৬ দিনে ৩৬ মৃত্যু : কারণ শুধুই নিউমোনিয়া?

আবু আজাদ
আবু আজাদ আবু আজাদ , নিজস্ব প্রতিবেদক চট্টগ্রাম
প্রকাশিত: ১০:৪২ পিএম, ০৩ এপ্রিল ২০২০

২ জানুয়ারি ২০২০। চারদিন লাইফ সাপোর্টে থাকার পর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে মারা যান সাবেক সংসদ সদস্য ফজিলাতুন্নেসা বাপ্পী। সে সময় তার মৃত্যুর কারণ হিসেবে ‘এটিপিক্যাল নিউমোনিয়া’কে (অস্বাভাবিক নিউমোনিয়া) দায়ী করেন চিকিৎসকরা। গত ২৭ মার্চ রাজধানীর গণস্বাস্থ্য নগর হাসপাতালে নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান বিএনপির আইন বিষয়ক সম্পাদক ও খালেদা জিয়ার আইনজীবী সানাউল্লাহ মিয়া।

নিউমোনিয়া বা এটিপিক্যাল নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয়ে যে শুধু এ দুই রাজনীতিবিদের মৃত্যু হয়েছে তা কিন্তু নয়। গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদের হিসাবে, গত ৬ দিনে দেশের ২৯ জেলায় জ্বর-সর্দি–কাশি ও শ্বাসকষ্ট নিয়ে মারা গেছেন ৩৬ জন। চিকিৎসকরা এদের মৃত্যুর জন্য অধিকাংশ ক্ষেত্রে নিউমোনিয়া ও কিছু ক্ষেত্রে এটিপিক্যাল নিউমোনিয়ার কথা বলেছেন।

এমনিতেই করোনাভাইরাস আতঙ্কে পুরো দেশ। সেই আতঙ্কের মাঝেই নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয়ে একের পর এক মৃত্যুর সংবাদ নতুন করে আশঙ্কা জাগাচ্ছে মানুষের মনে। সর্বশেষ বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) রাতে মেহেরপুর সদর উপজেলার কোলা গ্রামে শ্বাসকষ্টে ৩৫ বছর বয়সী এক ব্যক্তি, মাগুরায় এক কলেজ ছাত্র ও সাতক্ষীরায় এক সবজি বিক্রেতার মৃত্যু হয়েছে। এর আগে বুধবার (১ এপ্রিল) চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালে আইসোলেশন ইউনিটে ভর্তি এক কিশোরের মৃত্যু হয়। স্বাস্থ্য বিভাগ জানিয়েছে, এটিপিক্যাল নিউমোনিয়া ‘য় আক্রান্ত হয়ে ওই কিশোরের মৃত্যু হয়েছে।

চট্টগ্রামের সিভিল সার্জন সেখ ফজলে রাব্বি জাগো নিউজকে বলেন, ‘কক্সবাজারের যে ছেলেটি চট্টগ্রামে আইসোলেশনে থাকা অবস্থায় মারা গেছে, তার নমুনায় করোনার অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি। এছাড়া তার বিদেশ ফেরত কারও সংস্পর্শে থাকারও ইতিহাস নেই। আমরা ধারণা করছি এটিপিক্যাল নিউমোনিয়ায় তার মৃত্যু হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘মূলত এটা ফ্লু’র মৌসুম। এই সময়ে স্বাভাবিকভাবেই সর্দি-কাশি হয়ে থাকে মানুষের। এছাড়া বিভিন্ন হাসপাতালে নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয়ে প্রায়ই রোগী মারা যায়। কিন্তু এখন করোনার কারণে সব মৃত্যুই গণনায় আসছে, সেই কারণে নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয়ে রোগীর মৃত্যুর বিষয়টি সামনে চলে আসছে।’

ctg-1

স্বাস্থ্য অধিদফতরের নিয়ন্ত্রণকক্ষ থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, চার বছরের মধ্যে এই মৌসুমেই সবচেয়ে বেশিসংখ্যক মানুষ শ্বাসতন্ত্রের রোগে আক্রান্ত হয়েছেন।

তবে স্বাস্থ্য অধিদফতরের নিয়ন্ত্রণকক্ষ থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, চার বছরের মধ্যে এই মৌসুমেই সবচেয়ে বেশিসংখ্যক মানুষ শ্বাসতন্ত্রের রোগে আক্রান্ত হয়েছে। শ্বাসতন্ত্রের প্রদাহজনিত রোগ বা অ্যাকিউট রেসপিরেটরি ইনফেকশন (এআরআই) বলতে সর্দি–কাশি, গলাব্যথা থেকে শুরু করে ব্রঙ্কাইটিস (শ্বাসনালীর ভেতরে আবৃত ঝিল্লিতে সংক্রমণ), ব্রঙ্কোলাইটিস ও নিউমোনিয়াকে বোঝানো হয়ে থাকে।

