পূর্ণাঙ্গ কমিটি নেই, তাই ‘হিমশিম’ ত্রাণ বিতরণে

আমানউল্লাহ আমান
আমানউল্লাহ আমান আমানউল্লাহ আমান , নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৮:০৯ পিএম, ২১ মে ২০২০

আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠনের মধ্যে কৃষক লীগ, শ্রমিক লীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, যুবলীগ ও মৎস্যজীবী লীগ চলছে দুজন করে নেতার নেতৃত্বে। এই পাঁচ সংগঠনের কোনোটাতেই নেই পূর্ণাঙ্গ কমিটি। এছাড়া ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ আওয়ামী লীগেও পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা হয়নি। একই অবস্থা ঢাকা মহানগর উত্তর-দক্ষিণ স্বেচ্ছাসেবক লীগেও। ফলে করোনাভাইরাস সংকটে মাঠের কার্যক্রম বাস্তবায়ন ও সমন্বয়ে হিমশিম খেতে হচ্ছে সংগঠনগুলোর শীর্ষ নেতাদের।

পূর্ণাঙ্গ কমিটি না থাকায় সঠিকভাবে দায়িত্ব বণ্টনও করা যাচ্ছে না। কেউ কেউ বিগত কমিটি বা নতুন খসড়া কমিটির নেতাদের সমন্বয়ে দায়িত্ব পালনের চেষ্টা করলেও অফিসিয়াল পদপদবি না থাকায় তাদের পড়তে হচ্ছে নানা বিড়ম্বনায়।

সহযোগী সংগঠনের নেতাদের মতে, করোনাভাইরাস সংকটের এই সময়ে পূর্ণাঙ্গ কমিটি থাকলে সারাদেশে তাদের কর্মসূচি আরও গতিশীল হতো। তবে আওয়ামী লীগের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের নেতারা বলছেন, এই মুহূর্তে কমিটি গঠনকে তারা ‘গুরুত্ব’ দিতে চান না। করোনাভাইরাসের বিরুদ্ধে কাজ করাই তাদের প্রধান দায়িত্ব।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সমস্য লে. কর্নেল (অব.) মুহম্মদ ফারুক খান বলেন, আমরা জনগণের জন্য রাজনীতি করি। এই সংকটেও আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠনগুলো জনগণের পাশে দাঁড়িয়েছে। একটা কথা মনে রাখতে হবে, আওয়ামী লীগ ও তার সহযোগী সংগঠনে কিন্তু প্রচুর প্রতিযোগিতা হয়। যেকোনো কমিটি করতে গেলে অনেক প্রার্থী থাকে। তবে হ্যাঁ, এটাও সত্য যে, পূর্ণাঙ্গ কমিটি যখন হবে তখন আরও বেশি ভালো হবে। দল আরও বেশি শক্তিশালী হবে। এটা নিয়ে কোনো সন্দেহ নেই। তবে এই মুহূর্তে আমরা মনে করছি, করোনাভাইরাসের বিরুদ্ধে কাজ করাই আমাদের প্রধান দায়িত্ব। সূতরাং এখন কোনো সংগঠনের কমিটি করার বিষয়ে আমরা প্রায়োরিটি (প্রাধান্য) দিতে চাই না।

