স্বাস্থ্যবিধি উপেক্ষা, সংক্রামক আইন প্রয়োগ জরুরি

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৯:০৮ পিএম, ০৬ জুন ২০২০

মহামারি করোনাভাইরাস মোকাবিলায় ৬৬ দিন পর গত ৩১ মে সবকিছু সীমিত আকারে খুলে দেয়া হয়েছে। করোনা সংক্রমণরোধে রয়েছে সরকারের স্বাস্থ্যবিধি। এই বিধি বজায় রাখতে কঠোর অবস্থানও নিয়েছে সরকার। সরকারের এই বিধি ভঙ্গ করে কেউ যদি বাইরে বের হয় তাহলে সেটা হবে আইনের লঙ্ঘন, বলেছে স্বাস্থ্য অধিদফতর। গত ৩০ মে রাতে অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা স্বাক্ষরিত এ-সংক্রান্ত একটি সার্কুলার জারি হয়।

সারাদেশে করোনাভাইরাসের তথ্য গোপন করে অবাধে ঘুরে বেড়ানোর খবর বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে। করোনা সংক্রমণ নিয়ে পালিয়ে দেশের এক প্রান্ত থেকে আরেক প্রান্তে চলে যাওয়ার মতো ঘটনাও ঘটছে। লকডাউন, আইসোলেশন, কোয়ারেন্টাইন ও সামাজিক দূরত্ববিধি বজায় রাখার নির্দেশনা মানা হচ্ছে না।

এছাড়া করোনার লক্ষণ থাকলেও তা গোপন করে চিকিৎসকের কাছে যাচ্ছেন অনেকেই। আবার কেউ কেউ প্রতিবেশীর কাছেও করোনার লক্ষণ গোপন করে ঘুরে বেড়াচ্ছেন। লকডাউনের মধ্যেও ঢাকা, নারায়ণগঞ্জসহ বিভিন্ন এলাকা থেকে পালিয়ে চলে যাচ্ছেন গ্রামের বাড়িতে। ফলে প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়েছে সারাদেশে। বাড়ছে আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যাও।

এ অবস্থায় ‘সংক্রামক রোগ (প্রতিরোধ, নিয়ন্ত্রণ ও নির্মূল) আইন-২০১৮’-এর কঠোর প্রয়োগ জরুরি বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। মূলত যেকোনো সংক্রামক রোগের বিস্তাররোধে মানুষ যেন নিজে বাঁচার পাশাপাশি অন্যকে সংক্রমিত না করতে পারে সে লক্ষ্যে আইনটি করা হয়। জনস্বাস্থ্য-সংক্রান্ত জরুরি অবস্থা মোকাবিলা ও স্বাস্থ্যগত ঝুঁকি হ্রাসের লক্ষ্যে দেশে এটি একটি উপযুক্ত আইন। এই আইন অমান্য করলে শাস্তির বিধানও অত্যন্ত সুস্পষ্ট। সমস্যা হলো আইনটি সম্পর্কে জানে না অনেকেই। মানার বিষয়েও তাদের কোনো আগ্রহ নেই।

এদিকে সংক্রামক রোগ গোপন করা শাস্তিযোগ্য অপরাধ হলেও কাউকে এই আইনের আওতায় এনে সাজা দেয়ার নজির নেই। ফলে দিনদিন বাড়ছে এই আইন অমান্যকারীর সংখ্যাও। আবার সঠিক প্রচারণার অভাবে অনেকেরই ধারণা নেই সংক্রমক ব্যাধি আইন সম্পর্কেও। ফলে কাগজেই সীমাবদ্ধ রয়েছে আইনটি।

আইনজ্ঞরা বলছেন, আগে জানবে তারপর মানবে। মানুষ সংক্রামক আইন সম্পর্কে জানে না। অধিকাংশ মানুষই এই আইন সম্পর্কে তেমন ওয়াকিবহাল না হওয়ায় মানার বিষয়েও তেমন কোনো গুরুত্ব নেই। আর এখনও সংক্রামক আইনে কাউকে সাজা দেয়ারও নজির নেই।

corona

যদি এই আইনের ওপর সচেতনতা বৃদ্ধি করা যায় তবে স্বাস্থ্যগত ঝুঁকি কমিয়ে আনা সম্ভব বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। এজন্য মানুষ যেন আইনটি সম্পর্কে জানতে পারে সে বিষয়ে আগে প্রচার-প্রচারণা ও সচেতনতা তৈরি করা জরুরি বলে অভিমত তাদের।

জানা গেছে, সংক্রামক রোগ প্রতিরোধ, নিয়ন্ত্রণ ও নির্মূল আইন ২০১৮’র ক্ষমতাবলে সারাদেশকে সংক্রমণ ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষণা করা হয়েছে। করোনাভাইরাসকেও সংক্রামক ব্যাধির তালিকাভুক্ত করেছে সরকার। এ আইন লঙ্ঘন করলে ছয় মাসের কারাদণ্ড বা সর্বোচ্চ এক লাখ টাকা জরিমানা অথবা উভয় দণ্ড দেয়ার বিধান রয়েছে।