নিয়ন্ত্রণকক্ষের তথ্যমতে, এ বছরের মার্চে গত বছরের মার্চের তুলনায় এআরআইতে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ১৪ গুণ পর্যন্ত বেড়েছে। এ বছর ৩০ মার্চ পর্যন্ত আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ছিল ১১ হাজার ৯৩০। এর আগের বছর অর্থাৎ ২০১৯ সালে এই সংখ্যা ছিল ৮২০, ২০১৮ সালে ১০১০ এবং ২০১৭ সালে ১৪১ জন। একইভাবে দেখা যাচ্ছে, এ বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে এআরআইতে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ছিল ২৪ হাজার ৯৫০, গত বছর এই সংখ্যা ছিল ৪ হাজার ৪৬০। এর এক মাস আগে অর্থাৎ জানুয়ারিতে রোগীর সংখ্যা ছিল ২৬ হাজার ৬৪১। গত বছরের জানুয়ারিতে আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ৭ হাজার ৫২০।

গত চার বছরের তুলনায় এ বছরই শ্বাসতন্ত্রের রোগে আক্রান্ত আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা এতো বেশি কেন, এ প্রশ্ন তুলছেন খোদ চিকিৎসকরাই। তারা বলছেন, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্দেশনা মেনে এটিপিক্যাল নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত রোগীদের অবশ্যই করোনা পরীক্ষার আওতায় আনতে হবে।

প্রদাহজনিত রোগ বা এআরআই রিপোর্টের একটি বিষয় নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন চিকিৎসকরাও। সেটি হলো, গত নভেম্বর মাসে ২৯ জন মানুষ মারা যাওয়ার বিষয়ে জানানো হলেও পরের চার মাসে মাত্র একজন ব্যক্তি মারা গিয়েছেন বলে উল্লেখ করা হচ্ছে ওই রিপোর্টে।

ctg-3

২০১৯ সালের নভেম্বর মাসে শ্বাসতন্ত্রের রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ২৯ জন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক চিকিৎসক জাগো নিউজকে বলেন, এটিপিক্যাল নিউমোনিয়ায় মারা যাওয়া রোগীর করোনা পরীক্ষা করে আসলে তেমন লাভ নেই। কারণ মরদেহে থাকা ভাইরাস কয়েকঘণ্টার মধ্যেই মারা যায়। তাই করোনা পরীক্ষার ফলাফল নির্ভর করছে কখন নমুনা সংগ্রহ হলো, পরীক্ষা হলো কখন, সেটার ওপর। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এবং আমাদের স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের গাইডলাইন অনুযায়ী হাসপাতালে ভর্তি সকল এটিপিক্যাল নিউমোনিয়ার রোগীদের কোভিড-১৯ এর টেস্ট করার নির্দেশনা আছে। তাই সকল এটিপিক্যাল নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত ব্যক্তিকে করোনা ভাইরাসের পরীক্ষায় আনতে হবে।

তিনি বলেন, আমাদের হাসপাতালগুলোতে তথ্য থাকে না, নয়তো গত তিন মাসে কী পরিমাণ মানুষ এটিপিক্যাল নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয়েছেন, সে তথ্য থাকলে এটির গুরুতর রূপ আমাদের সামনে আসতো। আর এখনতো রোগীরা নিজেরাই হাসপাতালে আসছেন না। তাই আমরা এর সঠিক হিসাব কোনোভাবেই পাব না।

এ বিষয়ে চট্টগ্রামের সিভিল সার্জন সেখ ফজলে রাব্বি জাগো নিউজকে বলেন, ‘স্বাস্থ্য বিভাগ থেকে এ বিষয়ে নির্দেশনা আছে, মূলত যখন করোনার কমিউনিটি ট্রান্সমিশন ঘটবে তখন আমরা সব এটিপিক্যাল নিউমোনিয়া রোগীকে করোনা ভাইরাসের পরীক্ষার আওতায় নিয়ে আসব।’

এটিপিক্যাল নিউমোনিয়ায় মৃত্যু নিয়ে বিশ্বে কী হচ্ছে?
দেশের গণমাধ্যমে গত ৬ দিনে নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয়ে ৩৬ জনের মৃত্যুর যে খবর প্রকাশ হয়েছে, সংশ্লিষ্টরা মনে করেন প্রকৃতপক্ষে এ সংখ্যা আরও বেশি। তবে এ রোগে আক্রান্ত হয়ে শুধু যে এ দেশেই মানুষ মারা যাচ্ছেন, বিষয়টি কিন্তু এমন নয়, করোনা প্রাদুর্ভাব বা এর আগে সার্স, নিপাহ বা স্প্যানিশ ফ্লু’র প্রাদুর্ভাবের সময়ও অনেক মানুষ নিউমোনিয়ায় ও এটিপিক্যাল নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয়ে মারা গিয়েছিলেন সারাবিশ্বে।

ctg-4

মেক্সিকান সংবাদমাধ্যম ‘ইউকাটান টাইমস’ জানিয়েছে, তাদের দেশে এক সপ্তাহে ৭০ জন মানুষ ‘এটিপিক্যাল নিউমোনিয়ায়’ আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন।

মেক্সিকান সংবাদমাধ্যম ‘ইউকাটান টাইমস’ গত ২৮ মার্চ তাদের এক রিপোর্টে জানিয়েছে, মেক্সিকোতে এর আগের এক সপ্তাহে ৭০ জন মানুষ ‘এটিপিক্যাল নিউমোনিয়ায়’ আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন। তবে এদের কারও শরীরেই করোনাভাইরাসের অস্তিত্ব মেলেনি বলে দাবি করে সেদেশের স্বাস্থ্য বিভাগ।