গত বছরের নভেম্বরে আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠন কৃষক লীগ, শ্রমিক লীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, যুবলীগ ও মৎস্যজীবী লীগের জাতীয় সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। প্রায় একই সময় অনুষ্ঠিত হয় ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সম্মেলন। পরে সংগঠনগুলোকে সাতদিনের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণার জন্য বলা হয় কিন্তু এখনও পূর্ণাঙ্গ কমিটি হয়নি। তবে কৃষক লীগ, শ্রমিক লীগ ইতোমধ্যে তাদের পূর্ণাঙ্গ কমিটির খসড়া আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে জমা দিয়েছেন বলে দাবি সংগঠনগুলোর। এছাড়া পূর্ণাঙ্গ খড়সা প্রস্তুত করে রেখেছে স্বেচ্ছাসেবক লীগও। আর যুবলীগ পদপ্রত্যাশীদের জীবনবৃত্তান্ত সংগ্রহ করেছে। তবে করোনাভাইরাস প্রাদুর্ভাব দেখা দেয়ার পর সকল সাংগঠনিক কাজের সঙ্গে এই কাজও বন্ধ হয়ে গেছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, করোনাভাইরাস সংকটে মূল দল আওয়ামী লীগের সঙ্গে সকল সাংগঠনিক কর্মসূচি স্থগিত রেখেছে সহযোগী সংগঠনগুলোও। পাশাপাশি এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে অসহায়দের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণসহ জনসচেতনতামূলক কাজ করছেন তারা। এছাড়া সংকটের এই সময়ে চলতি বোরো মৌসুমে কৃষকের ধান কাটার কাজে সহযোগিতা করতেও নানা কর্মসূচি হাতে নিয়েছে সংগঠনগুলো। আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে ওয়ার্ডপর্যায়ে ত্রাণ কমিটিতেও রাখা হচ্ছে সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের। কিন্তু এসব কাজের সমন্বয় করতে গিয়ে বেকায়দায় পড়তে হচ্ছে সংগঠনগুলোর। করোনাভাইরাস সংকট মোকাবিলায় এই সময়ে সারাদেশের সব ইউনিটের সঙ্গে মূলত শীর্ষ দুই নেতাকেই যোগাযোগ রাখতে হচ্ছে।

নাম প্রকাশ না করে এক সহযোগী সংগঠনের শীর্ষ নেতা বলেন, ‘সারাদেশের সঙ্গে যোগাযোগ রাখতে হচ্ছে। এই কঠিন সময়ে পূর্ণাঙ্গ কমিটি থাকলে সমস্যা হতো না। কিন্তু এখন তো কিছুই করার নেই। সত্যি বলতে কী, ফোনে কথা বলতে বলতে গলা দেবে গেছে।’

সংগঠনগুলোর আগের কমিটিতে ছিলেন এমন কেন্দ্রীয় পর্যায়ের বেশ কয়েকজন নেতার সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, তারাও কাজ করতে গিয়ে সমস্যায় পড়ছেন। তাদের মতে, কেন্দ্রীয় কমিটিতে পদপদবি না থাকলে সমন্বয় করতে গিয়ে নানা ধরনের বাধার সম্মুখীন হতে হচ্ছে। কারণ কেন্দ্রীয় কমিটিতে তাদের যেমন পদপদবি নেই, তেমনি আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের কোনো দায়িত্বও দেয়া হয়নি।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বাংলাদেশ কৃষক লীগের সভাপতি কৃষিবিদ সমীর চন্দ্র বলেন, প্রধানমন্ত্রীর আহ্বানে সাড়া দিয়ে আমাদের কৃষক লীগের সবাই একেকজন কর্মী হিসেবে কাজ করছি। এছাড়া আমাদের জেলা-উপজেলা কমিটি তো আছেই। সূতরাং আমার কাজ করছি। তবে পূর্ণাঙ্গ কমিটি থাকলে আমাদের কাজের সমন্বয়টা আরও বেশি ভালো হতো।

একই বিষয়ে আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি নির্মল রঞ্জন গুহ বলেন, আমাদের পূর্ণাঙ্গ কমিটির খড়সা ইতোমধ্যে জমা দিয়ে দিয়েছি। আগের কমিটির নেতাদের মধ্যে দু-একজন বাদে সবাই সক্রিয়। আমরা তাদের সঙ্গে নিয়ে সমন্বয় করে কাজ করছি।

জানতে চাইলে মৎস্যজীবী লীগের সাধারণ সম্পাদক শেখ আজগর লস্কর বলেন, আমরা বসে নেই। এই সংকটে মৎস্যজীবী লীগ বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়ে কাজ করে যাচ্ছে। অসহায়দের পাশে দাঁড়াচ্ছে। তবে এটা ঠিক, পূর্ণাঙ্গ কমিটি থাকলে কেন্দ্রীয়ভাবে আমাদের কাজ করতে আরও সুবিধা হতো। কাজের গতি আরও বাড়ত।

