নিউইয়র্কে বাংলাদেশি রেস্টুরেন্ট ব্যবসায়ীদের দুর্দিন

প্রবাস ডেস্ক প্রবাস ডেস্ক
প্রকাশিত: ০৫:৫৬ পিএম, ১১ জুলাই ২০২০

নিউইয়র্ক সিটির রেস্টুরেন্টগুলোতে বসে খাওয়ার সেবা অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করেছেন গভর্নর অ্যান্ড্রু কুমো ও নগরীর মেয়র বিল ডি ব্লাসিও। এই ঘোষণায় সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন বাংলাদেশি রেস্টুরেন্ট ব্যবসায়ীরা। অন্যদিকে বাংলাদেশি গ্রোসারি ব্যবসায়ীরা ধীরে ধীরে ঘুরে দাঁড়াতে শুরু করেছেন।

যুক্তরাষ্ট্রে করোনার তাণ্ডব এখনও চলছে। রি-ওপেন করা ৩২টি স্টেটে করোনা দিনেদিনে বেড়েই চলেছে। নিউইয়র্ক সিটির মেয়র বিল ডি ব্লাসিও বলেছেন, ‘আমরা একটি কঠিন সময় অতিক্রম করছি। এখন অবহেলা করার সময় নয়। ইনডোরে এখনও সমস্যা বিদ্যমান। তাই নিউইয়র্ক সিটির রেস্টুরেন্টে ইনডোর ডাইনিং চালু করা এই মুহূর্তে সম্ভব নয়। এক সপ্তাহ আগেও আশাবাদী ছিলাম যে আমরা ইনডোর ডাইনিং চালু করতে পারব। তবে দেশজুড়ে যে সংবাদ নিয়মিত পাচ্ছি, তা দিনদিন খারাপের দিকে যাচ্ছে। এটা নিউইয়র্কের উপরও প্রভাব পড়তে পারে’।

নিউইয়র্ক নগরীর রেস্টুরেন্টগুলোতে আউটডোর বা বাইরে বসে খাওয়া এবং ডেলিভারি দেয়া চালু হয়েছে। যে কারণে অধিকাংশ এলাকায় দেখা যাচ্ছে সাইড লাইনে আসন করা হয়েছে এবং খাবার সরবরাহ করা হচ্ছে। কোনো কোনো এলাকায় রাস্তার একাংশ ব্লক করে রেস্টুরেন্ট চালুর উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

নিউইয়র্কের গভর্নর অ্যান্ড্রু কুমো বলেছেন, ‘অবস্থার পরিবর্তন না হওয়া পর্যন্ত নিউইয়র্ক নগরীতে ইনডোর ডাইনিং স্থগিত থাকবে। তৃতীয় ধাপে নিউইয়র্ক উন্মুক্ত করার যে পরিকল্পনা ছিল, তাও পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত স্থগিত থাকবে। আমাদের প্রথম এবং প্রধান কাজ হচ্ছে মানুষের জীবন রক্ষা করা। মনে রাখতে হবে যে ভয়াবহ এক পরিস্থিতি থেকে আমরা সকলের প্রচেষ্টায় একটা অবস্থানে এসেছি। আমরা অতীতের বিভীষিকাময় পরিস্থিতিতে ফিরে যেতে চাই না। তাই আমাদের সতর্ক থাকতে হবে’।

নিউইয়র্ক সিটিতে রেস্টুরেন্টগুলোতে বসে খাওয়ার নিয়ম না থাকলেও বাইরে বসে খাওয়া যাবে এবং খাবার কিনে অন্যত্র নেয়া যাবে। সিটির অধিকাংশ এলাকায় দেখা যায়, রেস্টুরেন্টের পাশে সিট বসানো হয়েছে। কোথাও কোথাও রাস্তার একটি অংশ দখল করে সিট বসানো হয়েছে। কিন্তু বাংলাদেশি রেস্টুরেন্ট ব্যবসায়ীরা এই সুযোগ খুব একটা নিতে পারছেন না।