এ ঘটনার পর সেখানকার হোম ইউনিয়নের প্রতিনিধিরা তাদের স্বাস্থ্য বিভাগকে এসব মৃত্যুর সুনির্দিষ্ট কারণ জানানোর আহ্বান জানান। যাতে অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায় তাদের পরিবারের সদস্যরা অংশ নিতে পারেন। তারা বলেছেন, এই তথ্যের প্রয়োজন আছে। প্রকৃত কারণ না জেনে যদি পরিবারের বয়োবৃদ্ধরা এই অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায় অংশ নেন তাহলে তারা করোনা সংক্রমণের ঝুঁকিতে পড়ে যেতে পারেন।

তবে মেক্সিকো বা বাংলাদেশ কেবল নয়, চীনের উহানে করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব শুরুর পর খোদ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এটিকে নিউমোনিয়া হিসেবে উল্লেখ করছিলো। ৫ জানুয়ারি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা তাদের এক রিপোর্টে উল্লেখ করে, ‘চীনে অজানা কারণে নিউমোনিয়ার প্রাদুর্ভাব ঘটছে। সম্প্রতি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার স্থানীয় অফিসকে চীনের হুবেই প্রদেশের উহান শহরে শনাক্ত করা অজ্ঞাত নিউমোনিয়া সম্পর্কে জানানো হয়েছে।’ ওই রিপোর্টে ৩ জানুয়ারি পর্যন্ত মোট ৪৪ জন নাগরিক অজানা নিউমোনিয়া বা এটিপিক্যাল নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয়েছেন বলে জানানো হয়।

এর আগে ২০০৩ সালে চীনে যখন সার্স রোগের প্রাদুর্ভাব শুরু হয়েছিলো, তখনো সার্স একটি ভাইরাস হিসেবে শনাক্ত হওয়ার আগে এটিকে এটিপিক্যাল নিউমোনিয়া হিসেবেই বলা হচ্ছিলো। মূলত সর্দি-কাশি-জ্বর ও শ্বাসতন্ত্রের রোগে আক্রান্ত হওয়ার পেছনে যখন নিউমোনিয়ার কোনো কারণ খুঁজে পাওয়া যায় না তখনই এটিকে এটিপিক্যাল নিউমোনিয়া বা অজানা নিউমোনিয়া বলা হয়। যা আমাদের দেশে এই মুহূর্তে কিছু কিছু ক্ষেত্রে ঘটেছে।

নিউমোনিয়া বা এটিপিক্যাল নিউমোনিয়া নিয়ে শঙ্কা যেখানে
চট্টগ্রামের বিভাগীয় পরিচালক (স্বাস্থ্য) ডা. হাসান শাহরিয়ার কবির জাগো নিউজকে বলেন, ‘আমাদের কাছে যদি আগের ডাটাগুলো থাকতো তাহলে মিলিয়ে দেখা যেতো যে আসলে নিউমোনিয়া রোগী বেড়েছে কি-না। সিজনাল কারণে অনেক সময় ফ্লু ‘র প্রাদুর্ভাব হয়।’

অনেক সময় ভাইরাসের বিস্তারকালে বাদবাকি রোগেরও লক্ষণ বেশি হয় জানিয়ে তিনি বলেন, ‘একই সময়ে ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়া দুই কারণেই নিউমোনিয়া হতে পারে। যেহেতু দুটির লক্ষণ ও রোগ একই ধরনের হয়, তাই দুটিকে আলাদা করা কঠিন।’

ctg-2

জানুয়ারির ১০ তারিখ পর্যন্ত চীনা গণমাধ্যম করোনাভাইরাসকে ‘উহান নিউমোনিয়া’ বলে প্রচার করছিলো।

করোনার রূপ বদলের ফলে আশঙ্কা বাড়ছে জানিয়ে এই চিকিৎসক বলেন, ‘করোনা ইতোমধ্যেই ৩৬৭ বার তার রূপ বদলেছে বলে বিজ্ঞানীরা জানাচ্ছেন। আগে বলা হচ্ছিলো করোনা গরম দেশে হয় না, কিন্তু এখন আমরা দেখছি মধ্যপ্রাচ্যে এর প্রাদুর্ভাব শুরু হয়ে গেছে। এ অবস্থায় একই ধরনের লক্ষণ নিয়ে বাড়তে থাকা নিউমোনিয়া উদ্বেগের কারণ। আমরা জানি না এই রোগটির নতুন কোনো ফর্ম আছে কি-না।’

সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে জানা গেছে, যুক্তরাষ্ট্র ও আইসল্যান্ডে শনাক্ত হওয়া করোনা আক্রান্তদের প্রায় অর্ধেকের শরীরেই কোনো ধরনের উপসর্গ দেখা যায়নি। আইসল্যান্ডে করোনা সংক্রমণের ডাটা বিশ্লেষণ করে গবেষকরা জানিয়েছেন, দেশটিতে আক্রান্তদের প্রায় অর্ধেকই উপসর্গহীন। যুক্তরাষ্ট্রের সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন (সিডিসি) জানিয়েছে, তাদের দেশে উপসর্গহীন করোনা রোগীর হার অন্তত ২৫ শতাংশ।

শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিক্যাল কলেজের ভাইরোলজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. জাহিদুর রহমান বলেন, ‘করোনা মহামারি শুরুর পর থেকে সাসপেক্টেড সব কেসকে যদি পরীক্ষার আওতায় আনা হতো, সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে থাকতো। তাই কেবল তাদের গাইডলাইন অনুযায়ী লক্ষণ থাক না থাক, কনট্যাক্ট ট্রেসিং করে হাসপাতালে ভর্তি অবস্থায় যারা শনাক্ত হয়েছেন, তাদের সংস্পর্শে আসা চিকিৎসকসহ সব স্বাস্থ্যকর্মীর টেস্ট করতে হবে। একইসঙ্গে সন্দেহভাজন কেউ মারা গেলে তাদের মৃতদেহ থেকে নমুনা নিয়ে টেস্ট করা অত্যন্ত জরুরি। সারাদেশের এটিপিক্যাল নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত রোগীদের টেস্ট করতে হবে, নয়তো প্রকৃত চিত্র বোঝা যাবে না। বটম লাইন ইজ, টেস্ট, টেস্ট অ্যান্ড টেস্ট।’

নিউমোনিয়া কী?
চিকিৎসকরা বলছেন, যখন ফুসফুসে বিভিন্ন ধরনের ব্যাকটেরিয়া এবং ভাইরাস সংক্রমিত হয় যা শ্বাসযন্ত্রের উপর আক্রমণ করে, তখন এটিকে নিউমোনিয়া বলে। এটি ফুসফুসের এক বা উভয় অংশকে প্রভাবিত করতে পারে এবং সম্ভবত একজন ব্যক্তি এতে খুব অসুস্থ হতে পারে। ফুসফুসের বায়ুথলিগুলি সংক্রমণের দ্বারা সংক্রমিত হয় এবং শ্লেষ্মা, পুঁজ ও অন্যান্য তরল দিয়ে ভরে যায়, যা শ্বাস নেয়া কঠিন করে তোলে। সাধারণ উপসর্গ হলো কাশি, যা ফুসফুস থেকে গাঢ় শ্লেষ্মার সঙ্গে হয়, এটা সবুজ, বাদামি বা রক্তের ছিটেযুক্ত হতে পারে। ঠাণ্ডা বা ফ্লু’র কারণে এবং প্রায়ই শীতকালের পরে আমাদের দেশে নিউমোনিয়ার আক্রান্ত রোগী দেখা যায়। নিউমোনিয়া এক বা দুই দিনের মধ্যে বা কয়েক দিনের মধ্যে সতর্কতা ছাড়াই মানুষকে আক্রান্ত করতে পারে। এটি দুই বছরের কম বয়সী শিশু ও ৬৫ বছরের বেশি বয়স্কদের জন্য গুরুতর এবং বিপজ্জনক হতে পারে।

নিউমোনিয়া মানেই কি করোনাভাইরাস?
নিউমোনিয়া আমাদের দেশে একটি পরিচিত রোগ। সমাজে ও পরিবেশে বিদ্যমান জীবাণুর সংক্রমণে এটি হয়ে থাকে। তবে এ দুটির মূল পার্থক্য হচ্ছে নিউমোনিয়া একটি ব্যাকটেরিয়াজনিত রোগ। বিপরীতে করোনা একটি ভাইরাস। তবে অনেক ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া, এমনকি ফাঙ্গাসও নিউমোনিয়ার কারণ হতে পারে। করোনাভাইরাসও এক ধরনের নিউমোনিয়া সৃষ্টি করে থাকে।

ctg-5

৫ জানুয়ারি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা তাদের এক রিপোর্টে উল্লেখ করে, ‘চীনে অজানা কারণে নিউমোনিয়ার প্রাদুর্ভাব ঘটছে’।

৬০ বছরের বেশি বয়স্ক ব্যক্তি, উচ্চ রক্তচাপ, হৃদযন্ত্রের সমস্যা, ডায়াবেটিস বা ক্যানসার রোগীর কোভিড–১৯ থেকে জটিলতা হয়ে নিউমোনিয়া হওয়ার আশঙ্কা বেশি থাকে। কোভিড–১৯ সংক্রান্ত নিউমোনিয়ায় প্রায় শতকরা ৯৯ ভাগ মানুষের জ্বর থাকে। তবে জ্বর ছাড়া করোনা-নিউমোনিয়া হওয়ার সম্ভাবনা নেই বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা। তাই কেউ যদি নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয়, সঙ্গে জ্বর থাকে, তাহলে তাকে অবশ্যই সংশ্লিষ্ট বিভাগে যোগাযোগ করতে হবে।

করোনা নিউমোনিয়ায় দুটি ফুসফুসই সমানভাবে আক্রান্ত হয়। দুটি কালো ফুসফুসেই সমভাবে ছড়ানো ছিটানো বিভিন্ন আকারের সাদা সাদা দাগ দেখা যায়। বুকের সিটি স্ক্যান করা হলে আরেকটু ভালো ক্লু মেলে। কমিউনিটি অ্যাকোয়ার্ড নিউমোনিয়ায় কফ কালচার করে যথাযথ অ্যান্টিবায়োটিক চিকিৎসা দিলে রোগী সুস্থ হয়ে ওঠে। কিন্তু করোনা নিউমোনিয়া নিরাময়ের জন্য কোনো কার্যকর চিকিৎসা এখনো আবিষ্কৃত হয়নি। শুধু উপসর্গভিত্তিক সাহায্যকারী চিকিৎসা দেয়ার জন্য সুপারিশ করা হয়ে থাকে।