এদিকে আওয়ামী লীগের আরও তিন সহযোগী সংগঠন মহিলা আওয়ামী লীগ, যুব মহিলা লীগ ও তাঁতী লীগের মেয়াদও শেষ হয়েছে। একমাত্র ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির মেয়াদ আছে এবং তাদের পূর্ণাঙ্গ কমিটিও আছে। করোনাভাইরাসের এই সংকটে সংগঠনটি (ছাত্রলীগ) নানা কর্মসূচি নিয়ে মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে। করোনা প্রতিরোধসামগ্রী বিতরণ, অসহায়দের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণের পাশাপাশি সমন্বিতভাবে সারাদেশের কৃষকের ধান কেটে দেয়ার কাজও করছে সংগঠনটির নেতাকর্মীরা। আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিজেও তাদের (ছাত্রলীগ) কর্মকাণ্ডের প্রশংসা করেছেন।

এইউএ/এমএআর/পিআর

করোনা ভাইরাস - লাইভ আপডেট

৬৩,৭৪,০৪০
আক্রান্ত

৩,৭৭,৬০৩
মৃত

২৯,০৯,৩৩১
সুস্থ

# দেশ আক্রান্ত মৃত সুস্থ
বাংলাদেশ ৪৯,৫৩৪ ৬৭২ ১০,৫৯৭
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ১৮,৫৯,৩৬১ ১,০৬,৯২৫ ৬,১৫,৪১৬
ব্রাজিল ৫,২৯,৪০৫ ৩০,০৪৬ ২,১১,০৮০
রাশিয়া ৪,১৪,৮৭৮ ৪,৮৫৫ ১,৭৫,৮৭৭
স্পেন ২,৮৬,৭১৮ ২৮,৭৫২ ১,৯৬,৯৫৮
যুক্তরাজ্য ২,৭৬,৩৩২ ৩৯,০৪৫ ৩৪৪
ইতালি ২,৩৩,১৯৭ ৩৩,৪৭৫ ১,৫৮,৩৫৫
ভারত ১,৯৯,৩৪৩ ৫,৬১০ ৯৫,৮০৮
ফ্রান্স ১,৮৯,২২০ ২৮,৮৩৩ ৬৮,৪৪০
১০ জার্মানি ১,৮৩,৭৬৫ ৮,৬১৮ ১,৬৬,৪০০
১১ পেরু ১,৭০,০৩৯ ৪,৬৩৪ ৬৮,৫০৭
১২ তুরস্ক ১,৬৪,৭৬৯ ৪,৫৬৩ ১,২৮,৯৪৭
১৩ ইরান ১,৫৪,৪৪৫ ৭,৮৭৮ ১,২১,০০৪
১৪ চিলি ১,০৫,১৫৯ ১,১১৩ ৪৪,৯৪৬
১৫ মেক্সিকো ৯৩,৪৩৫ ১০,১৬৭ ৬৭,৪৯১
১৬ কানাডা ৯১,৭০৫ ৭,৩২৬ ৪৯,৭২৬
১৭ সৌদি আরব ৮৭,১৪২ ৫২৫ ৬৪,৩০৬
