ফেঁসে যাচ্ছেন সাঈদ খোকন


প্রকাশিত: ০১:৪৬ পিএম, ১৯ মার্চ ২০১৫

ঢাকা সিটি কর্পোরেশন দক্ষিণের মেয়র প্রার্থী হিসেবে আওয়ামী লীগের সমর্থন পাওয়া সাঈদ খোঁকন ঋণখেলাপির অভিযোগে ফেঁসে যাচ্ছেন। সাঈদ খোকনের ঋণের তথ্য জানিয়ে ইতিমধ্যে তা আদায়ের জন্য নির্বাচন কমিশনের (ইসি) কাছে চিঠি দিয়েছে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ।

জানা গেছে, বেসরকারি প্রিমিয়ার ব্যাংক মেয়র প্রার্থী সাঈদ খোঁকনের কাছে ১১৮ কোটি টাকা পাওনা রয়েছে। এ টাকা আদায়ে ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক খোন্দকার ফজলে রশিদ ইসির কাছে চিঠি দিয়েছেন। প্রিমিয়ার ব্যাংকের দাবি, ২০০৩ সালে সাঈদ খোকন তার মালিকানাধীন এস এ্যান্ড এস কর্পোরেশন ও তার মা ফাতেমা খাতুনের মালিকাধীন ডি ডি করপোরেশনের নামে ১০৩ কোটি ৬৮ কোটি টাকা ঋণ নেন।

তবে সাঈদ খোকন জাগোনিউজের কাছে ঋণের বিষয়টি অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেছেন, প্রিমিয়ার ব্যাংকের দাবি ঠিক নয়।

ইসিকে লেখা চিঠিতে বলা হয়, মোহাম্মদ সাঈদ খোকনের কাছে ব্যাংকের বর্তমান পাওনা ঋণের ১১৮ কোটি ৪৫ লাখ টাকা আদায়ের ব্যাপারে আপনার সাহায্য প্রার্থনা করছি। সাঈদ খোকন দেশের আইন ভঙ্গ করে বকেয়া ঋণের ১০৩ কোটি ৬৮ লাখা এবং ১৪ কোটি ৭৭ লাখ কোটি টাকা (নন-ফান্ডেড) পরিশোধ না করে তার সিটি কর্পোরেশন (দক্ষিণ) মেয়র পদের জন্য আসন্ন নির্বাচনে অংশ নিতে যাচ্ছে। যা আইনের পরিপন্থি।
এর আগে বুধবার জাগোনিউজকে সাঈদ খোকনের ঋণ খেলাপির বিষয়টি ইঙ্গিত করে একটি প্রতিবেদনও প্রকাশ হয়। তবে কমিশন এখনই সাঈদ খোকনের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থ নিতে পারবে না। তার প্রার্থীতা বাছাইকালে এটি দেখা হবে বলে একটি সূত্র জানিয়েছে।

ইসির ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিন ২৯ মার্চ, অর্থাৎ এরপরই কাউকে প্রাথমিকভাবে প্রার্থী বলা যাবে। ১ ও ২ এপ্রিল রিটার্নিং কর্মকর্তা মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই করার পর প্রার্থিতা চূড়ান্ত হবে।

উল্লেখ্য, ঢাকার সাবেক মেয়র মোহাম্মদ হানিফের ছেলে সাঈদ খোকন ২০১২ সালে স্থগিত ডিসিসি নির্বাচনের সময়ও মেয়র পদে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন। তখন অবশ্য তার বিরুদ্ধে ঋণখেলাপের কোনো অভিযোগ ওঠেনি।

এসএ/এএইচ/আরআই

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।