কারণ বাংলাদেশি রেস্টুরেন্ট ব্যবসায়ীদের প্রতিষ্ঠানগুলো এমন সব জায়গায় করা হয়েছে, যেখানে পাশে সিট দেয়ার মতো জায়গা নেই। বিশেষ করে জ্যাকসন হাইটস ও জ্যামাইকা এলাকায় যেসব বাংলাদেশি রেস্টুরেন্ট রয়েছে সেসব এলাকায় ফুটপাতে সিট বসানোও সম্ভব হচ্ছে না।

জ্যামাইকা, বেলরোজে প্রতিষ্ঠিত প্রিমিয়াম সুপার মার্কেটের বাবু খান বলেন, ‘এখনও করোনা মহামারির প্রভাব রয়েছে। বাজার এখনো স্থিতিশীল নয়। আমরা একটা ইমব্যালেন্স টাইম অতিক্রম করছি। এক সপ্তাহ ভালো ব্যবসা হলে পরবর্তী সপ্তাহ মন্দা যাচ্ছে। আমেরিকার অর্থনৈতিক অবস্থাতো খুব একটা ভালো না, তার প্রভাব রয়েছে বাজারে। চলতি মাসে যদি স্টিমুলাস চেক বন্ধ হয়ে যায়, তাহলে কী অবস্থা দাঁড়াবে বলা যাচ্ছে না। তবে তিনি আশা প্রকাশ করেন, পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে সুপার মার্কেটগুলো ঘুরে দাঁড়াবে’।

জ্যাকসন হাইটস এবং জ্যামাইকার খাবার বাড়ি রেস্টুরেন্ট এবং খামারবাড়ির কামরুজ্জামান কামরুল বলেন, ‘রেস্টুরেন্টের অবস্থা খুবই খারাপ। তবে আগের তুলনায় একটু ভালো হচ্ছে। রেস্টুরেন্টের ভেতরে বসিয়ে খাবার সরবরাহ করা গেলে ভালো হত এবং টিকে থাকতে পারতাম। ভেতরে বসার সুযোগ দিলে আমার অনেক জায়গা ছিল, পার্টি হল ছিল, সামাজিক দূরত্ব বাজায় রেখে ব্যবসা করতে পারতাম। তবে লকডাউনের পর গত রমজান থেকেই ডেলিভারি সিস্টেমে রেস্টুরেন্ট খোলার উদ্যোগ নিয়েছি। রমজানে মানুষের সেবা করার চেষ্টা করেছি’।

তিনি জানান, নিউইয়র্কে করোনাকালে রেস্টুরেন্ট খোলার পর যে অবস্থা ছিল, এখন পরিস্থিতি তার চেয়ে কিছুটা ভালো এবং ক্রমশ ভালো হচ্ছে। রেস্টুরেন্টে বসে খাওয়ার সুযোগ না দিলে টিকে থাকাটাই মুশকিল হয়ে দাঁড়াবে। গ্রোসারি ব্যবসা আস্তে আস্তে উন্নতির দিকে। এভাবে চলতে থাকলে আশা করছি ঘুরে দাঁড়ানো যাবে।

জ্যাকসন হাইটসের হাটবাজার রেস্টুরেন্ট এবং গ্রোসারির মুনসুর চৌধুরী বলেন, রেস্টুরেন্ট এবং গ্রোসারি ব্যবসা খুব একটা ভালো যাচ্ছে না। করোনার কারণে মানুষ এখন রেস্টুরেন্টের খাবার খেতে চায় না। আবার করোনার কারণে অনেকেই বাসায় আগে খাবার ক্রয় করে রেখেছিলেন। কেউ কেউ ছয় মাসের চাল, ডাল ক্রয় করে রেখেছেন। এখন মানুষ শুধু মাছ, মাংস এবং শাকসবজির জন্য বাজার করে।

