কথা রাখলেন কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক


প্রকাশিত: ০৩:৩৬ পিএম, ২৭ মে ২০১৭

সারাদেশে যখন জঙ্গি হামলাসহ বিভিন্ন ইস্যুতে রাজনৈতিক অঙ্গন অস্থির তখনও নীলফামারীর অসহায় ব্রেইন টিউমারে আক্রান্ত মেয়েটির খোঁজখবর রেখেছেন তিনি। শত ব্যস্ততার মাঝেও প্রতিশ্রুতি ভুলে যান নি কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক এস এম জাকির হোসেইন।

গত সপ্তাহে প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী চিকিৎসা সহায়তার অর্থ অসহায় রুমা ও তার ভাই রনির হাতে তুলে দিয়েছেন তিনি। শনিবার সন্ধ্যায় এস এম জাকির জাগো নিউজকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এ সময় জাকির বলেন, টাকা পাবার পর রুমাকে নিয়ে তার ভাই ইতোমধ্যে ভারতে চলে গেছে। সম্ভবত আগামী সপ্তাহে রুমার অপারেশন।

তিনি বলেন, ঢাকার নিউরোসায়েন্সেস হাসপাতাল থেকে ফিরে যাওয়ার পর রুমাকে রাজধানীর একটি প্রাইভেট ক্লিনিকে ডাক্তার দেখানো হয়। সেখানে ডাক্তারের পরামর্শ নিয়েই ভারতে চিকিৎসা করতে গেছে রুমা। এই সময়ের মধ্যে পাসপোর্ট ও ভিসা করতে দেরি হওয়ায় এতদিন রুমা বাড়িতেই ছিলেন। তবে তার নিয়মিত খোঁজখবর রাখতাম।

তরুণ এই ছাত্র নেতা বলেন, ছাত্রলীগ সব সময় দেশের মানুষের জন্য কাজ করেছে, আগামীতেও করবে। তারা শুধু প্রতিশ্রুতি দেয় না বাস্তবায়নও করে। সর্বোপরি রুমার সুস্থতা কামনা করছি।

ruma

প্রসঙ্গত, নীলফামারী জেলা শহরের সবুজপাড়া মহল্লার পত্রিকার হকার মোবারক খানের মেয়ে রুমা আক্তার ব্রেইন টিউমারে আক্রান্ত হয়ে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস ও হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। এক পর্যায়ে টাকা শেষ হয়ে যাওয়ায় তার ভাই রনি তাকে নিয়ে বাড়ি চলে যায়।

৩ ফেব্রুয়ারি জাগো নিউজে হাসপাতাল থেকে বোনকে নিয়ে বাড়ি চলে গেলেন ভাই শিরোনামে সংবাদ প্রকাশ হলে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক এস এম জাকির হোসেইনের নজরে আসে।

এরপর তিনি জাগো নিউজের সহকারী বার্তা সম্পাদক মাহাবুর আলম সোহাগের সঙ্গে যোগাযোগ করে রুমার চিকিৎসার দায়িত্ব নেয়ার কথা জানান এবং তাকে ঢাকায় নিয়ে আসার পরামর্শ দেন। তার কথা অনুযায়ী ৭ ফেব্রুয়ারি রুমাকে নিয়ে ঢাকায় আসেন তার ভাই রনি। সঙ্গে আসেন তার মা। হাসপাতালে ঠাঁই হলো না সেই রুমার

ওইদিন সকালে রুমাকে পুনরায় নেয়া হয় নিউরোসায়েন্সেস হাসপাতালে। বেলা ১২টার পর ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক এস এম জাকির হোসেইন নিজেও হাসপাতালে আসেন রুমার খোঁজখবর নিতে। হাসপাতালে অনাকাঙ্খিত এক ঘটনার কারণে রুমা সেখানে চিকিৎসা না করার সিদ্ধান্ত নেন। এসময় প্রতিশ্রুতি রক্ষা করতে এবং অসহায় রুমার কথা চিন্তা করে এস এম জাকির জানান, যেখানেই রুমার চিকিৎসা হবে সেখানেই তিনি সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

তারই দেয়া আশ্বাসে রুমার পরিবার ভারতে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। অবশেষে সেই প্রতিশ্রুতিই রক্ষা করলেন তরুণ এই ছাত্র নেতা।

এমএএস/আরআইপি

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।