করোনায় আক্রান্ত অনেক রোগী তথ্য গোপন করে হাসপাতালে যাচ্ছেন স্বাস্থ্যসেবার জন্য। এতে আক্রান্ত হচ্ছেন করোনাযুদ্ধের প্রথম সারির যোদ্ধা চিকিৎসকসহ স্বাস্থ্যকর্মীরা। এর জেরে সংশ্লিষ্ট হাসপাতালের স্বাস্থ্যকর্মীদের যেতে হচ্ছে আইসোলেশনে, লকডাউন হয়ে যাচ্ছে পুরো হাসপাতাল। এ অবস্থা চলতে থাকলে দেশের স্বাস্থ্য খাতে ভয়াবহ অচলাবস্থা নেমে আসতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

এমন পরিস্থিতিতে আইনজ্ঞরা জানিয়েছেন, বিদ্যমান আইন অনুযায়ী কেউ সংক্রামক রোগের কথা গোপন করে স্বাস্থ্যসেবা গ্রহণ করলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ছয় মাসের জেল অথবা এক লাখ টাকা অর্থদণ্ডের (জরিমানা) বিধান রয়েছে।

সংক্রামক আইন কতটা কার্যকর হচ্ছে এ বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে দেশের প্রচলিত ও বিদ্যমান সংক্রামক আইনের বিভিন্ন দিক তুলে ধরে মানবাধিকার সংগঠন হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশের (এইচআরপিবি) চেয়ারম্যান ও সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মনজিল মোরসেদ জাগো নিউজকে বলেন, ‘কেউ যদি রোগ গোপন করে চিকিৎসাসেবা গ্রহণ করতে চান তাহলে তা প্রমাণিত হলে তাকে সংক্রামক আইনে ছয় মাসের জেল অথবা এক লাখ টাকা জরিমানার বিধান রয়েছে। আইনের ২৪ ধারায় বিষয়টি পরিষ্কার করে বলা আছে।’

corona

মনজিল মোরসেদ বলেন, ‘রোগ গোপনের মাধ্যমে রোগী নিজেরও ক্ষতি করলেন, অন্যের ক্ষতিও করছেন। এ কারণেই এ সাজার বিধানটা দেয়া হয়েছে। রোগীরা এ ধরনের আচরণ করলে এ সাজা দেয়া যেতে পারে। এ আইনের প্রয়োগ শুরু হলে এ জাতীয় অপরাধ কমে যাবে। এছাড়া এ মুহূর্তে মানুষের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি পাওয়াও জরুরি।’

কোন প্রক্রিয়ায় এ আইন প্রয়োগ সম্পন্ন হবে- জানতে চাইলে সুপ্রিম কোর্টের এই আইনজীবী আরও বলেন, ‘আইনটি দুই পদ্ধতিতে প্রয়োগ হতে পারে। দ্রুততম সময়ের মধ্যে এটি বাস্তবায়ন করতে চাইলে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে সম্ভব। সরকারের উচ্চপর্যায়ের কমিশনের আলোচনার ভিত্তিতে স্বাস্থ্য অধিদফতরের প্রজ্ঞাপনের আলোকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের ম্যাজিস্ট্রেট তাৎক্ষণিকভাবে সাজাটা দিতে পারেন। অথবা স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় যেভাবে মামলা হয়, সেভাবে হবে। কিন্তু এখন তো দ্রুত এ সাজা নিশ্চিত করা দরকার, যাতে রোগীদের মধ্যে একটি উপলব্ধি জন্মে যে এ ধরনের অপরাধ করলে তাদের জেলে যেতে হবে।’

সংক্রামক ব্যাধির আইন সঠিক প্রয়োগ হচ্ছে না বলে উল্লেখ করে মনজিল মোরসেদ বলেন, ‘সংক্রামক ব্যাধির এই আইনে এখন পর্যন্ত দেশের কোনো মানুষকে সাজা দেয়া হয়েছে বলে মনে হয় না। আইন মেনে, লকডাউন অমান্য করার কারণে কারও সাজা দেয়া হয়েছে— এমন নজির খুঁজে পাচ্ছি না। তাহলে মানুষ এ বিষয়ে সচেতন হবে কীভাবে?’

