ভালো ও মন্দ কাজের প্রতিদান সম্পর্কে কুরআনের নির্দেশনা কী?

ধর্ম ডেস্ক
ধর্ম ডেস্ক ধর্ম ডেস্ক
প্রকাশিত: ০৬:০৭ পিএম, ১৭ এপ্রিল ২০২১

ভালো কাজের সাওয়াব ১০ গুণ। কিন্তু মন্দ কাজের প্রতিদান তা-ই পাবে, যা সে করবে। আল্লাহ তাআলা বান্দার প্রতি এতবেশি দয়ালু যে, তিনি বান্দাকে ভালো কজে ১০গুণ সাওয়াব দেন আর মন্দ কাজ যা হবে তার পরিণামও সমান। পঞ্চম তরাবিহতে হাফেজে কুরআনদের তেলাওয়াতে এ ঘোষণা ওঠে আসবে এভাবে-
مَن جَاء بِالْحَسَنَةِ فَلَهُ عَشْرُ أَمْثَالِهَا وَمَن جَاء بِالسَّيِّئَةِ فَلاَ يُجْزَى إِلاَّ مِثْلَهَا وَهُمْ لاَ يُظْلَمُونَ
যে একটি সৎকর্ম করবে, সে তার দশগুণ পাবে এবং যে, একটি মন্দ কাজ করবে, সে তার সমান শাস্তিই পাবে। বস্তুতঃ তাদের প্রতি জুলুম করা হবে না।’ (সুরা আনয়াম : আয়াত ১৬০)

আজ পঞ্চম তারাবিহ। সুরা মায়েদার ৮৩নং আয়াত থেকে শেষ পর্যন্ত, সুরা আনআমসহ সুরা আ’রাফের ১১নং আয়াত পর্যন্ত পড়া হবে। আজ কুরআনের অনেক বিধান তেলাওয়াত হবে। এরমধ্যে অন্যতম হলো আল্লাহর একাধিক হুকুম অমান্য করার কাফফারাস্বরূপ রোজা রাখার গুরুত্বপূর্ণ বিধানও আজ পড়া হবে। আজকের পড়ার অংশে রয়েছে একাধিক দোয়া।

আজকের তারাবিহর শেষ আয়াতে আল্লাহর নির্দেশ পালনে ফেরেশতাদের আনুগত্য ও শয়তানের অবাধ্যতার কথা ওঠে এসেছে। আল্লাহ তাআলা সুরা আরাফে তা উল্লেখ করে বলেন-
'আর আমি তোমাদের (আদম আলাইহিস সালামকে) সৃষ্টি করেছি, এরপর আকার-অবয়ব তৈরি করেছি। অতপর আমি ফেরেশতাদেরকে বলছি- আদমকে সেজদা কর, তখন সবাই সেজদা করেছে, কিন্তু ইবলিস সে সেজদাকারীদের অন্তর্ভূক্ত ছিল না।' (সুরা আরাফ : আয়াত ১১)

সুরা মায়েদা
সুরা মায়েদা ১২০ আয়াত এবং ১৬ রুকুতে পরিপূর্ণ সুরা। হুদায়বিয়ার সন্ধির পর ৬ হিজরির শেষের দিকে অথবা ৭ হিজরির প্রথম দিকে এ সুরাটি মদিনায় অবতীর্ণ হয়েছে। সুরাটির ৮৩ থেকে শেষ আয়াত পর্যন্ত পড়া হবে। প্রথম আয়াতেই রয়েছে মুমিন মুসলমানদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ দোয়া। আর তাহলো-
رَبَّنَا آمَنَّا فَاكْتُبْنَا مَعَ الشَّاهِدِينَ
'হে আমাদের প্রতি পালক, আমরা মুসলমান হয়ে গেলাম। অতএব, আমাদেরকেও মান্যকারীদের তালিকাভুক্ত করে নিন।'

