দ্রব্যমূল্যে বাঁধা নিম্ন আয়ের হাসি-কান্না

সাঈদ শিপন
সাঈদ শিপন সাঈদ শিপন , নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৯:০৪ এএম, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২০

একটি বেসরকারি বীমা কোম্পানিতে চাকরি করেন মো. তারেক। মাসিক বেতন ছিল ২০ হাজার টাকা। মহামারি করোনাভাইরাসের প্রকোপ শুরুর পর চলতি বছরের মে মাস থেকে বেতন দুই হাজার টাকা কমে হয়েছে ১৮ হাজার টাকা। এ আয়ের ওপর ভর করে রাজধানীতে ভাড়া বাসায় পরিবারের তিন সদস্য নিয়ে বসবাস তার।

বাসা ভাড়ার পেছনে প্রতি মাসে খরচ হয় ১০ হাজার টাকা। বাকি টাকা দিয়ে খাবার ও অন্যান্য খরচ মেটাতে হয় তাকে। পরিবারের তিন সদস্যের জন্য মাসে চাল লাগে দেড় হাজার টাকার। অফিসে যাতায়াতে খরচ হয় আরও দেড় হাজার টাকা। ১৮ হাজার টাকার মধ্যে ১৩ হাজার টাকা চলে যায় এ তিন খাতে। বাকি পাঁচ হাজার টাকার ওপর ভর করে চলতে হয় পুরো মাস।

বর্তমান চড়া বাজারে শুধু সবজি কিনতেই মাসে চলে যায় আরও দেড় হাজার টাকা। তেল, মসলাসহ রান্নার অন্যান্য উপকরণ কিনতে চলে যায় আরও এক হাজার টাকা। বাকি থাকে আড়াই হাজার টাকা। মাঝে মধ্যে মাছ-মাংস কিনতে গেলে শেষ হয়ে যায় মাসের পুরো টাকা। মাস শেষে হাতে কোনো টাকা জমা থাকে না। এমনকি মাসের বেশিরভাগ সময় নিরামিষ খেয়ে থাকতে হয় তাদের। দুপুরে অধিকাংশ সময় না খেয়ে কাটাতে হয় তারেককে, এটা আর কেউ জানে না।

poor-0

আয়-ব্যয়ের এমন তথ্য তুলে ধরে তারেক বলেন, ‘ছেলে বড় হচ্ছে। সামনে স্কুলে ভর্তি করতে হবে। তখন কীভাবে চলব, সারাক্ষণ সেই চিন্তা করি। নিজে না খেয়ে পরিবারের মুখে হাসি ফোটানোর চেষ্টা করি। আশা ছিল বেতন বাড়বে, কিন্তু [করোনাভাইরাসের] কারণে উল্টো বেতন কমে গেছে। এর সঙ্গে সবকিছুর অস্বাভাবিক দাম। চাল, ডাল, সবজির দাম কম থাকলে কিছুটা স্বস্তি পাওয়া যেত।

তিনি আরও বলেন, ১০০ টাকার কাঁচাবাজারে এখন একদিনও চলে না। দুই প্রকার সবজি কিনলে টাকা শেষ। মাসে বড়জোর এক-দুদিন ব্রয়লার মুরগির মাংস খাওয়া হয়। গরুর মাংস কোরবানির ঈদের পর আর খাওয়া হয়নি। এরপরও মাস শেষে হাতে কোনো টাকা থাকে না। পরিবার নিয়ে খুব কষ্টে আছি।

শুধু তারেক নয়, রাজধানীতে বসবাস করা একটি বড় অংশের জীবনযাত্রার চিত্র এটি। করোনার কারণে একদিকে আয় কমেছে, অন্যদিকে বেড়েছে সব ধরনের নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম। দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির কারণে অনেক কর্মজীবীর মুখের হাসি চলে গেছে। অনেকে পরিবার-পরিজনদের বাড়ি পাঠিয়ে দিয়েছেন। স্বল্প আয়ের এসব মানুষের হাসি-কান্না অনেকটাই নির্ভর করে নিত্যপণ্যের মূল্যের ওপর। মূল্য কম থাকলে তারা পেটভরে দু’মুটো খেতে পারেন। মূল্য লাগামছাড়া হলে অনেক সময় না খেয়ে কাটাতে হয় তাদের।