তবে এ ক্ষেত্রে চিকিৎসকদেরও সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন মানবাধিকার সংগঠন এইচআরপিবির চেয়ারম্যান। তিনি বলেন, ‘রোগ গোপন করা এক জিনিস আর না জানা আরেক জিনিস। কারণ করোনাভাইরাসের লক্ষণ প্রকাশ পেতে তো কয়েক দিন সময় লাগে। অনেক রোগী আসেন বিভিন্ন ব্যথা ও জ্বর-সর্দি বা অন্যান্য সমস্যা নিয়ে। কিন্তু তিনি তো করোনাভাইরাস বহন করছেন, যা রোগী নিজেও জানেন না। হয়তো ১৪-১৫ দিন বা তারও পর সেটা প্রকাশ পাবে। এখন যেহেতু সবখানে করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়েছে। সুতরাং সম্পূর্ণ নিরাপত্তা নিয়েই চিকিৎসকদের স্বাস্থ্যসেবা দিতে হবে। এভাবে তারা নিজেদের সুরক্ষিত রাখতে সক্ষম হবেন।’

২০১৮ সালে সংক্রামক রোগ (প্রতিরোধ, নিয়ন্ত্রণ ও নির্মূল) আইনের ২৪ ধারায় বলা হয়েছে-
২৪ (১) : যদি কোনো ব্যক্তি সংক্রামক জীবাণুর বিস্তার ঘটান বা বিস্তার ঘটাতে সহায়তা করেন বা জ্ঞাত থাকা সত্ত্বেও অপর কোনো ব্যক্তি সংক্রমিত ব্যক্তি বা স্থাপনার সংস্পর্শে আসিবার সময় সংক্রমণের ঝুঁকির বিষয়টি তাহার নিকট গোপন করেন তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তির অনুরূপ কার্য হইবে একটি অপরাধ।

corona

(২) যদি কোনো ব্যক্তি উপ-ধারা (১) এর অধীন কোনো অপরাধ সংঘটন করেন, তাহা হইলে তিনি অনূর্ধ্ব ছয় মাস কারাদণ্ডে বা অনূর্ধ্ব এক লক্ষ টাকা অর্থদণ্ডে, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।

আইনটি সম্পর্কে সচেতনতা বাড়লে কমবে স্বাস্থ্যগত ঝুঁকি, মতামত বিশেষজ্ঞদের। প্রয়োগ না থাকলে আইন থাকা, না থাকার সমান বলেও মতামত দেন আইনজ্ঞরা।

বর্তমান করোনা পরিস্থিতির বিষয়ে জানতে চাইলে স্বাস্থ্য অধিদফতরের অতিরিক্ত পরিচালক (শিক্ষা) অধ্যাপক ডা. আবু ইউসুফ ফকির জাগো নিউজকে বলেন, ‘বর্তমানে করোনা পরিস্থিতিতে আক্রান্ত রোগী, আশপাশের জনসাধারণ, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য এবং যারা চিকিৎসা দিচ্ছেন তাদের সকলকে সতর্ক হতে হবে। রোগটি সংক্রমণজনিত ছোঁয়াচে ভাইরাস। এ বিষয়ে কারও জানা আছে সে হয়তো বলল- আমি আক্রান্ত। আবার কেউ বুঝতেই পারে না যে তার করোনার উপসর্গ আছে। এক্ষেত্রে দেশের সাধারণ মানুষ, চাকরিজীবী পেশাজীবী ব্যবসায়ী ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য এবং স্বাস্থ্যকর্মী ও ডাক্তারদের সচেতন হওয়া ছাড়া আর কোনো উপায় দেখছি না।’

তিনি আরও বলেন, ‘বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সাথে সাথে বাংলাদেশ সরকারের ঘোষিত সকল স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা এবং সঠিক মাস্ক ও পিপিইসহ পর্যাপ্ত নিরাপত্তা সরঞ্জাম না থাকলেও স্বাস্থ্যকর্মী, নার্স ও ডাক্তার সকলকে সতর্ক থাকতে হবে। সরকারের ঘোষণা অনুযায়ী সকলকে অবশ্যই মাস্ক পরিধান করতে হবে।’

‘করোনায় আক্রান্ত রোগীরা তাদের রোগ বা তার শারীরিক অবস্থার ইতিহাস গোপন করছেন। অথবা না জেনে ডাক্তার বা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছাকাছি আসছেন। এতে পুলিশ ও ডাক্তার আক্রান্ত হয়েছেন, পেশাজীবী হিসেবে আপনাদের পুলিশ বাহিনীর সদস্যরাই সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত’— এ বিষয়ে পুলিশ সদর দফতরের মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের সহকারী মহাপরিদর্শক (এআইজি) মোহাম্মদ সোহেল রানা জাগো নিউজকে বলেন, ‘কোনো রোগী তথ্য গোপন করে বা মিথ্যা তথ্য দিয়ে চিকিৎসা নিতে যাচ্ছে চিকিৎসকের কাছে, পুলিশের কাছে না। এ জন্য সংশ্লিষ্টদের পুলিশের কাছে অভিযোগ করতে হবে। আমাদের কাছে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ এলে সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে। এ ক্ষেত্রে কোনো কর্তৃপক্ষ একটি অভিযোগ করতে পারে। এরপর ব্যবস্থা নেব আমরা।’

corona

তিনি বলেন, ‘আমাদের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে সাধ্যের মধ্যে যতটুকু আইন প্রয়োগ করার বিধান রয়েছে আমরা তা প্রয়োগ করার চেষ্টা করছি। বাদবাকি আল্লাহর ইচ্ছা। এখন সকলকে সচেতন হওয়া ছাড়া আর কোনো উপায় দেখছি না। কারণ এটি একটি ছোঁয়াচে এবং ভাইরাসজনিত প্রাদুর্ভাব বা রোগ।’