মার্কিন নারী সাংবাদিক ক্যাথরিন রবার্টস নিউইয়র্ক সিটির করোনা পরিস্থিতি নিয়ে তার একটি প্রবন্ধে উল্লেখ করেছেন, ‘করোনাভাইরাসের এই সময়ে নিউমোনিয়া বোঝাটা অনেক জটিল একটি বিষয়। বিভিন্ন ধরনের ভাইরাস এবং ব্যাকটেরিয়ার কারণে এই গুরুতর অবস্থার কারণ হতে পারে। যুক্তরাষ্ট্রে প্রতিবছর ২ লাখ ৫০ হাজার মানুষ নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয়, এদের মধ্যে ৫০ হাজার মানুষ মারা যায়।’

ওয়েল কর্নেল মেডিসিনের ক্লোনিকাল ব্যবস্থাপক মাইকেল মাইন্ড নিডারম্যানের বরাতে তিনি জানিয়েছেন, নিউমোনিয়া নির্ণয় এখন আগের তুলনায় বেশি চ্যালেঞ্জের। এর কারণ হলো করোনাভাইরাস। তার মতে, শুধু এক্স-রে করে নিউমোনিয়া শনাক্ত করা সহজ নয়।

কখনো কখনো, বুকের এক্স-রে নিউমোনিয়া ভাইরাল বা ব্যাকটেরিয়া কি-না তা ইঙ্গিত করতে পারে, তবে কোনো সম্ভাব্য ভাইরাল কারণের ক্ষেত্রেও চিত্রটি ডাক্তারদের বলতে পারে না যে ভাইরাসটি এ জন্য দায়ী কি-না।

ইয়েল ইউনিভার্সিটির পালমনারি ইনফেকশন গবেষণা ও চিকিৎসা কেন্দ্রের পরিচালক চার্লস ডেলা ক্রুজের বরাতে তিনি লিখেছেন, `করোনা আক্রান্ত লোকেরা কতবার সেকেন্ডারি ব্যাকটেরিয়া নিউমোনিয়া তৈরি করে তা এখনো পরিষ্কার নয়। তবে সোয়াইন ফ্লু মহামারির সময় ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণ সাধারণ ছিল। করোনার সঙ্গে নিউমোনিয়ার পার্থক্য হলো ভাইরাসটির বিরুদ্ধে কার্যকরভাবে লড়াই করার জন্য কোনো চিকিৎসা ব্যবস্থা প্রমাণিত হয়নি।’