jagonews24

মহামারি করোনার প্রভাব, সঙ্গে নিত্যপণ্যের ঊর্ধ্বমুখিতায় কোন ধরনের সমস্যার সম্মুখীন হতে হচ্ছে— এ নিয়ে রাজধানীর বিভিন্ন শ্রেণি ও পেশার ২৫ জনের সঙ্গে কথা হয় জাগো নিউজের। তাদের প্রত্যেকেই জানিয়েছেন, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির কারণে সংসার চালাতে তারা হিমশিম খাচ্ছেন। চাকরি করা তিনজন জানিয়েছেন, করোনার কারণে বেতন কমে গেছে। ১০ রিকশাচালক জানান, তাদের আয় কমে গেছে। ফলে খাওয়া-দাওয়াও কমিয়ে দিয়েছেন। খরচের লাগাম টানতে না পেরে মাঝে মধ্যে দুপুরে না খেয়ে থাকেন কয়েকজন।

মধুবাগের বাসিন্দা রিকশাচালক মো. হাফিজুর বলেন, পরিবার গ্রামে থাকে। ঢাকায় মেসে থাকি। সকাল ও রাতের খাওয়া আর থাকার ভাড়াবাবদ মাসে দিতে হয় পাঁচ হাজার টাকা। প্রতিদিন সকাল থেকে রাত পর্যন্ত রিকশা চালিয়ে আয় হয় ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা। রিকশার ভাড়াবাবদ গ্যারেজে দিতে হয় ৮০ টাকা। গ্রামের বাড়িতে স্ত্রী, দুই সন্তান এবং মা থাকেন। তাদের জন্য মাসে পাঠান তিন হাজার টাকার মতো।

হাফিজুর বলেন, সবকিছুর দাম বাড়ার কারণে গত মাস থেকে মেস ভাড়া বাড়ার কথা বলেছে। অনেক অনুরোধ করে এ মাস পর্যন্ত সময় নিয়েছি। সামনের মাস থেকে ৫০০ টাকা বেশি দিতে হবে। এখনই যে খরচ তাতে বেশিরভাগ দিন দুপুরে না খেয়ে থাকতে হয়। আগামী মাস থেকে ৫০০ টাকা বেশি দিতে হলে কষ্ট আরও বেড়ে যাবে। জিনিসপত্রের দাম কম থাকলে হয়তো মেস ভাড়া একটু কম দেয়া যেত।

jagonews24

বেসরকারি একটি কোম্পানিতে মার্কেটিংয়ের কাজ করেন মোখলেছুর রহমান। বলেন, বাজারে গিয়ে যেকোনো পণ্যের দাম শুনলে মন খারাপ হয়ে যায়। করোনার কারণে একদিকে আয় বাড়ার পথ বন্ধ হয়ে গেছে, অন্যদিকে সবকিছুর দাম বাড়তি। কোনোভাবেই আয়-ব্যয়ের হিসাব মিলাতে পারছি না। এখন নতুন করে চাল, পেঁয়াজের দাম বেড়েছে। এতে কষ্ট আরও বাড়বে, বুঝতে পারছি। এ দুর্দিনে খাদ্যপণ্যের দাম যদি কম থাকত, তাহলেও কিছু খরচ বাঁচানো যেত। কিন্তু চাল, ডাল, সবজির বাড়তি দাম ‘মরার ওপর খাঁড়ার ঘা’ হিসেবে আমাদের ওপর পড়েছে।

১৮ শতাংশ বেড়েছে চালের দাম

সরকারি প্রতিষ্ঠান ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) হিসাব অনুযায়ী, গত বছরের তুলনায় বর্তমানে গরিবের মোটা চালের দাম ১৮ দশমিক ৯২ শতাংশ বাড়তি। তুলনামূলক কম বেড়েছে চিকন চালের দাম। গত বছরের তুলনায় চিকন চাল বিক্রি হচ্ছে ৮ দশমিক ৭৪ শতাংশ বেশি দামে।

