কুরআনের সুরে দাওয়াত ও তাবলিগের অন্যতম রূপকার মানসুর সালেমি

ধর্ম ডেস্ক
ধর্ম ডেস্ক ধর্ম ডেস্ক
প্রকাশিত: ১০:৩৬ এএম, ১৪ জানুয়ারি ২০২০

শায়খ মানসুর সালেমি। মানুষকে অন্ধকার থেকে আলোর পথে নিয়ে আসার এক অন্যতম যাদুকর। এ সম্মানিত দাঈ পবিত্র কুরআনের সুরে সুরে মানুষকে আল্লাহর পথে ডাকেন।

তিনি সৌদি আরবের প্রসিদ্ধ ও বড় শহর জেদ্দার মাসআব ইবনে উমাইর মসজিদের সম্মানিত ইমাম। মানুষের হৃদয়ে আল্লাহ ভয় জাগ্রত করার এক সুনিপুর কারিগর। তার হাতিয়ার হচ্ছে সুললিত কণ্ঠে মহাগ্রন্থ আল-কুরআনের তেলাওয়াতে মাধ্যমে মানুষকে আল্লাহর পথে আহ্বান।

শায়খ মানসুর সালেমি মানুষকে অন্যায় থেকে ন্যায়ের পথে ফিরিয়ে আনতে করে যাচ্ছেন অক্লান্ত পরিশ্রম ও চেষ্টা। তার এ প্রচেষ্টা অন্যদের থেকে অনেকটাই অভিনব ও যুগোপযোগী।

১৯৮৩ সালে সৌদি আরবে জন্ম নেয়া ৩৭ বছরের এ যুবক কুরআনের দাওয়াত নিয়ে আসছেন মানুষের কাছে। কুরআন প্রেমিক সালেমি মানুষকে অন্যায় থেকে ফিরে থাকতে বার বার আল্লাহর ক্ষমা ও তাওবার কথা সুকৌশলে তুলে ধরছেন।

অনেকটাই বাংলাদেশের ওয়াজের মতো করেই তিনি তার মিশন পরিচালনা করছেন। তবে তাতে রয়েছে একটু ভিন্নতা। তিনি তার বক্তব্যগুলো উপস্থাপনে কুরআন ভিন্ন অন্য কোনো ভাষা প্রয়োগ করেন না।

ছোট ছোট মজলিসে তার পাশে দাঁড়িয়ে যে কোনো একজন মানুষের বিভিন্ন অপরাধের কথা বা ধরণ বলেন, আর তিনি কুরআনের আয়াতে ওই বিষয়ের সমাধান তুলে ধরেন। তার সুললিত কণ্ঠের কুরআনের আহ্বান মানুষের হৃদয়কে বিগলিত করে দেয়।

একবার ইউটিউবে মানসুর সালেমি সার্চ করেই দেখুন না। কত সুন্দর তেলাওয়াতে তিনি মানুষের মাঝে করে যাচ্ছেন দ্বীন ও ইসলামের প্রচার। যা মানুষকে সহজেই দ্বীন ও ইসলামের পথে নিয়ে আসতে আগ্রহী করে তোলে।

ইসলাম ও আল্লাহর পথে তার আহ্বান সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের কল্যাণে শুধু সৌদিতেই সীমাবদ্ধ নয়। তার এ সুন্দর সুরের কুরআনি আহ্বান পৌছে যাচ্ছে বিশ্বব্যাপী।

সামাজিক যোগাযোগের যে মাধ্যমই আপনি ব্যবহার করুন না কেন, কিছু সময়ের জন্য হলেও মানসুর সালেমি সার্চ করে তার ওয়াজ শুনে অশান্ত ও অতৃপ্ত মনকে করে তুলতে পারেন আলোকিত।

আল্লাহ তাআলা মানসুর সালেমির মেহনতকে কবুল করুন। পথহারা মানুষকে দ্বীন ও ইসলামের পথে আসার তাওফিক দান করুন। কুরআনের আহ্বান ও নসিহতগুলো যথাযথ গ্রহণ করার তাওফিক দান করুন। আমিন।

এমএমএস/এমকেএইচ

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]