আবু আজাদ/এইচএ/পিআর

করোনা ভাইরাস - লাইভ আপডেট

৫৪,৯৭,৯৯৮
আক্রান্ত

৩,৪৬,৬৮৫
মৃত

২৩,০১,৯৯০
সুস্থ

# দেশ আক্রান্ত মৃত সুস্থ
বাংলাদেশ ৩৩,৬১০ ৪৮০ ৬,৯০১
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ১৬,৮৬,৪৩৬ ৯৯,৩০০ ৪,৫১,৭০২
ব্রাজিল ৩,৬৩,৬১৮ ২২,৭১৬ ১,৪৯,৯১১
রাশিয়া ৩,৪৪,৪৮১ ৩,৫৪১ ১,১৩,২৯৯
স্পেন ২,৮২,৮৫২ ২৮,৭৫২ ১,৯৬,৯৫৮
যুক্তরাজ্য ২,৫৯,৫৫৯ ৩৬,৭৯৩ ৩৪৪
ইতালি ২,২৯,৮৫৮ ৩২,৭৮৫ ১,৪০,৪৭৯
ফ্রান্স ১,৮২,৫৮৪ ২৮,৩৬৭ ৬৪,৬১৭
জার্মানি ১,৮০,৩২৮ ৮,৩৭১ ১,৬০,৩০০
১০ তুরস্ক ১,৫৬,৮২৭ ৪,৩৪০ ১,১৮,৬৯৪
১১ ভারত ১,৩৮,৫৩৬ ৪,০২৪ ৫৭,৬৯২
১২ ইরান ১,৩৫,৭০১ ৭,৪১৭ ১,০৫,৮০১
১৩ পেরু ১,১৯,৯৫৯ ৩,৪৫৬ ৪৯,৭৯৫
১৪ কানাডা ৮৪,৬৯৯ ৬,৪২৪ ৪৩,৯৮৫
১৫ চীন ৮২,৯৮৫ ৪,৬৩৪ ৭৮,২৬৮
১৬ সৌদি আরব ৭২,৫৬০ ৩৯০ ৪৩,৫২০
১৭ চিলি ৬৯,১০২ ৭১৮ ২৮,১৪৮
১৮ মেক্সিকো ৬৮,৬২০ ৭,৩৯৪ ৪৭,৪২৪
১৯ বেলজিয়াম ৫৭,০৯২ ৯,২৮০ ১৫,২৭২
২০ পাকিস্তান ৫৪,৬০১ ১,১৩৩ ১৭,১৯৮
২১ নেদারল্যান্ডস ৪৫,২৩৬ ৫,৮২২ ২৫০
২২ কাতার ৪৩,৭১৪ ২৩ ৯,১৭০
২৩ ইকুয়েডর ৩৬,৭৫৬ ৩,১০৮ ৩,৫৬০
২৪ বেলারুশ ৩৬,১৯৮ ১৯৯ ১৪,১৫৫
২৫ সুইডেন ৩৩,৪৫৯ ৩,৯৯৮ ৪,৯৭১
২৬ সিঙ্গাপুর ৩১,৬১৬ ২৩ ১৪,৮৭৬
২৭ সুইজারল্যান্ড ৩০,৭৩৬ ১,৯০৬ ২৮,১০০
২৮ পর্তুগাল ৩০,৬২৩ ১,৩১৬ ১৭,৫৪৯
২৯ সংযুক্ত আরব আমিরাত ২৯,৪৮৫ ২৪৫ ১৫,০৫৬
৩০ আয়ারল্যান্ড ২৪,৬৩৯ ১,৬০৮ ২১,০৬০
৩১ দক্ষিণ আফ্রিকা ২২,৫৮৩ ৪২৯ ১১,১০০
৩২ ইন্দোনেশিয়া ২২,২৭১ ১,৩৭২ ৫,৪০২
৩৩ পোল্যান্ড ২১,৩২৬ ৯৯৬ ৯,১৯৪
৩৪ কুয়েত ২১,৩০২ ১৫৬ ৬,১১৭
৩৫ কলম্বিয়া ২১,১৭৫ ৭২৭ ৫,০১৬
৩৬ ইউক্রেন ২০,৯৮৬ ৬১৭ ৭,১০৮
৩৭ রোমানিয়া ১৮,০৭০ ১,১৮৫ ১১,৩৯৯
৩৮ মিসর ১৭,২৬৫ ৭৬৪ ৪,৮০৭
৩৯ ইসরায়েল ১৬,৭১৭ ২৭৯ ১৪,১৫৩
৪০ জাপান ১৬,৫৫০ ৮২০ ১৩,৪১৩
৪১ অস্ট্রিয়া ১৬,৫০৩ ৬৪০ ১৫,০৬৩
৪২ ডোমিনিকান আইল্যান্ড ১৪,৮০১ ৪৫৮ ৮,১৩৩
৪৩ ফিলিপাইন ১৪,০৩৫ ৮৬৮ ৩,২৪৯
৪৪ আর্জেন্টিনা ১২,০৭৬ ৪৫২ ৩,৭৩২
৪৫ ডেনমার্ক ১১,৩৬০ ৫৬২ ৯,৯০০
৪৬ দক্ষিণ কোরিয়া ১১,২০৬ ২৬৭ ১০,২২৬
৪৭ সার্বিয়া ১১,১৫৯ ২৩৮ ৫,৮৫৭
৪৮ পানামা ১০,৯২৬ ৩০৬ ৬,২৭৯
৪৯ আফগানিস্তান ১০,৫৮২ ২১৮ ১,০৭৫
৫০ বাহরাইন ৯,১৩৮ ১৪ ৪,৫৮৭
৫১ চেক প্রজাতন্ত্র ৮,৯৫৫ ৩১৫ ৬,০৭৮
৫২ নরওয়ে ৮,৩৫২ ২৩৫ ৭,৭২৭
৫৩ কাজাখস্তান ৮,৩২২ ৪৮৯ ৪,৩৫২
৫৪ আলজেরিয়া ৮,৩০৬ ৬০০ ৪,৭৮৪
৫৫ নাইজেরিয়া ৭,৮৩৯ ২২৬ ২,২৬৩
৫৬ ওমান ৭,৭৭০ ৩৭ ১,৯৩৩
৫৭ মরক্কো ৭,৪৩৩ ১৯৯ ৪,৭০৩
৫৮ মালয়েশিয়া ৭,২৪৫ ১১৫ ৫,৯৪৫
৫৯ অস্ট্রেলিয়া ৭,১১৪ ১০২ ৬,৫০৮