তেলে অশান্তি

টিসিবি’র হিসাবে, গত বছরের তুলনায় এখন সুপার পাম অয়েল ২৬ দশমিক ১৫ শতাংশ বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে। লুজ সয়াবিন তেল বিক্রি হচ্ছে ১৩ দশমিক ১৩ শতাংশ বেশি দামে। লুজ পাম অয়েলের দাম বেড়েছে ২৯ দশমিক ১৭ শতাংশ। পাঁচ লিটার বোতলের সয়াবিন তেলের ৪ দশমিক ৮৪ শতাংশ এবং এক লিটারের ২ দশমিক ৪৪ শতাংশ দাম বেড়েছে।

jagonews24

ভোগাচ্ছে আলু-ডাল

গরিবের খাদ্য হিসেবে পরিচিত আলু এখন আর গরিবের জন্য নয়। এক কেজি আলু ৪০ টাকার নিচে মিলছে না কোথাও। টিসিবি বলছে, গত বছরের তুলনায় আলু এখন ৬৪ দশমিক ৪৪ শতাংশ বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে। সারাদিন পরিশ্রম করে নিম্ন আয়ের একজন মানুষ ডাল আর আলুভর্তা দিয়ে শান্তি করে দু’মুঠো ভাত খাবেন, তারও উপায় নেই। মাঝারি দানার মসুর ডালের দাম গত বছরের তুলনায় ৩৮ দশমিক ৪৬ শতাংশ বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে। বড় দানার মসুর ডাল ২১ দশমিক ৭৪ শতাংশ এবং ছোট দানার ডালের দাম ৯ দশমিক ৫২ শতাংশ বেড়েছে।

পেঁয়াজে ব্যাপক ঝাঁজ, মরিচে কড়া ঝাল

আগের চেয়ে কিছুটা দাম কমলেও ৮০ টাকার নিচে এক কেজি দেশি পেঁয়াজ মিলছে না। আমদানি করা ভারতের পেঁয়াজ কিনতে লাগছে ৬০ থেকে ৭০ টাকা। টিসিবি বলছেন, গত বছরের তুলনায় বর্তমানে দেশি পেঁয়াজ ১৩ দশমিক ৩৩ শতাংশ বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে। তবে আমদানি করা পেঁয়াজ ৭ দশমিক ১৪ শতাংশ কম দামে পাওয়া যাচ্ছে।

এদিকে বাজারে ২৫০ গ্রাম কাঁচা মরিচ কিনতে গুনতে হচ্ছে ৫০ টাকা। শুকনা মরিচের কেজি ২২০ টাকার নিচে নেই। টিসিবির হিসাবে, গত বছরের তুলনায় দেশি শুকনা মরিচের দাম ৫০ শতাংশ বেড়েছে। এছাড়া আমদানি করা আদার দাম বেড়েছে ৪২ দশমিক ৪২ শতাংশ। হলুদ, এলাচ, দারুচিনির পেছনেও বাড়তি অর্থ খরচ করতে হচ্ছে ভোক্তাদের।

সবজি ছুঁতে মানা

সুস্থ থাকার জন্য বিশেষজ্ঞরা বাড়তি সবজি খাওয়ার পরামর্শ দেন। নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য সেই সবজি এখন ছুঁতে মানা! দু-একটি বাদে বেশিরভাগ সবজির কেজি ৫০ টাকার ওপরে। এমনকি ১০০ টাকার ওপরে বিক্রি হচ্ছে একাধিক সবজি। অবস্থা এমন দাঁড়িয়েছে যে, তিনজনের পরিবারের জন্য ১০০ টাকার সবজি এখন একদিনও চলে না।

এছাড়া বাজারে শসার কেজি বিক্রি হচ্ছে ৪০-৬০ টাকায়, পেঁপে ৪০-৬০ টাকা, করলা ৫০-৭০ টাকা, পাকা টমেটো ১২০-১৪০ টাকা, শিম ১২০-১৪০ টাকা, গাজর ৮০-১০০ টাকা, বরবটি ৬০-৮০ টাকা, বেগুন ৫০-৭০ টাকা, ঝিঙে ৫০-৬০ টাকা, পটল ৪০-৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। শীতের আগাম সবজি ফুলকপি ও বাঁধাকপির পিস বিক্রি হচ্ছে ৩০-৫০ টাকায়।