১৮ চীন ৮৩,০২২ ৪,৬৩৪ ৭৮,৩১৫
১৯ পাকিস্তান ৭৬,৩৯৮ ১,৬২১ ২৭,১১০
২০ বেলজিয়াম ৫৮,৫১৭ ৯,৪৮৬ ১৫,৯১৯
২১ কাতার ৫৮,৪৩৩ ৪০ ৩৩,৪৩৭
২২ নেদারল্যান্ডস ৪৬,৫৪৫ ৫,৯৬২ ২৫০
২৩ বেলারুশ ৪৩,৪০৩ ২৪০ ১৮,৭৭৬
২৪ ইকুয়েডর ৩৯,৯৯৪ ৩,৩৯৪ ১৯,৮২৩
২৫ সুইডেন ৩৭,৮১৪ ৪,৪০৩ ৪,৯৭১
২৬ সিঙ্গাপুর ৩৫,২৯২ ২৪ ২২,৪৬৬
২৭ সংযুক্ত আরব আমিরাত ৩৫,১৯২ ২৬৬ ১৮,৩৩৮
২৮ দক্ষিণ আফ্রিকা ৩৪,৩৫৭ ৭০৫ ১৭,২৯১
২৯ পর্তুগাল ৩২,৭০০ ১,৪২৪ ১৯,৫৫২
৩০ সুইজারল্যান্ড ৩০,৮৭১ ১,৯২০ ২৮,৫০০
৩১ কলম্বিয়া ৩০,৪৯৩ ৯৬৯ ৯,৬৬১
৩২ কুয়েত ২৭,৭৬২ ২২০ ১২,৮৯৯
৩৩ ইন্দোনেশিয়া ২৬,৯৪০ ১,৬৪১ ৭,৬৩৭
৩৪ মিসর ২৬,৩৮৪ ১,০০৫ ৬,৮১০
৩৫ আয়ারল্যান্ড ২৫,০৬২ ১,৬৫২ ২২,০৮৯
৩৬ ইউক্রেন ২৪,৩৪০ ৭২৭ ১০,০৭৮
৩৭ পোল্যান্ড ২৪,১৬৫ ১,০৭৪ ১১,৪৪৯
৩৮ রোমানিয়া ১৯,৩৯৮ ১,২৭৯ ১৩,৪২৬
৩৯ ফিলিপাইন ১৮,৬৩৮ ৯৬০ ৩,৯৭৯
৪০ ডোমিনিকান আইল্যান্ড ১৭,৫৭২ ৫০২ ১০,৮৯৩
৪১ আর্জেন্টিনা ১৭,৪১৫ ৫৫৬ ৫,৫২১
৪২ ইসরায়েল ১৭,২১৯ ২৮৭ ১৪,৯১৫
৪৩ জাপান ১৬,৮৮৪ ৮৯২ ১৪,৫০২
৪৪ অস্ট্রিয়া ১৬,৭৩৩ ৬৬৮ ১৫,৫৯৬
৪৫ আফগানিস্তান ১৬,৪৯২ ২৭০ ১,৪৫০
৪৬ পানামা ১৩,৮৩৭ ৩৪৪ ৯,৫১৪
৪৭ ওমান ১২,২২৩ ৫০ ২,৬৮২
৪৮ বাহরাইন ১১,৮৭১ ১৯ ৭,০৭৬
৪৯ ডেনমার্ক ১১,৬৯৯ ৫৭৬ ১০,৪১২
৫০ কাজাখস্তান ১১,৫৭১ ৪৮৯ ৫,৫৮৭
৫১ দক্ষিণ কোরিয়া ১১,৫৪১ ২৭২ ১০,৪৪৬
৫২ সার্বিয়া ১১,৪৩০ ২৪৪ ৬,৭২৬
৫৩ নাইজেরিয়া ১০,৫৭৮ ২৯৯ ৩,১২২
৫৪ বলিভিয়া ১০,৫৩১ ৩৪৩ ১,১৩৭
৫৫ আর্মেনিয়া ১০,০০৯ ১৫৮ ৩,৪২৭
৫৬ আলজেরিয়া ৯,৫১৩ ৬৬১ ৫,৮৯৪
৫৭ চেক প্রজাতন্ত্র ৯,৩০২ ৩২১ ৬,৬৪২
৫৮ নরওয়ে ৮,৪৪৬ ২৩৬ ৭,৭২৭
৫৯ মলদোভা ৮,৩৬০ ৩০৫ ৪,৬২২
৬০ ঘানা ৮,০৭০ ৩৬ ২,৯৪৭