জ্যাকসন হাইটসের ইত্যাদি গ্রোসারি এবং রেস্টুরেন্টের আবু নোমান শাকিল বলেন, এখন ব্যবসা মোটামুটি, তবে আগের মতো না। গ্রোসারির অবস্থা মাঝামাঝি। তিনি বলেন, ‘আমাদের ক্রেতাদের মধ্যে অনেকেই আসতেন আশপাশের স্টেট থেকে। তারা এখন এসে রেস্টুরেন্টে বসতে পারছেন না। এ কারণে তারা আসছেন না’।

তিনি বলেন, ‘এই দুর্যোগের সময় আমরা টিকে থাকার চেষ্টা করছি। আমাদের চিন্তা এখন সারভাইব করা, ব্যবসা করা নয়। যখন পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে তখন ব্যবসা করতে পারব। তারপরেও আল্লাহ কাছে হাজার শোকর আমরা মানুষকে সেবা দিয়ে যাচ্ছি এবং ব্যবসা করে টিকে রয়েছি’।

জ্যামাইকার ফাতেমা গ্রোসারির ফখরুল ইসলাম দেলোয়ার বলেন, ‘বাজারে এখন অনেক কিছুর সংকট রয়েছে। বিশেষ করে করোনার কারণে বাংলাদেশসহ অন্যান্য দেশ থেকে যেসব পণ্য আসতো। তা বন্ধ ছিল। আবার করোনার কারণে শাকসবজি বাগানেও লোকজনের সংকট রয়েছে। যে কারণে বাজারে সবুজ সবজি ও ফলমূলের সংকট রয়েছে। সংকটের কারণে কিছু কিছু পণ্যের দামও একটু বেশি। অন্যদিকে মানুষের মধ্যে এখনো সংশয় রয়েছে, তারা বুঝেশুনে বাজার করছেন।