এমএএস/এমএআর/এমএস

করোনা ভাইরাস - লাইভ আপডেট

৪,৫১,৮৩,৩০২
আক্রান্ত

১১,৮৩,৮১২
মৃত

৩,২৮,৮০,২৬৪
সুস্থ

# দেশ আক্রান্ত মৃত সুস্থ
বাংলাদেশ ৪,০৪,৭৬০ ৫,৮৮৬ ৩,২১,২৮১
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ৯১,৫৮,৪৩০ ২,৩৩,৫৬৫ ৫৯,৪৩,৯০০
ভারত ৮০,৮৩,৪২৮ ১,২১,০৭৭ ৭৩,৬৬,৫৬৮
ব্রাজিল ৫৪,৭৪,৮৪০ ১,৫৮,৬১১ ৪৯,৩৪,৫৪৮
রাশিয়া ১৫,৮১,৬৯৩ ২৭,৩০১ ১১,৮৬,০৪১
ফ্রান্স ১২,৮২,৭৬৯ ৩৬,০২০ ১,১৫,২৮৭
স্পেন ১২,৩৮,৯২২ ৩৫,৬৩৯ ১,৯৬,৯৫৮
আর্জেন্টিনা ১১,৩০,৫৩৩ ৩০,০৭১ ৯,৩১,১৪৭
কলম্বিয়া ১০,৪১,৯৩৫ ৩০,৭৫৩ ৯,৪১,৮৭৪
১০ যুক্তরাজ্য ৯,৬৫,৩৪০ ৪৬,৭০৬ ৩৪৪
১১ মেক্সিকো ৯,০৬,৮৬৩ ৯০,৩০৯ ৬,৬৩,৬৩৯
১২ পেরু ৮,৯৪,৯২৮ ৩৪,৩১৫ ৮,১৬,৬৮৮
১৩ দক্ষিণ আফ্রিকা ৭,১৯,৭১৪ ১৯,১১১ ৬,৪৮,৬৫৪
১৪ ইতালি ৬,১৬,৫৯৫ ৩৮,১২২ ২,৭৯,২৮২
১৫ ইরান ৫,৯৬,৯৪১ ৩৪,১১৩ ৪,৭২,৫৯৮
১৬ চিলি ৫,০৭,০৫০ ১৪,১১৮ ৪,৮৩,৯২২
১৭ জার্মানি ৪,৯৪,৪৬৫ ১০,৪১৩ ৩,৩৯,২০০
১৮ ইরাক ৪,৬৭,৭৫৫ ১০,৮১৫ ৩,৯৪,৩৮৬
১৯ ইন্দোনেশিয়া ৪,০৪,০৪৮ ১৩,৭০১ ৩,২৯,৭৭৮
২০ ফিলিপাইন ৩,৭৬,৯৩৫ ৭,১৪৭ ৩,২৯,৮৪৮
২১ তুরস্ক ৩,৭০,৮৩২ ১০,০৯৯ ৩,২০,৭৬২
২২ ইউক্রেন ৩,৭০,৪১৭ ৬,৮৬৮ ১,৫১,৬৩২
২৩ বেলজিয়াম ৩,৬৮,৩৩৭ ১১,১৭০ ২৩,৯৬৯
২৪ সৌদি আরব ৩,৪৬,৪৮২ ৫,৩৬৩ ৩,৩৩,০০৫
২৫ পাকিস্তান ৩,৩১,১০৮ ৬,৭৭৫ ৩,১২,৬৩৮
২৬ নেদারল্যান্ডস ৩,৩০,২৫৫ ৭,২৫৮ ২৫০
২৭ পোল্যান্ড ৩,১৯,২০৫ ৫,১৪৯ ১,২৯,২৬৭
২৮ ইসরায়েল ৩,১৩,১১৪ ২,৫০৮ ২,৯৯,৪৩৯
২৯ চেক প্রজাতন্ত্র ৩,০৩,৯৮৪ ২,৮২৬ ১,২০,২০৫
৩০ রোমানিয়া ২,২৯,০৪০ ৬,৭৬৪ ১,৬৩,৮৫২
৩১ কানাডা ২,২৭,৫৫০ ১০,০৬৭ ১,৯০,৪৯২
৩২ মরক্কো ২,১২,০৩৮ ৩,৫৭২ ১,৭৪,৯১১
৩৩ ইকুয়েডর ১,৬৪,৯০৮ ১২,৬০৮ ১,৪১,৭৫৯
৩৪ নেপাল ১,৬৪,৭১৮ ৯০৪ ১,২৪,৮৬২
