দ্রীয় মহিলা দলের নির্বাহী সদস্য সুরাইয়া জেরিন রনি

রনি প্রশ্ন তোলেন, কনকচাঁপা কয়টা মামলা খেয়েছেন? কয়টা আন্দোলন-সংগ্রামে অংশ নিয়েছেন? যারা রাজপথে লড়াই করেছেন, আমরা তাদেরই মনোনয়ন চাই।

এসময় উপস্থিত আরও কয়েকজন নেত্রীও একই ধরনের ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তাদের দাবি, দলে দীর্ঘদিন ধরে ত্যাগ স্বীকার করা নেত্রীদের উপেক্ষা করে হঠাৎ করে আগত ব্যক্তিদের মনোনয়ন দেওয়া হলে তা দলীয় কাঠামো ও কর্মীদের মনোবলে নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে।

তবে এসব প্রতিকূল পরিস্থিতির মধ্যেও শেষ পর্যন্ত কনকচাঁপা তার মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেন। তিনি বলেন, ‘আমি আশাবাদী।’

তবে মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করতে এসে দলীয় নেত্রীদের তীব্র ক্ষোভের মুখে পড়ার বিষয়ে তার পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

কেএইচ/এমআইএইচএস/

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।