স্বাধীনতা অবিশ্বাসীদের রাজনীতির অধিকার নেই : মোজাম্মেল হক


প্রকাশিত: ১১:৩৩ এএম, ২৬ মে ২০১৫

জাতির পিতার অবদানকে যারা অস্বীকার করে তারা বাংলাদেশের স্বাধীনতায় বিশ্বাস করে না এবং তাদের এ দেশে রাজনীতি করার কোন অধিকার নেই বলে মন্তব্য করেছেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক ।

মঙ্গলবার জাতীয় প্রেসক্লাবে বাংলাদেশ স্বাধীনতা পরিষদ আয়োজিত বাংলাদেশ ও বঙ্গবন্ধু এবং ‘উন্নয়নের রূপকার-জননেত্রী শেখ হাসিনার কার্যকাল’ শীর্ষক এক আলোচনা সভার উদ্বোধনী বক্তৃতায় তিনি এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, যুদ্ধাপরাধীদের রাজনীতি নিষিদ্ধ করার বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। আদালতের মামলা শেষ হওয়ার সাথে সাথে জামায়াত ও যুদ্ধাপরাধীদের রাজনীতি নিষিদ্ধ হবে।

আব্দুলাহ আল কায়সারের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় মুখ্য আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন জাতীয় সংসদের চীফ হুইপ আসম ফিরোজ, আওয়ামী লীগ নেতা ড. সিদ্দিকুর রাহমান, অ্যাডভোকেট বলরাম পোদ্দার , এমএ করিম, মো. ফজলুল হক, আনিসুর রহমান প্রমুখ।

জাতীয় সংসদের চীফ হুইপ আসম ফিরোজ বলেন, বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া ৯২ দিন হরতাল-অবরোধ দিয়ে দেশবাসীকে জিম্মি করেছিলেন। তারেক ও বেগম জিয়া ২১ আগস্ট জননেত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যা করতে চেয়েছিলেন বলে মন্তব্য করে তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধুর খুনিদেরকে জিয়াউর রহমান চাকুরি দিয়ে পুনর্বাস করেছিলেন।

তিনি বলেন, খালেদা জিয়া বুঝতে পেরেছিলেন শেখ হাসিনা ১৯৯৬ সালে ক্ষমতায় এসে যে পরিকল্পনা করেন, তা বাস্তবায়ন করতে পারলে তাকে আর রোখা যাবে না। তাই শেখ হাসিনাকে গ্রেনেড মেরে হত্যা করার ষড়যন্ত্র করা হয়েছিল। ২০০৮ সালে শেখ হাসিনা আবার ক্ষমতায় আসলে ষড়যন্ত্র করে বিডিআর বিদ্রোহ ঘটানো হয়।

খালেদা জিয়াকে উদ্দেশ্য করে চীফ হুইপ আরো বলেন, আপনার দল সিটি করপোরেশন নির্বাচনে আসলো ঠিকই ; কিন্তু ষড়যন্ত্র করে নির্বাচন শুরুর কিছুক্ষণ পরেই নির্বাচন বয়কট করলো। শুধু আওয়ামী লীগকে হেয় প্রতিপন্ন করার জন্যই বানোয়াট অভিযোগ তুলে সিটি নির্বাচন বয়কট করা হয়।

তিনি বলেন, আগামী নির্বাচনেও আওয়ামী লীগকে হারাতে পারবেন না। দেশের মানুষ উন্নয়ন চায় ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জনগণের কল্যাণ চায় তাই বার বার ভোট দিয়ে ক্ষমতায় বসায় বলে তিনি মন্তব্য করেন।

এসকেডি/আরআইপি

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।