৬১ মালয়েশিয়া ৭,৮৫৭ ১১৫ ৬,৪০৪
৬২ মরক্কো ৭,৮৩৩ ২০৫ ৫,৮৯৩
৬৩ অস্ট্রেলিয়া ৭,২২১ ১০৩ ৬,৬২৬
৬৪ ফিনল্যাণ্ড ৬,৮৮৫ ৩২০ ৫,৫০০
৬৫ ইরাক ৬,৮৬৮ ২১৫ ৩,২৭৫
৬৬ ক্যামেরুন ৬,৩৯৭ ১৯৯ ৩,৬২৯
৬৭ আজারবাইজান ৫,৬৬২ ৬৮ ৩,৫০৮
৬৮ হন্ডুরাস ৫,৩৬২ ২১৭ ৫৪৯
৬৯ গুয়াতেমালা ৫,৩৩৬ ১১৬ ৭৯৫
৭০ সুদান ৫,১৭৩ ২৯৮ ১,৫২২
৭১ লুক্সেমবার্গ ৪,০১৯ ১১০ ৩,৮৪৫
৭২ তাজিকিস্তান ৪,০১৩ ৪৭ ২,০৮৯
৭৩ হাঙ্গেরি ৩,৯২১ ৫৩২ ২,১৬০
৭৪ গিনি ৩,৮৪৪ ২৩ ২,১৩৫
৭৫ সেনেগাল ৩,৭৩৯ ৪২ ১,৮৫৮
৭৬ উজবেকিস্তান ৩,৭১৮ ১৫ ২,৮৫৯
৭৭ জিবুতি ৩,৫৬৯ ২৪ ১,৫২১
৭৮ ড্যানিশ রিফিউজি কাউন্সিল ৩,১৯৫ ৭২ ৪৫৪
৭৯ থাইল্যান্ড ৩,০৮৩ ৫৮ ২,৯৬৬
৮০ আইভরি কোস্ট ২,৯৫১ ৩৩ ১,৪৬৭
৮১ গ্রীস ২,৯১৮ ১৭৯ ১,৩৭৪
৮২ গ্যাবন ২,৬৫৫ ১৭ ৭২২
৮৩ এল সালভাদর ২,৫৮২ ৪৬ ১,০৮৩
৮৪ বুলগেরিয়া ২,৫৩৮ ১৪৪ ১,১২৩
৮৫ বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা ২,৫২৪ ১৫৪ ১,৮৮৮
৮৬ উত্তর ম্যাসেডোনিয়া ২,৩১৫ ১৪০ ১,৫৬৯
৮৭ ক্রোয়েশিয়া ২,২৪৬ ১০৩ ২,০৭৭
৮৮ হাইতি ২,২২৬ ৪৫ ২৯
৮৯ কিউবা ২,০৮৩ ৮৩ ১,৮২৬
৯০ সোমালিয়া ২,০২৩ ৭৯ ৩৬১
৯১ কেনিয়া ২,০২১ ৬৯ ৪৮২
৯২ মায়োত্তে ১,৯৩৪ ২৪ ১,৪৭৩
৯৩ এস্তোনিয়া ১,৮৭০ ৬৮ ১,৬২৫
৯৪ কিরগিজস্তান ১,৮৪৫ ১৭ ১,২১৯
৯৫ মালদ্বীপ ১,৮২৯ ৪৮৮
৯৬ নেপাল ১,৮১১ ২২১
৯৭ আইসল্যান্ড ১,৮০৬ ১০ ১,৭৯৪
৯৮ লিথুনিয়া ১,৬৭৮ ৭০ ১,২৩৬
৯৯ ভেনেজুয়েলা ১,৬৬২ ১৭ ৩০২
১০০ শ্রীলংকা ১,৬৪৩ ১১ ৮১১
১০১ স্লোভাকিয়া ১,৫২২ ২৮ ১,৩৬৮
১০২ নিউজিল্যান্ড ১,৫০৪ ২২ ১,৪৮১
১০৩ স্লোভেনিয়া ১,৪৭৩ ১০৯ ১,৩৫৮
১০৪ গিনি বিসাউ ১,৩৩৯ ৫৩
১০৫ মালি ১,৩১৫ ৭৮ ৭৪৪