৩৫ সুইজারল্যান্ড ১,৪৫,০৪৪ ২,২০০ ৬৫,১০০
৩৬ বলিভিয়া ১,৪১,৩২১ ৮,৬৯৪ ১,১০,৩০৩
৩৭ পর্তুগাল ১,৩২,৬১৬ ২,৪২৮ ৭৫,৭০২
৩৮ কাতার ১,৩২,১৫০ ২৩১ ১,২৯,১২৪
৩৯ পানামা ১,৩১,২৪৭ ২,৬৬৩ ১,০৭,৩৯১
৪০ সংযুক্ত আরব আমিরাত ১,৩০,৩৩৬ ৪৮৮ ১,২৬,১৪৭
৪১ ডোমিনিকান আইল্যান্ড ১,২৫,৯১৩ ২,২৩৪ ১,০৩,৯৪৪
৪২ কুয়েত ১,২৪,৬৬৬ ৭৬৭ ১,১৫,৪৭৫
৪৩ সুইডেন ১,২১,১৬৭ ৫,৯৩৪ ৪,৯৭১
৪৪ ওমান ১,১৪,৪৩৪ ১,২০৮ ১,০৩,০৬০
৪৫ কাজাখস্তান ১,১১,১০০ ১,৮২৫ ১,০৬,০৫৯
৪৬ মিসর ১,০৭,০৩০ ৬,২৩৪ ৯৯,১৭৪
৪৭ গুয়াতেমালা ১,০৬,৭৯০ ৩,৭০৪ ৯৬,১৮৭
৪৮ কোস্টারিকা ১,০৬,৫৫৩ ১,৩৪০ ৬৪,৯৯৬
৪৯ জাপান ৯৮,৮৫২ ১,৭৩৩ ৯১,৩২২
৫০ বেলারুশ ৯৬,৫২৯ ৯৭৩ ৮৫,৩৩২
৫১ ইথিওপিয়া ৯৫,৩০১ ১,৪৫৭ ৫০,৭৫৩
৫২ হন্ডুরাস ৯৫,১৯৯ ২,৬৫২ ৩৯,১২৬
৫৩ অস্ট্রিয়া ৯৩,৯৪৯ ১,০৫৬ ৬৩,৩৬৬
৫৪ ভেনেজুয়েলা ৯০,৮৭৬ ৭৮৪ ৮৫,৪০২
৫৫ চীন ৮৫,৯১৫ ৪,৬৩৪ ৮০,৯৪৩
৫৬ আর্মেনিয়া ৮৫,০৩৪ ১,২৭২ ৫৩,২৫৭
৫৭ বাহরাইন ৮১,০২২ ৩১৭ ৭৭,৬৯৭
৫৮ লেবানন ৭৭,৭৭৮ ৬১০ ৩৯,১২৩
৫৯ মলদোভা ৭৪,২৩৩ ১,৭৪৭ ৫৪,৪৯৫
৬০ হাঙ্গেরি ৬৮,১২৭ ১,৬৩৪ ১৭,৪৬৯
৬১ উজবেকিস্তান ৬৬,৩৯২ ৫৬১ ৬৩,৫৮১
৬২ জর্ডান ৬৫,৩৮৫ ৭৪০ ৭,৫০৮
৬৩ নাইজেরিয়া ৬২,৩৭১ ১,১৩৯ ৫৮,০৯৫
৬৪ প্যারাগুয়ে ৬১,২৯০ ১,৩৫৯ ৪১,২৮৮
৬৫ আয়ারল্যান্ড ৬০,২৯৭ ১,৯০২ ২৩,৩৬৪
৬৬ লিবিয়া ৫৯,৬৫৬ ৮৩১ ৩৩,৫৫০
৬৭ সিঙ্গাপুর ৫৭,৯৯৪ ২৮ ৫৭,৮৯৯
৬৮ কিরগিজস্তান ৫৭,৭৯৮ ১,৪৯৮ ৪৯,০৯৭
৬৯ আলজেরিয়া ৫৭,০২৬ ১,৯৪১ ৩৯,৬৩৫
৭০ তিউনিশিয়া ৫৪,২৭৮ ১,১৫৩ ৫,০৩২
৭১ আজারবাইজান ৫৩,১৫২ ৭০৮ ৪২,৫১৬
৭২ কেনিয়া ৫২,৬১২ ৯৬৪ ৩৫,৬০৪
৭৩ ফিলিস্তিন ৫২,৫৭১ ৪৭৩ ৪৫,৪৪৮
৭৪ স্লোভাকিয়া ৫১,৭২৮ ২০০ ১২,২২৭
৭৫ মায়ানমার ৫০,৪০৩ ১,১৯৯ ৩০,০০৭
৭৬ ঘানা ৪৭,৯৯১ ৩২০ ৪৭,১৩৬