এমআরএম/জেআইএম

করোনা ভাইরাস - লাইভ আপডেট

২,১২,৪০,৯১৫
আক্রান্ত

৭,৬০,৩২০
মৃত

১,৪০,৪২,৫৭৬
সুস্থ

# দেশ আক্রান্ত মৃত সুস্থ
বাংলাদেশ ২,৭১,৮৮১ ৩,৫৯১ ১,৫৬,৬২৩
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ৫৪,৫৪,৩৪৫ ১,৭১,০৬৩ ২৮,৫৬,২৩০
ব্রাজিল ৩২,৩৮,২১৬ ১,০৫,৭৯১ ২৩,৫৬,৬৪০
ভারত ২৫,২৫,২২২ ৪৯,১৩৪ ১৮,০৭,৫৫৬
রাশিয়া ৯,১২,৮২৩ ১৫,৪৯৮ ৭,২২,৯৬৪
দক্ষিণ আফ্রিকা ৫,৭২,৮৬৫ ১১,২৭০ ৪,৩৭,৬১৭
পেরু ৫,০৭,৯৯৬ ২৫,৬৪৮ ৩,৪৮,০০৬
মেক্সিকো ৫,০৫,৭৫১ ৫৫,২৯৩ ৩,৪১,৫০৭
কলম্বিয়া ৪,৩৩,৮০৫ ১৪,১৪৫ ২,৫০,৪৯৪
১০ চিলি ৩,৮২,১১১ ১০,৩৪০ ৩,৫৫,০৩৭
১১ স্পেন ৩,৭৯,৭৯৯ ২৮,৭৫২ ১,৯৬,৯৫৮
১২ ইরান ৩,৩৮,৮২৫ ১৯,৩৩১ ২,৯৩,৮১১
১৩ যুক্তরাজ্য ৩,১৬,৩৬৭ ৪৬,৭০৬ ৩৪৪
১৪ সৌদি আরব ২,৯৫,৯০২ ৩,৩৩৮ ২,৬২,৯৫৯
১৫ পাকিস্তান ২,৮৭,৩০০ ৬,১৫৩ ২,৬৫,২১৫
১৬ আর্জেন্টিনা ২,৭৬,০৭২ ৫,৪২৮ ১,৯৯,০০৫
১৭ ইতালি ২,৫২,৮০৯ ৩৫,২৩৪ ২,০৩,৩২৬
১৮ তুরস্ক ২,৪৬,৮৬১ ৫,৯৩৪ ২,২৮,৯৮০
১৯ জার্মানি ২,২২,৮৮০ ৯,২৮৫ ২,০০,৮০০
২০ ফ্রান্স ২,১২,২১১ ৩১,০১৭ ৮৩,৮৪৮
২১ ইরাক ১,৬৮,২৯০ ৫,৭০৯ ১,২০,১২৯
২২ ফিলিপাইন ১,৫৩,৬৬০ ২,৪৪২ ৭১,৪০৫
২৩ ইন্দোনেশিয়া ১,৩৫,১২৩ ৬,০২১ ৮৯,৬১৮
২৪ কানাডা ১,২১,৪১৪ ৯,০১৯ ১,০৭,৭৯৩
২৫ কাতার ১,১৪,৫৩২ ১৯০ ১,১১,২৫৮
২৬ কাজাখস্তান ১,০১,৮৪৮ ১,২৬৯ ৭৮,৬৩৩
২৭ ইকুয়েডর ৯৯,৪০৯ ৬,০৩০ ৭৯,১৭৬
২৮ বলিভিয়া ৯৬,৪৫৯ ৩,৮৮৪ ৩৩,৭২০
২৯ মিসর ৯৬,১০৮ ৫,১০৭ ৫৬,৮৯০
৩০ ইসরায়েল ৯১,০৮০ ৬৬৫ ৬৬,৯৬৫
৩১ ইউক্রেন ৮৭,৮৭২ ২,০১১ ৪৬,৭৯৭
৩২ চীন ৮৪,৭৮৬ ৪,৬৩৪ ৭৯,৪৬২
৩৩ ডোমিনিকান আইল্যান্ড ৮৪,৪৮৮ ১,৪০৯ ৪৯,৫৩৯
৩৪ সুইডেন ৮৪,২৯৪ ৫,৭৮৩ ৪,৯৭১
৩৫ ওমান ৮২,৭৪৩ ৫৫৭ ৭৭,৪২৭