৬০ মলদোভা ৭,০৯৩ ২৫০ ৩,৭১৩
৬১ ঘানা ৬,৬৮৩ ৩২ ১,৯৯৮
৬২ আর্মেনিয়া ৬,৬৬১ ৮১ ৩,০৬৪
৬৩ ফিনল্যাণ্ড ৬,৫৭৯ ৩০৭ ৫,০০০
৬৪ বলিভিয়া ৬,২৬৩ ২৫০ ৬২৯
৬৫ ক্যামেরুন ৪,৮৯০ ১৬৫ ১,৮৬৫
৬৬ ইরাক ৪,৪৬৯ ১৬০ ২,৭৩৮
৬৭ আজারবাইজান ৪,১২২ ৪৯ ২,৬০৭
৬৮ লুক্সেমবার্গ ৩,৯৯২ ১১০ ৩,৭৬৭
৬৯ হন্ডুরাস ৩,৯৫০ ১৮০ ৪৬৮
৭০ সুদান ৩,৮২০ ১৬৫ ৪৫৮
৭১ হাঙ্গেরি ৩,৭৪১ ৪৮৬ ১,৬৯০
৭২ গিনি ৩,২৭৫ ২০ ১,৬৭৩
৭৩ উজবেকিস্তান ৩,১৬৪ ১৩ ২,৫৬৫
৭৪ গুয়াতেমালা ৩,০৫৪ ৫৫ ২৪৪
৭৫ সেনেগাল ৩,০৪৭ ৩৫ ১,৪৫৬
৭৬ থাইল্যান্ড ৩,০৪০ ৫৬ ২,৯২১
৭৭ তাজিকিস্তান ২,৯২৯ ৪৬ ১,৩০১
৭৮ গ্রীস ২,৮৭৮ ১৭১ ১,৩৭৪
৭৯ বুলগেরিয়া ২,৪২৭ ১৩০ ৮৪০
৮০ বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা ২,৪০১ ১৪৪ ১,৬৮০
৮১ আইভরি কোস্ট ২,৩৭৬ ৩০ ১,২১৯
৮২ জিবুতি ২,২৭০ ১০ ১,০৬৪
৮৩ ক্রোয়েশিয়া ২,২৪৪ ৯৯ ২,০২৭
৮৪ ড্যানিশ রিফিউজি কাউন্সিল ২,১৪১ ৬৩ ৩১৭
৮৫ উত্তর ম্যাসেডোনিয়া ১,৯৭৮ ১১৩ ১,৪২২
৮৬ কিউবা ১,৯৪১ ৮২ ১,৬৮৯
৮৭ গ্যাবন ১,৯৩৪ ১২ ৪৫৯
৮৮ এল সালভাদর ১,৯১৫ ৩৫ ৬৩৩
৮৯ এস্তোনিয়া ১,৮২৩ ৬৪ ১,৫৩২
৯০ আইসল্যান্ড ১,৮০৪ ১০ ১,৭৯১
৯১ লিথুনিয়া ১,৬২৩ ৬৩ ১,১৩৮
৯২ সোমালিয়া ১,৫৯৪ ৬১ ২০৪
৯৩ মায়োত্তে ১,৫৮৭ ২০ ৮৯৪
৯৪ স্লোভাকিয়া ১,৫০৯ ২৮ ১,৩০১
৯৫ নিউজিল্যান্ড ১,৫০৪ ২১ ১,৪৫৬
৯৬ স্লোভেনিয়া ১,৪৬৮ ১০৭ ১,৩৪০
৯৭ কিরগিজস্তান ১,৪০৩ ১৪ ৯৮০
৯৮ মালদ্বীপ ১,৩৭১ ১৪৪
৯৯ কেনিয়া ১,২১৪ ৫১ ৩৮৩
১০০ শ্রীলংকা ১,১৪১ ৬৭৪
১০১ ভেনেজুয়েলা ১,১২১ ১৬ ২৬২
১০২ লেবানন ১,১১৪ ২৬ ৬৮৮
১০৩ গিনি বিসাউ ১,১১৪ ৪২
১০৪ হংকং ১,০৬৬ ১,০৩০
১০৫ তিউনিশিয়া ১,০৫১ ৪৮ ৯১৭
১০৬ লাটভিয়া ১,০৪৭ ২২ ৭১২
১০৭ মালি ১,০৩০ ৬৫ ৫৯৭
১০৮ আলবেনিয়া ৯৯৮ ৩২ ৭৮৯
১০৯ ইকোয়েটরিয়াল গিনি ৯৬০ ১১ ১৬৫
১১০ নাইজার ৯৪৫ ৬১ ৭৮৩
১১১ সাইপ্রাস ৯৩৫ ১৭ ৫৯৪
১১২ কোস্টারিকা ৯৩০ ১০ ৬২০
১১৩ জাম্বিয়া ৯২০ ৩৩৬
১১৪ উরুগুয়ে ৮৮৭ ২২ ৬১৮
১১৫ হাইতি ৮৬৫ ২৬ ২৯
১১৬ প্যারাগুয়ে ৮৬২ ১১ ৩০৭
১১৭ বুর্কিনা ফাঁসো ৮১৪ ৫২ ৬৭২
১১৮ এনডোরা ৭৬২ ৫১ ৬৫৩
১১৯ জর্জিয়া ৭৩০ ১২ ৫২২
১২০ ডায়মন্ড প্রিন্সেস (প্রমোদ তরী) ৭১২ ১৩ ৬৫১
১২১ জর্ডান ৭০৮ ৪৭১
১২২ সিয়েরা লিওন ৭০৭ ৪০ ২৪১
১২৩ চাদ ৬৭৫ ৬০ ২১৫
১২৪ সান ম্যারিনো ৬৬৫ ৪২ ২৬৬
১২৫ দক্ষিণ সুদান ৬৫৫
১২৬ মালটা ৬১০ ৪৭৬
১২৭ সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিক ৬০৪ ২২
১২৮ নেপাল ৬০৩ ৮৭
১২৯ ইথিওপিয়া ৫৮২ ১৫২