সুরাটির আলোচ্য সংক্ষিপ্ত আলোচ্য সূচি-
- আয়াত ৮৩ থেকে ১২০
কুরআনের সাত নম্বর পারার শুরুতেই আল্লাহ তাআলা আহলে কিতাবদের মধ্যে যারা সত্যের অনুসারি তাদের প্রশংসা করা হয়েছে। অতপর মুমিন বান্দার পুরস্কার এবং অবধ্যতাকারীদের পরিণাম আলোচনার পর শপথের কাফফার বিষয়টি সুস্পষ্ট ভাবে ওঠে এসেছে সুরা মায়িদার ৮৯নং আয়াতে। আবার অযথা কসম করার কারণে কাফফারা স্বরূপ রোজা রাখা কথাও উল্লেখ করা হয়েছে। আল্লাহ বলেন-
'আল্লাহ তোমাদেরকে পাকড়াও করেন না তোমাদের অনর্থক শপথের জন্যে; কিন্তু পাকড়াও করেন ঐ শপথের জন্যে যা তোমরা মজবুত করে বাধ। অতএব, এর কাফফরা এই যে, দশজন দরিদ্রকে খাদ্য প্রদান করবে; মধ্যম শ্রেনীর খাদ্য যা তোমরা স্বীয় পরিবারকে দিয়ে থাক। অথবা, তাদেরকে বস্তু প্রদান করবে অথবা, একজন ক্রীতদাস কিংবা দাসী মুক্ত করে দিবে। যে ব্যক্তি সামর্থ্য রাখে না, সে তিন দিন রোযা রাখবে। এটা কাফফরা তোমাদের শপথের, যখন শপথ করবে। তোমরা স্বীয় শপথসমূহ রক্ষা কর এমনিভাবে আল্লাহ তোমাদের জন্য স্বীয় নির্দেশ বর্ণনা করেন, যাতে তোমরা কৃতজ্ঞতা স্বীকার কর।‘ ( সুরা মায়েদা : আয়াত ৮৯)

আজকের তারাবির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিধান ঘোষিত হবে মদ-জুয়া ও মূর্তিপুজারীদের বিষয়ে। এ সুরার ৯০ ও ৯১ নং আয়াতে আল্লাহ তাআলা বলেন-
‘হে মুমিনগণ! মদ, জুয়া, ভাষ্কর্য, প্রতিকৃতি ও ভাগ্য নির্ণয়ক শর ঘৃণ্য বস্তু, শয়তানের কাজ। সুতরাং তোমরা তা বর্জন কর। তাহলে তোমরা সফল হতে পারবে। শয়তান তো মদ ও জুয়া দ্বারা তোমাদের মধ্যে শত্রুতা ও বিবাদ সৃষ্টি করতে চায়, জিকির ও নামাজ থেকে তোমাদের দূরে রাখতে চায়। তবে কি তোমরা বিরত হবে না?’

আজকের তেলাওয়াতকৃত অংশে মুসলমানদের উপদেশ প্রদান, ন্যায় ও ইনসাফ ও ভারসাম্যের রীতিনীতি অবলম্বনের বিষয় আলোকপাত করা হয়েছে। পাশাপাশি আল্লাহর হুকুম আনুগত্য মেনে চলার প্রতি গুরুত্বরোপ করা হয়েছে।

এ সুরার ৯৫নং আয়াতে ইহরাম অবস্থায় শিকার করার বিধানও দেয়া হয়েছে। যার কাফফারা স্বরূপও দেয়া হয়েছে রোজার বিধান। আল্লাহ তাআলা বলেন-
'হে মুমিনগণ, তোমরা ইহরাম অবস্থায় শিকার বধ করো না। তোমাদের মধ্যে যে জেনে শুনে শিকার বধ করবে, তার উপর বিনিময় ওয়াজেব হবে, যা সমান হবে ঐ জন্তুর, যাকে সে বধ করেছে। দু'জন নির্ভরযোগ্য ব্যক্তি এর ফয়সালা দেবে। বিনিময়ের জন্তুটি উৎসর্গ হিসেবে কাবায় পৌঁছাতে হবে। অথবা তার উপর কাফফারা ওয়াজেব হবে- কয়েকজন দরিদ্রকে খাওয়ানো অথবা তার সমপরিমাণ রোজা রাখতে হবে। যাতে সে স্বীয় কৃতকর্মের প্রতিফল আস্বাদন করে। যা হয়ে গেছে, তা আল্লাহ মাফ করেছেন। যে পুনরায় এ কাজ করবে, আল্লাহ তার কাছ থেকে প্রতিশোধ নেবেন। আল্লাহ পরাক্রান্ত, প্রতিশোধ গ্রহণে সক্ষম।' (সুরা মায়েদা : আয়াত ৯৫)