৭৭ বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা ৪৬,৬৩৯ ১,১৮২ ২৭,৫৮০
৭৮ বুলগেরিয়া ৪৫,৪৬১ ১,১৯৭ ১৯,১৫৯
৭৯ ডেনমার্ক ৪৪,০৩৪ ৭১৬ ৩৩,৬০১
৮০ ক্রোয়েশিয়া ৪৩,৭৭৫ ৫১১ ২৯,২৩৩
৮১ সার্বিয়া ৪৩,৫৯২ ৮০৯ ৩১,৫৩৬
৮২ আফগানিস্তান ৪১,২৬৮ ১,৫৩২ ৩৪,২৩৯
৮৩ জর্জিয়া ৩৫,৫৬৭ ২৭৩ ১৬,৯০৪
৮৪ গ্রীস ৩৫,৫১০ ৬১৫ ৯,৯৮৯
৮৫ এল সালভাদর ৩৩,৪৪৫ ৯৬৭ ২৯,১৮৬
৮৬ স্লোভেনিয়া ৩০,৭০৫ ২৯২ ১০,৪০১
৮৭ মালয়েশিয়া ৩০,০৯০ ২৪৬ ১৯,৭৫৭
৮৮ উত্তর ম্যাসেডোনিয়া ২৯,৫৫৮ ৯৭৭ ১৯,৯৯৪
৮৯ অস্ট্রেলিয়া ২৭,৫৬৭ ৯০৭ ২৫,২৩৬
৯০ দক্ষিণ কোরিয়া ২৬,২৭১ ৪৬২ ২৪,১৬৮
৯১ ক্যামেরুন ২১,৭৯৩ ৪২৬ ২০,১১৭
৯২ আইভরি কোস্ট ২০,৫৫৫ ১২৪ ২০,২৪১
৯৩ আলবেনিয়া ২০,৩১৫ ৪৯৯ ১১,০০৭
৯৪ নরওয়ে ১৯,৩৫৫ ২৮১ ১১,৮৬৩
৯৫ মন্টিনিগ্রো ১৭,৭৪৬ ২৯০ ১৩,৭২৭
৯৬ মাদাগাস্কার ১৬,৯৬৮ ২৪৪ ১৬,৩০১
৯৭ লুক্সেমবার্গ ১৬,৩৫৬ ১৫০ ৯,৮৬৫
৯৮ জাম্বিয়া ১৬,৩২৫ ৩৪৮ ১৫,৫৮৫
৯৯ সেনেগাল ১৫,৫৯৩ ৩২৩ ১৪,৬৬০
১০০ ফিনল্যাণ্ড ১৫,৫৬৬ ৩৫৫ ১১,৩০০
১০১ সুদান ১৩,৭৬৫ ৮৩৭ ৬,৭৬৪
১০২ লিথুনিয়া ১৩,০৮৮ ১৫০ ৪,৫৮২
১০৩ নামিবিয়া ১২,৮৫৮ ১৩৩ ১০,৯৭২
১০৪ মোজাম্বিক ১২,৫২৫ ৯১ ১০,০০১
১০৫ উগান্ডা ১২,২০১ ১০৮ ৭,৪৬১
১০৬ গিনি ১১,৮৮৭ ৭১ ১০,৫৩৫
১০৭ মালদ্বীপ ১১,৬১৬ ৩৭ ১০,৭৩৩
১০৮ ড্যানিশ রিফিউজি কাউন্সিল ১১,২১১ ৩০৫ ১০,৫০৯
১০৯ তাজিকিস্তান ১০,৯৩৯ ৮২ ১০,১২৮
১১০ ফ্রেঞ্চ গায়ানা ১০,৪০৪ ৭০ ৯,৯৯৫
১১১ অ্যাঙ্গোলা ১০,০৭৪ ২৭৫ ৩,৬৯৩
১১২ শ্রীলংকা ৯,৭৯১ ১৯ ৪,১৪২
১১৩ হাইতি ৯,০৪৬ ২৩২ ৭,৪২২
১১৪ গ্যাবন ৮,৯৫৭ ৫৫ ৮,৬১৯
১১৫ জ্যামাইকা ৮,৯২৭ ২০২ ৪,৪২৯
১১৬ কেপ ভার্দে ৮,৫৪৮ ৯৪ ৭,৭০১
১১৭ জিম্বাবুয়ে ৮,৩২০ ২৪২ ৭,৮৪৫
১১৮ মৌরিতানিয়া ৭,৬৮৮ ১৬৩ ৭,৪০১
১১৯ গুয়াদেলৌপ ৭,৬০৫ ১২৬ ২,২৪২