১৩০ ফিলিস্তিন ৫৭৭ ৩৫৭
১৩১ চ্যানেল আইল্যান্ড ৫৫৮ ৪৫ ৫১৭
১৩২ জ্যামাইকা ৫৫২ ২১১
১৩৩ মাদাগাস্কার ৫২৭ ১৪২
১৩৪ তানজানিয়া ৫০৯ ২১ ১৮৩
১৩৫ কঙ্গো ৪৮৭ ১৬ ১৪৭
১৩৬ রিইউনিয়ন ৪৫২ ৪১১
১৩৭ তাইওয়ান ৪৪১ ৪১৪
১৩৮ টোগো ৩৮১ ১২ ১৪১
১৩৯ কেপ ভার্দে ৩৮০ ১৫৫
১৪০ বেনিন ৩৩৯ ৮৩
১৪১ আইল অফ ম্যান ৩৩৬ ২৪ ৩০৩
১৪২ মরিশাস ৩৩৪ ১০ ৩২২
১৪৩ ফ্রেঞ্চ গায়ানা ৩২৮ ১৪৫
১৪৪ রুয়ান্ডা ৩২৭ ২৩৭
১৪৫ ভিয়েতনাম ৩২৫ ২৬৭
১৪৬ মন্টিনিগ্রো ৩২৪ ৩১৫
১৪৭ নিকারাগুয়া ২৭৯ ১৭ ১৯৯
১৪৮ লাইবেরিয়া ২৬৫ ২৬ ১৩৯
১৪৯ উগান্ডা ২৬৪ ৬৮
১৫০ ইসওয়াতিনি ২৫০ ১৫৬
১৫১ মৌরিতানিয়া ২৩৭ ১৫
১৫২ ইয়েমেন ২২২ ৪২ ১১
১৫৩ মায়ানমার ২০১ ১২২
১৫৪ মার্টিনিক ১৯৭ ১৪ ৯১
১৫৫ মোজাম্বিক ১৯৪ ৫১
১৫৬ ফারে আইল্যান্ড ১৮৭ ১৮৭
১৫৭ গুয়াদেলৌপ ১৬১ ১৪ ১১৫
১৫৮ জিব্রাল্টার ১৫৪ ১৪৭
১৫৯ ব্রুনাই ১৪১ ১৩৭
১৬০ মঙ্গোলিয়া ১৪১ ৩২
১৬১ গায়ানা ১৩৫ ১০ ৬২
১৬২ বারমুডা ১৩৩ ৮১
১৬৩ কেম্যান আইল্যান্ড ১২৯ ৬১
১৬৪ কম্বোডিয়া ১২৪ ১২২
১৬৫ ত্রিনিদাদ ও টোবাগো ১১৬ ১০৮
১৬৬ আরুবা ১০১ ৯৫
১৬৭ বাহামা ১০০ ১১ ৪৫
১৬৮ মোনাকো ৯৮ ৯০
১৬৯ বার্বাডোস ৯২ ৭০
১৭০ কমোরস ৮৭ ২১
১৭১ সিরিয়া ৮৬ ৪১
১৭২ মালাউই ৮৩ ৩৩
১৭৩ লিচেনস্টেইন ৮২ ৫৫
১৭৪ সিন্ট মার্টেন ৭৭ ১৫ ৫৯
১৭৫ লিবিয়া ৭৫ ৩৯
১৭৬ অ্যাঙ্গোলা ৬৯ ১৮
১৭৭ ফ্রেঞ্চ পলিনেশিয়া ৬০ ৬০
১৭৮ জিম্বাবুয়ে ৫৬ ২৫
১৭৯ ব্রিটিশ ভার্জিন দ্বীপপুঞ্জ ৫৪
১৮০ ম্যাকাও ৪৫ ৪৫
১৮১ বুরুন্ডি ৪২ ২০
১৮২ সেন্ট মার্টিন ৪০ ৩৩
১৮৩ ইরিত্রিয়া ৩৯ ৩৯
১৮৪ বতসোয়ানা ৩৫ ১৯
১৮৫ অ্যান্টিগুয়া ও বার্বুডা ২৫ ১৯
১৮৬ গাম্বিয়া ২৫ ১৩
১৮৭ ভুটান ২৪
১৮৮ পূর্ব তিমুর ২৪ ২৪
১৮৯ গ্রেনাডা ২২ ১৭
১৯০ নামিবিয়া ২১ ১৪
১৯১ লাওস ১৯ ১৪
১৯২ নিউ ক্যালেডোনিয়া ১৮ ১৮
১৯৩ সেন্ট লুসিয়া ১৮ ১৮
১৯৪ ফিজি ১৮ ১৫
১৯৫ সেন্ট ভিনসেন্ট ও গ্রেনাডাইন আইল্যান্ড ১৮ ১৪
১৯৬ বেলিজ ১৮ ১৬
১৯৭ কিউরাসাও ১৭ ১৪
১৯৮ ডোমিনিকা ১৬ ১৬
১৯৯ সেন্ট কিটস ও নেভিস ১৫ ১৫
২০০ ফকল্যান্ড আইল্যান্ড ১৩ ১৩
২০১ গ্রীনল্যাণ্ড ১২ ১১
২০২ ভ্যাটিকান সিটি ১২
২০৩ টার্কস্ ও কেইকোস আইল্যান্ড ১২ ১০
২০৪ সুরিনাম ১১
২০৫ সিসিলি ১১ ১১
২০৬ মন্টসেরাট ১১ ১০
২০৭ জান্ডাম (জাহাজ)
২০৮ পশ্চিম সাহারা
২০৯ পাপুয়া নিউ গিনি
২১০ সেন্ট বারথেলিমি
২১১ ক্যারিবিয়ান নেদারল্যান্ডস
২১২ এ্যাঙ্গুইলা
২১৩ লেসোথো
২১৪ সেন্ট পিয়ের এন্ড মিকেলন
তথ্যসূত্র: চীনের জাতীয় স্বাস্থ্য কমিশন (সিএনএইচসি) ও অন্যান্য।