সুরাটির শেষ দিকে ইয়াহুদি খ্রিস্টানদের উপদেশ প্রদান করা হয়েছে। ইয়াহুদির শক্তি খর্ব করে মুসলিম সম্প্রদায়ের শক্তি বৃদ্ধি এবং ইসলামের সঠিক নীতি অবলম্বন করে পূববর্তী কিতাবের নীতি পরিহারের বিষয়ে আলোচনা করা হয়েছে।

এ সুরার শেষাংশে রয়েছে একটি গুরুত্বপূর্ণ দোয়া। যে দোয়ায় রয়েছে রিজিক ও রুটি-রুজির বরকতের আবেদন। যা মুমিন মুসলমানের জন্য খুবই উপযোগী। আল্লাহ তাআলা দোয়াটি এভাবে তুলে ধরেছেন-
اللَّهُمَّ رَبَّنَا أَنزِلْ عَلَيْنَا مَآئِدَةً مِّنَ السَّمَاء تَكُونُ لَنَا عِيداً لِّأَوَّلِنَا وَآخِرِنَا وَآيَةً مِّنكَ وَارْزُقْنَا وَأَنتَ خَيْرُ الرَّازِقِينَ
'হে আল্লাহ আমাদের পালনকর্তা আমাদের প্রতি আকাশ থেকে খাদ্যভর্তি খাঞ্চা অবতরণ করুন। তা আমাদের জন্যে অর্থাৎ, আমাদের প্রথম ও পরবর্তী সবার জন্যে আনন্দোৎসব হবে এবং আপনার পক্ষ থেকে একটি নিদর্শন হবে। আপনি আমাদের রুজি দিন। আপনিই শ্রেষ্ট রুজিদাতা।' (সুরা মায়েদা : আয়াত ১১৪)

সর্ব শেষ আয়াতে আল্লাহ তাআলা তার বিধান পালনকারীদের প্রতি সন্তুষ্টির কথা উল্লেখ করেছেন। মুমিনরাও আল্লাহর প্রতি সন্তুষ্ট থাকবেন। যাকে ইসলামে সবচেয়ে বড় সাফল্য বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

সুরা আনআম
মক্কায় নাজিল হওয়া ২০ রুকু ও ১৬৫ আয়াত সমৃদ্ধ কুরআনের ৬নং সুরা 'সুরা আনআম'। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যখন মানুষের কাছে ইসলামের দাওয়াত দেয়ার কাজ শুরুর পর ১২ বছর অতিবাহিত হয়। এ বছরগুলোতে কুরাইশদের প্রতিবন্ধকতা জুলুম অত্যাচার চরম পর্যায়ে পৌছেছিল।

ইসলাম গ্রহণকারীদের একটি দল কুরাইশদের অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে দেশত্যাগ তথা হিজরতে বাধ্য হয়েছিল। বিশ্বনবিকে সহযোগিতার জন্য তখন হজরত খাদিজা রাদিয়াল্লাহু আনহা ও আবু তালেব কেউ তখন জীবিত ছিলেন না। চরম প্রতিকূলতাপূর্ণ মুহূর্তে আল্লাহ তাআলা মক্কায় এ সুরা নাজিল করেন।

এ সুরার আলোচ্য বিষয়গুলো হলো-

-১ থেকে ৪১ পর্যন্ত
কাফেরদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব প্রদানের পর তাদের হঠকারী আচরণের তীব্র নিন্দা করা হয়েছে। তাদের বলা হয়েছে, তোমরা একটু চোখ মেলে দেখ ও ভাব। তোমরা যা বলছ ও করছ তা কতটুকু সঠিক?