৩৬ পানামা ৭৮,৪৪৬ ১,৭২২ ৫২,২১০
৩৭ বেলজিয়াম ৭৬,১৯১ ৯,৯১৬ ১৭,৯১৩
৩৮ কুয়েত ৭৫,১৮৫ ৪৯৪ ৬৬,৭৪০
৩৯ বেলারুশ ৬৯,৩০৮ ৬০৩ ৬৬,৪৫২
৪০ রোমানিয়া ৬৮,০৪৬ ২,৯০৪ ৩১,৯২০
৪১ সংযুক্ত আরব আমিরাত ৬৩,৮১৯ ৩৫৯ ৫৭,৪৭৩
৪২ নেদারল্যান্ডস ৬১,৮৪০ ৬,১৬৭ ২৫০
৪৩ গুয়াতেমালা ৬০,২৮৪ ২,২৯৬ ৪৮,৩০৫
৪৪ সিঙ্গাপুর ৫৫,৫৮০ ২৭ ৫১,০৪৯
৪৫ পোল্যান্ড ৫৫,৩১৯ ১,৮৫৮ ৩৮,৩৬২
৪৬ পর্তুগাল ৫৩,৭৮৩ ১,৭৭২ ৩৯,৩৭৪
৪৭ জাপান ৫১,১৪৭ ১,০৬৩ ৩৬,১৩৪
৪৮ হন্ডুরাস ৪৯,০৪২ ১,৫৪২ ৭,০৩২
৪৯ নাইজেরিয়া ৪৮,১১৬ ৯৬৬ ৩৪,৩০৯
৫০ বাহরাইন ৪৫,৭২৬ ১৬৭ ৪২,১৮০
৫১ ঘানা ৪১,৮৪৭ ২২৩ ৩৯,৭১৮
৫২ কিরগিজস্তান ৪১,৩৭৩ ১,৪৯১ ৩৩,৫৯২
৫৩ আর্মেনিয়া ৪১,২৯৯ ৮১৪ ৩৪,১৬৪
৫৪ মরক্কো ৩৯,২৪১ ৬১১ ২৭,৬৪৪
৫৫ সুইজারল্যান্ড ৩৭,৬৭১ ১,৯৯১ ৩২,৯০০
৫৬ আলজেরিয়া ৩৭,৬৬৪ ১,৩৫১ ২৬,৩০৮
৫৭ আফগানিস্তান ৩৭,৪৩১ ১,৩৬৩ ২৬,৭১৪
৫৮ আজারবাইজান ৩৪,০১৮ ৫০৪ ৩১,৪৯০
৫৯ উজবেকিস্তান ৩৩,৮২১ ২২০ ২৭,৮২৫
৬০ ভেনেজুয়েলা ৩০,৩৬৯ ২৫৯ ২১,৩৮৫
৬১ মলদোভা ২৯,৪৮৩ ৮৮৪ ২০,৫৫৬
৬২ কেনিয়া ২৯,৩৩৪ ৪৬৫ ১৫,২৯৮
৬৩ সার্বিয়া ২৯,২৩৩ ৬৬৫ ২৬,১১৭
৬৪ ইথিওপিয়া ২৭,২৪২ ৪৯২ ১১,৬৬০
৬৫ আয়ারল্যান্ড ২৬,৯৯৫ ১,৭৭৪ ২৩,৩৬৪
৬৬ কোস্টারিকা ২৬,১২৯ ২৭২ ৮,৪১২
৬৭ নেপাল ২৫,৫৫১ ৯৯ ১৭,০৭৭
৬৮ অস্ট্রিয়া ২২,৮৭৬ ৭২৫ ২০,৪৯৯
৬৯ অস্ট্রেলিয়া ২২,৭৪৩ ৩৭৫ ১৩,৩৫০
৭০ এল সালভাদর ২২,৩১৪ ৫৯৫ ১০,৪৫৫
৭১ চেক প্রজাতন্ত্র ১৯,৫৭৪ ৩৯৩ ১৩,৭৩১
৭২ ক্যামেরুন ১৮,৩০৮ ৪০১ ১৫,৩২০
৭৩ আইভরি কোস্ট ১৬,৮৮৯ ১০৭ ১৩,৫২২
৭৪ ফিলিস্তিন ১৫,৮৩৪ ১০৬ ৯,৩৮২
৭৫ বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা ১৫,৫৩৫ ৪৬৯ ৯,৩৪৪
৭৬ ডেনমার্ক ১৫,৩৭৯ ৬২১ ১৩,২১৬
