ওবামার সমালোচনায় ফিদেল কাস্ত্রো


প্রকাশিত: ০৪:১১ এএম, ২৯ মার্চ ২০১৬

সম্প্রতি কিউবায় ঐতিহাসিক সফর করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা। তবে এই সফরে প্রায় ৪৭ বছর কিউবা শাসন করা বিপ্লবী নেতা ফিদেল কাস্ত্রোর সঙ্গে কোনো বৈঠকের কর্মসূচি ছিল না ওবামার। এমনকি সফরের সময় বিভিন্ন বক্তৃতায় ওবামা ফিদেলের নাম পর্যন্ত উচ্চারণ করেননি।
 
কিউবা সফরে অতীতকে পেছনে ফেলে বন্ধু ও প্রতিবেশী হিসেবে সামনে এগিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান ওবামা। তার এই আহ্বানকে ব্যঙ্গ করে ফিদেল কাস্ত্রো বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের মুখ থেকে এসব শব্দ শুনে আমার মনে হচ্ছিল এই বুঝি আমার হার্ট অ্যাটাক হবে। ওবামার এসব কথা শুধু মুখে বলার জন্যই। তিনি মন থেকে এসব কথা বলেননি বলেও অভিযোগ করেন ফিদেল।

ওবামা কিউবা সফর শেষ করার এক সপ্তাহ পর রাষ্ট্রীয় সংবাদপত্র গানমা’য় প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বিপ্লবী নেতা ফিদেল বলেন, যুক্তরাষ্ট্র থেকে তাদের কিছু নেয়ার প্রয়োজন নেই।
 
গত ২০ মার্চ তিন দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে হাভানায় পৌঁছান বারাক ওবামা। গত ৮৮ বছরের মধ্যে এটাই ছিল যুক্তরাষ্ট্রের কোনো প্রেসিডেন্টের প্রথম কিউবা সফর।
 
১৯৫৯ সালে ফিদেল কাস্ত্রোর নেতৃত্বে কিউবার যুক্তরাষ্ট্রপন্থি সরকারের পতন হলে দুদেশের মধ্যে শত্রুতার সূত্রপাত হয়। কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্নের পর প্রতিবেশী রাষ্ট্রটির উপর অর্থনৈতিক অবরোধ আরোপ করে ওয়াশিংটন। সেই অবরোধ ৫৪ বছর বলবত ছিল।
 
২০১৪ সাল থেকে ওবামা ও কিউবার বর্তমান প্রেসিডেন্ট ফিদেলের ভাই রাউল কাস্ত্রো বিরোধ অবসানের বিষয়ে একমত হলে পরিস্থিতি পাল্টাতে শুরু করে। তখন থেকে দুদেশের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্ক পুনঃপ্রতিষ্ঠা হয়।
 
সফরের শেষদিনের ভাষণে ওবামা বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও কিউবার অতীতকে পেছনে ছেড়ে আসার এটিই সময় এবং এখন বন্ধু, প্রতিবেশী এবং পরিবার হিসেবে একত্রে উজ্জ্বল ভবিষ্যতের দিকে যাত্রা শুরু করার সময়।
 
টিটিএন/এমএস

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।