- ৪২ থেকে ৯০ পর্যন্ত
আগের ধারাবাহিকতায় আল্লাহর অস্তিত্বে বিশ্বাস ও ঈমানের প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। এখানেও কাফেরদের মনে জাগা ও মুখে তোলা অনেক প্রশ্নের জবাব দেওয়া হয়েছে। মাঝে মাঝে পার্থিব জীবনের ক্ষণস্থায়িত্ব ও আখেরাতের স্থায়িত্বের কথা উল্লেখ করে মোমিন সম্প্রদায়কে নসিহত করা হয়েছে। এক পর্যায়ে ইবরাহিম আলাইহিস সালামের ঘটনার বর্ণনা এসেছে। কীভাবে তিনি নিজ সম্প্রদায়কে দাওয়াত দিয়েছিলেন, তার বিস্তারিত বর্ণনা।

- ৯১ থেকে ৯৪ পর্যন্ত
বান্দার জন্য আল্লাহর পক্ষ থেকে কিতাব নাজিলের প্রয়োজনীয়তা ও বাস্তবতা এবং অন্যদিকে কুরআনের সাথে কাফের সম্প্রদায়ের আচরণ প্রসঙ্গে আলোচনা করা হয়েছে।

- ৯৫ থেকে ১১০ পর্যন্ত
তায়ালা নিজেই নিজের পরিচয় দিয়েছেন। তিনি কীভাবে বিশ্বরাজ্য পরিচালনা করছেন, এর কয়েকটি উদাহরণ দিয়ে তাঁর প্রতি ঈমান আনার উদাত্ত আহ্বান জানানো হয়েছে। অতপর তিনি ঈমানদারদের জন্য কিছু নিদর্শন তুলে ধরেন। আল্লাহ বলেন-
'তিনিই আকাশ থেকে পানি বর্ষণ করেছেন অতপর আমি এর দ্বারা সর্বপ্রকার উদ্ভিদ উৎপন্ন করেছি, অতঃর আমি এ থেকে সবুজ ফসল নির্গত করেছি, যা থেকে যুগ্ম বীজ উৎপন্ন করি। খেজুরের কাঁদি থেকে গুচ্ছ বের করি, যা নুয়ে থাকে এবং আঙ্গুরের বাগান, যয়তুন, আনার পরস্পর সাদৃশ্যযুক্ত এবং সাদৃশ্যহীন। বিভিন্ন গাছের ফলের প্রতি লক্ষ্য কর যখন সেুগুলো ফলন্ত হয় এবং তার পরিপক্কতার প্রতি লক্ষ্য কর। নিশ্চয় এ গুলোতে নিদর্শন রয়েছে ঈমানদারদের জন্যে।' (সুরা আনআম : আয়াত ৯৯)

- ১১১ থেকে ১২৯ পর্যন্ত
চোখের সামনে এতসব নিদর্শন দেখেও অনেকেই আল্লাহর প্রতি ঈমান আনবে না। তারা উল্টো হঠকারী আচরণ করবে। এদের পরকালীন জীবন কত কষ্টকর ও যন্ত্রণাদায়ক হবে, তা বলা হয়েছে। মানুষকে কিছু বিশেষ নসিহত করা হয়েছে, যাতে মানুষ আল্লাহ তাআলা, কিতাব, নবি ও আখেরাতের প্রতি ঈমান আনতে পারে।

- ১৩০ থেকে ১৫৪ পর্যন্ত
উম্মতে মুহাম্মদির জন্য আল্লাহ তায়ালা কী খাদ্য হারাম করেছেন, আর ইহুদিদের জন্য কী হারাম করেছিলেন, তার একটা তুলনামূলক পর্যালোচনা করা হয়েছে। এরপর আল্লাহ তায়ালা বিকৃত ইহুদি ধর্মের সঠিক রূপ বলে দিয়েছেন। ওই ধর্মে বাস্তবে কী কী নিষিদ্ধ ছিল, তা স্পষ্ট করে বলা হয়েছে।