৭৭ দক্ষিণ কোরিয়া ১৪,৮৭৩ ৩০৫ ১৩,৮৬৩
৭৮ বুলগেরিয়া ১৪,০৬৯ ৪৮৪ ৮,৯০১
৭৯ মাদাগাস্কার ১৩,৬৪৩ ১৬৪ ১২,০১১
৮০ উত্তর ম্যাসেডোনিয়া ১২,৫১৫ ৫৩৫ ৯,০৩০
৮১ সুদান ১২,১৬২ ৭৯৩ ৬,৩২৫
৮২ সেনেগাল ১১,৮৭২ ২৪৯ ৭,৬১৫
৮৩ নরওয়ে ৯,৮৮৭ ২৬১ ৮,৮৫৭
৮৪ ড্যানিশ রিফিউজি কাউন্সিল ৯,৬০৫ ২৩৮ ৮,৫১২
৮৫ মালয়েশিয়া ৯,১৪৯ ১২৫ ৮,৮২৮
৮৬ জাম্বিয়া ৯,০২১ ২৫৬ ৭,৫৮৬
৮৭ ফ্রেঞ্চ গায়ানা ৮,৪৭১ ৫১ ৭,৭৮৪
৮৮ প্যারাগুয়ে ৮,৩৮৯ ৯৭ ৫,৫১৬
৮৯ গিনি ৮,১৯৮ ৫০ ৭,১২০
৯০ গ্যাবন ৮,০৭৭ ৫১ ৫,৯২০
৯১ লেবানন ৮,০৪৫ ৯৪ ২,৫৫১
৯২ তাজিকিস্তান ৭,৯৮৯ ৬৩ ৭,২৩৫
৯৩ হাইতি ৭,৮১০ ১৯২ ৫,১২৩
৯৪ ফিনল্যাণ্ড ৭,৭০০ ৩৩৩ ৭,০৫০
৯৫ লুক্সেমবার্গ ৭,৩৬৮ ১২২ ৬,৪১৪
৯৬ আলবেনিয়া ৭,১১৭ ২১৯ ৩,৬৯৫
৯৭ লিবিয়া ৭,০৫০ ১৩৫ ৮১৬
৯৮ মৌরিতানিয়া ৬,৬৫৩ ১৫৭ ৫,৮৪৩
৯৯ গ্রীস ৬,৬৩২ ২২৩ ৩,৮০৪
১০০ ক্রোয়েশিয়া ৬,২৫৮ ১৬৩ ৫,১৩৪
১০১ মালদ্বীপ ৫,৫৭২ ২২ ৩,০১০
১০২ জিবুতি ৫,৩৫৮ ৫৯ ৫,১৬৭
১০৩ জিম্বাবুয়ে ৪,৯৯০ ১২৮ ১,৯২৭
১০৪ মালাউই ৪,৯৮৮ ১৫৬ ২,৫৭৬
১০৫ হাঙ্গেরি ৪,৮৫৩ ৬০৭ ৩,৫৯০
১০৬ ইকোয়েটরিয়াল গিনি ৪,৮২১ ৮৩ ২,১৮২
১০৭ সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিক ৪,৬৫২ ৬১ ১,৭২৮
১০৮ হংকং ৪,৩৬১ ৬৭ ৩,৩৯২
১০৯ নিকারাগুয়া ৪,১১৫ ১২৮ ২,৯১৩
১১০ মন্টিনিগ্রো ৩,৮৫৭ ৭৩ ২,৬৮০
১১১ কঙ্গো ৩,৭৪৫ ৬০ ১,৬২৫
১১২ নামিবিয়া ৩,৭২৬ ৩১ ৮৪৮
১১৩ ইসওয়াতিনি ৩,৬৭০ ৬৮ ১,৯৯১
১১৪ থাইল্যান্ড ৩,৩৭৬ ৫৮ ৩,১৭৩
১১৫ সোমালিয়া ৩,২৫০ ৯৩ ২,২৬৮
১১৬ কিউবা ৩,১৭৪ ৮৯ ২,৫২৫
১১৭ মায়োত্তে ৩,১১৯ ৩৯ ২,৯৪০
১১৮ কেপ ভার্দে ৩,০৭৩ ৩৩ ২,২৩২
১১৯ শ্রীলংকা ২,৮৮৬ ১১ ২,৬৫৮
১২০ স্লোভাকিয়া ২,৮০১ ৩১ ১,৯৪৪