১২০ ফ্রেঞ্চ পলিনেশিয়া ৭,২৬২ ২৯ ৪,৮৪২
১২১ কিউবা ৬,৭৬৬ ১২৮ ৬,১৩২
১২২ বতসোয়ানা ৬,৬৪২ ২৪ ৪,৬৭৬
১২৩ বাহামা ৬,৫৪৯ ১৩৬ ৪,১৮২
১২৪ মালাউই ৫,৯০৪ ১৮৪ ৫,৩০০
১২৫ ইসওয়াতিনি ৫,৮৮৬ ১১৬ ৫,৫৪২
১২৬ মালটা ৫,৮৬৬ ৫৯ ৩,৮৮০
১২৭ ত্রিনিদাদ ও টোবাগো ৫,৫৯৪ ১০৭ ৪,২৪৬
১২৮ সিরিয়া ৫,৫৮০ ২৭৮ ১,৮৬১
১২৯ জিবুতি ৫,৫৫৫ ৬১ ৫,৪২৭
১৩০ নিকারাগুয়া ৫,৫১৪ ১৫৬ ৪,২২৫
১৩১ রিইউনিয়ন ৫,৪৭২ ২২ ৪,৬৩০
১৩২ লাটভিয়া ৫,৩৯৫ ৬৪ ১,৪০৬
১৩৩ হংকং ৫,৩১৪ ১০৫ ৫,০৭৩
১৩৪ কঙ্গো ৫,২৫৩ ১১৪ ৩,৮৮৭
১৩৫ সুরিনাম ৫,১৯২ ১১১ ৫,০৪৬
১৩৬ রুয়ান্ডা ৫,১২৯ ৩৫ ৪,৮৫১
১৩৭ ইকোয়েটরিয়াল গিনি ৫,০৮৩ ৮৩ ৪,৯৬৪
১৩৮ সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিক ৪,৮৬৩ ৬২ ১,৯২৪
১৩৯ আইসল্যান্ড ৪,৭১৯ ১২ ৩,৭০১
১৪০ এস্তোনিয়া ৪,৬৭১ ৭৩ ৩,৬৮৪
১৪১ এনডোরা ৪,৫৬৭ ৭৩ ৩,২৬০
১৪২ আরুবা ৪,৪৫৫ ৩৭ ৪,২৬৫
১৪৩ মায়োত্তে ৪,৩৬৬ ৪৪ ২,৯৬৪
১৪৪ গায়ানা ৪,০৭৪ ১২৩ ৩,০৮৩
১৪৫ সোমালিয়া ৩,৯৪১ ১০৪ ৩,১৮৫
১৪৬ সাইপ্রাস ৩,৯৩০ ২৫ ১,৮৮২
১৪৭ থাইল্যান্ড ৩,৭৬৩ ৫৯ ৩,৫৭০
১৪৮ গাম্বিয়া ৩,৬৬৬ ১১৯ ২,৬৬৬
১৪৯ মার্টিনিক ৩,৫৫২ ৩০ ৯৮
১৫০ মালি ৩,৫৩৭ ১৩৬ ২,৬৮৬
১৫১ বেলিজ ৩,২৬১ ৫২ ২,০৭৬
১৫২ উরুগুয়ে ২,৯৮১ ৫৫ ২,৪৮১
১৫৩ দক্ষিণ সুদান ২,৮৯০ ৫৬ ১,২৯০
১৫৪ বেনিন ২,৬৪৩ ৪১ ২,৩৩০
১৫৫ বুর্কিনা ফাঁসো ২,৪৭১ ৬৭ ২,২১১
১৫৬ গিনি বিসাউ ২,৪০৩ ৪১ ১,৮১৮
১৫৭ সিয়েরা লিওন ২,৩৫৪ ৭৪ ১,৭৯২
১৫৮ টোগো ২,২৩৮ ৫৪ ১,৬২০
১৫৯ ইয়েমেন ২,০৬১ ৫৯৯ ১,৩৬৬
১৬০ নিউজিল্যান্ড ১,৯৪৯ ২৫ ১,৮৫৪
১৬১ লেসোথো ১,৯৪৭ ৪৩ ৯৭৫
১৬২ চাদ ১,৪৬৮ ৯৭ ১,৩০৬
১৬৩ লাইবেরিয়া ১,৪১৯ ৮২ ১,২৭৮
১৬৪ নাইজার ১,২১৮ ৬৯ ১,১৩২
১৬৫ ভিয়েতনাম ১,১৭৭ ৩৫ ১,০৬২
১৬৬ কিউরাসাও ৯০৭ ৬২৩
১৬৭ সান ম্যারিনো ৮৭২ ৪৫ ৭১৬