করোনা সংকট মোকাবিলায় পুলিশ বাহিনী সদাতৎপর রয়েছে জানিয়ে তিনি আরও বলেন, ‘ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে জরিমানার ব্যবস্থা করা যাবে। অথবা স্বাস্থ্যবিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া যেতে পারে। তবে, সবকিছুই নির্ভর করছে সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ওপর।’

রোগীরা প্রায়ই তথ্য গোপন করে চিকিৎসা গ্রহণ করছেন, এতে আক্রান্ত হচ্ছেন রাস্তায় কাজ করা বিভিন্ন বাহিনীর সদস্যরা এবং হাসপাতালে স্বাস্থ্যকর্মীরা- এমন তথ্য জানিয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের অধ্যাপক ড. খান মো. আবুল কালাম আজাদ বলেন, ‘এটি একদম সত্য, অনেকেই আক্রান্ত ব্যক্তিদের সংস্পর্শে যাওয়ার বিষয় গোপন করেন, এমনকি লক্ষণ প্রকাশ পাওয়ার পরও তা গোপন করে অন্য লক্ষণের কথা বলেন। অনেকে ওয়ার্ডে ধরাও পড়েছেন। পরে চিকিৎসকরা তাদের পরীক্ষা করে দেখেছেন তারা করোনায় আক্রান্ত। তখন তাদের সাধারণ ওয়ার্ড থেকে আইসোলেশন ইউনিটে পাঠানো হয়েছে। বিভিন্ন বিভাগে এ ধরনের ঘটনা বেশ কয়েকবার ঘটেছে।’

এ বিষয়ে আইনের আশ্রয় নিয়েছেন কি-না, জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘এসব রোগীর অবস্থা এতটাই অসহায় থাকে যে চিকিৎসকদের পক্ষে তাদের পুলিশের কাছে দেয়া সম্ভব হয়ে ওঠে না। এটি অপরাধ হলেও মানবিক কারণে কোনোপ্রকার শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ সম্ভব হয় না। এর থেকে উত্তরণের একমাত্র উপায় মানুষের সচেতনতা। এ বিষয়ে আমাদের পক্ষ থেকে রোগীদের বারবার অনুরোধ করা হচ্ছে। কিন্তু রোগীরা তাদের রোগ ও ইতিহাস গোপন করছেন। ইদানীং অনেক রোগী নারায়ণগঞ্জ থেকে এসেছেন, তাও স্বীকার করেন না। এতকিছুর পরও চিকিৎসকরা মানবতার খাতিরে চিকিৎসা প্রদান করে যাচ্ছেন।’

তিনি বলেন, ‘তাদের করোনার বিষয়ে আমরা যখন জানি তখন অনেক দেরি হয়ে যায়। সুরক্ষার জন্য আমরা চিকিৎসকদের আউটডোর, ওয়ার্ডসহ সবসময় পিপিই পরে কাজ করতে পরামর্শ দিয়েছি। পিপিই ও মাস্ক পরে সচেতনতা ছাড়া আর কোনো উপায় দেখছি না আপাতত।’