১০৬ ইকোয়েটরিয়াল গিনি ১,৩০৬ ১২ ২০০
১০৭ ইথিওপিয়া ১,২৫৭ ১২ ২১৭
১০৮ লেবানন ১,২৩৩ ২৭ ৭১৫
১০৯ আলবেনিয়া ১,১৪৩ ৩৩ ৮৭৭
১১০ জাম্বিয়া ১,০৮৯ ৯১২
১১১ হংকং ১,০৮৮ ১,০৩৭
১১২ তিউনিশিয়া ১,০৮৪ ৪৮ ৯৬৪
১১৩ কোস্টারিকা ১,০৮৪ ১০ ৬৭৬
১১৪ সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিক ১,০৬৯ ২৩
১১৫ লাটভিয়া ১,০৬৬ ২৪ ৭৪৫
১১৬ প্যারাগুয়ে ৯৯৫ ১১ ৪৮৮
১১৭ দক্ষিণ সুদান ৯৯৪ ১০
১১৮ নাইজার ৯৫৮ ৬৫ ৮৪৪
১১৯ সাইপ্রাস ৯৪৯ ১৭ ৭৯০
১২০ উরুগুয়ে ৮৮৭ ২৩ ৬৮৯
১২১ সিয়েরা লিওন ৮৬৫ ৪৬ ৪৭৫
১২২ বুর্কিনা ফাঁসো ৮৪৭ ৫৩ ৭২০
১২৩ মাদাগাস্কার ৮২৬ ১৭৪
১২৪ জর্জিয়া ৭৯৬ ১২ ৬৩৪
১২৫ চাদ ৭৯০ ৬৬ ৫৩৯
১২৬ এনডোরা ৭৬৫ ৫১ ৬৯৮
১২৭ নিকারাগুয়া ৭৫৯ ৩৫ ৩৭০
১২৮ জর্ডান ৭৪৬ ৫৮৬
১২৯ ডায়মন্ড প্রিন্সেস (প্রমোদ তরী) ৭১২ ১৩ ৬৫১
১৩০ সান ম্যারিনো ৬৭১ ৪২ ৩৫৯
১৩১ মালটা ৬১৯ ৫৩৭
১৩২ কঙ্গো ৬১১ ২০ ১৭৯
১৩৩ জ্যামাইকা ৫৮৮ ৩২২
১৩৪ মৌরিতানিয়া ৫৮৮ ২৩ ২৭
১৩৫ ফিলিস্তিন ৫৭৭ ৩৭২
১৩৬ চ্যানেল আইল্যান্ড ৫৬০ ৪৫ ৫২৮
১৩৭ তানজানিয়া ৫০৯ ২১ ১৮৩
১৩৮ ফ্রেঞ্চ গায়ানা ৪৯৯ ২০০
১৩৯ রিইউনিয়ন ৪৭৩ ৪১১
১৪০ কেপ ভার্দে ৪৫৮ ১৯৩
১৪১ উগান্ডা ৪৫৭ ৭২
১৪২ তাইওয়ান ৪৪৩ ৪২৭
১৪৩ টোগো ৪৪৩ ১৩ ২১৫
১৪৪ রুয়ান্ডা ৩৭৭ ২৬২
১৪৫ ইয়েমেন ৩৫৪ ৮৪ ১৪
১৪৬ বেনিন ৩৩৯ ১৪৭
১৪৭ আইল অফ ম্যান ৩৩৬ ২৪ ৩১১
১৪৮ মালাউই ৩৩৬ ৪২
১৪৯ মরিশাস ৩৩৫ ১০ ৩২২
১৫০ ভিয়েতনাম ৩২৮ ২৯৩
১৫১ মন্টিনিগ্রো ৩২৪ ৩১৫
১৫২ লাইবেরিয়া ২৯৬ ২৭ ১৫৯
১৫৩ ইসওয়াতিনি ২৯৩ ১৯৪
১৫৪ মোজাম্বিক ২৫৪ ৯৭
১৫৫ মায়ানমার ২২৮ ১৩৮
১৫৬ জিম্বাবুয়ে ২০৩ ২৯
১৫৭ মার্টিনিক ২০০ ১৪ ৯৮
১৫৮ ফারে আইল্যান্ড ১৮৭ ১৮৭