১৬৮ চ্যানেল আইল্যান্ড ৮৩৩ ৪৮ ৭১০
১৬৯ সিন্ট মার্টেন ৮০৫ ২২ ৭২৪
১৭০ ডায়মন্ড প্রিন্সেস (প্রমোদ তরী) ৭১২ ১৩ ৬৫৯
১৭১ টার্কস্ ও কেইকোস আইল্যান্ড ৭০৩ ৬৮৯
১৭২ জিব্রাল্টার ৬৮৮ ৫৮৪
১৭৩ পাপুয়া নিউ গিনি ৫৮৮ ৫৪৬
১৭৪ সেন্ট মার্টিন ৫৬৬ ৪৮৮
১৭৫ বুরুন্ডি ৫৫৯ ৫১১
১৭৬ তাইওয়ান ৫৫৩ ৫১৩
১৭৭ কমোরস ৫১৭ ৪৯৪
১৭৮ তানজানিয়া ৫০৯ ২১ ১৮৩
১৭৯ ফারে আইল্যান্ড ৪৯৪ ৪৭৯
১৮০ লিচেনস্টেইন ৪৭৬ ২৬৫
১৮১ ইরিত্রিয়া ৪৬১ ৪০৫
১৮২ মরিশাস ৪৩৯ ১০ ৩৮৯
১৮৩ আইল অফ ম্যান ৩৫২ ২৪ ৩২৪
১৮৪ ভুটান ৩৪৬ ৩১৫
১৮৫ মঙ্গোলিয়া ৩৪০ ৩১২
১৮৬ মোনাকো ৩৩৭ ২৫৬
১৮৭ কম্বোডিয়া ২৯০ ২৮৩
১৮৮ কেম্যান আইল্যান্ড ২৩৯ ২১৮
১৮৯ বার্বাডোস ২৩৪ ২১৭
১৯০ বারমুডা ১৯৪ ১৭৫
১৯১ সিসিলি ১৫৩ ১৪৯
১৯২ ক্যারিবিয়ান নেদারল্যান্ডস ১৫৩ ১৪৫
১৯৩ ব্রুনাই ১৪৮ ১৪৩
১৯৪ অ্যান্টিগুয়া ও বার্বুডা ১২৪ ১১৫
১৯৫ সেন্ট বারথেলিমি ৮৩ ৬৭
১৯৬ সেন্ট ভিনসেন্ট ও গ্রেনাডাইন আইল্যান্ড ৭৪ ৬৯
১৯৭ সেন্ট লুসিয়া ৭৩ ২৭
১৯৮ ব্রিটিশ ভার্জিন দ্বীপপুঞ্জ ৭১ ৭০
১৯৯ ম্যাকাও ৪৬ ৪৬
২০০ ডোমিনিকা ৩৮ ২৯
২০১ ফিজি ৩৩ ৩১
২০২ পূর্ব তিমুর ৩০ ৩১
২০৩ গ্রেনাডা ২৮ ২৪
২০৪ নিউ ক্যালেডোনিয়া ২৭ ২৭
২০৫ ভ্যাটিকান সিটি ২৭ ১৫
২০৬ লাওস ২৪ ২২
২০৭ সেন্ট কিটস ও নেভিস ১৯ ১৯
২০৮ গ্রীনল্যাণ্ড ১৭ ১৬
২০৯ সেন্ট পিয়ের এন্ড মিকেলন ১৬ ১২
২১০ মন্টসেরাট ১৩ ১৩
২১১ ফকল্যান্ড আইল্যান্ড ১৩ ১৩
২১২ পশ্চিম সাহারা ১০
২১৩ জান্ডাম (জাহাজ)
২১৪ সলোমান আইল্যান্ড
২১৫ এ্যাঙ্গুইলা
২১৬ মার্শাল আইল্যান্ড
২১৭ ওয়ালিস ও ফুটুনা
তথ্যসূত্র: চীনের জাতীয় স্বাস্থ্য কমিশন (সিএনএইচসি) ও অন্যান্য।
করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]