এফএইচ/বিএ/এমএআর/জেআইএম

করোনা ভাইরাস - লাইভ আপডেট

২,১৩,৪২,৪৫৪
আক্রান্ত

৭,৬৩,০৬৪
মৃত

১,৪১,৩৮,৩৩৮
সুস্থ

# দেশ আক্রান্ত মৃত সুস্থ
বাংলাদেশ ২,৭১,৮৮১ ৩,৫৯১ ১,৫৬,৬২৩
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ৫৪,৭৬,২৬৬ ১,৭১,৫৩৫ ২৮,৭৫,১৪৭
ব্রাজিল ৩২,৭৮,৮৯৫ ১,০৬,৫৭১ ২৩,৮৪,৩০২
ভারত ২৫,২৫,২২২ ৪৯,১৩৪ ১৮,০৭,৫৫৬
রাশিয়া ৯,১২,৮২৩ ১৫,৪৯৮ ৭,২২,৯৬৪
দক্ষিণ আফ্রিকা ৫,৭৯,১৪০ ১১,৫৫৬ ৪,৬১,৭৩৪
মেক্সিকো ৫,১১,৩৬৯ ৫৫,৯০৮ ৩,৪৫,৬৫৩
পেরু ৫,০৭,৯৯৬ ২৫,৬৪৮ ৩,৪৮,০০৬
কলম্বিয়া ৪,৪৫,১১১ ১৪,৪৯২ ২,৬১,২৯৬
১০ চিলি ৩,৮২,১১১ ১০,৩৪০ ৩,৫৫,০৩৭
১১ স্পেন ৩,৭৯,৭৯৯ ২৮,৭৫২ ১,৯৬,৯৫৮
১২ ইরান ৩,৩৮,৮২৫ ১৯,৩৩১ ২,৯৩,৮১১
১৩ যুক্তরাজ্য ৩,১৬,৩৬৭ ৪৬,৭০৬ ৩৪৪
১৪ সৌদি আরব ২,৯৫,৯০২ ৩,৩৩৮ ২,৬২,৯৫৯
১৫ পাকিস্তান ২,৮৭,৩০০ ৬,১৫৩ ২,৬৫,২১৫
১৬ আর্জেন্টিনা ২,৮২,৪৩৭ ৫,৫২৭ ১,৯৯,০০৫
১৭ ইতালি ২,৫২,৮০৯ ৩৫,২৩৪ ২,০৩,৩২৬
১৮ তুরস্ক ২,৪৬,৮৬১ ৫,৯৩৪ ২,২৮,৯৮০
১৯ জার্মানি ২,২৩,৭৭৪ ৯,২৮৯ ২,০২,৫৫০
২০ ফ্রান্স ২,১২,২১১ ৩১,০১৭ ৮৩,৮৪৮
২১ ইরাক ১,৬৮,২৯০ ৫,৭০৯ ১,২০,১২৯
২২ ফিলিপাইন ১,৫৩,৬৬০ ২,৪৪২ ৭১,৪০৫
২৩ ইন্দোনেশিয়া ১,৩৫,১২৩ ৬,০২১ ৮৯,৬১৮
২৪ কানাডা ১,২১,৬৫২ ৯,০২০ ১,০৭,৯৪২
২৫ কাতার ১,১৪,৫৩২ ১৯০ ১,১১,২৫৮
২৬ কাজাখস্তান ১,০১,৮৪৮ ১,২৬৯ ৭৮,৬৩৩
২৭ ইকুয়েডর ৯৯,৪০৯ ৬,০৩০ ৭৯,১৭৬
২৮ বলিভিয়া ৯৬,৪৫৯ ৩,৮৮৪ ৩৩,৭২০
২৯ মিসর ৯৬,২২০ ৫,১২৪ ৫৭,৮৫৮
৩০ ইসরায়েল ৯১,০৮০ ৬৬৫ ৬৬,৯৬৫
৩১ ইউক্রেন ৮৭,৮৭২ ২,০১১ ৪৬,৭৯৭
৩২ চীন ৮৪,৮০৮ ৪,৬৩৪ ৭৯,৫১৯
৩৩ ডোমিনিকান আইল্যান্ড ৮৪,৪৮৮ ১,৪০৯ ৪৯,৫৩৯
৩৪ সুইডেন ৮৪,২৯৪ ৫,৭৮৩ ৪,৯৭১
৩৫ ওমান ৮২,৭৪৩ ৫৫৭ ৭৭,৪২৭
৩৬ পানামা ৭৯,৪০২ ১,৭৩৪ ৫২,৮৮৬
৩৭ বেলজিয়াম ৭৬,১৯১ ৯,৯১৬ ১৭,৯১৩
৩৮ কুয়েত ৭৫,১৮৫ ৪৯৪ ৬৬,৭৪০
৩৯ বেলারুশ ৬৯,৩০৮ ৬০৩ ৬৬,৪৫২
৪০ রোমানিয়া ৬৮,০৪৬ ২,৯০৪ ৩১,৯২০
৪১ সংযুক্ত আরব আমিরাত ৬৩,৮১৯ ৩৫৯ ৫৭,৪৭৩
৪২ নেদারল্যান্ডস ৬১,৮৪০ ৬,১৬৭ ২৫০
৪৩ গুয়াতেমালা ৬১,৪২৮ ২,৩৪১ ৪৯,৩৫৫
৪৪ সিঙ্গাপুর ৫৫,৫৮০ ২৭ ৫১,০৪৯