১২১ সুরিনাম ২,৭৬১ ৪০ ১,৮৩০
১২২ মোজাম্বিক ২,৭০৮ ১৯ ১,০৭৫
১২৩ মালি ২,৫৯৭ ১২৫ ১,৯৭৯
১২৪ দক্ষিণ সুদান ২,৪৭৮ ৪৭ ১,১৭৫
১২৫ স্লোভেনিয়া ২,৩৬৯ ১২৯ ২,০২৭
১২৬ লিথুনিয়া ২,৩৫২ ৮১ ১,৬৯১
১২৭ রুয়ান্ডা ২,২০০ ১,৫৫৮
১২৮ এস্তোনিয়া ২,১৭৭ ৬৯ ১,৯৭৬
১২৯ গিনি বিসাউ ২,০৮৮ ২৯ ১,০১৫
১৩০ বেনিন ২,০১৪ ৩৮ ১,৬৮১
১৩১ আইসল্যান্ড ১,৯৮৩ ১০ ১,৯০৭
১৩২ সিয়েরা লিওন ১,৯৪৭ ৬৯ ১,৫০২
১৩৩ তিউনিশিয়া ১,৯০৩ ৫৩ ১,৩২০
১৩৪ ইয়েমেন ১,৮৫৮ ৫২৮ ১,০০৯
১৩৫ অ্যাঙ্গোলা ১,৮১৫ ৮০ ৫৭৭
১৩৬ গাম্বিয়া ১,৬২৩ ৫০ ৩০৪
১৩৭ নিউজিল্যান্ড ১,৬০২ ২২ ১,৫৩১
১৩৮ সিরিয়া ১,৫১৫ ৫৮ ৪০৩
১৩৯ উরুগুয়ে ১,৪০৯ ৩৭ ১,১৮০
১৪০ উগান্ডা ১,৩৮৫ ১২ ১,১৪২
১৪১ জর্ডান ১,৩২৯ ১১ ১,২২৯
১৪২ সাইপ্রাস ১,৩১৮ ২০ ৮৭০
১৪৩ লাটভিয়া ১,৩০৮ ৩২ ১,০৭৮
১৪৪ জর্জিয়া ১,৩০৬ ১৭ ১,০৮৫
১৪৫ মালটা ১,২৭৬ ৭৬২
১৪৬ লাইবেরিয়া ১,২৫২ ৮২ ৭৩৮
১৪৭ বুর্কিনা ফাঁসো ১,২২৮ ৫৪ ৯৯৭
১৪৮ বতসোয়ানা ১,২১৪ ১২০
১৪৯ নাইজার ১,১৬১ ৬৯ ১,০৭৫
১৫০ টোগো ১,১০৪ ২৬ ৭৯১
১৫১ বাহামা ১,০৮৯ ১৫ ১৩৮
১৫২ জ্যামাইকা ১,০৭১ ১৪ ৭৫৪
১৫৩ এনডোরা ৯৮৯ ৫৩ ৮৬৩
১৫৪ চাদ ৯৪৯ ৭৬ ৮৬০
১৫৫ ভিয়েতনাম ৯২৯ ২১ ৪৫১
১৫৬ আরুবা ৮৯৪ ১১৪
১৫৭ লেসোথো ৮৮৪ ২৫ ২৭১
১৫৮ রিইউনিয়ন ৭৫৪ ৬৩১
১৫৯ ডায়মন্ড প্রিন্সেস (প্রমোদ তরী) ৭১২ ১৩ ৬৫১
১৬০ সান ম্যারিনো ৬৯৯ ৪৫ ৬৫৭
১৬১ গায়ানা ৬৩১ ২৩ ২০২
১৬২ চ্যানেল আইল্যান্ড ৬০৭ ৪৮ ৫৫৫
১৬৩ তানজানিয়া ৫০৯ ২১ ১৮৩
১৬৪ তাইওয়ান ৪৮১ ৪৫০
১৬৫ ত্রিনিদাদ ও টোবাগো ৪১২ ১৩৯
১৬৬ বুরুন্ডি ৪১২ ৩১৫
১৬৭ কমোরস ৩৯৯ ৩৭৯
১৬৮ মায়ানমার ৩৬৯ ৩২১
১৬৯ গুয়াদেলৌপ ৩৬৭ ১৪ ২৮৯
১৭০ ফারে আইল্যান্ড ৩৬২ ২২৫
