আবারো কি রাজনৈতিক সংকট!
সহিংসতা, বর্জন, কেন্দ্র দখল ও জাল ভোটসহ নানা অনিয়মের সব সূচক দেখলো জাতি। মঙ্গলবারের সিটি নির্বাচনে পরিস্থিতি দেখে দুপুর ১২টায় সংবাদ সম্মেলন করে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দেন বিএনপি সমর্থিত দুই প্রার্থী তাবিথ আউয়াল ও মির্জা আব্বাস। মির্জা আব্বাসের পক্ষে তার স্ত্রী আফরোজা আব্বাস এই ঘোষণা দেন। তবে কি রাজনীতি আবারো সেই পুরনো চিত্রে ফিরে যাচ্ছে?
বিএনপি বলছে, ভোটারবিহীন নির্বাচন। মানুষের ভোটের অধিকার সরকার কেঁড়ে নিয়েছে। সংবাদ মাধ্যমগুলোতে সহিংসতা ও অনিয়মের অভিযোগ এসেছে। আক্রান্ত হয়েছেন সংবাদ মাধ্যমের কর্মীরাও।
তারা আরো বলছে, বিএনপির কর্মী ও সমর্থকরা হামলার শিকার হয়েছেন। তাদের এজেন্টদের বের করে দেওয়া হয়েছে। কোথাও কোথাও ঢুকতে দেওয়া হয়নি, ধরে নিয়ে গেছে পুলিশ।
এর আগে গত রোববার সংবাদ সম্মেলন করে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া আভাস দেন, সরকার সমর্থকরা ভোট ডাকাতির চেষ্টা করছে। তবে আশা করি, সুষ্ঠু নির্বাচন হবে।
এদিকে মঙ্গলবার অনেকটা শান্তিপূর্ণভাবেই নির্বাচন শুরু হয়। তবে এর পেছনে ছিলো ভিন্ন চিত্র। ভোট শুরুর কিছু সময় পরই পাল্টে যায় পুরো চিত্র। শুরু হতে থাকে সহিংসতা।
সংবাদ মাধ্যমের খবরে আসে, প্রশাসনের সামনেই ক্ষমতাসীনরা তাদের প্রার্থীদের পক্ষে ভোট দিয়ে ব্যালট বাক্স ভরতে থাকেন। কোথাও কোথাও প্রিজাইডিং কর্মকর্তারাও এমন কাজ করেছেন বলে জানা যায়।
এমন পরিস্থিতিতে বিএনপি কি করবে ? যে দলটি গত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আসেনি। হোক সেটি সঠিক বা ভুল সিদ্ধান্ত। বিএনপির নির্বাচন বর্জনের পর শুরু হয় দেশজুড়ে রাজনৈতিক সহিংসতা। স্থবির হয়ে পড়ে অর্থনীতি।
গত তিন মাসের সসিংসতা থেকে কিছুটা রেহাই পায় জাতি। বিএনপি অংশ নেয় সিটি নির্বাচনে। তবে শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত আদৌ কি নির্বাচনের পরিবেশ পেল দলটি। তবে সামনে কি আবার খারাপ সময়। আবারো কি রাজনৈতিক সংকট দেখতে হচ্ছে জাতিকে।
এসএ/আরএস/আরআই