৪৫ পোল্যান্ড ৫৫,৩১৯ ১,৮৫৮ ৩৮,৩৬২
৪৬ পর্তুগাল ৫৩,৭৮৩ ১,৭৭২ ৩৯,৩৭৪
৪৭ জাপান ৫২,২১৭ ১,০৭৩ ৩৭,৪৭৯
৪৮ হন্ডুরাস ৪৯,০৪২ ১,৫৪২ ৭,০৩২
৪৯ নাইজেরিয়া ৪৮,৪৪৫ ৯৭৩ ৩৫,৯৯৮
৫০ বাহরাইন ৪৬,০৫২ ১৬৮ ৪২,৪৬৯
৫১ ঘানা ৪১,৮৪৭ ২২৩ ৩৯,৭১৮
৫২ কিরগিজস্তান ৪১,৩৭৩ ১,৪৯১ ৩৩,৫৯২
৫৩ আর্মেনিয়া ৪১,২৯৯ ৮১৪ ৩৪,১৬৪
৫৪ মরক্কো ৩৯,২৪১ ৬১১ ২৭,৬৪৪
৫৫ সুইজারল্যান্ড ৩৭,৬৭১ ১,৯৯১ ৩২,৯০০
৫৬ আলজেরিয়া ৩৭,৬৬৪ ১,৩৫১ ২৬,৩০৮
৫৭ আফগানিস্তান ৩৭,৪৩১ ১,৩৬৩ ২৬,৭১৪
৫৮ আজারবাইজান ৩৪,০১৮ ৫০৪ ৩১,৪৯০
৫৯ উজবেকিস্তান ৩৩,৮২১ ২২০ ২৭,৮২৫
৬০ ভেনেজুয়েলা ৩১,৩৮১ ২৬৬ ২১,৫৮০
৬১ মলদোভা ২৯,৪৮৩ ৮৮৪ ২০,৫৫৬
৬২ কেনিয়া ২৯,৩৩৪ ৪৬৫ ১৫,২৯৮
৬৩ সার্বিয়া ২৯,২৩৩ ৬৬৫ ২৬,১১৭
৬৪ ইথিওপিয়া ২৭,২৪২ ৪৯২ ১১,৬৬০
৬৫ আয়ারল্যান্ড ২৬,৯৯৫ ১,৭৭৪ ২৩,৩৬৪
৬৬ কোস্টারিকা ২৬,৯৩১ ২৮১ ৮,৭৮৫
৬৭ নেপাল ২৫,৫৫১ ৯৯ ১৭,০৭৭
৬৮ অস্ট্রেলিয়া ২৩,০৩৫ ৩৭৯ ১৩,৩৫২
৬৯ অস্ট্রিয়া ২২,৮৭৬ ৭২৫ ২০,৪৯৯
৭০ এল সালভাদর ২২,৩১৪ ৫৯৫ ১০,৪৫৫
৭১ চেক প্রজাতন্ত্র ১৯,৬৯৩ ৩৯৪ ১৩,৭৩১
৭২ ক্যামেরুন ১৮,৪৬৯ ৪০১ ১৫,৩২০
৭৩ আইভরি কোস্ট ১৬,৯৩৫ ১০৮ ১৩,৭২১
৭৪ ফিলিস্তিন ১৫,৮৩৪ ১০৬ ৯,৩৮২
৭৫ বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা ১৫,৫৩৫ ৪৬৯ ৯,৩৪৪
৭৬ ডেনমার্ক ১৫,৩৭৯ ৬২১ ১৩,২১৬
৭৭ দক্ষিণ কোরিয়া ১৫,০৩৯ ৩০৫ ১৩,৯০১
৭৮ বুলগেরিয়া ১৪,২৪৩ ৪৯২ ৯,১১৪
৭৯ মাদাগাস্কার ১৩,৬৪৩ ১৬৪ ১২,০১১
৮০ উত্তর ম্যাসেডোনিয়া ১২,৫১৫ ৫৩৫ ৯,০৩০
৮১ সুদান ১২,১৬২ ৭৯৩ ৬,৩২৫
৮২ সেনেগাল ১১,৮৭২ ২৪৯ ৭,৬১৫
৮৩ নরওয়ে ৯,৯০৮ ২৬১ ৮,৮৫৭
৮৪ ড্যানিশ রিফিউজি কাউন্সিল ৯,৬০৫ ২৩৮ ৮,৫১২
৮৫ মালয়েশিয়া ৯,১৪৯ ১২৫ ৮,৮২৮
৮৬ জাম্বিয়া ৯,০২১ ২৫৬ ৭,৫৮৬
৮৭ ফ্রেঞ্চ গায়ানা ৮,৫৪৯ ৫৩ ৭,৮৪১
৮৮ প্যারাগুয়ে ৮,৩৮৯ ৯৭ ৫,৫১৬
৮৯ গিনি ৮,২৬০ ৫০ ৭,১৭৭
৯০ গ্যাবন ৮,২২৫ ৫১ ৬,২৭৭
৯১ লেবানন ৮,০৪৫ ৯৪ ২,৫৫১
৯২ তাজিকিস্তান ৭,৯৮৯ ৬৩ ৭,২৩৫
৯৩ হাইতি ৭,৮১০ ১৯২ ৫,১২৩
৯৪ ফিনল্যাণ্ড ৭,৭০০ ৩৩৩ ৭,০৫০
৯৫ লুক্সেমবার্গ ৭,৪০৫ ১২২ ৬,৫০০