১৭১ বেলিজ ৩৫৬ ৩২
১৭২ মরিশাস ৩৪৫ ১০ ৩৩৪
১৭৩ মার্টিনিক ৩৩৬ ১৬ ৯৮
১৭৪ আইল অফ ম্যান ৩৩৬ ২৪ ৩১২
১৭৫ মঙ্গোলিয়া ২৯৭ ২৬৯
১৭৬ পাপুয়া নিউ গিনি ২৮৭ ৭৮
১৭৭ ইরিত্রিয়া ২৮৫ ২৪৮
১৭৮ কম্বোডিয়া ২৭৩ ২২৫
১৭৯ সিন্ট মার্টেন ২৬৩ ১৭ ১০২
১৮০ টার্কস্ ও কেইকোস আইল্যান্ড ২৫৮ ৫২
১৮১ জিব্রাল্টার ২০৫ ১৮৮
১৮২ কেম্যান আইল্যান্ড ২০৩ ২০২
১৮৩ বারমুডা ১৫৯ ১৪৫
১৮৪ মোনাকো ১৪৪ ১১৪
১৮৫ বার্বাডোস ১৪৪ ১১৮
১৮৬ ব্রুনাই ১৪২ ১৩৮
১৮৭ ফ্রেঞ্চ পলিনেশিয়া ১৩৯ ৬৪
১৮৮ ভুটান ১২৮ ১০০
১৮৯ সিসিলি ১২৭ ১২৬
১৯০ অ্যান্টিগুয়া ও বার্বুডা ৯৩ ৮৩
১৯১ সেন্ট মার্টিন ৯২ ৪৫
১৯২ লিচেনস্টেইন ৯১ ৮৭
১৯৩ সেন্ট ভিনসেন্ট ও গ্রেনাডাইন আইল্যান্ড ৫৭ ৫৫
১৯৪ ব্রিটিশ ভার্জিন দ্বীপপুঞ্জ ৫৪
১৯৫ ম্যাকাও ৪৬ ৪৬
১৯৬ কিউরাসাও ৩২ ৩০
১৯৭ ফিজি ২৮ ২০
১৯৮ সেন্ট লুসিয়া ২৫ ২৫
১৯৯ পূর্ব তিমুর ২৫ ২৪
২০০ গ্রেনাডা ২৪ ২৩
২০১ নিউ ক্যালেডোনিয়া ২৩ ২২
২০২ লাওস ২২ ১৯
২০৩ ডোমিনিকা ১৮ ১৮
২০৪ সেন্ট কিটস ও নেভিস ১৭ ১৭
২০৫ গ্রীনল্যাণ্ড ১৪ ১৪
২০৬ মন্টসেরাট ১৩ ১৩
২০৭ সেন্ট বারথেলিমি ১৩
২০৮ ক্যারিবিয়ান নেদারল্যান্ডস ১৩
২০৯ ফকল্যান্ড আইল্যান্ড ১৩ ১৩
২১০ ভ্যাটিকান সিটি ১২ ১২
২১১ পশ্চিম সাহারা ১০
২১২ জান্ডাম (জাহাজ)
২১৩ সেন্ট পিয়ের এন্ড মিকেলন
২১৪ এ্যাঙ্গুইলা
তথ্যসূত্র: চীনের জাতীয় স্বাস্থ্য কমিশন (সিএনএইচসি) ও অন্যান্য।
প্রবাস জীবনের অভিজ্ঞতা, ভ্রমণ, গল্প-আড্ডা, আনন্দ-বেদনা, অনুভূতি, স্বদেশের স্মৃতিচারণ, রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক লেখা পাঠাতে পারেন। ছবিসহ লেখা পাঠানোর ঠিকানা - [email protected]