অতপর এ সুরার বাকি অংশে কুরআনের স্বার্থকতা ও উপকারিতার কথা তুলে ধরা হয়েছে। শেষ দিকে মানুষের জীবন সবকিছু মহান রবের জন্য এ কথার ঘোষণা দেয়া হয়েছে। আল্লাহ বলেন-
'(হে রাসুল!)আপনি বলুন- আমার নামাজ, আমার কুরবানি এবং আমার জীবন ও মরণ বিশ্ব-প্রতি পালক আল্লাহরই জন্যে।' (সুরা আনআম : আয়াত ১৬২)

সর্বোপরি বিশ্বনবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের দীর্ঘ পরিশ্রম ও অক্লান্ত চেষ্টা সাধনায় যখন ইসলামের প্রচার ও প্রসার ফলপ্রসু হচ্ছিল না তখন প্রিয়নবি ও মুসলমানদের হতাশা ও অস্থিরতার সৃষ্টি হয়েছিল তা থেকেই মূলতঃ সান্ত্বনা দেয়া হয়েছে এ সুরায়।

সুরা আরাফ
মক্কায় নাজিল হওয়া সুরাটির আয়াত সংখ্যা ২০৬। রুকু সংখ্যা ২৪। আজ সুরার ১১টি আয়াত পাঠ কা হবে। এ সুরাটিও সুরা আনআমের সমকালীন সময়ে নাজিল করা হয়েছে। তবে এ সুরায় বিশ্বনবির রিসালাতের প্রতি ঈমানের ব্যাপারে তাগিদ করা হয়েছে। এ সুরায় বিশ্বনবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের প্রতি আনুগত্য করার জন্য বিশ্ববাসীকে উদ্বুদ্ধ করাই হলো সুরার মূল লক্ষ্য এবং উদ্দেশ্য।

এ সুরার ১১নং আয়াতে আল্লাহ তাআলা তার নির্দেশ পালনের বিষয়টি তুলে ধরেছেন। যেখানে বলা হয়েছে আল্লাহর নির্দেশ পেয়ে ফেরেশতাকুল আদম আলাইহিস সালামকে সেজদা করেছিল। আল্লাহর নির্দেশের আনুগত্য করেছিল কিন্তু শয়তান তা অমান্য করে। আর এটি মুমিন মুসলমানদের জন্য অনে গুরুত্বপূর্ণ নসিহত। মুমিন মুসলমান ফেরেশতাদের মতো বিনা প্রশ্নে আল্লাহর নির্দেশ পালন করবে। আল্লাহ তাআলা বলেন-
'আর আমি তোমাদেরকে সৃষ্টি করেছি, এরপর আকার-অবয়ব, তৈরি করেছি। অতপর আমি ফেরেশতাদেরকে বলছি-আদমকে সেজদা কর তখন সবাই সেজদা করেছে, কিন্তু ইবলিস সে সেজদাকারীদের অন্তর্ভূক্ত ছিল না।' (সুরা আরাফ : আয়াত ১১)

আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে কুরআনের উল্লেখিত বিষয়গুলো বুঝে বাস্তব জীবনে আমল করার তাওফিক দান করুন। তাওহিদ রেসালাত ও আখেরাতের বিষয়ে সর্বোচ্চ ধৈর্যধারন ও ত্যাগের গুণাবলী অর্জন করে কুরআনের সমাজ বিনির্মাণের তাওফিক দান করুন। কুরআনের প্রতি শুকরিয়া জ্ঞাপন এবং রিজিকের ধনভান্ডার লাভে উল্লেখিত দোয়া দুটি পড়ার তাওফিক দান করুন। আমিন।

এমএমএস/এমকেএইচ

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]