৯৬ লিবিয়া ৭,৩২৭ ১৩৯ ৮৪৮
৯৭ আলবেনিয়া ৭,১১৭ ২১৯ ৩,৬৯৫
৯৮ মৌরিতানিয়া ৬,৬৭৬ ১৫৭ ৫,৮৮৯
৯৯ গ্রীস ৬,৬৩২ ২২৩ ৩,৮০৪
১০০ ক্রোয়েশিয়া ৬,২৫৮ ১৬৩ ৫,১৩৪
১০১ মালদ্বীপ ৫,৫৭২ ২২ ৩,০১০
১০২ জিবুতি ৫,৩৬৭ ৫৯ ৫,১৮১
১০৩ জিম্বাবুয়ে ৫,০৭২ ১২৮ ১,৯৯৮
১০৪ মালাউই ৪,৯৮৮ ১৫৬ ২,৫৭৬
১০৫ হাঙ্গেরি ৪,৮৫৩ ৬০৭ ৩,৫৯০
১০৬ ইকোয়েটরিয়াল গিনি ৪,৮২১ ৮৩ ২,১৮২
১০৭ সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিক ৪,৬৫২ ৬১ ১,৭২৮
১০৮ হংকং ৪,৩৬১ ৬৭ ৩,৩৯২
১০৯ নিকারাগুয়া ৪,১১৫ ১২৮ ২,৯১৩
১১০ মন্টিনিগ্রো ৩,৯৩০ ৭৩ ২,৭৫২
১১১ কঙ্গো ৩,৭৪৫ ৬০ ১,৬২৫
১১২ নামিবিয়া ৩,৭২৬ ৩১ ৮৪৮
১১৩ ইসওয়াতিনি ৩,৬৭০ ৬৮ ১,৯৯১
১১৪ থাইল্যান্ড ৩,৩৭৬ ৫৮ ৩,১৭৩
১১৫ সোমালিয়া ৩,২৫০ ৯৩ ২,২৬৮
১১৬ কিউবা ৩,২২৯ ৮৯ ২,৫৪৭
১১৭ কেপ ভার্দে ৩,১৩৬ ৩৩ ২,২৫৪
১১৮ মায়োত্তে ৩,১১৯ ৩৯ ২,৯৪০
১১৯ শ্রীলংকা ২,৮৮৬ ১১ ২,৬৫৮
১২০ সুরিনাম ২,৮৩৮ ৪১ ১,৮৯৪
১২১ স্লোভাকিয়া ২,৮০১ ৩১ ১,৯৪৪
১২২ মোজাম্বিক ২,৭০৮ ১৯ ১,০৭৫
১২৩ মালি ২,৫৯৭ ১২৫ ১,৯৭৯
১২৪ দক্ষিণ সুদান ২,৪৮২ ৪৭ ১,১৭৫
১২৫ স্লোভেনিয়া ২,৩৬৯ ১২৯ ২,০২৭
১২৬ লিথুনিয়া ২,৩৫২ ৮১ ১,৬৯১
১২৭ রুয়ান্ডা ২,২৯৩ ১,৬০৪
১২৮ এস্তোনিয়া ২,১৭৭ ৬৯ ১,৯৭৬
১২৯ গিনি বিসাউ ২,০৮৮ ২৯ ১,০১৫
১৩০ বেনিন ২,০১৪ ৩৮ ১,৬৮১
১৩১ আইসল্যান্ড ১,৯৮৩ ১০ ১,৯০৭
১৩২ সিয়েরা লিওন ১,৯৪৭ ৬৯ ১,৫০২
১৩৩ তিউনিশিয়া ১,৯০৩ ৫৩ ১,৩২০
১৩৪ ইয়েমেন ১,৮৫৮ ৫২৮ ১,০০৯
১৩৫ অ্যাঙ্গোলা ১,৮৫২ ৮৬ ৫৮৪
১৩৬ গাম্বিয়া ১,৬২৩ ৫০ ৩০৪
১৩৭ নিউজিল্যান্ড ১,৬০৯ ২২ ১,৫৩১
১৩৮ সিরিয়া ১,৫১৫ ৫৮ ৪০৩
১৩৯ উরুগুয়ে ১,৪২১ ৩৮ ১,১৮২
১৪০ উগান্ডা ১,৩৮৫ ১২ ১,১৪২
১৪১ জর্ডান ১,৩২৯ ১১ ১,২২৯
১৪২ সাইপ্রাস ১,৩১৮ ২০ ৮৭০
১৪৩ লাটভিয়া ১,৩০৮ ৩২ ১,০৭৮
১৪৪ জর্জিয়া ১,৩০৬ ১৭ ১,০৮৫
১৪৫ মালটা ১,২৭৬ ৭৬২
১৪৬ লাইবেরিয়া ১,২৫২ ৮২ ৭৩৮
১৪৭ বুর্কিনা ফাঁসো ১,২৩৮ ৫৪ ১,০০৫
১৪৮ বতসোয়ানা ১,২১৪ ১২০
১৪৯ নাইজার ১,১৬১ ৬৯ ১,০৭৫
১৫০ টোগো ১,১২৪ ২৬ ৮০৬
১৫১ বাহামা ১,১১৯ ১৭ ১৩৮
১৫২ জ্যামাইকা ১,০৮২ ১৪ ৭৬১