১৫৯ মঙ্গোলিয়া ১৮৫ ৪৪
১৬০ জিব্রাল্টার ১৭০ ১৫১
১৬১ লিবিয়া ১৬৮ ৫২
১৬২ গুয়াদেলৌপ ১৬২ ১৪ ১৩৮
১৬৩ গায়ানা ১৫৩ ১২ ৭০
১৬৪ কেম্যান আইল্যান্ড ১৫০ ৭৫
১৬৫ ব্রুনাই ১৪১ ১৩৮
১৬৬ বারমুডা ১৪১ ১১২
১৬৭ কম্বোডিয়া ১২৫ ১২৩
১৬৮ সিরিয়া ১২৩ ৪৬
১৬৯ ত্রিনিদাদ ও টোবাগো ১১৭ ১০৮
১৭০ কমোরস ১০৬ ২৬
১৭১ বাহামা ১০২ ১১ ৪৯
১৭২ আরুবা ১০১ ৯৮
১৭৩ মোনাকো ৯৯ ৯০
১৭৪ বার্বাডোস ৯২ ৭৬
১৭৫ অ্যাঙ্গোলা ৮৬ ১৮
১৭৬ লিচেনস্টেইন ৮২ ৫৫
১৭৭ সিন্ট মার্টেন ৭৭ ১৫ ৬০
১৭৮ বুরুন্ডি ৬৩ ৩৩
১৭৯ ফ্রেঞ্চ পলিনেশিয়া ৬০ ৬০
১৮০ ব্রিটিশ ভার্জিন দ্বীপপুঞ্জ ৫৪
১৮১ ভুটান ৪৭
১৮২ ম্যাকাও ৪৫ ৪৫
১৮৩ সুরিনাম ৪৪
১৮৪ সেন্ট মার্টিন ৪১ ৩৩
১৮৫ ইরিত্রিয়া ৩৯ ৩৯
১৮৬ বতসোয়ানা ৩৮ ২০
১৮৭ অ্যান্টিগুয়া ও বার্বুডা ২৬ ১৯
১৮৮ সেন্ট ভিনসেন্ট ও গ্রেনাডাইন আইল্যান্ড ২৬ ১৫
১৮৯ নামিবিয়া ২৫ ১৬
১৯০ গাম্বিয়া ২৫ ২০
১৯১ পূর্ব তিমুর ২৪ ২৪
১৯২ গ্রেনাডা ২৩ ১৮
১৯৩ নিউ ক্যালেডোনিয়া ২০ ১৮
১৯৪ কিউরাসাও ২০ ১৫
১৯৫ লাওস ১৯ ১৬
১৯৬ ডোমিনিকা ১৮ ১৬
১৯৭ সেন্ট লুসিয়া ১৮ ১৮
১৯৮ ফিজি ১৮ ১৫
১৯৯ বেলিজ ১৮ ১৬
২০০ সেন্ট কিটস ও নেভিস ১৫ ১৫
২০১ গ্রীনল্যাণ্ড ১৩ ১১
২০২ ফকল্যান্ড আইল্যান্ড ১৩ ১৩
২০৩ ভ্যাটিকান সিটি ১২
২০৪ টার্কস্ ও কেইকোস আইল্যান্ড ১২ ১১
২০৫ সিসিলি ১১ ১১
২০৬ মন্টসেরাট ১১ ১০
২০৭ জান্ডাম (জাহাজ)
২০৮ পশ্চিম সাহারা
২০৯ পাপুয়া নিউ গিনি
২১০ ক্যারিবিয়ান নেদারল্যান্ডস
২১১ সেন্ট বারথেলিমি
২১২ এ্যাঙ্গুইলা
২১৩ লেসোথো
২১৪ সেন্ট পিয়ের এন্ড মিকেলন
তথ্যসূত্র: চীনের জাতীয় স্বাস্থ্য কমিশন (সিএনএইচসি) ও অন্যান্য।