১৫৩ এনডোরা ৯৮৯ ৫৩ ৮৬৩
১৫৪ আরুবা ৯৭৩ ১১৪
১৫৫ চাদ ৯৫১ ৭৬ ৮৬২
১৫৬ ভিয়েতনাম ৯৩০ ২২ ৪৫১
১৫৭ লেসোথো ৮৮৪ ২৫ ২৭১
১৫৮ রিইউনিয়ন ৭৭৬ ৬৫৭
১৫৯ ডায়মন্ড প্রিন্সেস (প্রমোদ তরী) ৭১২ ১৩ ৬৫১
১৬০ সান ম্যারিনো ৬৯৯ ৪৫ ৬৫৭
১৬১ গায়ানা ৬৪৯ ২৩ ৩০৬
১৬২ চ্যানেল আইল্যান্ড ৬০৭ ৪৮ ৫৫৫
১৬৩ তানজানিয়া ৫০৯ ২১ ১৮৩
১৬৪ তাইওয়ান ৪৮১ ৪৫০
১৬৫ গুয়াদেলৌপ ৪৪৬ ১৪ ২৮৯
১৬৬ ত্রিনিদাদ ও টোবাগো ৪২৬ ১০ ১৩৯
১৬৭ বুরুন্ডি ৪১২ ৩১৫
১৬৮ কমোরস ৪০৩ ৩৭৯
১৬৯ মায়ানমার ৩৭৪ ৩২২
১৭০ ফারে আইল্যান্ড ৩৬৫ ২২৫
১৭১ বেলিজ ৩৫৬ ৩২
১৭২ মরিশাস ৩৪৫ ১০ ৩৩৪
১৭৩ মার্টিনিক ৩৩৬ ১৬ ৯৮
১৭৪ আইল অফ ম্যান ৩৩৬ ২৪ ৩১২
১৭৫ মঙ্গোলিয়া ২৯৭ ২৬৯
১৭৬ পাপুয়া নিউ গিনি ২৮৭ ৭৮
১৭৭ ইরিত্রিয়া ২৮৫ ২৪৮
১৭৮ কম্বোডিয়া ২৭৩ ২২৫
১৭৯ সিন্ট মার্টেন ২৬৩ ১৭ ১০২
১৮০ টার্কস্ ও কেইকোস আইল্যান্ড ২৫৮ ৫২
১৮১ জিব্রাল্টার ২০৬ ১৮৮
১৮২ কেম্যান আইল্যান্ড ২০৩ ২০২
১৮৩ ফ্রেঞ্চ পলিনেশিয়া ১৬৬ ৬৪
১৮৪ বারমুডা ১৫৯ ১৪৫
১৮৫ বার্বাডোস ১৪৮ ১১৯
১৮৬ মোনাকো ১৪৬ ১১৪
১৮৭ ব্রুনাই ১৪২ ১৩৮
১৮৮ ভুটান ১৩১ ১০০
১৮৯ সিসিলি ১২৭ ১২৬
১৯০ সেন্ট মার্টিন ১০৯ ৪৯
১৯১ অ্যান্টিগুয়া ও বার্বুডা ৯৩ ৮৩
১৯২ লিচেনস্টেইন ৯১ ৮৭
১৯৩ সেন্ট ভিনসেন্ট ও গ্রেনাডাইন আইল্যান্ড ৫৭ ৫৫
১৯৪ ব্রিটিশ ভার্জিন দ্বীপপুঞ্জ ৫৪
১৯৫ ম্যাকাও ৪৬ ৪৬
১৯৬ কিউরাসাও ৩২ ৩০
১৯৭ ফিজি ২৮ ২০
১৯৮ সেন্ট লুসিয়া ২৫ ২৫
১৯৯ পূর্ব তিমুর ২৫ ২৪
২০০ গ্রেনাডা ২৪ ২৩
২০১ নিউ ক্যালেডোনিয়া ২৩ ২২
২০২ লাওস ২২ ১৯
২০৩ ডোমিনিকা ১৮ ১৮
২০৪ সেন্ট কিটস ও নেভিস ১৭ ১৭
২০৫ গ্রীনল্যাণ্ড ১৪ ১৪
২০৬ মন্টসেরাট ১৩ ১৩
২০৭ সেন্ট বারথেলিমি ১৩
২০৮ ক্যারিবিয়ান নেদারল্যান্ডস ১৩
২০৯ ফকল্যান্ড আইল্যান্ড ১৩ ১৩
২১০ ভ্যাটিকান সিটি ১২ ১২
২১১ পশ্চিম সাহারা ১০
২১২ জান্ডাম (জাহাজ)
২১৩ সেন্ট পিয়ের এন্ড মিকেলন
২১৪ এ্যাঙ্গুইলা
তথ্যসূত্র: চীনের জাতীয় স্বাস্থ্য কমিশন (সিএনএইচসি) ও অন্যান্য।
করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]